Home Home Page Rank NTV ONLINE ETV ONLINE BANGLA  VISION ONLINE CHANEL I ONLINE EKATTOR TV ONLINE
১৯-১২-২০১৪ শুক্রবার

 দৈনিক সিলেট ডটকম সিলেট বিভাগের সর্বাধিক জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল-আমাদের সাথে থাকুন, নিজেকে আপডেট রাখুন...

 
 
এই জনপদ
 
 
 
 
 

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সিলেট মহানগর শাখার সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক দক্ষিণ সুরমা বিএনপির সাবেক আহবায়ক কমিটির সদস্য বিএনপি নেতা মনিরুল ইসলাম তুরনের জামিনে মুক্তি লাভ। তিনি দক্ষিণ সুরমা থানার একটি পুলিশ এসল্ট মামলায় প্রায় দেড় মাস কারাভোগের পর বৃহস্পতিবার সকালে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি লাভ করেন। বিএনপি নেতা তুরনকে তাৎক্ষণিকভাবে জেইল গেইটে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি যুবদল, ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আলী আহমেদ, দক্ষিণ সুরমা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক বজলুর রহমান ফয়েজ, বিএনপি নেতা আজির উদ্দিন, যুবদল নেতা আলতাব হোসেন, মুক্তাদির খান, কয়েছ আহমদ, জালাল উদ্দিন মিন্টু, খালেদ আহমদ, রফিক আলী, যুক্তরাজ্য কমিউনিটি নেতা জয়নাল আবেদীন মানিক, ছাত্রদল নেতা আল মামুন, মোবারক হোসেন তুহিন, সোহেল ইবনে রাজা, কামরান হোসেন, রুবেল আহমদ, খালেদ আহমদ, ছোয়াব আলী, জিয়াউল, রিপন, সাদিক, ফাহিম, জমির, আনসার, আদনান, শাহীন প্রমুখ।
পরে নেতাকর্মীরা তাকে নিয়ে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে সিলেট নগরী সহ দক্ষিণ সুরমার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।

 
 
 
 
 
 
 

ফেঞ্চুগঞ্জে একদিন ব্যাপী কাবস্কাউট ওরিয়েনটেশন বৃহস্পতিবার উপজেলা প্রশাসন মিলনায়তনে সমাপ্ত হয়েছে। আগামীতে কাবস্কাউট বেসিক কোর্সে অংশগ্রহণকারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সমূহের শিক্ষকরা এ ওরিয়েনটেশন কোর্সে অংশগ্রহণ করেন। ৬৫ জন শিক্ষক এ কোর্সে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। ওরিয়েনটেশন কোর্স উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি, উপজেলা স্কাউটের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আনোয়ার হোসেন। উপজেলা স্কাউটের সম্পাদক মোঃ ময়ুব আলীর পরিচালনায় এবং উপজেলা স্কাউট কমিশনার মোঃ আহাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ শফিক উদ্দিন, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সহিদুজ্জামান, সহ-সভাপতি কাঞ্চন চন্দ্র দেব এবং উপজেলা কাব লিডার মনসুর আলী। কোর্স লিডারের দায়িত্ব পালন করেন স্কাউটার রিপন চক্রবর্তী এ এল টি।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন প্রধান শিক্ষক মোঃ আমিন উদ্দিন। প্রধান প্রশিক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন বাংলাদেশ স্কাউট সিলেটের আঞ্চলিক উপ-কমিশনার (প্রশিক্ষণ) মোঃ আব্দুল আজিজ এল.টি। অন্যান্য প্রশিক্ষকরা হচ্ছেন-সিলেটের প্রাক্তন জেলা কাব লিডার মোঃ জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী সি.এ.এল.টি এবং উডব্যাজার আক্তার হোসেন প্রমুখ।

               

 
 
 
 
 
 
 

