শীর্ষ সংবাদ

   দৈনিক সিলেট ডটকম-এ  বিজ্ঞাপণ দিন আপনার প্রতিষ্ঠানের সুনাম বিশ্বময ছড়িয়ে দিন


 

 
Page Rank
 
 ১৯-০৫-২০১৩ রবিবার
 
এই জনপদ
 
 
 
 
 

কাজী জমিরুল ইসলাম মমতাজ, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ
সুনামগঞ্জে মোটর সাইকেলসহ এক চোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার নাম সাইদুর রহমান(২৪)। সে সুনামগঞ্জ পৌর এলাকার উত্তর আরপিনগর পাড়ার মৃত নাজিম উদ্দিনের ছেলে।
রোববার ভোরে সদর থানার এস আই মোঃ আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ শহরের পশ্চিম বাজার এলাকা থেকে মোটর সাইকেলসহ তাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে । তার বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং ১৯। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মোটর সাইকেল মালিক জেলার তাহিরপুর উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের পৈলনপুর গ্রামের মোঃ আবুল কাশেম শহরের স্কয়ার কোম্পানীর রিপ্রেজেনন্টেভি (ঔষধ কোঃ) হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে মোটর সাইকেলযোগে নিজ বাড়ি তাহিরপুরে যান। সেখান থেকে রাতে সাইদুর রহমান মোটর সাইকেলটি চুরি করে শহরের পশ্চিম বাজারে নিয়ে আসে। খবর পেয়ে পুলিশ মোটর সাইকেল সহ তাকে গ্রেফতার করে।
এ ব্যাপারে সদর থানার এস আই মোঃ আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান,গ্রেফতারকৃত চোরের বিরুদ্ধে তানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
               

 
 
 
 
 
 
 

সুধাংশু শেখর হালদার,মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ
মৌলভীবাজারে মাদকাসক্তি ও মানসিক রোগ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বাস্থ্য শিক্ষাব্যুরো,স্বাস্থ্য অধিদপ্তর,সিভিল সার্জন কার্যালয়,মৌলভীবাজার ও বেসরকারি সংস্থা পরিপ্রেক্ষিত এ কর্মশালার আয়োজন করে শনিবার সকাল ১০টায় মৌলভীবাজার সিভিলসার্জন অফিস মিলনায়তনে ।মাদকবিরোধী কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ প্রশাসক, সাবেক গণ পরিষদ সদস্য মুক্তিযুদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ আজিজুর রহমান।ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডাঃ হেমন্ত কুমার দাসের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ১১নং মোস্তফাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ রুমেল আহমদ, মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মুহিব।মাদকাসক্তি ও মানসিক রোগ প্রতিরোধে সচেতনতামুলক কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, সিভিল সার্জন কার্যালয় মৌভীবাজারের  মেডিকেল অফিসার ডাঃ নজরুল ইসলাম। পরিপ্রেক্ষিতের প্রতিনিধি মেহেদী হাসান রুমীর পরিচালনায় মাদকাসক্তি ও মানষিক রোগ প্রতিরোধে সচেতনতামুলক কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন, মৌলভীবাজারের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মোঃ নাসির উদ্দিন, ট্রাক-ট্রেংলরি মালিক সমিতির সম্পাদক মোঃ আব্দুর রশিদ, বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সচিব আব্দুল ওয়াহেদ বাবলু, ইউপি সদস্য আব্দুস শহীদ প্রমূখ।রাজনৈতিক নেতা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কলেজ ছাত্র/ছাত্রী, বাস/ট্রাক মালিকগণ, বাস চালক, পেশাদার রক্তদাতা, সাংবাদিক সহ মোট ৩০জন এ কর্মশালায় অংশ গ্রহন করেন। বক্তারা বলেন, মাদকমুক্ত একটি সুন্দর দেশ গড়তে আমাদের যার যার অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। মাদকের ছোবল থেকে নিজেদের পরিবার, সমাজ ও দেশকে মুক্ত করতে হবে। মাদক আত্মঘাতী, আমাদের পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে ফেলে । মাদকের নেশায় অকালেই ঝরে যাচ্ছে দেশের লাখ লাখ মানুষ। তাই আর মাদক নয়। মাদকসেবন থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বস্তরের মানুষকে আহবান জানান বক্তরা ।
               

 
 
 
 
 
 
 

বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি:
মাসিক গোলাপ কুঁড়ি সম্পাদক মুহাম্মদ মুনতাসির আলী বলেছেন, বর্তমান ফ্যাসিবাদী সরকার গণমাধ্যমের কন্ঠ স্তব্ধ করে দৃঢ়চেতা সাংবাদিকদের বাকশালী আমলের মতো লোমহর্ষক নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকার আজ চরমভাবে ভুলুন্টিত। জাতিয় নেতৃবৃন্দ এবং সুশিল সমাজের অনেকেই আজ সরকারের রুষানলের শিকার। পুরো দেশটাই তারা আজ কারাগারে পরিণত করেছে। আমার দেশ সম্পাদক, জনপ্রিয় লেখক মাহমুদুর রহমান আজ গণধিকৃত সরকারের কারাগারে চরম নির্যাতিত। লেখনির মাধ্যমে সত্য প্রকাশের দায়ে মানবাধিকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে একজন জনপ্রিয় সম্পাদককে কারাগার ও রিমান্ডে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করা গোটা জাতির জন্যই লজ্জাজনক। আমার দেশ পত্রিকার ছাঁপাখানা জোর করে তালাবদ্ধ করে রাখা তাদের আরেকটি কালো অধ্যায়ের নমুনা। যা জাতির জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। অবিলম্বে মাহমুদুর রহমানকে মুক্তি দিয়ে পত্রিকার ছাঁপাখানা খুলে দিন। জনপ্রিয় টিভি চ্যানেল দিগন্ত টিভি ও ইসলামিক টিভি দেখার সুযোগ দিন। নইলে দেশবাসী আপনাদের ক্ষমা করবেনা।
তিনি রবিবার বিশ্বনাথে মাহমুদুর রহমানের নিঃশর্ত মুক্তি, আমার দেশ প্রেস, দিগন্ত টিভি ও ইসলামিক টিভি অবিলম্বে খুলে দেয়ার দাবীতে আমার দেশ পাঠক অনুরাগী ও শুভানুধ্যায়ীদের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথাগুলো বলেন।
আমার দেশ পাঠকমেলা বিশ্বনাথ উপজেলা শাখা সভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা শিব্বির আহমদ বিশ্বনাথীর সভাপতিত্বে ও সহ সভাপতি কাজী মাওলানা আব্দুল ওয়াদুদের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রামসুন্দর অগ্রগামী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল বারী, আমার দেশ বিশ্বনাথ উপজেলা প্রতিনিধি কবি নাজমুল ইসলাম মকবুল, মর্নিং স্টার একাডেমীর প্রিন্সিপাল সায়েফ আহমদ শায়েক, পরিচালক মাওলানা আব্দুল মতিন, সিলেট লেখক ফোরামের ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ফখর উদ্দিন, হাবিবুর রহমান, জাহেদ আহমদ, রশিদ আহমদ, রুকন উদ্দিন প্রমূখ।
               

 
 
 
 
 
 
 

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি আ.জ.ম. ওবায়দুল্লাহ বলেছেন- আমাদের প্রিয় মাতৃভুমি আজ সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে চরম অন্ধকার নিমজ্জিত। যারা আজ আমাদের নীতি নির্ধারনী পর্যায়ে আছেন তারা দেশের কথা চিন্তার চেয়ে নিজের আখের গোছাতেই বেশী ব্যস্ত। আমাদের জাতি যে স্বপ্ন নিয়ে স্বাধীনতা সংগ্রাম করে বিদেশী শক্তির হাত থেকে দেশের  সোনালী স্বাধীনতা  অর্জন করেছিন সেই স্বপ্ন আজ ভুলুন্ঠিত। সঠিক ও সৎ নেতৃত্বের কারনে আজ আমরা যতই সামনে এগিয়ে যাবার চেষ্টা করছি ততই পিছিয়ে যাচ্ছি। ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মীদের সেই স্থান পূরন করতে হবে। আমাদের জাতি আজ সৎ ও যোগ্য দেশ প্রেমিক নেতৃত্বের পানে অধীর আগ্রহে চেয়ে আছে।
তিনি রবিবার বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সিলেট মহানগরীর’র উদ্যোগে আয়োজিত বাছাইকৃত কর্মী শিক্ষা শিবির’১৩ অনুষ্টানে   প্রধান অতিথির বক্তব্যে উক্ত কথা বলেন।
ছাত্রশিবির সিলেট মহানগর এর ছাত্রকল্যান সম্পাদক এবাদুর রহমান এর সভাপতিত্বে ও প্রচার সম্পাদক সুহেল আহমদ এর  পরিচালনায় আয়োজিত শিক্ষা শিবির  অনুষ্টানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন  ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় এইচ.আর.ডি সম্পাদক বদিউল আলম। বিশেষ অতিথির আলোচনা  রাখেন সিলেট মহানগর সভাপতি এডভোকেট আনোয়ারুল ওয়াদুদ টিপু,সেক্রেটারী আব্দুর রাজ্জাক, সিলেট মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক আজিম উদ্দিন।
অন্যানের মাঝে উপস্থিত ছিলেন- সিলেট এম সি কলেজ সভাপতি নজরূ ইসলাম কলেজ বিভাগ সভাপতি ইউসুফ বিন নুরী চৌধুরী, শাহপরান থানা সভাপতি ইসলাম ্উদ্দিন প্রমুখ।

               

 
 
 
 
 
 
 

নগরীর আম্বরখানায় সন্ত্রাসী হামলায় হোটেল কায়কোবাদের ম্যানেজার জুবায়ের আহমদ জুয়েল গুরুতর আহত হয়েছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার রাত ১১টার দিকে হোটেল থেকে বাসায় ফেরার পথে তিনি হামলার শিকার হন। এসময় হামলাকারীরা তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল আগুনে পুড়িয়ে দেয়।
আহত জুবায়ের আহমদ জুয়েল জগন্নাথপুর উপজেলার তেঘরিয়া গ্রামের মৃত বশির মিয়ার পুত্র। বর্তমানে তিনি নগরীর শামিমাবাদ এলাকায় বাস করতেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ১১টার দিকে বাসায় ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন জুয়েল। এমন সময় সাদা রঙের একটি প্রাইভেট কারে আসা ৪ থেকে ৫ জন যুবক তার গতিরোধ করে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রেখে যায়।
এ সময় তারা জুয়েলের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি (সিলেট-ট-১১৫০৫২) ভাঙচুর করে ও আগুন ধরিয়ে দেয়।
পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
আহত জুয়েলের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন হোটেল কায়কোবাদের মালিক আনহার শিকদার।
তিনি বলেন, তার চিকিৎসা চলছে, তাকে রক্ত দেওয়া হচ্ছে।
           

 
 
 
 
 
 
 

দৈনিক সবুজ সিলেটের ষ্টাফ রির্পোটার ও শাহজালাল সিটি কলেজের প্রভাষক অহি আলম রেজা সন্ত্রাসী ও দূর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দু®কৃতকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেছেন বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফুল আলম নাসির ও সাধারণ সম্পাদক শাব্বীর আহমদ ফয়েজ। এক বিবৃতিতে তারা ২৪ ঘন্টার মধ্যে জড়িতদের গ্রেফতার দাবী করেন। অন্যতায় সিলেটের সাংবাদিকদের নিয়ে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
               

 
 
 
 
 
 
 

মাহবুবুর রশিদ,কানাইঘাট(সিলেট)প্রতিনিধি:
পানি সেঁচের মেশিন দ্বারা তৈরীকৃত রোড পারমিট বিহীন অবৈধ শত শত ট্রলির বিকট শব্দ ও কালো ধোঁয়ায় কানাইঘাট পৌর শহরের জনজীবন অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। মাত্র ৪০/৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে ট্রলি তৈরী করা যায় বলে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী লোকেরা অতি মুনাফা লাভের আশায় ইচ্ছেমত একাধিক ট্রলি তৈরী করে রাস্তায় নামিয়ে এলাকার গরীব ও অসহায় ছোট ছোট ছেলেদেরকে স্বল্প বেতনের বিনিময়ে এনে ট্রলির ড্রাইভিং করিয়ে থাকেন। ফলে মাত্র ১২/১৩ ছেলেরা তাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিপদ জনক ট্রলির ড্রাইভিং করে আসছে। এসব অদক্ষ চালকের বেপরোয়া ড্রাইভিংয়ের ফলে প্রতিনিয়ত কানাইঘাটের বিভিন্ন স্থানে ঘটছে সড়ক দূর্ঘটনা। বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, রোড পারমিটবিহীন এসব ট্রলির মালিকদের কাছ থেকে ট্রাফিক পুলিশ মাসুয়ারা আদায় করে থাকে। মাঝে মধ্যে দূর্ঘটনা ঘটলে স্থানীয় পুলিশ ঐসব ট্রলি জব্ধ করলেও প্রভাবশালীরা তদবির চালিয়ে থানা থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে যান। শিশু ও কিশোর বয়সের বেশ কয়েকজন ট্রলির চালকের সাথে কথা হলে তারা বলেন, পরিবারের অভাব অনোটনের কারনে স্বল্প বেতনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ড্রাইভিং করে থাকি। কোন ধরনের যানবাহন চলাচলের পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই তাদের। এদিকে যানজট মুক্ত নিরাপদ পৌরশহর ও জনদূর্ভোগ লাগবের জন্য স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগীরা দ্রুত পরিবেশ দূষণকারী ক্ষতিকর ট্রলির অবাধ যাতায়াত বন্ধসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
               

 
 
 
 
 
 
 

শাহিন আহমদ: সিলেট শাবিপ্রবি’র ৬ শিক্ষার্থীকে ছিনতাইয়ের মিথ্যা অভিযোগে আটক করেছে দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ। শনিবার বিকেল ৪টায় শাবিপ্রবি থেকে মোটর সাইকেল যোগে বেড়াতে আসা সুহেল, শাহিন, তানভীর, সুজিত, সাজু নামক ৬ শিক্ষার্থী তেলিবাজার সুনামগঞ্জ রোডে ত্রেমুখি নামকস্থানে একটি চায়ের দোকানে চা পান কালে দক্ষিণ সুরমা থানার অফিসার ইনচার্জ আহমদ নাসির উদ্দিন মোহাম্মদের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ৬ শিক্ষার্থীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে ওই শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা থানায় এসে শিক্ষার্থীদের পরিচয় প্রদান করলেও তাদেরকে ছাড়াতে পারেনি। অত:পর ২৫ হাজার টাকা উৎকোচের বিনিময়ে মোটর সাইকেল সহ তাদেরকে ছাড়িয়ে আনা হয়।
এ ব্যাপারে দক্ষিণ সুরমা থানার অফিসার ইনচার্জ আহমদ নাসির উদ্দিন মোহাম্মদের সাথে মোবাইল ফোনে আলাপ করলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও টাকা লেনদেনের ঘটনাটি এড়িয়ে যান।
               

 
 
 
 
 
 
 

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে অগ্নিকান্ডে ২টি দোকান ও ৫ টি বসত বাড়ি পুড়ে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। শনিবার ভোর রাতে দোয়ারা বাজার উপজেলা সদরের পশ্চিম বাজারে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। সিগারেটের আগুন থেকে এই অগ্নিকান্ডের সুত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারন করছে পুলিশ ও স্থানীয়রা।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, উপজেলা সদরের পশ্চিম বাজারে ভোর রাতে সিগারেটের আগুন থেকে আশিক আলমের বসত ঘরে এই আগুনের সুত্রপাত হয়। পরে আশপাশের দোকান ও বসত বাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পরে। আগুনে ২ টি দোকান ও ৫টি বসত বাড়ির সবকিছু পুড়ে ছাঁই হয়ে যায়। এলাকাবাসী দীর্ঘক্ষন চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। পুলিশ ও ক্ষতিগ্রস্থদের প্রাথমিক ধারনা অগ্নিকান্ডে আসবাবপত্র, স্বর্নালংকার ও নগদ টাকাসহ প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে ।
অগ্নিকান্ডের ঘটনায় আহত হয়েছেন তিন জন । তাদেরকে স্থানীয় দোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
দোয়ারাবাজার থানার ওসির দায়িত্বপ্রাপ্ত এস আই সুব্রত সরকার বলেন,  ‘প্রাথমিকভাবে ধারন করা হচ্ছে সিগারেটের আগুন থেকে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনাটি ঘটেছে। অগ্নিকান্ডে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।
               

 
 
 
 
 
 
 

কাজী জমিরুল ইসলাম মমতাজ, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সুনামগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে তৃণমূল পর্যায়ে নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ বিষয়ক এক ‘গোলটেবিল আলোচনা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার দুপুরে শহরের শহীদ জগৎজ্যোতি পাঠাগার মিলনায়তনে এ গোলটেবিল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মহিলা পরিষদের জেলা সভাপতি শীলা রায়’র সভাপতিত্বে গোলটেবিল বৈঠকে মূলবক্তব্য উপস্থাপন করেন সংগঠনের জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক গৌরি ভট্টাচার্য।
গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্য রাখেন, সুনামগঞ্জ সদর উপেজলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন। বিমেষ অতিখি’র বক্তব্য রাখেন, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. হেলিনা আক্তার, সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য পারভীন ইসলাম, সংগঠনের প্রকল্প সমন্বয়কারী খোদেজা আক্তার প্রমুখ।
গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা বলেন, নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে হবে এবং ঘরে-বাইরে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। নারীর মর্যাদা নিশ্চিত করতে নারী আন্দোলন শক্তিশালী করতে হবে।
               

 
 
 
 
 
 
 

ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহ আল হোসাইন বলেছেন, মেধাবীদেরকে আগামী দিনের সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ার জন্য এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের এই দেশ অপার সম্ভাবনার আধার। এ সম্ভাবনাময় দেশকে এগিযে নিতে মেধাবীরাই পারে সুন্দর ভূমিকা রাখতে। এস.এস.সি ও দাখিল উত্তীর্ণরাই এদেশের সম্পদ। তাদের এই অর্জন জাতিকে দেখাবে আলোর পথ।
শনিবার বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এস.এস.সি ও দাখিল কৃতি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি। শাখা সভাপতি শাহজাহান আহমদের সভাপতিত্বে সেক্রেটারী আব্দুর রশিদ দুদুর পরিচালনায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ছাত্রশিবির সভাপতি হোসাইন আহমদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা পশ্চিমের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল আজিজ, সাবেক সভাপতি জুবের আহমদ আহাদ, জেলা প্রকাশনা ও ছাত্র কল্যাণ সম্পাদক আব্দুল কাদির,  জেলা প্রচার ও পাঠাগার সম্পাদক এম. মুহিবুর রহমান, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর আব্দুল মান্নান, বর্তমান আমীর আব্দুস সালাম, নায়েবে আমীর এহসানুর রহমান ইরাক, ফেঞ্চুগঞ্জ কলেজ শিবির সভাপতি মারুফ আহমদ, শিবির নেতা সারোয়ার জামান, সাব্বির আহমদ, ফারদিন আহমদ, দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।
               

 
 
 
 
 
 
 

সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সংরক্ষিত ২ নং ওয়ার্ডের মরিয়ম বেগম ও ৭ নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর নাজনীন আক্তার কণার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার বিকালে নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানীতে তারা তাদের পক্ষে সকল কাগজপত্র দাখিল করেন। শুনানী শেষে তাদের দুজনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন বিভাগীয় কমিশনার এনএম জিয়াউল আলম।
এর আগে বুধবার বাছাইকালে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র না থাকায় তাদের মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছিলো।
এদিকে মনোনয়ন বৈধ হওয়ায় সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ নিতে মরিয়ম বেগম আর নাজনীন আক্তারের আর কোনো বাধা রইলো না।               

 
 
 
 
 
 
 

সিলেট মহানগর উলামা দল সভাপতি মাওলানা মঈন উদ্দিন ফয়েজ বলেছেন, দেশ আজ এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। দেশের এই নাজুক পরিস্থিতিতে তিনি উলামা দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীকে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সরকার পতনের আন্দোলনে ময়দানে সক্রিয় থাকার আহবান জানান।
শুক্রবার ১৭ মে বাদ মাগরিব মহানগর উলামা দলের উদ্যোগে মাওলানা মঈন উদ্দিন ফয়েজ-এর যুক্তরাজ্য গমন উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ সভায় তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। 
উল্লেখ্য, মঈন উদ্দিন ফয়েজ আগামী ২০ মে সোমবার বিকেল ৩ টায় সিলেট ওসমানী বিমান বন্দর থেকে যুক্তরাজ্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন। যুক্তরাজ্য সফরকালে তিনি বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করবেন। আগামী ২০ জুন তার দেশের প্রত্যার্বতন  করার কথা রয়েছে। তার অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দলের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা শিব্বির আহমদ।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাশহুদ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আব্দুস ছালাম, মুফতি মাওলানা নোমান আহমদ, প্রচার সম্পাদক মাওলানা আব্দুল কাদির, মাওলানা আব্দুল্লাহ প্রমুখ।
               

 
 
 
 
 
 
 

অতীতকে মূল্যায়ন করতে হবে।অতীতকে মূল্যায়নের মাধ্যমে জীবনে সফলতা সম্ভব।সুমনের জন্য তার মা বাবা যে কষ্ট করেছেন সে অনুভব থেকেই বইয়ের প্রকাশনা এই বইয়ে প্রকাশিত ছবির মাধ্যমে তিনি অতীতকে খুজে পাওয়ার প্রয়াস চালিয়েছেন।সুমন আহমদ এর ”হোয়াট আই হেভ ফরগর্টেন কুড ফিলএন অশেন,হোয়ার্টইজ নর্ট রিয়েল নেভার লিভড” এর মোড়ক উম্মোচন অনুষ্টানে বক্তারা একথা বলেন।
শুক্রবার বিকালে সিলেট ষ্টেশন ক্লাবে সিলেট ফটোগ্রাফিক সোসাইটি’র উদ্যেগে সুমন আহমদ এর ফটোগ্রাফিক বিষয়ক বই ”হোয়াট আই হেভ ফরগর্টেন কুড ফিলএন অশেন,হোয়ার্টইজ নর্ট রিয়েল নেভার লিভড”এর মোড়ক উম্মোচন করেন সুমন আহমদ এর গর্ভধারিনী মা খালেদা বেগম ও বাবা আজির উদ্দিন। সিলেট ফটোগ্রাফিক সোসাইটি’র সভাপতি সাইফুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্টানে ^স্বাগত বক্তব্য রাখেন সুমন আহমদ। সম্মানিত অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সিলেট ষ্টেশন ক্লাবের প্রেসিডেন্ট মো: নজরুল ইসলাম, সিলেট ফটোগ্রাফিক সোসাইটি’র উপদেষ্টা নিজাম উদ্দিন লস্কর ময়না,মোস্তফা শাহ জামাল চৌধুরী বাহার,সিলেট গ্যাস ফিল্ডের ম্যানেজার (প্ল্যানিং) হেলাল উদ্দিন,আবত্তিকার আমিনুল ইসলাম লিটন, সিলেট ফটোগ্রাফিক সোসাইটি’র সাবেক সভাপতি মো: ফখরুল ইসলাম,আব্দুল মোনায়েম প্রমুখ।
উল্লেখ্য সুমন আহমদ এর বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জের এর হেতিমগঞ্জ।
               

 
 
 
 
 
 
 

সিলেট নগরীর নবাব রোডস্থ ইসলামী আদর্শ যুব সমাজের উদ্যোগে সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ই.এন.টি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. নুরুল হুদা নাঈমের তত্ত্ববাধানে ও নিরাময় পলি ক্লিনিকের সহযোগিতায় ১৭ মে শুক্রবার বিকেলে পলি ক্লিনিকে অসহায় ও গরীব শিশুদের ফ্রি খৎনা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
এ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় ইসলামী আদর্শ যুব সমাজের সভাপতি আব্দুল হক-এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা এখলাছুর রহমানের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী আদর্শ যুব সমাজের প্রধান পৃষ্ঠপোষক মাওলানা ক্বারী রফিকুল ইসলাম মোস্তাক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ই.এন.টি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. নুরুল হুদা নাঈম, নিরাময় পলি ক্লিনিকের পরিচালক মাওলানা জুনেদ আহমদ, মাওলানা মোস্তাক হোসেন, ফারুক আহমদ, নিরাময় পলি ক্লিনিকের জি.এম মোঃ সোহরাব আলী, কাউন্সিলর আমেনা বেগম রুমি, বিশিষ্ট সমাজসেবী রফিকুল ইসলাম ঝলক, ডা. খান সাইদুর রহমান, ডা. সুশান্ত সিনহা, ডা. সঞ্জয় সাহা, ডা. সৈয়দা আমিনা মুছা, ডা. রওশন আক্তার লিজা।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন, মাওলানা জাফর আহমদ সিরাজী, মাওলানা উবায়দুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার ইমাদ হোসেন, সামছুদ্দিন আহমদ, মাওলানা আনছার উদ্দিন, মাওলানা আফতাবুর রহমান ইদ্রিস, আখতার হোসেন, মাওলানা মুজাহিদুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল ওয়াদুদ, ইকবাল হোসেন, সাব্বির আহমদ লায়েক, মোহাম্মদ রানা, মাওলানা ফয়জুর রহমান, কামাল উদ্দিন, আবুল কাসেম ও নাজিম উদ্দিন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মাওলানা ক্বারী রফিকুল ইসলাম বলেন, মুসলমান হয়ে জন্ম নেওয়াটাই আমাদের সৌভাগ্য। খৎনা মুসলমান সম্প্রদায়ের একটি সুন্নত কাজ। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:)’র আদর্শ মেনে চলা মুসলমানদের জন্য অপরিহার্য বিষয়। তিনি আরো বলেন, মানব সেবায় যারা ব্রত থাকেন তারা আল্লাহর নিকট অত্যন্ত প্রিয় ব্যক্তি হিসেবে গণ্য হবেন। যেহেতু মানব কল্যাণ ও সেবাধর্মী কাজ ইবাদতের শামিল। তাই আর্তমানবতার সেবা একটি মহৎ কাজ। এ কাজে সচেতন মহল এগিয়ে আসা উচিত। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাওলানা মুজাহিদুল ইসলাম। পরিশেষে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা উবায়দুর রহমান। উল্লেখ্য, এলাকার ২৫ জন শিশুকে বিনামূল্যে লুঙ্গি, টুপি, গেঞ্জি, স্যান্ডেল সহ খৎনা প্রদান করা হয়।
               

 
 
 
জনমত জরিপ

দেশের বর্তমান সমস্যা সমাধানে দুই নেত্রীর মধ্যে সংলাপ জরুরী---আপনি কি এই বক্তব্য সমর্থন করেন?

 
হ্যাঁ না
 
 

ফলাফল দেখুন

  ছবি কথা বলে
 
 
r
vf
gg
d
gg
yyy
tty
dd
 
 
 
বিএনপি’র মেয়র প্রার্থী নিয়ে জটিলতার অবসান, আরিফ হতে পারেন ১৮ দলীয় জোটের প্রার্থী
 

বিএনপি’র মেয়র প্রার্থী নিয়ে জটিলতার অবসান হয়েছে বলে বিভিন্ন সুত্র থেকে জানাগেছে।শেষ পর্যন্ত  আরিফুল হক চৌধুরীই হবেন চূড়ান্ত প্রার্থী।
 ২/১ দিনের মধ্যে দলের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী সিলেটে আসে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের প্রার্থী ঘোষণা করবেন।
জানা গেছে, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে সিলেট সিটি কর্পোরেশনে বিএনপি’র প্রার্থী হিসাবে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও মহানগর শাখার সাবেক সভাপতি আরিফুল হক চৌধুরীকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি। এ নিয়ে রোববার জরুরী বৈঠক করছে মহানগর বিএনপি। মহানগর বিএনপির সভায় মেয়র নির্বাচন নিয়ে সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে।
১৮ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতের সাথেও বিষয়টি আলাপ-আলোচনা চলছে। জামায়াতের প্রার্থী হিসাবে দলের মহানগর শাখার সভাপতি এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।অন্য একটি সুত্রমতে জামায়াতের সাথে আলোচনা ফলপ্রসু হলে শেষ পর্যন্ত আরিফুল হক চৌধুরী ১৮ দলীয় জোটের প্রার্থী হতে পারেন।               

 
 
নাগরিক অধিকার বাস্তবায়নে আরিফুল হক চৌধুরীর বিকল্প নেই
 

নগর উন্নয়ন ও নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদের সভায় বক্তারা বলেছেন, সিলেট নগরীর আজ চরম অবহেলার নগরীতে পরিণত হয়েছে। অধিকার বঞ্চিত নগরবাসী হতাশায় ভুগছে। নগরীর জলাবদ্ধতা, অব্যবস্থাপনা নিত্যসঙ্গী হয়ে দাড়িয়েছে। এক্ষেত্রে নগর কর্তৃপক্ষের স্বেচ্ছাচারিতা ও যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণের ব্যর্থতাই একমাত্র কারণ।
বক্তারা বলেন, বিগত জোট সরকারের আমলে সিলেট নগরীর উন্নয়নে জননেতা আরিফুল হক চৌধুরীর উন্নয়ন কর্মকান্ডই মডেল নগরী গড়ার ক্ষেত্রে দক্ষতা ও যোগ্যতার প্রমাণ বহন করছে। নগরীর উন্নয়ন ও নাগরিক অধিকার বাস্তবায়নে আরিফুল হক চৌধুরীর বিকল্প নেই। তাই নগরবাসীর ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় এখনই সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়।
রোববার দুপুরে পরিষদের আহ্বায়ক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক এইচ এম আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন হেফাজতে ইসলাম নেতা, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা রফিকুল ইসলাম মুস্তাক, পরিবহন নেতা আব্দুস সাত্তার মামুন, সমাজসেবী নাজমুল ইসলাম রিপন, বাবু মনোজ কুমার দাস, নজরুল ইসলাম, ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেন চৌধুরী, শ্রমিক নেতা ইউনুছ মিয়া, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলাউর রহমান, সাংস্কৃতিক কর্মী জুরেজ আব্দুল্লাহ গুলজার, তাজিদুর রহমান তাজুল, শ্রমিক নেতা কাওসার আহমদ, মুফতী ইয়াসির প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি

 
 
এম সি কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের আবার বন্দুক যুদ্ধ, সাংবাদিক লাঞ্ছিত
 