সিলেট, ১৮ ডিসেম্বর:              
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সিলেট সরকারি এমসি কলেজের অনার্সভর্তি পরীক্ষার আসন বিন্যাস সম্পন্ন করেছে ভর্তি কমিটি। এম.সি কলেজের অধ্যক্ষ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ আসন বিন্যাস জানানো হয় ।
এমসি কলেজসহ ৭টি কেন্দ্রে এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার্থীগন (১৯ ডিসেম্বর) আগামী কাল শুক্রবার সকাল ১০টায় ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র এবং H.S.C পরীক্ষার মূল রেজিঃকার্ড সহ স্ব স্ব কেন্দ্রে উপস্থিত হওয়ার জ্ন্য বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় । এমসি কলেজের দুইসহস্রাধিক আসনের
বিপরিতে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী এ ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।
আসন বিন্যাসনিম্নরূপঃ
সিলেট সরকারি কলেজ কেন্দ্রে বিজ্ঞানবিভাগের ৩০২৬৭৭৭ থেকে ৩০২৭৩৮৯, মানবিক বিভাগের৫০৫৯৩৮৫ থেকে ৫০৬০৭২২।
সিলেট মডেল স্কুল এন্ড কলেজকেন্দ্রে বিজ্ঞান বিভাগের
৩০২৭৩৯০ থেকে ৩০২৮৫৩৮।শিবগঞ্জের সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ
বিদ্যালয়কেন্দ্রে ৩০২৮৫৩৯ থেকে ৩০২৯২১৮, সরকারি টিটি কলেজকেন্দ্রে ৩০২৯২১৯
থেকে ৩০২৯৭৬৪,সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজকেন্দ্রে বিজ্ঞান বিভাগের ৩০২৯৭৬৫ থেকে ৩০৩০৪১৪এবং মানবিক বিভাগে ৫০৬০৭২৩
থেকে ৫০৬২০১০,মিরাবাজার হযরত শাহজালালজামেয়া ইসলামিয়া স্কুল
এন্ড কলেজকেন্দ্রে বিজ্ঞান বিভাগে ৩০৩০৪১৫ থেকে ৩০৩০৭১৪ ও মানবিক বিভাগে ৫০৬২০১২ থেকে ৫০৬২৮৮৮,সরকারি এমসি কলেজ কেন্দ্রে বিজ্ঞান
বিভাগথেকে ৩০৩০৭১৫ থেকে ৩০৩০৯৪৩ ও গোয়াইনঘাট কলেজ,ঢাকা দক্ষিণ কলেজ
এবং কানাইঘাট কলেজেরবিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষার্থীরা, মানবিকবিভাগে ৫০৬২৮৮৯ থেকে ৫০৬৫৪৯৮ এবং গোয়াইনঘাটকলেজ, ঢাকা দক্ষিণ কলেজ, কানাইঘাট কলেজ ও মঈনউদ্দিন কলেজের মানবিক শাখার পরীক্ষার্থীরা,ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ৭০৬৩৭৯৮ থেকে ৭০৬৪৮১৮এবং গোয়াইনঘাট কলেজ,
ঢাকা দক্ষিণ কলেজএবং কানাইঘাট কলেজের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের পরীক্ষার্থীরা অংশ নেবে।               

 
 
 
 
 
 
 

সিলেটের সবচেয়ে বড় অটো-ইটভাটার উদ্বোধন হয়েছে। সাকের অটো ব্রিক নামের এ ইটভাটা বৃহস্পতিবার সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার ঘাটের চটি এলাকায় উদ্বোধন হয়। সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের পাশে উদ্বোধনকৃত এ ইট ভাটার মালিক সিলেটের কুমারগাঁও বেসরকারি বিদুৎ উৎপাদনকেন্দ্রের উদ্যোক্তা আতাউল্লাহ সাকের।
ঘাটের চটি এলাকায় সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক থেকে প্রায় ৫০০ ফুট দূরে সাকেরস গার্ডেন এলাকায় চার একরের বেশি জমির ওপর এ ইটভাটার উদ্বোধন হয়। এ উপলক্ষ্যে এক মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।  
সাকের অটো ব্রিক-এর পরিচালক আতাউল্লাহ সাকের জানান, বাড়িঘর দালানকোটা ব্রিজ ইত্যাদি নির্মাণে ভালোমানের ইটের চাহিদা খুব বেশি। এজন্য স্বয়ংক্রিয় মেশিনে ভালোমানের কাদামাটি দ্বারা আমাদের এখানে ইট তৈরী হবে। এ ইট সাধারণ ইটের চেয়ে আরো  উন্নতমানের হবে। এজন্য এ ইটের স্থায়ীত্ব ও উজ্জলতা খুব বেশি থাকবে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে বাজারে যে নিম্নমানের ইট পাওয়া যায় তা সাধারণ ইটখোলা হতে তৈরী। এগুলো তুলনামূলকভাবে বেশি দামে বিক্রি করা হয়। কিন্তু সাকের অটো ব্রিকস তার ন্যায্যমূল্যে ইট সরবরাহ করবে।
               

 
 
 
 
 
 
 