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সিলেটের এমসি কলেজে ছাত্রলীগ আবার বন্দুক যুদ্ধ করেছে। জেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিরণ মাহমুদ নিপু ও অব্যাহতিপ্রাপ্ত সভাপতি পঙ্কজ পুরকায়স্থ গ্রুপের মধ্যে বন্দুক যুদ্ধ হয়েছে। এ সময় কমপক্ষে ৩০ রাউন্ড গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। তাদের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন সময় টিভির স্টাফ রিপোর্টার আব্দুল আহাদ ও ক্যামেরাপার্সন নওশাদ। তারা তাদের ক্যামেরাও ছিনিয়ে নেয়। রবিবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। বেলা পৌণে ১টায় পংকজ গ্রুপ রাজপাড়ার দিকে চলে যায়। ক্যাম্পাসের নিয়ন্ত্রণ নেয় নিপু গ্রুপ।
প্রত্যদর্শীরা জানান, এমসি কলেজ ও টিলাগড়ে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ছাত্রলীগের পঙ্কজ ও হিরণ গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। কয়েক দিন আগে পঙ্কজ গ্রুপকে হটিয়ে ক্যাম্পাসের নিয়ন্ত্রণ নেয় হিরণ গ্রুপ।
রবিবার দুপুর ১২টার দিকে পঙ্কজ পুরকায়স্থের গ্রুপের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসের দখল পুনরুদ্ধারে গেলে হিরণ মাহমুদ নিপু গ্রুপের নেতাকর্মীদের সাথে সংঘর্ষ বাধে। ক্যাম্পাসজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ছাত্র-ছাত্রীরা আতঙ্কে দিকবিদিক ছুটোছুটি শুরু করেন। বন্ধ হয়ে যায় টিলাগড় এলাকার দোকানপাট। বর্তমানে ক্যাম্পাসের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন নিপু গ্রুপ।
ক্যাম্পাসে নিপু গ্রুপের কর্মীরা লাঞ্ছিত করে সাংবাদিক আহাদ ও নওশাদকে। এ সময় তারা তাদের ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়। পরে তারা তাদের ক্যামেরা ভেঙ্গে ফেরত দেয়।
               

 
 
তারেক রহমান এর ব্রাসেলস সফর এবং লন্ডনে সোমবারের সভাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বিরাজ করছে
 

সৈয়দ শাহ সেলিম আহমেদ, লন্ডন থেকে:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব ও বর্তমানে লন্ডনে চিকিৎসাধীন, বেগম খালেদা জয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমান গত ১৭ই মে শুক্রবার হঠাৎ করে ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলস-এ গিয়েছেন। তারেক রহমানের হঠাৎ করে ব্রাসেলস গমন লন্ডনে রাজনৈতিক এবং বাংলা মিডিয়ায় বেশ গুঞ্জন ও আলোচনার খোঁরাক জুগিয়েছে। বিগত মঈন উদ্দিন-ফখর উদ্দিনের তত্বাবধায়ক সরকারের দ্বারা নির্যাতিত বিএনপির এই তরুণ নেতা লন্ডনে পাড়ি জমানোর পর থেকেই বলা যায়, অনেকটা নীরবে ও মিডিয়াকে এমনকি বিএনপি দলীয় সকল নেতা-কর্মীদের এড়িয়ে লন্ডনের সাসেক্স-এর এক অভিজাত নিরিবিলি এলাকায় প্রায় চুপ-চাপ অবস্থায় দিনযাপন করে আসছিলেন। ঐ সময়কালীন সময়ে অনেক মিডিয়া এবং বিএনপি দলীয় নেতা-কর্মী শত চেষ্টা করেও তারেক রহমানের সাক্ষাত পাননি কিংবা সক্ষম হননি। মরহুম কমর উদ্দিন জীবিত থাকাকালীন কেবলমাত্র কমর উদ্দিন এবং তার ঘনিষ্ঠ লোকজন তারেক রহমানের নিকটবর্তী হতে পেরেছিলেন। চিকিৎসকের শরণাপন্ন আর মেয়ে জাইমাকে নিয়ে মাঝে-মধ্যে শপিং ট্রিপ ছাড়া খুব কমই তারেক রহমান জনসমক্ষে এসেছেন। বলা যায়, তিনিই নিজেকে অনেকটা নেতা-কর্মী থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিলেন।

ইতিমধ্যে তারেক রহমান লন্ডনে এসাইলাম প্রাপ্তির খবর বিভিন্ন সংবাদ পত্রে ও মিডিয়ায় আলোচিত হয়েছে, যদিও স্থানীয় বিএনপির অনেক নেতা-কর্মী তারেক রহমানের এসাইলাম প্রাপ্তির সংবাদের সত্যতা মানতে রাজি নন। যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক স্থগিত কমিটির নেতা আব্দুল মালিক তারেক রহমানের এসাইলাম নেয়ার যৌক্তিকতা না থাকার পেছনে বেশ নাতি-দীর্ঘ রাজনৈতিক বক্তব্য উপস্থাপন ইতিমধ্যেই বাংলা মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে।

এমনি অবস্থায়, গত কিছুদিন আগে সপরিবারে তারেক রহমান যুক্তরাজ্য থেকে সৌদি আরব গমন করেন, সেখানে মহানবী সাল্লাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রওজা মোবারক জেয়ারত ও ওমরাহ পালন করেন। লন্ডনের ফিরে আসার প্রাক্কালে প্রথমবারের মতো সৌদি আরব বিএনপির প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার সচিত্র সংবাদ দেশে-বিদেশে প্রকাশিত হয়েছে। আর মূলত: ওমরাহ পালনের মধ্য দিয়েই তারেক রহমান বিএনপির রাজনীতিতে তার সক্রিয়তার জানান দিয়েছিলেন বলেই অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত। কেননা, তারেক রহমানকে কাছে থেকে যারা পর্যবেক্ষণ করে আসছেন, তারা সকলেই একমত যে, তারেক মূলত এক নির্দিষ্ট ছক বা প্ল্যান-প্রোগ্রামের ভিতর দিয়ে রাজনীতি করতে অভ্যস্ত। ইতিমধ্যে অসুস্থতার সুযোগে তারেক রহমান নিজের রাজনৈতিক কর্ম-পরিকল্পনার এক ডায়াগ্রাম করে নিয়েছেন, আর যার ফলশ্রুতিস্বরূপ ধীরে ধীরে নিজেকে রাজনীতির পাদ-প্রদীপে আবার উপস্থাপন করতে আছেন বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলস অনেক বাংলাদেশী যেমন রয়েছেন, একই সাথে ইউরোপীয় রাজনীতির কেন্দ্রস্থল হওয়াতে বর্তমানে ব্রাসেলস-এর গুরুত্ব অনেক বেশী। এছাড়াও সেখানে রয়েছেন, আমাদের ঢাকার রাজনীতিতে নীতি-নির্ধারনী পর্যায়ের বেশ কিছু যোগ-সূত্র এবং তারেকের ঘনিষ্ঠ এক ডাক্তার বন্ধু, যিনি ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সাথে বেশ সখ্যতা পূর্ণ সম্পর্কও রয়েছে। তাছাড়া ইউরোপের রাজনীতিতে এবং আমাদের দেশে ইউরোপীয় লবির সবচাইতে শক্তিশালী প্রতিনিধি জার্মান লবীর অনেক হর্তা-কর্তাও ব্রাসেলসে থাকেন। অপরদিকে, গত আগস্ট থেকেই সর্ব-ইউরোপীয় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা ব্রাসেলসে তারেক রহমান কে নিয়ে সক্রিয় হওয়ার ও মিলিত হওয়ার গ্রাউন্ড ওয়ার্ক করে আসছিলেন, শুধু অপেক্ষায় ছিলেন তারেক রহমানের গ্রীণ সিগন্যালের। মূলত সেখানে বাংলাদেশ ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের নেতা-কর্মী এবং আগামী নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাই, নির্বাচনী কৌশল, নির্বাচনী তহবিল গঠনের লক্ষ্যেই আগে থেকেই পরিকল্পিত অতিগোপণীয় এক সভায় অংশ গ্রহণের জন্য বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে তারেক রহমান গত শুক্রবার গমন করেছেন। আর সেখানে তার অগ্রবর্তী টিম হিসেবে লন্ডন থেকে বেশ কয়েকজন বিএনপিমনা ব্যবসায়ী ১৩ ও ১৪ মে গমন করেছেন, যারা ব্রাসেলসের ঐ বৈঠকে তারেক রহমানের সঙ্গে মিলিত হবেন। স্থানীয় বিএনপির অনেক নেতা-কর্মী এ বিষয়ে আগাম কিছুই যেমন অবগত নন, একইসাথে লন্ডনের বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের কোন কোন নেতা এখন পর্যন্ত এব্যাপারে অবগত না থাকার কারণেই দলীয় এবং দলের বাইরে তারেক রহমানকে নিয়ে বা তারেকের ব্রাসেলস গমনে গুঞ্জন আলোড়িত হচ্ছে।

এদিকে, আগামী ২০শে মে সোমবার লন্ডনের ইষ্ট হ্যাম হলে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত প্রতিনিধি সভাকে কেন্দ্র করে বিএনপি এবং এর অঙ্গ সংগঠনসমূহের নেতা-কর্মীদের মাঝে বেশ উত্তেজনা ও উৎসাহ পরিলক্ষিত হচ্ছে। ইষ্টহাম সেন্টারের এই সভায় বলা হচ্ছে তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আয়োজক বিএনপির অন্যতম এক নেতা এব্যাপারে নিশ্চিত করে দাওয়াতও দিয়েছেন।

যুক্তরাজ্যে বিএনপি নানা ভাগে ও গ্রুপে বিভক্ত। ব্রিটেনের ৪০টি শাখা ও বিভিন্ন জোনালের রয়েছে অগণিত নেতা-কর্মী, অথচ সঠিক নেতৃত্ব ও একক কেন্দ্রীয় কমিটির অভাবে দলটি নানা কোন্দলে জর্জরিত। ইতিমধ্যে এইসব কোন্দলের কারণে অনেক সভা-সমাবেশ এমনকি সংবাদ সম্মেলন পর্যন্ত নানা অপ্রীতিকর ঘটনার মধ্য দিয়ে নস্যাৎ হয়েছে। সোমবারের এই সভা মূলত যৌথভাবে বলা হলেও খোজ নিয়ে জানা যায়, বিএনপির এক অংশ তাদের বিরোধী অপর অংশকে বাদ দিয়েই এই সভার আয়োজন করেছে, যেখানে তারেক রহমানের উপস্থিতি থাকার কথাও রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। বিএনপির এই সভার আয়োজকরা বলছেন, তারেক রহমান এই সভায় যুক্তরাজ্য বিএনপির নতুন কমিটি গঠন করবেন, যা মূলত তিনি বেশ আগে থেকেই যুক্তরাজ্য বিএনপির কমিটি গঠনের কাজে হাত দিয়েছেন বলে জোরালো ভাবে এই সভার আয়োজনকারীরা লন্ডনে বলে বেড়াচ্ছেন, দাওয়াতও তারা সেইভাবে দিচ্ছেন।

এই সংবাদ বিএনপির অপর অংশের কাছে যখন পৌঁছে, তখন বিভিন্ন মোবাইল ফোনের এসএমএস ম্যাসেজ ও সোশ্যাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ঐ অংশের সভা আহবানে ক্ষোভ প্রকাশ হতে থাকে। বাংলা বাজার ও মধুবন, আলাউদ্দিন সুইটের দোকান ও ইষ্ট লন্ডন এর বাংলা পাড়ায় এ নিয়ে অনেক বিএনপি নেতা-কর্মীদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ইষ্টহামের এই আলোচনা সভায় কমিটি করাকে কেন্দ্র করে অতীতের মতো সংঘর্ষে রূপ নিতে পারে, অন্তত নেতা-কর্মীদের মারমুখী আচরণে তাই মনে হচ্ছে।

এদিকে হঠাৎ করে লন্ডনে তারেক রহমানের বিএনপির সভায় উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে নিজেদের দলীয় আধিপত্য বিস্তার ও তারেকের নজর কাড়ার জন্য উভয় অংশ এখন মরিয়া। বিএনপির উভয় অংশই ঐ সভায় নিজেদের শো-ডাউনে ব্যস্ত। আর তাতেই সংঘর্ষের আশংকা ঘনীভূত হচ্ছে। বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন ও জোনালের নেতা-কর্মীদের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করলে জানা যায়, তাদের অধিকাংশই এখন(শনিবার মধ্য রাত্রি) পর্যন্ত সোমবারের সভার দাওয়াত পাননি। অনেকেই ধারণা করছেন, সভা মূলত বিএনপির যৌথ সভা বলা হলেও নিজ গ্রুপের ঘনিষ্ঠ নেতা-কর্মীদের নিয়েই সম্পন্ন করা হবে, যাতে নিজেদের পক্ষে যুক্তরাজ্য বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি নেয়া যায়। এই সভার বিরোধী পক্ষও নিজেদের শক্তিমত্তা নিয়ে সভায় উপস্থিতির জন্য মরিয়া, এতেই কমিউনিটির মধ্যে অনেকেই শঙ্কিত। কেননা ইতিপূর্বে বিএনপির প্রায় সকল অনুষ্ঠানেই মারামারি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বিগত সময়ে ওয়াটার লিলির সভায় বিরোধীদলীয় চীফ হুইপ জয়নুল আবদীন ফারুকের উপস্থিতিতে একে অন্যের সাথে হাতাহাতির পর্যায়ে চেয়ার ছুড়াছুড়ির ঘটনা ঘটেছিলো। ব্রাডি আর্ট সেন্টারের সভায় স্থগিতকৃত কমিটির যুগ্ম-আহবায়কের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনাতে সভায় উপস্থিত প্রধান অতিথি বিএনপি চেয়ার পার্সনের উপদেষ্টা মেজর (অব:) রুহুল আমিনকে সভাস্থলে ফেলেই তড়িঘড়ি করে বিএনপির স্থানীয় দুই নেতা সভাস্থল ত্যাগের ঘটনাও মিডিয়ার ও কমিউনিটির  মুখরোচক আলোচনায় স্থান করে নিয়েছিলো বেশ কিছুদিন। এমনকি স্থগিত কমিটির সাংবাদিক সম্মেলনের সময়ও অপর বিদ্রোহী কমিটিও কতিপয় নেতা-কর্মী হামলা চালিয়েছিলেন।

অতি সম্প্রতি হাউস অব কমন্সে নিউহ্যাম বিএনপি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির উপর যে আলোচনা সভার আয়োজন করেছিলো সেখানেও টাওয়ার হ্যামলেটস বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেয়াকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছিলো।

এদিকে তারেক রহমানের উপস্থিতি থাকার কথা বলে বিএনপির নেতা-কর্মীদের দাওয়াত দেয়া হচ্ছে বলে সভার দাওয়াত প্রাপ্ত  নেতা নিশ্চিত করেছেন। বর্তমানে তারেক রহমান বেলজিয়ামে রয়েছেন। কবে ফিরবেন লন্ডনে, বিএনপির কোন পর্যায়ের কোন নেতা-কর্মীর কাছে কোন ধারণা নেই। বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে সর্ব-ইউরোপীয় বিএনপি এবং বিশেষ ঐ সভা  সোমবার রাতে অথবা মঙ্গলবারের কোন এক সময় হওয়ার কথা রয়েছে। ঢাকা থেকে বেশ কয়েকজন ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি হংকং ও সিঙ্গাপুর হয়ে সোমবারে বেলজিয়ামে আসার কথা রয়েছে। যুক্তরাজ্য বিদ্রোহী গ্রুপের এক নেতা বলে বেড়াচ্ছেন, তিনি টেলিফোনে তারেক রহমানকে সোমবারের লন্ডনের ইষ্টহামের সভায় অনুপস্থিত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ এক সূত্র দাবি করেছে, যুক্তরাজ্য বিএনপিতে তারেক চমক দেখাবেন, নতুন নেতৃত্বে যুক্তরাজ্য বিএনপিকে তিনি সাজাবেন। সেলক্ষ্যেই তারেক রহমান কাজ করে যাচ্ছেন।

১৮ই মে ২০১৩, ইউকে।  
    
                              

 
 
বন্ধ সংবাদ মিডিয়া খুলে দেয়ার দাবি ১৫ সম্পাদকের
 

দৈনিক আমার দেশ প্রকাশ, দিগন্ত ও ইসলামিক টিভির সমপ্রচার এবং সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের মুক্তি দাবি জানিয়েছেন ১৫টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক। শনিবার এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এ দাবি জানান। মিডিয়ার ওপর সরকারের চলমান পদক্ষেপকে গণমাধ্যম ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে আশঙ্কাজনক হুমকি হিসেবে অভিহিত করে তারা  উদ্বেগ প্রকাশ করেন। মাহমুদুর রহমানের মা ও সংগ্রাম সম্পাদকের মামলা প্রত্যাহার করারও দাবি জানান সম্পাদকগণ।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী সম্পাদকরা হলেন:- ইন্ডিপেন্ডেন্ট সম্পাদক মাহবুবুল আলম, সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, নয়াদিগন্ত সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন, নিউজ টুডে সম্পাদক রিয়াজউদ্দিন আহমেদ, ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন, মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, দ্য ফিনান্সিয়াল এঙপ্রেস সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন, নিউ এইজ সম্পাদক নুরুল কবীর, কালের কন্ঠ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, নিউ নেশন সম্পাদক মোস্তফা কামাল মজুমদার, দৈনিক সংবাদ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুনীরুজ্জামান, বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম ও যুগান্তরের নির্বাহী সম্পাদক সাইফুল আলম।

বিবৃতিতে সম্পাদকগণ বলেন, ‘দৈনিক আমার দেশ’র প্রেসে তালা দিয়ে পত্রিকার ছাপা বন্ধ করা, পত্রিকাটির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতারের পর নির্যাতনের অভিযোগ, বিকল্প ব্যবস্থায় ছাপতে না দেয়া, আমার দেশ পাবলিকেশন্স লিমিটেডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাহমুদা বেগম ও দৈনিক সংগ্রাম সম্পাদক আবুল আসাদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা এবং বেসরকারি টিভি চ্যানেল দিগন্ত ও ইসলামিক টিভির সমপ্রচার বন্ধ করে দেয়ার ঘটনায় আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে আইসিটি মামলায় গ্রেফতার করে পত্রিকার প্রেসে তালা লাগিয়ে দেয়া এবং কোনো কারণ না দেখিয়ে দিগন্ত ও ইসলামিক টিভি চ্যানেলের সমপ্রচার বন্ধ করে দেয়া অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক। অনিবার্য পরিণতি হিসেবে অনেক সাংবাদিককে বেকারত্বের অন্ধকারে নিক্ষেপ করা কোনো নির্বাচিত ও গণতান্ত্রিক সরকারের ভাবমূর্তির পক্ষে অনুকূল নয়।’

সম্পাদকবৃন্দ বলেন, ‘আমরা মনে করি, সরকারের এ ধরনের পদক্ষেপ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারের ওপর আশঙ্কাজনক হুমকি। এ জাতীয় ঘটনা গণতন্ত্রের ভিতকে দুর্বল করবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। একজন সম্পাদককে গ্রেফতার, পত্রিকার প্রকাশনা ব্যাহত ও দুটি টিভি চ্যানেলের সমপ্রচার বন্ধের সিদ্ধান্ত বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের পরমত সহিষ্ণুতা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতি সম্পর্কে নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। একই সঙ্গে স্বদেশে গণতন্ত্র চর্চা ও বিকাশের ক্ষেত্রেও প্রতিবন্ধকতা হিসেবে চিহ্নিত এবং বিবেচিত হচ্ছে।’

‘সমাজে কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়। আইনকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দিয়ে দৈনিক আমার দেশ’র ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের মুক্তি, পত্রিকাটির প্রেসের তালা খুলে দিয়ে এর প্রকাশনা অব্যাহত রাখা এবং দিগন্ত ও ইসলামিক টিভির সমপ্রচার করার জন্য সরকারের প্রতি আমরা আহ্বান জানাই।’               

 
 
বন্দর বাজার জামে মসজিদে মুসল্লিদের তোপের মুখে মেয়র প্রার্থী কামরান
 

সিলেটে সাধারণ মানুষের রোষানলে পড়লেন সাবেক মেয়র ও বর্তমান মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান।শনিবার নগরীর বন্দর বাজারস্থ কেন্দ্রিয় জামে মসজিদে যোহরের নামাজ আদায়ের পর উপস্থিত মুসল্লিদের কাছে ভোট চেয়ে বক্তব্য দিতে গেলে উপস্থিত মুসল্লিরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন।
প্রত্যক্ষ্যদর্শী সূত্রে জানা যায়, যোহরের ফরয নামাজের পরই দাঁড়িয়ে তাকে ভোট দেওয়ার কথা বলে বক্তব্য দেওয়ার চেষ্টা করেন সাবেক মেয়র কামরান। এক পর্যায়ে মুসল্লিরা বলেন আপনি বসেন, আপনারা নিরীহ আলেমদের হত্যা করেছেন আওয়ামীলীগের দালাল, এরকম নানা কথা চিৎকার করে বলতে থাকেন। এক পর্যায়ে ক্ষোভে উপস্থিত মুসল্লিদের কেউ কেউ দাঁড়িয়ে যান। অবস্থা বেগতিক দেখে মসজিদ থেকে দ্রুত বেরিয়ে চলে যান বদর উদ্দিন আহমদ কামরান।
মসজিদের ভিতর মুসল্লিদের চিৎকারের শব্দ শুনে আশপাশের উৎসুক জনতা ভিড় করেন।
খবরটি দ্রুত নগরীতে ছড়িয়ে পড়লে কেউ কেউ মন্তব্য করেন, -মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে কামরান মিয়ার ভরাডুবি এখন থাকি শুরু অই গেছে...
               

 
 
নবীগঞ্জে মোবাইলে অন্য পুরুষের সাথে কথা বলায় পাষন্ড স্বামীর হাতে নববধু খুন
 

এমএ আহমদ আজাদ নবীগঞ্জ প্রতিনিধি
মোবাইল ফোনে অন্য পুরুষের সাথে কথা বলায় বিয়ের এক মাসের মাথায় অঞ্জনা বেগম (২৫) নামে এক নববধুকে গলাটিপে হত্যা করেছে তার পাষন্ড স্বামী। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার গভীর রাতে নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের জুহুরপুর গ্রামে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে পোষ্টমর্টেম রিপোর্টের জন্য মর্গে প্রেরন করেছে। এ ঘটনার পর পাষন্ড স্বামী পালিয়ে গেছে।
পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, নবীগঞ্জ উপজেলার বড় ভাকৈর পুর্ব ইউনিয়নের বাগাউড়া গ্রামের সঞ্জব আলীর ছেলে আব্দুল কাদির রুহেল গত প্রায় মাস খানেক পুর্বে বিয়ে করে জুহুরপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের কন্যা অঞ্জনা বেগম কে। বিয়ের পর থেকে সে শশুর বাড়ীতেই থাকতো। এ ব্যাপারে পাশের কক্ষে থাকা অঞ্জনার ভাইপো শাহিন মিয়া জানায়, রাতে ফুফুর মোবাইলে ফোনে কে বা কারা ফোন করে। এর কারন জানতে চাওয়া নিয়ে তাদের দুজনের মধ্যে বাদানুবাদ হয়। এ সময় ফুফুর চিৎকার শুনা গেছে। সকাল বেলায় ঘরের দরজা খোলা অবস্থায় ফুফুর নিতরদেহ বিচানার উপর পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার স্বামীকে আর খুজে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ওসি মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন পোষ্টমর্টেম রিপোর্টের জন্য লাশ হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরন করা হয়েছে।
               

 
 
সীমানা পূন:নির্ধারণ করে তফসিল ঘোষণার দাবীতে মানব বন্ধন
 

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সীমানা পূন্:নির্ধারণ করে নির্বাচনের পূনরায় তফসিল ঘোষনা করে নির্বাচনের দাবিতে শনিবার দুপুর ১২ ঘটিকার সময় নগরীর বালুচর পয়ন্টে সচেতন সিলেট বাসির উদ্দ্যেগে এক মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। যুব সংগঠক কাওছার-উজ-জামান আহমদের সভাপতিত্বে ও ছাত্রনেতা মাহিন আহমদ এবং সাইদুল ইসলাম‘র যৌথ পরিচালনায় মানব বন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম, কামাল আহমদ, জাবেদ আহমদ, শিক্ষক রহিম আহমদ, আবজল আহমদ, ব্যবসায়ী মানিক আহমদ, তরুন সমাজ সেবক কামাল আহমদ, সামাদ মিয়া, আব্দুল্লা আল নোমান, শফিক মিয়া, এম,সি, কলেজের শিক্ষার্থী দিপু আহমদ, নজমুল ইসলাম, জামিল আহমদ, সরকারী কলেজের শির্ক্ষাথী শফিক আহমদ, রিপন আহমদ, মামুন আহমদ, সাহান আহমদ প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন বৃহত্তর জন গোষ্টীকে বাহিরে রেখে সিটি নির্বাচন মেনে নেয়া সম্ভব নয়। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের অধিনস্ত যে ৬টি থানা রয়েছে তা সিটি কর্পোরেশনের বিতরে এনে সিমানা নির্ধারণ করে পূর্ণরায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের তফসিল ঘোষনা করে নির্বাচন দেওয়ার দাবি জানান। অন্যতায় সিলেটবাসী আগামী সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন প্রত্যাক্ষাণ করবে।
               

 
 
সিলেট মহানগর বিএনপি‘র পাল্টা বিবৃতি
 

সিলেট মহানগর বিএনপি‘র সভাপতি এম এ হক ও সাধারণ সম্পাদক হাজী আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী এক যৌথ বিবৃতিতে অদ্য ১৮ মে ২০১৩ শনিবার বিভিন্ন স্থানীয় পত্রিকায় মহানগর বিএনপির দপ্তর সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির প্রতি দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে  উল্লেখ করে বলেন প্রকাশিত উক্ত সংবাদের সাথে সিলেট মহানগর বিএনপির কোন সম্পর্ক নেই বা এ সম্পর্কে আমরা অবহিত নই। নেতৃবৃন্দ বিবৃত্তিতে বলেন, প্রকাশিত সংবাদ বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য দলের সকল স্তরের নেতা কর্মীদের প্রতি আহবান জানান। সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে আলোচনা বা নির্দেশনা ছাড়া এ ধরনের সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত তাকার জন্য দলের সকলকে অনুরোধ করেন।
               

 
 
উপশহরে সন্ত্রাসী হামলায় সাংবাদিক সাংবাদিক অহী আলম রেজা আহত
 

সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন দৈনিক সবুজ সিলেটের সিনিয়র সাংবাদিক অহী আলম রেজা। ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার জরুরী অস্ত্রোপচার চলছে।
শনিবার রাত পৌনে সাতটার দিকে উপশহরস্থ শাহজালাল সিটি কলেজ থেকে রিক্সাযোগে পূর্ব জিন্দাবাজারের সবুজ সিলেট কার্যালয়ে আসছিলেন সাংবাদিক রেজা। নগরীর সোবহানীঘাটস্থ কাঁচাবাজারের সামনে ৫/৬ জনের মোটর সাইকেল আরোহী একদল দুর্বৃত্ত তাকে পিঠে, হাতে ও পায়ে কুপিয়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ ইবনে সিনা হাসপাতালে প্রেরণ করেন। ইবনে সিনা থেকে আশংকাজনক অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী নেয়া হয়।

 
 
নাসিম হোসাইনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা
 

মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি নাসিম হোসাইনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে আপিলের শুনানী শেষে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন বিভাগীয় কমিশনার এনএম জিয়াউল আলম।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, নাসিম হোসাইন তার মনোনয়নপত্রের সাথে সংযুক্ত হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে এমকম প্রিলিমিনারি উল্লেখ করেন। কিন্তু এর উপযুক্ত কোন কাগজপত্র জমা দিতে পারেননি। ফলে গত বুধবার বাছাইকালে নির্বাচন কর্মকর্তারা তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন। এর বিরুদ্ধে আপিল করেন নাসিম হোসাইন। শুক্রবার শুনানী শেষে তার মনোনয়পত্র বৈধ ঘোষণা করেন বিভাগীয় কমিশনার এনএম জিয়াউল আলম।
নাসিম হোসাইন জানান, আপিলের শুনানীকালে তিনি সব রকম কাগজপত্র উপস্থাপন করেন। পরে বিভাগীয় কমিশনার এনএম জিয়াউল আলম তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।               

 
 
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগ আলোচনা সভা
 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলে জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগ আয়োজিত আলোচনা সভা শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্টিত হয়। মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম রিপনের সভাপতিত্ত্বে ও জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহদী হাসান ফয়েজের পরিচারনায় সভায় বক্তব্য রাখেন মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পলাশ চৌদূরী, জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি তারেক হাসান চৌধূরী, সহ সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান, সিনিয়র ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল তালুকদার, নুর মোহাম্মদ বাবু, রিংকু কুমার চন্দ্র, কিপেশ চন্দ্র, শামন্ত চন্দ্র, বুরহান উদ্দিন শিপলু, মহানগর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক স্পাদক নিউরাজুল ইসলাম চৌধূরী, ইব্রাহিম আহমদ জেনি, আব্দুল হক সাজু, রাজু আহমদ, শেপু আহমদ, আবুল হোসেন, সাদিক আহমদ, ফরহাদ আহমদ, আলতাফ আহমদ, নজরুল ইসলাম প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন দেশনেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অতীতের ন্যায় এখনো ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত চলছে। তাই ছাত্রলীগের সকল নেতা-কর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়তে হবে।  প্রেস বিজ্ঞপ্তি

 
 
বাহরাইনে বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছে বানিয়াচঙ্গের এক যুবক
 

এস এম সুরুজ আলী:
জীবিকার সন্ধানে বাহরাইন গিয়ে বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন বানিয়াচঙ্গ উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়নের আকুতুড়া গ্রামের রুহুল আমিন নামে এক যুবক। এলাকাবাসী সূত্র জানায়, আতুকুড়া গ্রামের মৃত আব্দুল মন্নাফ মিয়ার পুত্র রুহুল আমিন (২৪) জীবিকার তাগিদে প্রায় ৪ বছর পূর্বে বাহরাইনে পাড়ি জমান। সেখানে গিয়ে রুহুল আমিন তার এক আত্মীয়ের সহায়তায় ইলেক্ট্রিশিয়ানের কাজে নিয়োজিত হন। বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় রুহুল আমিন প্রতিদিনের ন্যায় একটি কোম্পানীতে বিদ্যুতের কাজে গেলে তিনি বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। বৃহস্পতিবার রাতেই তার মৃত্যু সংবাদ বাড়িতে পৌঁছলে স্বজনরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া। নিহত রুহুল আমিনের বড় ভাই আল-আমিন জানান, রুহুল আমিনের মৃত্যুর সংবাদ তার এক চাচাত ভাই নিশ্চিত করেছেন। দুয়েক দিনের মধ্যে তার লাশ দেশে আসবে।   

 
 
মানুষ তার কর্মের মাধ্যমে বেঁচে থাকেন সবার হৃদয়ে ------ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী এমপি
 