ওদের প্রত্যেকের হাতে প্রজ্জ্বলিত মোমবাতি, সেটির আলোয় উদ্ভাসিত সিলেট কিন ব্রিজ। তাদের প্রত্যেকের বুকে হাত। চোখে মুখে আলোর ঝলকানি। তাদের দৃপ্ত শপথ এদেশকে মুক্ত করতে হবে শকুনদের হাত থেকে। যেসব শকুনরা এখনো ঘুরে বেড়াচ্ছে দেশের নীল আকাশে। যাদের কারনে পিছিয়ে আছে আমাদের এদেশ। সকল স্বাধীনতা বিরোধীদের রূখতে হবে এখনই। তাদের দিতে হবে কঠিন শাস্তি। তাদের শাস্তির মধ্য দিয়েই গড়তে হবে সমৃদ্ধ এ দেশ। গত মঙ্গলবার রাতে রোটারেক্ট ডিস্ট্রিক্ট অর্গানাইজেশন (৩২৮২) মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সারা দেশের ন্যায় ‘অনির্বাণ ২০১৪’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
তখন রাত ৮ টা। কানায় কানায় পরিপূর্ণ সুরমা নদীর তীর। আলোকিত কিনব্রিজ। প্রত্যেক রোটারেক্টদের হাতে থাকা মোমের আলোয় মিইয়ে যায় কিন ব্রিজ থেকে বিচ্ছুরিত সেই আলো। বজ্র কন্ঠে তাদের দৃপ্ত শপথে প্রাণ ফিরে পায় অনেকটা স্তব্ধ কিন ব্রিজ এলাকা। তাদের হাতে থাকা মোমের আলোয় ভেসে উঠল ব্যানারে লেখা ‘স্বদেশ বিনির্মাণে আমরাই হব জাগ্রত অগ্রদূত’।
অনুষ্ঠানে আসা অতিথিদের ব্যনারে লেখা দেখে বুঝতে বাকি রইলনা এদেশ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে রোটারেক্টরা। তাদেরকে দিয়েই গড়া সম্ভব সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। কারন তাদের প্রত্যেকের মধ্যে রয়েছে সুন্দর দেশ গড়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্ন নিয়েই তারা এগিয়ে যাবে বলে বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।
শুরুতেই সমবেত কন্ঠে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন রোটারেক্টররা। এরপর বুকে হাত রেখে নেন দৃপ্ত শপথ। শপথ বাক্য পাঠ করান বীর মুক্তিযোদ্ধা সদর উদ্দিন আহমদ চৌধুরী। শপথ অষ্টুষ্ঠানের পর পরই শুরু হয় আলোচনা সভা। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শাবির সাবেক ভিসি বর্তমানে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. সালেহ উদ্দিন আহমদ।
রোটারেক্ট ডিস্ট্রিক্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ (ডিআরআর) অ্যাডভোকেট হোসাইন আহমদ শিপনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন-মুক্তিযোদ্ধা এমএ সাত্তার, রোটারী ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর ইঞ্জিনিয়ার এমএ লতিফ, ডিআরসিসি মুফতি এএস শামীম আহমদ ও পিডিআরআর কামরুজ্জামান চৌধুরী রোম্মান। আলোচনায় অংশ নেন রোটারিয়ান আজাদ শিপন, রাহাত তরফদার, শাহ মিনহাজ, ডিস্টিক্ট সেক্রেটারি কয়েস আহমদ সুমন, ইমরান চৌধুরী, শাহ জুনেদ আলী, কিবরিয়া সারোয়ার, আবুল হোসেন, বিনয় দে সজিব, রফিকুল আলম প্রমূখ। পরে ডিআরআর নিউজ লেটার ‘দি ভয়েস অব ভিক্টরি’র’ মোড়ক উম্মেচন করেন অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা।
               

 
 
 
 
 
 
 

কাজী জমিরুল ইসলাম মমতাজ, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার তিনটি গ্রামকে সুরমা নদীর ভাঙ্গন থেকে রক্ষার দাবী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।  বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় উপজেলার রঙ্গারচর ইউনিয়নের বিরামপুর,চানঁপুর ও বলবপুর এই তিন গ্রামবাসীর উদ্যোগে নদীপাড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে এ সময় বক্তব্য রাখেন সমাজসেবক মোঃ আব্দুল হাই,মোঃ সমছুল হক,মইনুদ্দিন,নুর ইসলাম ফজলু মিয়া আবু তাহের,আব্দুল মোতালিব,সামান মিয়া,মোঃ জালাল মিয়া,আমির হোসেন,মোঃ আক্কাছ আলী প্রমুখ।
বক্তারা বলেন,গত ৫/৬ বছর ধরে অব্যাহত নদী ভাঙ্গনের কারণে ইতিমধ্যে তিনটি গ্রামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাড়িঘর,স্কুল,ফসলী জমি,মাদ্রাসাসহ প্রায় ২৫ হাজার পরিবারের ৩৬০ একর জায়গা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে হয়ে গেছে। নদী ভাঙ্গন অব্যাহত থাকলে আগামীতে ঐ গ্রামগুলোর বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় আশংঙ্কায় করছেন। নদী ভাঙ্গন রোধে সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবী জানান।
               