সিলেট-৩ আসনের এমপি আলহাজ্ব মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী বলেছেন, সমাজে ভাল কাজ করলে মৃত্যুর পরও মানুষ তার কর্মের মাধ্যমে বেঁচে থাকেন সবার হৃদয়ে। ব্যবসায়ী সেলিম আহমদ ছিলেন একজন ভাল কর্মঠ দক্ষ ব্যবসায়ী। তার নেতৃত্বে এখানকার ব্যবসায়ীরা উপকৃত হয়েছেন। একজন অভিজ্ঞ সংগঠক হিসেবে নিজেকে ব্যবসায়ী মহলে দক্ষতার পরিচয় দিয়ে গেছেন। তিনি ব্যবসার পাশাপাশি সমাজের কল্যাণে সেলিম আহমদের অবদান ছিল অবিস্মরণীয়। তিনি ছিলেন ব্যবসায়ীদের জন্য একজন নিবেদিত প্রাণ। সব সময় ব্যবসায়ীদের কল্যাণ ও সম্মান অক্ষুন্ন রেখে নিজের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে গেছেন। তার এই মৃত্যুতে ব্যবসায়ীরা একজন সহপাঠীকে হারিয়েছেন। এই শূন্যতা পূরণ হওয়ার মতো নয়। তার এই অকাল মৃত্যুতে ব্যবসায়ী সহ আমরা এলাকাবাসী গভীরভাবে শোকাহত। আজকের উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে, তিনি ছিলেন একজন সামাজিক ও ব্যবসায়ী মহলে সমাদৃত ব্যক্তিত্ব। পরিশেষে আমরা সেলিম আহমদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে আল্লাহ তায়ালা দরবারে প্রার্থনা করি আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করেন।
এমপি মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী  শুক্রবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ ফেঞ্চুগঞ্জ মাইজগাঁও বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সেলিম আহমদের স্মরণে বণিক সমিতির উদ্যোগে এক শোক সভা ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
ব্যবসায়ী শওকত আলীর সভাপতিত্বে ও বণিক সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আউয়াল কয়েসের পরিচালনায় শোক সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সহিদুর রহমান রুমান, ডা. জাকির হোসেন, আব্দুল বাছিত টুটুল, ফয়জুল ইসলাম মানিক, আজিজুর রহমান গেদা, আব্দুল্লাহ ভাগন, হাজী খলিলুর রহমান কলা, আব্দুল মান্নান, নজরুল ইসলাম মিফতা, হারুনুর রশীদ, মিসবাহ আহমদ চৌধুরী, ছাইফুল ইসলাম ছুটন, আশফাকুল ইসলাম সাব্বির, বিজন দেব নাথ, জয়নাল আবেদীন খান, মাহফুজুর রহমান জাহাঙ্গীর, মুহিত আহমদ শাহ, হাবিবুল ইসলাম এনাম, জুনেদ আহমদ প্রমুখ।
               

 
 
সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন মেয়র প্রার্থীতার বিষয়ে দলীয় কোন সিদ্ধান্ত হয়নি- বিএনপি
 

বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় সিলেট বিএনপির মেয়ার প্রার্থী চুড়ান্ত করা হয়েছে মর্মে প্রকাশিত ও প্রচারিত সংবাদের সাথে ভিন্ন মত পোষণ করে সিলেট মহানগর বিএনপির দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল ওয়াছেহ চৌধুরী জুবের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জনানো হয়েছে আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহনের ব্যাপারে দলীয় কোন চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তাই মেয়র প্রার্থী মনোনয়ন বিষয়ে যেসব খবরাখবর বিভিন্ন সংবাদ পত্র ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশি ও প্রচারিত হচ্ছে তা মনগড়া ও ভিত্তিহীন।
বিবৃতিতে দলীয় নেতাকর্মীদের এরুপ সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বলা হয় দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আদৌ দলীয়ভাবে বিএনপি নির্বাচনে যাবে কিনা তা এখনও ষ্পষ্ট নয়। তাই সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চুড়ান্ত হয়েছে এরূপ সংবাদ কেবল বিভ্রান্ত ছড়াতে পারে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয় দলীয়ভাবে বিএনপি যদি শেষ পর্যন্ত নির্বাচন বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেয় তবে দলের কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল নেতা মনোনয়ন প্রত্যাশীদের পাশাপাশি সিলেট বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাকর্মীদের মতামতের আলোকে যে কেউকে পরোক্ষ সমর্থন দিতে পারে। তাই চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত পত্র পত্রিকায় বা ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার ও প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।
               

 
 
আমেরিকান দূতাবাসের সহায়তায় নবীগঞ্জে ইংরেজী শিক্ষকদের ইংরেজী শিক্ষাদানের উপর দুইদিন ব্যাপী কর্মশালা শুরু
 

নবীগঞ্জ(হবিগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ
আমেরিকান দূতাবাস এবং  ইমপাওয়ারমেন্ট এন্ড হিউম্যান ডেভেলাপমেন্ট সোসাইটির উদ্দ্যেগে নবীগঞ্জ ও বাহুবলের বিভিন্ন আলিয়া ও দাখিল মাদ্রাসার সুপার ও ইংরেজী শিক্ষকদের উন্নত ইংরেজী শিক্ষাদান নির্দেশনার উপর দুইদিন ব্যাপী  কর্মশালা শুক্রবার সকালে উপজেলার নহরপুর সিনিয়র দাখিল মাদ্রাসার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কর্মশালা উদ্বোধন করেন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুৎফুর রহমান। এ উপলক্ষে সভায় সভাপতিত্ব করেন ইমপাওয়ারমেন্ট এন্ড হিউম্যান ডেভেলাপমেন্ট সোসাইটির চেয়ারপারসন মুসাম্মদ বদরুন্নেসা। ট্রেনিং- কো-অর্ডিনেটর কামাল আহমদ আম্বিয়া এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুৎফুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম,এ আহমদ আজাদ,নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি গিয়াস উদ্দিন আহমদ,নবীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম,হবিগঞ্জের আয়নার নির্বাহী সম্পাদক মোঃ আলাউর রহমান ।
এছাড়া অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ইউ এস স্টেইট ডিপার্টমেন্ট মাষ্টার ট্রেনার মাহমুদা আহসান সিদ্দিকী,সিলেট স্কর্লাস হোমের সিনিয়র শিক্ষক ও মাষ্টার ট্রেনার ফারহানা রহমান জাহান প্রমূখ। প্রধান অতিথি বলেন শিক্ষকরা মানুষ গড়ার কারিগর তাদের কে ভাল ভাবে গড়ে তুললে তারা একজন ভাল ছাত্র জন্ম দিতে পারেন। এক সময় মাদ্রাসা শিক্ষা কে অবহেলার চোখে দেখা হতো। এখন আর সেই যুগ নেই। এখন মাদ্রাসা থেকে পড়ে অনেকে দেশে বিদেশে পিএইচডি ডিগ্রী নিচ্ছে। ব্যারিষ্টার ও সিভিল ক্যাডার হচ্ছেন,। আজকের ট্রেনিং মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়নে কাজে লাগবে। আমেরিকান দূতাবাসের আর্থিক সহায়তার মাদ্রাসা শিক্ষকদের ট্রেনিং অনেক প্রশংসা অর্জন করবে এবং মাদ্রাসা সম্পর্কে তাদের পজেটিভ ধারনা আসবে।
               

 
 
জেল-জুলুম দিয়ে তৌহিদী জনতার আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না -----এড, শাহিনুর পাশা চৌধুরী
 

বৃহত্তর শিবগঞ্জ মুসলিম জনতার উদ্যোগে শিবগঞ্জ পয়েন্টে ১৭ এপ্রিল শুক্রবার বাদ জুম্মা মানববন্ধন মাওলানা শিহাব উদ্দীনের সভাপতিত্বে ও তরুণ আলেম কলামিষ্ট আতিকুর রহমান নগরী ও রাশেদুর রহমান রাশেদের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এডভোকেট মাওলানা শাহিনুর পাশা চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাওলানা নজরুল ইসলাম, প্রধান বক্তারা হিসেবে বক্তব্য রাখেন আলহাজ্ব মাওলানা জুবায়ের আল মাহমুদ, বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাওলানা সাইফুর রহমান, মাওলানা বদরুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, মাওলানা কবির আহমদ।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ উমেদুর রহমান উমেদ, জাহেদ আহমদ, এপলু আহমদ, জুনেদুর রহমান জুনেদ, সৈযদ কাওসার মাহমুদ, এম. আরিফ আহমদ, আফজল আহমদ, আল আমিন রিপন, আফজল হোসেন মান্না, জারাল আহমদ, রাহেল আহমদ, ইমরান আহমদ, আলমগীর আহমদ, কামরুল হাসান, শিব্বির আহমদ, তপন আহমদ, ইকবাল আহমদ, রাহিল আহমদ, দেলওয়ার, রানা, ইমন আহমদ, ফরহাদ, দিদার, রাসেল আহমদ, মোমেন, মাহফুজ, কাদির, আজম, ঝুমন, কাওসার, আবির, রুবেল, পারভেজ, শাহজাহান, ইমরান, মনির, রুমন, সারোয়ার, সাঈদ, শাহাদত, ইফতি, জীবন, মুন্না, রাফি প্রমুখ।
বক্তারা ৫ মে ঢাকায় হেফাজতের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পুলিশী হামলার কড়া সমালোচনা করেন এবং হেফাজতের মহাসচিব প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন মাওলানা জুনায়েদ আহমদ বাবুনগরীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবী জানান। পরে শাহাদত বরণকারী হেফাজত কর্মীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
               

 
 
গ্রেফতার হয়রানী বন্ধ করে সিটি নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করুন--- সিলেট নগর জামায়াত
 

সিলেট মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেছেন, আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে বিরোধী নেতাকর্মীদের গ্রেফতার হয়রানী বন্ধ করুন। নির্বাচন কমিশন কর্তৃক সিটি নির্বাচনের তফশীল ঘোষনার পর  ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র দাখিল এবং মনোনয়ন বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু নির্বাচনে বিরোধী দলীয়  প্রার্থী ও সমর্থকদের বাসাবাড়ীতে তল্লাশীর নামে পুলিশী হয়রানী ও গ্রেফতার জনমনে আতংকের সৃষ্টি করছে। যা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টির অপপ্রয়াস। সম্প্রতি ২৫ নং ওয়ার্ডের একজন প্রার্থীর গণসংযোগ কর্মসূচী থেকে নিরীহ ৯ জন এলকাবাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে গ্রেফতার ও হয়রানী  বন্ধ করে সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার জনং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন জামায়াত নেতৃবৃন্দ।
বৃহস্পতিবার সিলেট মহানগর জামায়াতের থানা দায়িত্বশীল সমাবেশে নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথা বলেন। কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও মহানগর আমীর ডা: সায়েফ আহমদ এর সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী মোঃ ফখরুল ইসলামের পরিচারনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন-মহানগর নায়েবে আমীর হাফিজ আব্দুল হাই হারুন, সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা সোহেল আহমদ, নগর জামায়াত নেতা এডভোকেট জিয়াউদ্দিন নাদের, মাওলানা আব্দুল মুকিত, আব্দুল্লাহ আল মুনিম, নুরুল ইসলাম বাবুল, ক্বারী আলা উদ্দিন, শামীম আহমদ প্রমুখ। এছাড়া সমাবেশে  মহানগরীর সকল থানা আমীর, সেক্রেটারীগণ উপস্থিত ছিলেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, বিরোধী নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও নির্বাচন এক সাথে চলতে পারে না। সকল প্রার্থীদের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার বৃহত্তর স্বার্থে গ্রেফতার হয়রানী বন্ধ করারও আহবান জানান তারা। নগরবাসীর তাদের মৌলিক ভোটাধিকার নির্বিঘেœ প্রয়োগ করার সুষ্ঠু ব্যবস্থা নির্বাচন কমিশন কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে। অন্যথায় জনগণ নির্বাচন থেকে আস্থা হারিয়ে  ফেলতে পারে।


               

 
 
আরিফুল হককে মনোনয়ন দেয়ার আহ্বান ছাত্রদল ও ইলিয়াস মুক্তি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের
 

সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদল ও ইলিয়াস মুক্তি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় এবং নগরীর ২৭টি ওয়ার্ড শাখার এক যৌথ কর্মী সমাবেশ বৃহস্পতিবার দুপুরে মিরাবাজারস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও ইলিয়াস মুক্তি ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক আব্দুল আহাদ খান জামালের সভাপতিত্বে এবং মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও ইলিয়াস মুক্তি ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মতিউল বারী চৌধুরী খুরশেদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা বলেন, আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দলের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এবং সিলেটবাসী বিএনপি থেকে একজন যোগ্য ও নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিকে মেয়র পদে দেখতে চায়। কিন্তু স¤প্রতি আরিফুল হকের মতো একজন অশিক্ষিত ও দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি মেয়র পদে প্রার্থীতার খবরে সিলেটের ছাত্রদল নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ। বক্তারা বলেন, বিগত সাড়ে চার বছর বিএনপি চেয়াপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে যড়যন্ত্র বন্ধ ও বিএনপির সংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীকে ফিরে পাওয়ার দাবীতে গড়ে ওঠা আন্দোলনে যে ব্যক্তির কোন ভূমিকা ছিলনা, সেই সুবিধাবাধী আরিফুল হককে দলের তৃণমূল নেতাকর্মীরা কোন অবস্থাতেই মেনে নিবেনা। সুবিধাবাধী ও রহস্যজনক আচরণের করনে বিগত সাড়ে চার বছরে আরিফুল হকের বিরুদ্ধে কোন মামলা হয়নি। বক্তারা প্রশ্ন রেখে বলেন, বিএনপির জাতীয় থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপর যেখানে একের পর এক মামলা, হামলা, নির্যাতন হচ্ছে, সেখানে আরিফুল হক তার আগের দুর্ণীতির মামলা থেকে খালাস পায় কিভাবে? অপরদিকে বিএনপির পরীক্ষিত নেতা এডভোকেট সামসুজ্জামান জামানের বিরুদ্ধে বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার অসংখ্য মামলা দিয়ে হয়রানী করছে।
<br>বক্তারা বলেন, হযরত শাহজালাল (র:) ও হযরত শাহপরান (র:) এবং পূন্যভূমি সিলেটকে আরিফুল হক কলংকিত করেছিলেন তার দুর্নীতির মাধ্যমে। পাশাপাশি দলের ভাবমূর্তিও ক্ষুন্ন করেছিলেন তার অতীত কর্মকান্ডে। একারনে দলের তৃনমূল নেতা কর্মী যেমন ক্ষুব্ধ তেমনি সিলেট নগরীর মানুষের নেতিবাচক ধারনা রয়েছে তার প্রতি। তাই এই দুর্নীতিবাজ সুবিধাবাদী আরিফুল হক কে মনোনয়ন না দিয়ে দলের দুঃসময়ের পরীক্ষিত নেতা এডভোকেট সামসুজ্জামান জামানকে মেয়র পদে মনোয়ন দেয়ার জন্য দলের হাই কমান্ডের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি। সভায় উপস্থিত ছিলেন, ইলিয়াস মুক্তি ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক একেএম আজাদ আহমদ, জয়দেব চক্রবর্তী জয়ন্ত, চৌধুরী মোহাম্মাদ সোহেল, জয়নাল আহমদ, রুজেল আহমদ চৌধুরী, তারেক আহমদ, মিফতাহুল কবির, জয়নাল আবেদীন,  জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত প্রচার সম্পাদক আজিজুল হোসেন আজিজ, রাশেদ আহমদ, অর্পন ঘোষ, শামীম আহম, জুনেদ আহমদ জামাল, এমডি জুনেদ চৌধুরী, রাসেল আহমদ, এমদাদ বক্স, আমিনুল ইসলাম সাজু, আবু সালেহ শামীম, মনোজ দেব, কাওছার আহমেদ রানা, মুহিত হোসেন, কাহের আহমদ, কামাল হোসেন, ইমু চৌধুরী, খুরশেদ আলম শিপলু, ফাহাদ আহমদ সুমন, আব্দুল কাইয়ূম প্রমুখ।
               

 
 