 
 
 
 
 
 
 

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদের ২০১৪-২০১৫ অর্থ বছরের সংশোধিত বাজেট সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে, এসডিসি শরিক প্রকল্পের সহযোগিতায় জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ মিয়ার সভাপতিত্বে, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আব্দুর রকিবের পরিচালনায় বাজেট সভা অনুষ্ঠিত হয়।     বাজেট সভায় বক্তব্য রাখেন জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নুরুল হক, নুর আহমদ, মাওঃ ওয়ারিছ উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন, সিদ্দিক শাহ, সদস্যা মুরতি শর্ম্মা, রোকেয়া বেগম, সমাজসেবী ফুল মিয়া, হেলভেটাস প্রতিনিধি রোজী পারভীন, সি আর এস শরিক প্রকল্পের প্রতিনিধি রমানাথ রায়, মমতাজ বেগম, ওবায়েদুল্লাহ, রাশেদ, এফআইভিডিবি সিফরডি প্রতিনিধিবৃন্দ ও ইউনিয়নের বিভিন্ন অয়ার্ডের সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ প্রমূখ।
    ২০১৪-২০১৫ অর্থ বছরের প্রস্থাবিত বাজেট ছিল ১ কোটি ১৮ লক্ষ ২২ হাজার ৩১৪ টাকা, এর আলোকে সংশোধিত বাজেটে ১ কোটি ১৯ লক্ষ ২৩ হাজার ৯৯০ টাকা ঘোষণা করেন জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ মিয়া।
               

 
 
 
 
 
 
 

মুহাম্মদ আব্দুল বাছির সরদার, দিরাই প্রতিনিধি:
মাসের পর মাস স্ত্রীসহ দাখিল মাদরাসার সুপারিনটেনডেন্ট অনুপস্থিত থেকেও মাসিক বেতন-ভাতাসহ সকল ধরণের সুযোগ-সুবিধা নিলেও প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়ছে, ফলে দিন দিন শিক্ষার কার্যক্রমে দেখা দিয়েছে শিথিলতা, পাশাপাশি হ্রাস পাচ্ছে শিক্ষার্থীর সংখ্যাও। অবহেলিত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি হচ্ছে সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহি গ্রামের হায়দরিয়া দাখিল মাদরাসা ভাটিপাড়া। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, মাদরাসাটির করুণচিত্র, পুরাতন দুটি ভাঙ্গাঘর, কাঁচা মেঝে হওয়ায় চারদিকে ইঁদুরের গর্ত ও ভাঙ্গা পার্টিশন, ছাদের অবস্থাও ভালো না, বাঁশের দেয়া সিলিংগুলোও খুলে পড়ছে, কোমলমতি শিক্ষার্থীরা আতঙ্ক নিয়েই ভাঙ্গা বেঞ্চে বসে ক্লাস করছে। মাদরাসার ভালো আয়ের ব্যবস্থা থাকার পরও অবকাঠামোগত দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন নেই। নামমাত্র একটি বিল্ডিং রয়েছে। এ সময় মাদরাসার শিক্ষক, এলাকার গণ্যমান্য ও শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে সুপারের দুর্নীতির ভয়াবহ তথ্য। আর এই তথ্য সম্বলিত একটি অভিযোগ দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে ২০১০ সালে লিখিতভাবে এলাকাবাসির পক্ষ থেকে প্রেরণ করা হয়েছিল।
জানা যায়, মাদরাসার সুপার মাওলানা কামরুল ইসলাম ও অফিস সহকারি উকিল আলীর সহযোগিতায় উপবৃত্তির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একজনের টাকা অন্য আরেক জনের নাম দিয়ে তুলে তারা হজম করছেন। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অফিস সহকারি উকিল আলী একেক সময় একেক বক্তব্য দিচ্ছেন। কখনো ম্যনেজিং কমিটির সামনে আবার কখনো অভিভাবক টাকা নিয়ে গেছেন বললেও সঠিক কোন তথ্য তিনি দিতে পারেন নি। গত ৬ নভেম্বর হায়দরিয়া দাখিল মাদরাসা ভাটপাড়ায় সরেজমিন গেলে দেখা যায় প্রতিটি ক্লাসেই শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম, অফিস সহকারি এ দিনের উপস্থিতি ৪১ দেখালেও বাস্তবে ছিল ১৯ জন। শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম কেন জানতে চাইলে কোন সদুত্তর দিতে পারেন নি উপস্থিত শিক্ষকগণ। তবে শিক্ষক সাইফুল মুলক বলেন, যেখানে প্রতিষ্ঠানের প্রধান মাওলানা কামরুল ইসলাম মাসের পর মাস অনুপস্থিত থাকেন, সেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এমন অবস্থা হলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, হায়দরিয়া দাখিল মাদরাসা ভাটিপাড়ায় বর্তমানে ১২ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন, এরমধ্যে ১০ জন শিক্ষক ও ২ জন শিক্ষিকা। শিক্ষিকা ২ জনের মধ্যে মাদরাসার সুপার মাওলানা কামরুল ইসলামের স্ত্রী মোছাঃ রিপা আক্তার নিয়োগের পর থেকে এ পর্যন্ত একদিনও মাদরাসায় উপস্থিত হননি, দিরাই বাসায় বসেই বেতন-ভাতাদি উত্তোলন করছেন। শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞাসা করা হলে তারা জানায়, মাদরাসায় আমরা একজন ম্যাডামকে দেখেছি, এছাড়া অপর শিক্ষিকা রিপা ম্যাডাম নামে কাউকে আমরা কোনদিন দেখিনি। অপর শিক্ষিকা মোছাঃ নয়ন তারা বেগম কোন ধরণের ছুটি ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে মাদরাসায় অনুপস্থিত রয়েছেন। কেন দীর্ঘদিন অনুপস্থিত-এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষক একেএম মিছবাহ উদ্দিন জানান, শুনেছি তার নাকি সন্তান হয়েছে। সহ-সুপার ও অফিস সহকারির কাছে কোন ধরণের লিখিত তথ্য নেই বলেও জানান তারা।