কলকাতার কারাগারে সুখরঞ্জন বালি : হিউম্যান রাইটসের উদ্বেগ
 

নিউজডেস্ক:
ট্রাইবুনালের গেট থেকে নিখোঁজ হওয়া সাক্ষী সুখরঞ্জন বালির সন্ধান পাওয়া গেছে। ভারতের কলকাতার দমদম কারাগারে সে এখন আটক রয়েছে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের ইংরেজী দৈনিক নিউ এইজের বরাত দিয়ে তার সন্ধানের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার কথা বলেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। আর তার নিরাপত্তার  বিষয়টিতেও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
সংস্থাটির কাছে বালি জানায়, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে সাক্ষ্য দিতে গেলে আদালতের গেট থেকে তাকে তুলে নিয়ে যায় বাংলাদেশের নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা। এরপর তাকে সীমান্ত দিয়ে জোর করে ভারতে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

তিনি ভারতে প্রবেশ করার পর ভারতীয় সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনী (বিএসএফ) তাকে আটক করে। তাদের হাতে নির্যাতিত হন তিনি। বর্তমানে কলকাতার দমদম জেলে বন্দি আছেন।

এ বিষয়ে সংস্থাটি সুখরঞ্জন বালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বাংলাদেশ ও ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানিয়েছে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সুখরঞ্জন বালিকে যারা অপহরণ করেছিল তারা মনে করেছিল তাকে ভারতে পাঠিয়ে দেয়ার ফলে বিএসএফই তাকে মেরে ফেলবে। অথবা এভাবে চিরদিনের জন্য সে নিখোঁজ হয়ে যাবে। বালি যদি এখন বাংলাদেশে ফেরেন তাহলে তার জীবনের নিরাপত্তা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর পক্ষে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে সাক্ষী ছিলেন সুখ রঞ্জন বালি। ওই মামলায় সাক্ষ্য দিতে গেলে আদালতের গেট থেকে তিনি অপহৃত হন বলে  অভিযোগ ওঠে।                

 
 
 
 
 
কবিতা
শিল্প-সাহিত্য
বিচিত্রা
ইসলাম
Image Missing
 
 
বিনোদন
বিচিত্রা
বিচিত্রা
বিচিত্রা
মুক্তমঞ্চ
Image Missing
 
 
খেলাধুলা
খেলাধুলা
স্বাস্থ্য
স্বাস্থ্য
তথ্য-প্রযুক্তি
তথ্য-প্রযুক্তি
 
 
সংবাদদাতা
জীবন সদস্য
সম্পাদক
Do You Like Us?
 
দেশ বিদেশ
 
 
 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, নির্বাচনকালীন সরকারপ্রধান কে হবেন তা নিয়েই আলোচনা হবে বিরোধী দলের সঙ্গে। তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার নয়, আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে।

রবিবার দুপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

এলজিআরডি মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফ বলেন, আমরা বিভিন্ন সময়ে মিডিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন ফর্মুলা দিয়েছি। বিরোধী দলকে সেই ফর্মুলা নিয়ে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছি। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া আলোচনার বিষয়টি কখনোই গুরুত্ব দেননি। আগে একবার তিনি বলেছিলেন, তলে তলে আলোচনা হবে না। আবার প্রধানমন্ত্রীর আলোচনার প্রস্তাবের পর তিনি তা তুচ্ছ করে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন।

নির্বাচনে দেশবাসীকে দেয়া প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে বিশ্বসভায় মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বলে জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ।

তিনি বলেন, বিশ্বমন্দা মোকাবিলা করে বাংলাদেশ অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সক্ষম হয়েছে। সেইসঙ্গে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনে অগ্রগামী দেশ হিসেবে বিশ্বে স্বীকৃতি পেয়েছে প্রিয় জন্মভূমি।

বাংলাদেশকে খাদ্যে নির্ভরশীল দেশ উল্লেখ করে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য সুপারস্টার হিসেবে বাংলাদেশ এখন সবার কাছে সমাদৃত।

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য নুহ উল আলম লেনিন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।               

 
 
 
 
 
 

নিউজডেস্ক:বাংলাদেশের পোশাক কারখানার শ্রমিকদের সংগঠন ( ট্রেড ইউনিয়ন) ও নিরাপদ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করলেই যুক্তরাষ্ট্রে অগ্রাধিকারমুলক বাজারসুবিধা (জিএসপি) পাবে বাংলাদেশ।

শনিবার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি আয়োজিত গনশুনানিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদুত ড্যান ডব্লিউ মজিনা এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ যদি জিএসপি’র আশা করে তবে তার আগে শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার দিতে হবে।

জিএসপি সুবিধা পাওয়ার জন্য যে সব শর্ত মেনে চলতে হয় তা কি বাংলাদেশ মেনে চলছে? গনশুনানিতে এমন প্রশ্ন রেখে মজিনা বলেন, সম্প্রতি ঢাকার নিকটবর্তী সাভারের রানা প্লাজা ধস এবং ব্যাপক প্রানহানির ঘটনা ও তাজরীন ফ্যাশনসের অগ্নিকান্ডের ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলোতে বিশেষ করে এসব কারখানায় যা ঘটেছে, তার চেয়ে ভয়াবহ অবস্থা আর কিছুই হতে পারে না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের পোশাকশ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার দিতে হবে এবং কাজেরক্ষেত্রে নিরাপদ কর্মপরিবেশ আছে কি না, সে বিষয়টি অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ, ক্রেতা ও পোশাকশিল্প মালিককে নিশ্চিত করতে হবে। তাহলেই যুক্তরাষ্ট্র তার বাজারে বাংলাদেশকে জিএসপি সুবিধা দেওয়ার কথা চিন্তা করবে।

এ সময় ড্যান মজীনা সংসদীয় কমিটির সভাপতি ইস্রাফিল আলমকে অনুরোধ করেন, শ্রম আইনের যে সংশোধনীটি মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিয়েছে, তা যেন পোশাকশ্রমিকদের ইউনিয়ন করারক্ষেত্রে সহায়ক হয়।
               

 
 
 
 
 
 

জনগণের স্বার্থে আগামী সংসদ অধিবেশনে যোগ দেবে বলে জানিয়েছে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। দলটির স্থায়ী কমিটির  সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, সরকারের আহ্বানে নয় জনগণের স্বার্থেই আগামী সংসদ অধিবেশনে আমরা যোগ দান করবো।
শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে স্বাধীনতা ফোরাম আয়োজিত যুব সমাবেশে দলের পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান ব্যারিস্টার মওদুদ।
তিনি বলেন, সংলাপ ও সংঘাতের রাজনীতি একসঙ্গে চলছে পারে না। সরকার সংলাপ থেকে সরে এসে এখন সংসদে যাওয়ার জন্য বিরোধী দলকে অহ্বান জানাচ্ছে।               

 
 
 
 
 
 

হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব জোনায়েদ বাবুনগরীর তিন মামলায় ২২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
বৃহস্পতিবার বিকালে মহানগর হাকিম মোস্তাফিজুর রহমান শুনানি শেষে ২২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
হত্যা মামলায় নয়দিনের রিমান্ড শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে বাবুনগীরকে সিএমএম প্রেরণ করে মতিঝিল থানা পুলিশ। এ সময়
একই মামলায় জোনায়েদ বাবু নগরীর পুনরায় ছয় দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপুলিশ পরিদর্শক শেখ মুফজুর রহমান। এছাড়া বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের অপর দুটি মামলায় ২০ দিনের তিন মামলায় মোট ২৬ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়।

শুনানি শেষে হত্যা মামলায় চার দিন এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের দুই মামলায় নয় দিন করে ১৮ দিন তিন মামলায় মোট ২২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।               

 
 
 
 
 
 

রচডেল ১৮দলীয় ঐক্যজোটের উদ্দ্যেগে গত ১৫ই মে রোজ বুধবার দুপুর ১২ঘটিকার সময় রচডেল বাংলাদেশ এসোসিয়েশন এন্ড কমিউনিটি প্রজেক্টে এক বিরাট  দেশপ্রেমি ১৮দলীয় তাওহীদী জনতার প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত হয়।রচডেল ১৮দলীয় ঐক্যজোটের আহবায়ক মোঃ জয়নাল আবেদিনের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ন সদস্য সচিব সৈয়দ মিজানের পরিচালনায় সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলায়ত করেন মৌলানা মোঃ আব্দুল হক  সভায় বক্তারা বলেন বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার কর্তৃক ইসলাম বিরুধী সকল অপতৎপরতা ইসলামী মূল্যবোধের উপর নগ্ন আচরণ দেশে নৈরাজ্য গণহত্যা বিরোধী নেতা কর্মীদের গ্রেফতার জেল,জুলুম গুম,তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পূর্নবহাল সিলেটের একমাত্র প্রিয়নেতা এম ইলিয়াস আলীর সন্ধান বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় সাংবাদিক আমার-দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সহ ১৮দলীয় সকল নেতাকর্মিদের নিঃশত মুক্তি সহ  শাহবাগী না¯িতক্যবাদীদের ফাঁসির দাবি করেন। গত ৬ই মে বাংলাদেশের যে কাল রাত বয়ে গেল সরকার দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত হেফাজতের কর্মিদের  উপর বর্বরতম হামলা করে হত্যা করাা পর লাশ গুম করে ফেলে যাহার নজির দুনিয়ার আর কোথায় ও নাই এক সাথে এত আলেম কে হত্যা করল কারবালা ঘটনাকে হার মানায়। দেশের একের পর ঘটনা ঘাটিয়ে দেশ কে সংঘাতময় দিকে নিতে এই সরকার আসার পর থেকে পিলখানার বিডিয়ার ঘটনা ছিল তাহাদের প্রথম  কাজ দেশের সেনাবহিনীকে ধবংস করেছে এই সরকার তার পর হলমার্ক, ইলিয়াস আলী নিখোঁজ, বাবু সুরঞ্জিত সেনের অর্থ কেলেংকারি পদ্দ্রা সেতু সহ নানা অপকর্মের ডাকা দিতে বিরোধী দলের উপর একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে এখন দেশ কে দুভাগে বিভক্ত করে দিয়েছে এক হল ইসলামের পক্ষের দল আর শাহবাগীদের না¯িতক্যবাদী সহ সরকারি দল। এখন সভার ঘটনাকে আড়াল করতে হেফাজতের উপর হামলা মামলা দিয়ে আলেম সমাজ কে ধবংশ করে দেশ অমুসলিম রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। সভায় বক্তব্য রাখেন মৌলানা মোঃ আব্দুল কাইয়ুম কামালী, মৌলানা উবায়দুর রহমান আবিদ. মৌলনা হাফিজ জুনায়েদ আহমদ,  মোঃ হাজি ফজল হক চৌধুরী, মোঃ আব্দুস শহিদ খাঁন, আব্দুল মুহিত, হাফিজ শামছুল আলম, মোঃ সদরুল ইসলাম, মহি উদ্দিন (পলাশ) সহ প্রমুখ। সভায় আর উপস্থিত ছিলেন হাজি আওলাদ আলী, হাজি ইলিয়াছ আলী, মোঃ আজির উদ্দিন, আঃ হামিদ টিপু, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ ইকবাল আহমদ, মোঃ সেলিম উদ্দিন, সৈয়দ মোঃ স্বাধিন মিয়া , মোঃ সাইফুল ইসলাম(হেলাল), জমির মিয়া,সৈয়দ মুফিদ আহমদ, মোঃ সিরাজ মিয়া, মোঃ ফখরুল ইসলাম, মোঃ রুহুল মিয়া, ফখর উদ্দিন, বদরুল, মোঃ আনসার আলী (জানু) মোঃ রুহুল আমিন খাঁন, সহ আর অনেকেই। সভার শেষে দোয়া পরিচালনা করেন রচডেল জমিয়তে উলামার সস্মানিত উপদেষ্টা ও আল-আমিন মসজিদের  ইমাম মৌলানা আব্দুস ছুবহান।
               

 
 
 
 
 
 

এ,বি,এম বুলবুল আহমেদ : সুসংবাদ সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য, যারা বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনের অন্যতম । এখন পর্যন্ত এ দেশে সর্ব্বাধীক বাংলাদেশী কর্মী কাজ করছে । কিন্তু বিগত তত্বাবধায়ক সরকারের সময় দেশটির সাথে সম্পর্কের টানাপোড়ন ঘটে । যার ফলে শুধু মাত্র বাংলাদেশীরা বঞ্চিত হয় স্পন্সরশীপ পরির্বতন (তানাজ্জল বা নাকাল কপালা), পেশা পরিবর্তন, ভিজিট ভিসা, ফ্যামিলি ভিসা, হুরুপ কাটানো (কপিল থেকে পলাতক হওয়ার সাধারন ডায়েরি) সুবিধা থেকে । যার ভুক্তভোগী কয়েক লক্ষ শ্রমজীবী মানুষ । এরপর থেকে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা হয় এ সকল সমস্যা সমাধান কল্পে । প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্টমন্ত্রী, বৈদিশিক কর্মসংস্হানমন্ত্রী সহ বেশ কয়েকটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল দফায় দফায় বৈঠক করে সৌদি সরকারের সাথে । দূর্ভাগ্যবশত সংকট নিরশনের পথ বন্ধুর হয়ে যায় । বৈধ পথে পাসপোট ভিসা নিয়ে এই দেশে আসা সত্বেও শ্রমীকরা হয়ে যায় অবৈধ । আবার মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে আসে নতুন সৌদি আইন নিতীকাত (সৌদিকরন) প্রকল্প । নির্দিষ্ট সংখ্যক সৌদি কর্মী নিয়োগ দেওয়ার এ আইন অমান্যকারী কোম্পানীগুলো জাতীয় ডাটাবেজে লাল হওয়ায় তাদের আকামা (রেসিড্যান্স ভিসা) নবায়ন সয়ংক্রীয় ভাবে বন্ধ হয়ে যায় ।
 
পররাষ্টমন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি গত সপ্তাহে গনমাধ্যমকে বলেছিলেন সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য সুখবর আসছে । মহান আল্লাহর রহমতে রাজকীয় সৌদি সরকার অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশী শ্রমীকদেরও সাধারন ক্ষমা ঘোষনা করেন ।
 
দূতাবাস, কনস্যুলেট অফিস, স্থানীয় লেবার অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করতে প্রবাসীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস। এছাড়াও সৌদি শ্রম মন্ত্রনালয় (www.mol.gov.sa) সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের (www.moi.gov.sa) নিজস্ব ওয়েব সাইট থেকে বিস্তারিত জানা ও অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে।
 
আনন্দের বন্যা বয়ে যায় সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশীদের মাঝে । বাংলাদেশে অবস্হানরত প্রবাসীদের আত্বীয় স্বজনরা খোজ খবর নিতে থাকেন কবে কখন ঘোষনাটি কার্য্যকর হয় ।
 
সৌদি আরবের বাদশা আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আজীজ বিন সৌদ এবং ক্রাউন প্রিন্স সোলায়মান বিন আব্দুল আজীজ বিন সৌদকে বাংলাদেশ সরকার ও জনগনের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান দেশটিতে নিয়োজিত রাষ্ট্রদূত শহীদুল ইসলাম ।
 
সাধারন ক্ষমার বিস্তারিত অবহিত করনের লক্ষে রিয়দস্হ বাংলাদেশ দূতাবাসে আয়োজন করা হয় মতবিনিময় সভার । এতে রাষ্ট্রদূত শহীদুল ইসলাম সৌদি সরকার ঘোষিত তথ্যটি বিস্তারিত তুলে ধরেন উপস্হিত সাংবাদিক, কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তি বর্গ ও কর্মজীবীদের কাছে ।
 