সরেজমিন হায়দরিয়া দাখিল মাদরাসা ভাটিপাড়ায় গেলে অফিস কক্ষে কথা হয় গ্রামের কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও শিক্ষকদের সাথে। এরমধ্যে ভাটিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবু নোমান চৌধুরী, মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য মোঃ রুহুল আমিন, সদস্য মুজাহিদ চৌধুরী, ভাটপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সদস্য ডাঃ কাজি আবু তালেব ও মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা ইমাম উদ্দিন, একেএম মিছবাহ উদ্দিন, সাইফুল মুলক, অফিস সহকারি উকিল আলী মাদরাসার সুপার ও তার স্ত্রীর অনুপস্থিতি ও মাদরাসা পরিচালনা কমিটির বৈঠক নিয়মতি না হওয়ার কথা সকলেই একবাক্যে স্বীকার করেন।
গ্রামের বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ভাটিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবু নোমান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশে আরো মাদরাসা রয়েছে, এ মাদরাসায় সর্বোচ্চ দুর্নীতি ও কেলেংকারি হচ্ছে, সুপার কারো পরামর্শ না নিয়েই নিজের মনগড়া মতো মাদরাসাটি পরিচালনা করছেন। এ মাদরাসার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হওয়ার পরিবর্তে অন্ধকার হচ্ছে, এভাবে একটি প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। আমি পাশের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছি, আমরা নিয়মিত শিক্ষক-অভিভাবকদের নিয়ে মিটিং করে রেজুলেশন করছি, এ মাদরাসায় মিটিং বা রেজুলেশন হয় বলে আমার জানা নেই।
মাদরাসার পরিচালনা কমিটির সদস্য মোঃ রুহুল আমিন বলেন, আমরা সুপারকে বহুবার বুঝিয়েছি মাদরাসায় অনুপস্থিত না থাকা ও দুর্নীতি বাদ দিয়ে ভালো হয়ে চলার জন্য, তিনি আমাদের কথায় কর্ণপাত করছেন না, মনে হয় তার খুঁটির জোর খুবই শক্তিশালী। কিছুদিন আগে সুপার মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হাত থেকে ফিরে এসেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারপরও সুপারের শিক্ষা হয়নি, দুর্নীতি চলছে আগের মতোই।
২০১০ সালের ১২ অক্টোবর দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি অভিযোগ দেয়া হয়। অভিযোগপত্রে জানা গেছে, মাদরাসার সুপার মাওলানা কামরুল ইসলাম দীর্ঘ ৯ মাস যাবত মাদরাসায় অনুপস্থিত রয়েছেন, মাঝে মধ্যে গেলেও কিছুক্ষণ থেকে আবার চলে আসছেন। বিগত ১০ বছর যাবত ব্যাংকে মাদরাসার ৫০ হাজার টাকার একটি এফডিআর আছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন মুনাফা পাওয়া যায়নি। উপরন্তু তিনি ভূয়া রেজুলেশন দেখিয়ে এফডিআর ভেঙে এর মুনাফা তুলে নেন। এছাড়া মাদরাসার জমি ইজারা দেয়া বাবত প্রতি বছর ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করছেন বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়। সূত্র মতে, সরকার মেয়েদের উপবৃত্তি চালু করার পর থেকে বর্তমান পর্যন্ত মাদরাসার শিক্ষকগণ কোন ধরণের টিউশর ফি না নিয়ে ফাণ্ড গঠনের জন্য দান করে থাকেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত ফাণ্ডে কত টাকা জমা হয়েছে, এর প্রকৃত কোন হিসাব তিনি দিচ্ছেন না।
এদিকে হায়দরিয়া দাখিল মাদরাসা ভাটিপাড়ার সুপার মাওলানা কামরুল ইসলামের সাথে বার বার যোগাযোগ করা হলে তিনি নানা অজুহাত দেখিয়ে এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। পরে কথা বলবো বললেও পরবর্তীতে মোবাইল বন্ধ করে রাখেন।
দিরাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, বিভিন্ন সময়ে তার নামে অভিযোগের কথা শুনেছি এবং তাকে ভালো হয়ে যেতে পরামর্শ দিয়েছি। সুপারের স্ত্রী মোছাঃ রিপা আক্তার নিয়োগের পর থেকে মাদরাসায় না গিয়ে বেতন-ভাতাদি উত্তোলন করছেন-জিজ্ঞাসা করলে শিক্ষা কর্মকর্তা ঘটনাটি জানেন না বলেও জানান।
মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন জানান, আমি আসার পর হায়দরিয়া ভাটিপাড়া মাদরাসায় যাওয়া হয়নি, সুপারের দুর্নীতি বা স্বেচ্ছাচারিতা ও তার স্ত্রী নিয়োগের পর থেকে মাদরাসায় না যাওয়ার বিষয়েও আমি অবগত নই, ১৬ ডিসেম্বরের পর বিষয়টি আমি দেখব বলেও জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।               

 
 
 
 
 
 
 

মোস্তাফজিুর রহমান রাসলে:
কুলাউড়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সৌম্য প্রদীপ ভট্টাচার্য্য সজল বলেছেন, মেধার কোন বিকল্প নেই। যে যত বেশী জ্ঞান অর্জন করতে পারবে সে তত বেশী মেধায় বিকশিত হয়ে নিজেকে প্রতিষ্টিত করতে পারবে এবং দেশে-বিদেশে সুনাম অর্জনে সক্ষম হবে। তাই আমাদের প্রত্যেককে স্ব-স্ব অবস্থান থেকে মেধাবীদের মেধাকে লালন করতে হবে। তিনি কলেজ অধ্যক্ষের ভূয়শী প্রশংসা করে বলেন একজন ইউপি চেয়ারম্যান হয়ে শত ব্যস্ততার মধ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে তার প্রতিষ্টানের মাধ্যমে বিরল সাফল্য অর্জন করে যাচ্ছেন যা অন্যদের অনুকরনীয় হয়ে থাকবে।
কুলাউড়া পৌর শহরের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্টান শাহ্জালাল আইডিয়াল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের আয়োজনে বুধবার সকাল ১১টায় কলেজ প্রঙ্গনে ৩য় মেধা বৃত্তি পরীক্ষার বৃত্তিপ্রাপ্ত বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে সনদপত্র ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে কুলাউড়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সৌম্য প্রদীপ ভট্টাচার্য্য সজল  প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
শাহ্জালাল আইডিয়াল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের চেয়ারম্যান শামিমা আক্তারের সভাপতিত্বে ও শিক্ষক এম আর তাহরিমের পরিচালনায় অনুষ্টানে প্রধান বক্তা ছিলেন কুলাউড়া উপজেলা আয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক, কাদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ এ কে এম সফি আহমদ সলমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ছকাপন উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল খালিক, উপজেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহিদুর রহমান, কুলাউড়া প্রেসক্লাবের প্রতিষ্টাতা সভাপতি সুশীল সেনগুপ্ত, প্রেসক্লাবের বর্তমান সভাপতি এম শাকিল রশীদ চৌধুরী, ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি বদরুজ্জামান সজল, সম্পাদক জাফর আহমদ গিলমান, কুলাউড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গৌরা ঘোষ, পৌর কাউন্সিলর ইকবাল আহমদ শামিম, মহতোছিন আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফয়জুর রহমান ছুরুক, আলী আমজদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদির, মাহতাব ছায়েরা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহমুদুর রহমান কবির।
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, সাপ্তাহিক মানব ঠিকানার বার্তা সম্পাদক চৌধুরী আবু সাঈদ ফুয়াদ, স্কুল এন্ড কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হাজী আজগর আলী, কুলাউড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আব্দুর রহিম, প্রস্থাবিত সাপ্তাহিক আমার কুলাউড়ার সম্পাদক জীবন রহমান, উপজেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি আতাউর রহমান চৌধুরী ছোহেল।
এছাড়াও অনুষ্টানে উপস্থিথ ছিলেন প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক খালেদ পারভেজ বখ্শ, সবুজ সিলেট প্রতিনিধি তারেক হাসান, সাপ্তাহিক মানব ঠিকানার স্টাফ রিপোর্টর জসিম চৌধুরী, দৈনিক সকালের খবর প্রতিনিধি সাঈদুল হাসান সিপন, প্রমুখ।