সৌদি সরকার ঘোষিত বৈধ হওয়ার সুযোগ সমূহ নিম্নে দেওয়া হলো,
 
১. যারা বৈধ হওয়ার সুযোগ পাবেন :
৬ এপ্রিল ২০১৩ তারিখের পূর্বে যাদের ওর্য়াক পারমিট এবং আকামা বৈধতা হারিয়েছে ।
তাদের কোনো জরিমানা কিংবা শাস্তি হবে না, বরং তারা নিয়োগকর্তার নিকট ফেরত যেতে পারবেন । এবং নিয়োগকর্তার বিনা অনুমতিতে অন্য নিয়োগকর্তার নিকট ট্রান্সফার হতে পারবেন ।
 
২.নিয়োগকর্তা কর্তৃক পলাতক ঘোষিত(হুরুব):
যেসকল প্রবাসী কর্মী নিয়োগকর্তা কর্তৃক পলাতক ঘোষিত (হুরুব) তাদের পারস্পারিক আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা । অথবা নতুন নিয়োগকর্তার নিকট ট্রান্সফার হতে পারবেন আগের নিয়োগকর্তার বিনা অনুমতিতে ।
নিয়োগকর্তার সাথে অধিকার কিংবা পাওনা সংক্রান্ত কোনো সমস্যা থাকলে তা সংশ্লিষ্ট বিচার কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সমাধান করতে হবে ।
ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে গৃহকর্মীগন জাওয়াজাতের (পাসপোট ও ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ) বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মীগন মকতবুল আমেল (শ্রমঅফিস) এর মাধ্যমে ট্রান্সফার হতে পারবেন ।
 
৩. যাদের কপিল নেই :
কোনো বিদেশী বিনিয়োগকারী সৌদি আরব থেকে ফাইনাল এক্সিটে চলে গেলে এবং তার কোনো প্রতিনিধি পাওয়া না গেলে তার অধীনে যে সকল প্রবাসী কর্মরত রয়েছেন তারা নতুন নিয়োগকর্তার নিকট ট্রান্সফার অথবা ফাইনাল এক্সিটে যেতে পারবেন আগের নিয়োগকর্তার বিনা অনুমতিতে ।
 
৪. হজ ও ওমরাহ ভিসায় অবৈধ ভাবে অবস্হানকারী :
৩ জুন ২০০৮ তারিখের পূর্বে আগত হজ ও ওমরাহ ভিসায় অবৈধ ভাবে অবস্হানকারীগন কোনো নিয়োগকর্তার গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতে পারবেন । এ ক্ষেত্রে জাওয়াজাতের মাধ্যমে বৈধ হতে হবে । বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে হলে জাওয়াজাত তাদের তথ্য এন্ট্রি করবে এবং  মকতবুল আমেল (শ্রমঅফিস) শ্রমিকের উপযুক্ততা যাচাই করবে ।
 
৫. স্পন্সরশীপ পরির্বতন :
যে কোনো কর্মী স্পন্সরশীপ পরির্বতন করতে পারবে যদি না তার নিয়োগকর্তা ওর্য়াক পারমিট এবং আকামা নবায়ন না করে ।
আগের নিয়োগকর্তার বিনা অনুমতিতে নতুন নিয়োগকর্তা তা পরির্বতন করতে পারবেন ।
বৈধভাবে অবস্হানকারী গৃহকর্মীরা বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে ট্রান্সফার হতে পারবেন ।
শ্রম অফিসের মাধ্যমে তা সম্পন্ন হবে ।
৬ এপ্রিল ২০১৩ এর পর যেসকল বেসরকারী প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠীত হয়েছে সেসকল প্রতিষ্ঠানে ট্রান্সফার হওয়া যাবে না ।
 
৬. পেশা পরির্বতন :
সকল প্রকার পেশা পরির্বতন করতে পারবেন বিনা ফিতে । তবে সৌদি নাগরিকদের জন্য কিছু পেশা সংরক্ষিত থাকবে ।
 
৭. দেশে প্রত্যাবর্তন (ফাইনাল এক্সিট):
যারা আগামী ৩ জুলাই ২০১৩ তারিখের মধ্যে সৌদি আরব থেকে ফাইনাল এক্সিটে যেতে পারবেন । তাদের অতিতের অপরিশোধিত আকামা অথবা ওর্য়াক পারমিটের ফি দিতে হবে না এবং কোনো প্রকার শাস্তি বা জরিমানা হবেনা ।
সৌদি আরব ত্যাগের সময় তাদের হাতের ছাপ রাখা হবে । তারা ইছ্চা করলে পরবর্তিতে সৌদি আরব আসতে পারবেন ।
 
৮. বিশেষভাবে লক্ষনীয় :
উপরে বর্নিত সুযোগ সুবিধা আগামী ৩ জুলাই ২০১৩ পর্যন্ত বলবত থাকবে ।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশে প্রত্যাবর্তন না করলে অবৈধভাবে অবস্হানকারীদের জেল জরিমানার সম্মূখীন হতে হবে ।  
 
এসময় রাষ্ট্রদূতকে সহযোগিতা করেন শ্রম কাউন্সিলর ড. এমদাদুল হক । উস্হিত ছিলেন মিশন প্রধান আইউব, অর্থনৈতিক কাউন্সিলর ড.মিজানুর রহমান, ডিফেন্স এ্যার্টাচি, কাউন্সিলরসহ দূতাবাসের কর্মকর্তা ও বাংলাদেশী কমউনিটির বিভিন্ন স্তরের শ্রমজীবী মানুষ ।               

 
 
 
 
 
 

রাতের অন্ধকারে ঘুমন্ত মানুষের উপর নির্মমভাবে গুলি চালিয়ে নিরীহ ধর্ম প্রাণ মুসলমানদের গনহত্যার দায় হাসিনার সরকার কোনভাবেই এড়াতে পারবে না । রাস্তার আলো নিভিয়ে,মিডিয়া বন্ধ করে যে বর্বর হত্যা যজ্ঞ চালিয়েছে তা জালিয়ানওয়ালাবাগের নিষ্ঠুরতাকে হার মানিয়েছে। বর্তমান সরকার তার সমস্ত অপকর্ম আড়াল করতে একের পর এক গণহত্যা চালিয়ে সরকার বিরোধী আন্দোলন স্তব্ধ করার যে অশুভ পথ বেছে নিয়েছে তার খেসারত তাদেরকেই দিতে হবে । বি,এন,পি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও শীর্ষস্থানীয় অসংখ্য নেতাকর্মী সহ আমারদেশ সম্পাদক মাহমুদুর  রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানী মুলক মামলা দিয়ে রিমান্ডে নিয়ে যে অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছে তা স্বাধীন দেশের গণতান্ত্রিক বাবস্থায় একটি কলংকিত ইতিহাস। এই ভাবে হত্যা, নির্যাতন করে আওয়ামীলীগ সরকার শেষ রক্ষা পাবে না, গন আন্দোলনের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃ প্রতিষ্ঠা করে এই বাকশালী সরকারের পতন ঘটাতে দেশবাসী আজ ঐক্যবদ্ধ। 
গত ৬ এপ্রিল শাপলা চত্তরে গণহত্যা ও দেশব্যাপী বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের উপর জুলুম নির্যাতনের বিরুদ্ধে কানাডা বি,এন,পি ও অঙ্গসংগঠনের যৌথ উদ্যোগে ১২ মে মন্ট্রিয়লে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায়  বক্তারা তীব্র ক্ষোভের সাথে উল্লেখিত মন্তব্য করেন।
কানাডা বি,এন,পি’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলহাজ সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা অবিলম্বে বি,এন,পি শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও মাহমুদুর রহামানের নামে দায়েরকৃত মিথ্যা  মামলা প্রত্যাহার, রানা প্লাজায় দুর্ঘটনার সাথে জড়িত যুবলীগ নেতা রানা সহ সংশ্লিষ্ট দের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি, গণহত্যার বিচার ও বন্ধ আমারদেশ পত্রিকা এবং টেলিভিশন সমুহ নিঃশর্ত ভাবে খুলে দেয়ার জোর দাবী জানানো হয়।
সভায় বক্তব্য রাখেন, কানাডা বি,এন,পি’র সাধারন সম্পাদক আরমান মিয়া মাস্টার, সহ সভাপতি মারিফুর রহমান,কানাডা বি,এন,পি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি দেওয়ান এ,বি,এম রাজ্জাক রাজু, প্রতিষ্ঠাতা  সাধারন সম্পাদক জিয়া উল হক জিয়া, যুগ্ম সম্পাদক নুরুল ইসলাম রুনু,জিয়া পরিষদ সভাপতি নবী হোসেন, সাধারন সম্পাদক হাফিজুর রহমান,স্বেচ্ছাসেবক দল কানাডা শাখার সভাপতি আবুল বাসার মানিক, সাধারন সম্পাদক সেলিম রেজা, জাসাস আহবায়ক সিরাজুল ইসলাম মিজি, কুইবেক প্রাদেশিক বি,এন,পি’র সভাপতি আব্দুল মান্নান, সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম,   মন্ট্রিয়ল সিটি বি,এন,পি’র সভাপতি কামরুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক কামরুল ইসলাম রানা,  কানাডা যুবদল সভাপতি মাহমুদুল ইসলাম  সুমন, মাহমুদুল হক লালন ,বি,এন,পি নেতা আব্দুল হক, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ সভাপতি লুতফর রহমান ,প্রচার সম্পাদক জামাল উদ্দিন সহ অনেকে।                  

 
 
 
 
 
 

ওবায়দুল কবীর খোকন, বার্মিংহাম:
গত ১২ই মে রবিবার মধ্যরাতে বার্মিংহামের সাউথন কনফিল্ডস্থ একটি রেষ্ঠুরেন্টে ওয়েষ্ট মিডল্যান্ড যুবদলের সভাপতি জালাল উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী সৈয়দ শাফায়েত করীম পারভেছের পরিচালনায় সাম্প্রতিক  বাংলাদেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির প্রতিবাদে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে হেফাজতে ইসলামের নিরীহ আলেম-উলামা ও কর্মীদের উপর যে নারকীয় হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। ঘুমšত মানুষের উপর রাতের অন্ধকারে গুলিবর্ষন যা সভ্য কোন জাতি হিসেবে মেনে নেওয়া স¤ভব নয় বলে বক্তরা অভিমত ব্যক্ত করেন ।
বক্তারা বলেন, আল্লাহ ও রাসূল (সাঃ) কে কটুক্তিকারীরা সরকারের আশ্রয়-পশ্রয়ে ইসলাম সম্পর্কে ন্যাক্কারজনক মšতব্য করে ভীর দর্পে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। আর অপরদিকে আমরা দেখলাম আল্লাহ ও রাসূল (সাঃ) এর সম্মান রক্ষার জন্য যারা  আন্দোলন করেছে তাদেরকে সরকার দলীয় সন্ত্রাসী ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসী পুলিশ, বিজিবি এবং র‌্যাব দিয়ে মধ্যযোগীয় কায়দায় হাজার হাজার আলেম উলামাদের হত্যা করা হয়েছে।
বক্তারা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রিয় নেতৃবৃন্দের ও আটককৃত আলেম উলামা এবং সাহসী কলম যুদ্ধা সাংবাদিক মাহমুদুর রহমানের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন ও তার সম্প্রাদিত  জনপ্রিয় পত্রিকা আমারদেশের প্রকাশনা অনুমতি দিতে সরকারের প্রতি আহবান জানান। যদি অবিলম্বে তাদের মুক্তি দেওয়া না হয় তাহলে লাগাতার কর্মসূচীর মাধ্যমে সরকার পতনের আন্দোলন ত্বরাšিত করা হবে। তারা সকরারকে হুসিয়ার করে বলেন, এখনও সময় আছে অতিদ্রুত পদত্যাগ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হ¯তাšতর করে সম্মানের সাথে সরকার থেকে বিদায় নেওয়ার জন্য । তা না হলে প্রতিবাদের গণবিষ্ফোরনে পড়ে সরকারের সাগরে ঝাপ দেওয়া ছারা আর কোন উপায় খুজেঁ পাওয়া যাবেনা।
তারা বলেন, সিলেট বিভাগের জনপ্রিয় নেতা, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক  গুম হয়ে যাওয়া ইলিয়াছ আলীকে তার পরিবারের কাছে ফিরত দিতে সরকারের কাছে বিনিত অনুরোধ জানান। তারা বলেন ইলিয়াছ আলী সিলেট বিভাগের প্রাণের স্পন্ধন। যদি জীবিত অবস্থায় ইলিয়াছ আলীকে ফিরত দেওয়া না হয় সিলেটের মাটিতে গুমকারী সরকারের বিচার জনগনের আদালতে করা হবে।
অন্যান্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন ওয়েষ্ট মিডল্যান্ড যুবদলের সিনিয়র সহ সভাপতি শফীক আলী, সহ সভাপতি মাসুক আহমদ, সহ সভাপতি শাহ নূর আহমদ, সহ সভাপতি মাসুদ আহমদ, সহ সাধারন সম্পাদক সুনু মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক  মজনু মিয়া, যুবদল নেতা আমিনুর রশিদ, মামুন আহমদ, আওলাদ মিয়া, কবির আহমদ, মদচ্ছির খান, সৈয়দ রুপন আলী, আখতার মিয়া, ফারুক মিয়া, বাদশা মিয়া, ইদন আলী, আব্দুর নূর, আলাউর মিয়া প্রমুখ।।
               

 
 
 
 
 
 

মুহাম্মদ আব্দুল বাছির সরদার:
হেফাজতে ইসলাম রিয়াদ শাখার নেতৃবৃন্দ এক বিবৃতিতে বলেছেন, শাপলা চত্বরে ঘুমন্ত ও এবাদতরত নিরস্ত্র হেফাজত কর্মীদের ওপর বর্তমান ক্ষমতাসীন জালিম সরকার যে নৃশংস ও বর্বর গণহত্যা চালিয়েছে, তার নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের জানা নেই। গণতান্ত্রিক ও শান্তিপ্রিয় তৌহিদী জনতার ওপর এই বর্বরতম অমানবিক হত্যাকাণ্ড ইতিহাসের নিকৃষ্টতম এক কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। এই কালো রাতের রক্তের মূল্য একদিন সরকারকে তাড়া করবে। কারণ, শহীদের রক্ত বৃথা যেতে পারেনা, ইতিহাস তার জ্বলন্ত প্রমাণ রয়েছে। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, জালিম সরকারের বিরুদ্ধে গণআন্দালন অব্যাহত রাখার জন্য বাংলাদেশের তৌহিদী জনতার প্রতি আহ্বান জানান। নেতৃবৃন্দ ৫ মের রাতে সরকারের লেলিয়ে দেয়া সন্ত্রাসী বাহিনীর নৃশংস হামলায় শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মাওলানা জুনাইদ আহমদ বাবুনগরীসহ সকল রাজবন্দী নেতৃবৃন্দ ও তৌহিদী জনতার নিংশত মুক্তি কামনা করেন। সাথে সাথে জালিম সরকারের দেয়া হেফাজত নেতৃবৃন্দের ওপর দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে সরকারের প্রতি উদাত্ব আহ্বান জানান। তারা বর্তমান জালিম সরকারের প্রতি হুসিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন, যদি আওয়ামীলীগ সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় না হয়, তবে দেশপ্রেমিক জনতা একদিন এর প্রতিশোধ গ্রহণ করবে। তখন আর জুলুম-নির্যাতন করে পার পাওয়া যাবেনা। বিবৃতিদাতারা হলেন হেফাজতে ইসলাম রিয়াদ শাখার শাখার সভাপতি মাওলানা আশরাফ আলী, সহ-সভাপতি হাফিজ মাহমুদ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মুকসিত, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সাইফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবুল কালাম, প্রচার সম্পাদক হাফিজ মাসউদ আহমদ জামিল, কোষাধ্যক্ষ হাফিজ রজব আলী, সদস্য মাওলানা আব্দুর রহমান প্রমুখ।
               