অনুষ্টানের শুরুতে পবিত্র আল কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মুহিত আলম, গীতা পাঠ করেন সুমিত্রা দে। পরে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন শিক্ষার্থী তানভীর, তোহা ও স্নেহা। এসময় অতিথিদের ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করা হয়।
আলোচনা সভাশেষে অতিথিরা শাহ্জালাল আইডিয়াল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের ৩য় মেধা বৃত্তি পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত বিভিন্ন স্কুলের ২৭৮জন ছাত্র-ছাত্রী ছাড়াও কুলাউড়ার বিভিন্ন স্কুল কলেজের এইচএসসি, এসএসসি ও জেএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৭৭জন মেধাবী ছাত্র/ছাত্রীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরন করেন। 

 
 
 
 
 
 
 

মোস্তাফজিুর রহমান (রাসলে): অনলাইন বাংলা নিউজ ডট মি ও সাপ্তাহিক আমার কুলাউড়া পত্রিকার যৌথ উদ্দ্যোগে প্রবাসী কমিউনিটি নেতা, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ আলআইন মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও রাশিদ আলী ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন আনু এবং আলআইন মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ছালাউদ্দিন আহমদ সাগর তালুকদারকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
১৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬ টায় কুলাউড়া দক্ষিণবাজারস্থ মাজার-ই রেস্টুরেন্টের কনফারেন্স হলে বাংলা নিউজ ডট মির সম্পাদক ও ডেইলী নিউ ন্যাশন পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি এম মছব্বির আলীর সভাপতিত্বে ও আমার কুলাউড়া পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার  রাসেল আহমদ রাজুর সঞ্চালনায় এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে লোকমান হোসেন আনু ও ছালাউদ্দিন আহমদ সাগর তালুকদারকে সংবর্ধিত করা হয়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নারী নেত্রী নেহার বেগম। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, সাপ্তাহিক আমার কুলাউড়া পত্রিকার সম্পাদক ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ আইন ও ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক মোঃ জিবন রহমান, ড্রীম স্টার সামাজি উন্নয়ন সংস্থা কুলাউড়ার সভাপতি জাকির হোসেন খান, আমার কুলাউড়া পত্রিকার সিনিয়র সহ-সম্পাদক এইচ ডি রুবেল, বাংলা নিউজের সহ-সম্পাদক এম আর রাসেল, বাংলামেইলের জেলা প্রতিনিধি শরিফ আহমদ।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আমার কুলাউড়া পত্রিকার সহ-সম্পাদক ও লংলা আধুনিক ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক মোঃ নজরুল ইসলাম, আমার কুলাউড়া পাঠক সংঘের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন (তারেক), বাংলা নিউজ ডট মির স্টাফ রিপোর্টার সামছুল ইসলাম, শামসুল ইসলাম মুহিব, প্রবাসী সাহেদ আহমদ প্রমুখ।
এছাড়াও  সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ছমির আহমদ, জুবায়ের আহমদ জুবেল, নাহিদুর রহমান রুবেল, শরিফুর রহমান খান লিপু, সুমেল আহমদ, জাহাঙ্গির আলম টিটু, জুনেদ আহমদ, ফারুক আহমদ, ফয়ছলুর রহমান সুমন, প্রবাসী মতিন মিয়া ও রেদওয়ান হোসেন সহ বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক, রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

               

 
 
 
জনমত জরিপ

প্রবীণ রাজনীতিবিদ, সাবেক মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে এদেশের অনেক মানুষকে তালিকা করে মেরেছেন, তার এ বক্তব্য আপনি সমর্থন করেন কি?