 
 
 
 
 
 

মিশিগান, যুক্তরাষ্ট্র:
গত ১২শে মে, ২০১৩ইং, রবিবার স্থানীয় কাবাব হাউসে, মিশিগানের বাংলাদেশী অধ্যাসিত সকল মসজিদের (মসজিদুল-নূর, মসজিদ আল্ ফালাহ্, বায়তুল মোকাররম মসজিদ, মসজিদ আল্ এহসান, বায়তুল ইসলাম মসজিদ, মোহাম্মদীয়া মসজিদ এবং মসজিদে আল্ ফাতেহ্ ওয়ারেন) উদ্যোগে, গত ৫ই মে ঢাকা শাপলা চত্বরে সরকারী বাহিনী কর্তৃক রাতের আধারে ঘুমন্ত অবস্থায় নির্বিচারে গণহত্যা, হেফাজতে ইসলাম সহ সকল ইসলামিক দলের নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার ও নির্যাতন এবং নাস্তিক ব্লগারদের দ্বারা আল্লাহ্ ও রাসুল (সাঃ) কে নির্লজ্জ কটূক্তি করার প্রতিবাদে এক প্রতিবাদ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মসজিদ-নূর এর সম্মানিত ইমাম - জনাব মৌলানা আব্দুস সালাম সাহেব এবং মেহমান হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মসজিদ আল্ –ফালাহর ইমাম –জনাব মৌলানা-আব্দুল লতিফ আজম, বায়তুল মোকারম মসজিদের ইমাম-জনাব মৌলানা আব্দুল কাইয়ূম, মসজিদ আল্ এহসানের ইমাম-জনাব মৌলানা ফখরুল ইসলাম, বায়তুল ইসলাম মসজিদের সভাপতি-জনাব সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদীয়া মসজিদের সভাপতি-জনাব মৌলানা শাহজাহান, মসজিদে আল্ ফাতেহর সভাপতি-জনাব মৌলানা রফিকুল ইসলাম ও মিশিগান বিএনপির সভাপতি-জনাব দেওয়ান আকমল চৌধূরী।
    আল্ –ফালাহ্ মসজিদের সহ-খতিব -জনাব হাফিজ রায়হান উদ্দিনের সঞ্চালনায়, অনুষ্ঠানের শুরুতেই  পবিত্র কোরয়ান থেকে তেলায়ত করেন-কারী মৌলানা গিয়াস উদ্দিন সাহেব। উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন মসজিদ আল ফাতেহর সভাপতি, মুনার কেন্দ্রীয় নেতা -জনাব মৌলানা রফিকুল ইসলাম। 
    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মসজিদ-নূর এর সম্মানিত ইমাম - জনাব মৌলানা আব্দুস সালাম সাহেব, মসজিদ আল্ –ফালাহর ইমাম –জনাব মৌলানা-আব্দুল লতিফ আজম, বায়তুল মোকারম মসজিদের ইমাম-জনাব মৌলানা আব্দুল কাইয়ূম, মোহাম্মদীয়া মসজিদের সভাপতি-জনাব মৌলানা শাহজাহান, মসজিদ আল্ এহসানের ইমাম-জনাব মৌলানা ফখরুল ইসলাম, মিশিগান বিএনপির সভাপতি-জনাব দেওয়ান আকমল চৌধূরী, মুসলিম উম্মাহর মিশিগান চ্যাপ্টারের সভাপতি –জনাব মৌলানা খাইরুল হাসান রফিক, সেক্রেটারী-জনাব সাহেদুল ইসলাম, বায়তুল মোকারম মসজিদের সভাপতি-জনাব ডাঃ সিরাজুল ইসলাম, মিশিগান বিএনপির উপদেষ্টা-জনাব ফখরুল ইসলাম লয়েছ, হেমট্রামিক সিটি কাউন্সিলম্যান-জনাব কামরুল হাসান, বিশিষ্ট সমাজ সেবক-জনাব হাজী নিজাম উদ্দিন ও আব্দুল হালিম প্রমুখ।
  সভায় বক্তারা বিশ্বে নজির বিহীন বর্বরোচিত ঐ জঘন্য হত্যাকাণ্ডের কটুর সমালোচনা এবং নাস্তিক ব্লগারদের জামাই আদরে লালন পালন করার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ঐ প্রতিবাদ সমাবেশ নিম্ন লিখিত প্রস্তাবগুলো মিডিয়ার মাধ্যমে সরকারের কাছে প্রস্তাব আকারে পেশ করছেঃ-
১। গত ৫ই মে, ২০১৩ইং ঢাকার শাপলা চত্বরে সরকারী বাহিনী কর্তৃক রাতের আধারে ঘুমন্ত অবস্থায় নির্বিচারে গণহত্যার তদন্ত উদগাটনের জন্য একজন অবসর প্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে উচ্চ পর্যাযের তদন্ত কমিশন
                                                                                                                  পৃষ্টাঃ- ১
       পৃষ্টাঃ- ২
গঠন করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও নিহতের পরিবারের ক্ষতিপূরণ দান এবং আহতদের সুচিকিৎসার জোর দাবী জানাচ্ছে।
২। এ সভা দাবী করছে যে, গণতান্ত্রিক আন্দোলন করতে গিয়ে বিরোধীদলসহ যে সকল ইসলামী দলের নেতৃবৃন্দ, আলেম উলামা, কর্মীবৃন্দ গ্রেফতার হয়েছেন তাদের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দাবী করছে।
৩। এ সভা সরকারের ফ্যাসিবাদী মানসিকতার ফলে যে সকল জনপ্রিয় মিডিয়া আমার দেশ  পত্রিকা, দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভি বন্ধ করা হয়েছে তা দ্রুত খুলে দেয়ার দাবী জানাচ্ছে এবং সে সাথে জনাব মাহমুদুর রহমানের নিঃশর্ত মুক্তি দাবী করছে।
৪। এ সভা গণজাগরণ মঞ্চের যে সকল নাস্তিক ব্লগার সমূহ আল্লাহ্ এবং রাসুল (সাঃ) কে নির্লজ্জ ভাষায় গালিগালাজ করেছে তাদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও ফাঁসি দাবী করছে।
৫। এ সভা শাপলা চত্বরের নাম পরিবর্তন করে “ শহিদ চত্বর ” রাখার দাবী করছে।

 
 
 
 
 
 

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে বৈঠক করবেন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক বিশেষ দূত স্টিফেন জে র‌্যাপ।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় হোটেল ওয়েস্টিনে এ বৈঠক হবে।
এছাড়া ঢাকায় অবস্থানকালে যুদ্ধাপরাধের বিচারসহ বিভিন্ন বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে তিনি মতবিনিময় করবেন বলে জানিয়েছে কূটনৈতিক সূত্র।
দু’দিনের সফরে মঙ্গলবার সকালেই ঢাকা এসেছেন র‌্যাপ। ১৯৭১ সালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরু হওয়ার পর ২০১১ সালের জানুয়ারিতে প্রথম দফায় ঢাকায় আসেন র‌্যাপ।
সে সফরে তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন (১৯৭৩) অনুসারে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার-প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে আইনটিতে কিছু সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সঙ্গতি রাখতে হলে এ পরিবর্তন জরুরি।”

 
 
 
 
 
 

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মাওলানা আবুল কালাম মোহাম্মাদ ইউসুফের জামিন নামঞ্জুর করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে চেয়ারম্যান বিচারপতি এ টি এম ফজলে কবীরের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
এর আগে সোমবার একই ট্রাইব্যুনালে মাওলানা এ কে এম ইউসুফের জামিন আবেদনের উপর শুনানি শেষ করে মঙ্গলবার আদেশের দিন ধার্য করা হয়।
আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বার্ধক্যজনিত কারণসহ ৩টি গ্রাউন্ডে জামিন আবেদন করেন। তারা অভিযোগ করে বলেন, মাওলানা এ কে এম ইউসুফের বিরুদ্ধে কি কি অভিযোগ আনা হয়েছে সে বিষয়গুলো জানা নেই। গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশের কপি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর আগেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ কে এম ইউসুফ কয়েকটি জটিল রোগে ভুগছেন বলে জামিন অবেদনে উল্লেখ করা হয়।

আসামিপক্ষের আইনজীবী তাজুল ইসলাম বলেন, মাওলানা এ কে এম ইউসুফ এক বছর ধরে গৃহবন্দী। তাকে গ্রেফতার করে এখানে আনার প্রয়োজন ছিল না। কিন্তু প্রসিকিউশন ট্রাইব্যুনালের অর্ডারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ কে এম ইউসুফকে গ্রেফতার করে এখানে এনেছেন এবং এটি অন্যায় হয়েছে।

জামিন শুনানিতে আসামিপক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক ও এডভোকেট তাজুল ইসলাম।

অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জামিন আবেদনের বিরোধিতা করেন মূলত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে।

জামিন শুনানিতে হৃশিকেষ সাহা ট্রাইব্যুনালকে বলেন, আসামিপক্ষ যে যে গ্রাউন্ডে জামিন চাচ্ছেন তা ঠিক নয়। কারণ মাওলানা এ কে এম ইউসুফ এখনো জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমিরের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি অসুস্থ হলে তো রাজনীতি থেকে অবসর নিতে পারতেন। যেহেতু তিনি এখনো রাজনীতিতে সক্রিয় তাই তাকে জামিন দেয়া যাবে না।

তিনি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার বাহিনী গঠন করে স্বাধীনতার চরম বিরোধিতা করেছেন। এজন্য তাকে জামিন না দিয়ে তার বিচার কার্য চালানো হোক।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে চেয়ারম্যান বিচারপতি এ টি এম ফজলে কবীর মঙ্গলবার এ বিষয়ে আদেশের দিন ধার্য করেন এবং এ মামলার ফরমাল চার্জের কপি ও মামলা সংক্রান্ত সকল ডকুমেন্ডের কপি যতো দ্রুত সম্ভব জমা দিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের বলা হয়।

উল্লেখ্য, রবিবার ট্রাইব্যুনালের আদেশের পর পরই দুপুরে এ কে এম ইউসুফকে তার বাসা থেকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।
       

 
 
 
 
 
 

বাংলাদেশ সফররত জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকো বলেছেন, সুষ্ঠু নির্বাচন না হওয়ার পরিণতি মঙ্গলজনক নয়। সোমবার বিকালে রাজধানীর হোটেল সোনরাগাঁওয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সমঝোতার সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। সহিংসতা এবং উদ্বেগ নিরসনে দেশের সব রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উচিত সংলাপে বসা। নির্বাচনের পূর্ব মুহূর্তে তার এ সফর নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতিসংঘের দৃষ্টিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষার মিশনেও এ দেশের জনশক্তি কাজ করছে। দেশটিকে গুরুত্ব দিয়েই জাতিসংঘ মহাসচিব এ সফরের জন্য পাঠিয়েছেন।

প্রধান বিরোধী দলের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংলাপের যে আহবান জানিয়েছেন তাতে সাড়া দেয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তারানকো। আর সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে মিডিয়া, সুশীল সমাজ ও এনজিওসহ সংশ্ল্লিষ্ট সবাইকে সমপৃক্ত করারও পরামর্শ দেন তিনি ।

গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে জাতিসংঘ অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকোর মাধ্যমে কোনো ফর্মুলা দিয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনারা নিজেরাই বোঝেন- কি ধরনের পদ্ধতি অনুসরণ করা হলে সবার কাছে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে। এ বিষয়ে জাতিসংঘ কোনো ফর্মুলা দেয়নি।

এজন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড (সবার জন্য সমান সুযোগ) তৈরির পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংলাপের আহবানকে স্বাগত জানান তারানকো।

তিনি বলেন, জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন বাংলাদেশের সামপ্রতিক ঘটনা-দুর্ঘটনায় খুবই উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে রাজপথের সহিংসতা তাকে খুব পীড়া দেয়।
 
চার দিনের সফরে গত শুক্রবার বাংলাদেশে আসেন জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকো। সফরকালীন সময়ে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া, নির্বাচন কমিশন, স্পিকারসহ গুরুত্বপূর্ণ রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, কূটনীতিক ও বিশিষ্টজনদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তার এ সফরে তিনি একাধিকবার খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

সোমবার রাত পৌনে ১২টায় তার ঢাকা ছাড়ার কথা রয়েছে।               

 
 
 
 
 
 

নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে সংলাপের জন্য বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়াকে চিঠি দিচ্ছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।
চলতি সপ্তাহের মধ্যেই বিরোধী নেত্রীর কাছে এ চিঠি পৌঁছানো হবে বলে সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্র জাস্ট নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। চিঠির খসড়াও ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে। এ নিয়ে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলে আলোচনা-পর্যালোচনা হচ্ছে।
সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে কোথায় কিভাবে সংলাপ করা যায় এবং আলোচ্যসূচি কি হবে তা চিঠিতে থাকছে। বাংলাদেশে সফররত জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকো ঢাকায় অবস্থানকালেই ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে সংলাপের চিঠি বিরোধী দলের নেত্রীর কাছে পৌঁছাবে বলে সূত্র জানিয়েছে।
বাংলাদেশে সফররত জাতিসংঘের এ দূত ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধী দলের নেত্রী খালেদা জিয়া, জাতীয় সংসদের স্পিকার, নির্বাচন কমিশন, আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও অন্যান্য দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে আসন্ন নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণের বিষয়ে জাতিসংঘের আগ্রহের কথা তুলে ধরেন তিনি।

সমস্যা সমাধানে রাজনৈতিক দলগুলোকে সংলাপের তাগিদ দেন তারানকো। আজ সকালে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। এছাড়া বিরোধী নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দেয়া মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন।

উল্লেখ্য, এর আগে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধী দলের নেত্রীকে সংলাপে বসার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এরপরই সংলাপের আলোচনা শুরু হয়। তখন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, সংলাপের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠিও দেয়া হবে।               

 
 
 
 
 
 

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুদন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি আগামী ২২ মে অনুষ্ঠিত হবে।
 সোমবার প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ছয় বিচারপতির বেঞ্চ শুনানির এ তারিখ নির্ধারণ করেন।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও আসামিপক্ষে আবদুর রাজ্জাক অংশ নেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুদন্ডের আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
রায়ে সাঈদীর বিরুদ্ধে আনা ২০টি অভিযোগের মধ্যে আটটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়। এর মধ্যে দু’টি অভিযোগে অর্থাৎ ৮ ও ১০ নং অপরাধে সাঈদীর মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়। এছাড়া ৬, ৭, ১১, ১৪, ১৬ ও ১৯নং অভিযোগ প্রমাণিত হলেও এগুলোতে কোনো সাজার কথা ঘোষণা করেননি ট্রাইব্যুনাল।

ছয়টি অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পরও দন্ড ঘোষণা না হওয়ায় এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। অপরদিকে, মৃত্যুদন্ডাদেশ বাতিল করে খালাসের আবেদন জানিয়ে আপিল করেন সাঈদী। রায় ঘোষণার ২৯ দিনের মাথায় ২৮ মার্চ রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষ আপিল করে।

এরপর ১৮ এপ্রিল আপিল বিভাগ ২ মে তারিখ ধার্য করে এই সময়ের পূর্বে উভয়পক্ষকে আপিলের সার সংক্ষেপ জমা দিতে নির্দেশ দেন। সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৭ মে আপিল বিভাগ আসামিপক্ষকে ১৬ মে এর মধ্যে আপিলের সারসংক্ষেপ জমা দিতে নির্দেশ দেন।               

 
 
 
 
যোগাযোগ করুন..
01712 247 900

dainiksylhet@yahoo.com