 
হ্যাঁ না
 
 

ফলাফল দেখুন

 
 

এ.জে লাভলু, বড়লেখা প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় নিখোঁজের পাঁচ দিন পর আমির আলী (৫৫) নামের এক কৃষকের মস্তক ও এক  হাত বিহীন লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ । বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হাকালুকি হাওর এলাকার মরা সুনাই নদীতে লাশটি ভেসে উঠে দেখতে পেয়ে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৩ জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। আটকৃতরা হলেন- উপজেলার মুর্শিদাবাদকুরা গ্রামের মৃত ইউসুফ আলীর ছেলে সুনাম উদ্দিন (৪৫), চুকারপুঞ্জি গ্রামের মৃত আতির আলীর ছেলে আবুল হোসেন (৫৫) ও কুঠাউরা গ্রামের মৃত সইব উদ্দিনের ছেলে মইজ উদ্দিনকে (২৪)।
থানা পুলিশ, এলাকাবাসী ও সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বর্নি ইউনিয়নের কাজিরবন্দ গ্রামের মৃত হাসমত আলীর ছেলে আমির আলী গত ১৩ ডিসেম্বর রাতে মাছ শিকারের জন্য হাকালুকি হাওরে গিয়ে আর ফেরেননি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাকে না পেয়ে পরের দিন আমির আলীর ছোট ভাই মুমিন আলী বড়লেখা থানায় জিডি করেন। নিখোঁজের তিন দিন পর এলাকাবাসী ও স্বজনরা মালাম বিলের পারে আমির আলীর একটি জ্যাকেট পেয়ে বিলের ৩ পাহারাদারকে সন্দেহ হয়। পরে এলাকাবাসী বিলের ৩ পাহারাদারকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পেয়ে মামলার তদনন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ফিরোজ আহমদ গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ১৮ ডিসেম্বর আদালতে রিমান্ডের আবেদন করেন। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিজ্ঞ বড়লেখা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গাজী মো. দেলোয়ার হোসেন আসামীদের বিরুদ্ধে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বড়লেখা থানার ওসি আবুল হাসেম লাশ উদ্ধারের সত্যতা স্বীকার করে জানান, (শুক্রবার) ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করা হবে।
               

 
 
 
 

ঢাকা, ১৮ ডিসেম্বর :
সুন্দরবনের নদীতে ট্যাংকার ডুবির ঘটনায় ছড়িয়ে পড়া তেল অপসারণে বাংলাদেশ সরকারকে সহায়তা করতে একটি বিশেষজ্ঞ দল পাঠিয়েছে জাতিসংঘ।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর কার্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারের অনুরোধে সাড়া দিয়ে জাতিসংঘ এ উদ্যোগ নিয়েছে। জাতিসংঘের দুর্যোগ মূল্যায়ন ও সমন্বয় কমিটির (ইউএনডিএসি) একটি দল ঢাকা পৌঁছেছে। দলের আরও কিছু সদস্য শিগগিরই ঢাকা আসবেন। দলের সদস্যরা সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবেন। এ ঘটনার ঝুঁকি এবং ঝুঁকি কমানোর জন্য কী পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে, সে বিষয়ে পরামর্শ দেবেন তারা।

বাংলাদেশে জাতিসংঘের এ সহায়তা কর্মসূচির নেতৃত্বে রয়েছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি ইউএনডিপি।

সুন্দরবনের ভেতর ৯ ডিসেম্বর ভোরে সাড়ে তিন লাখ লিটারের বেশি তেল নিয়ে ওটি সাউদার্ন স্টার-৭ একটি মালবাহী জাহাজের ধাক্কায় ডুবে যায়। বিশাল এলাকায় তেল ছড়িয়ে পড়ায় হুমকির মুখে পড়েছে সুন্দরবনের পরিবেশ।   

 
 
 

সিলেট, ১৮ ডিসেম্বর :
সিলেটের ওসমানীনগর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান নিহতের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় গ্রেফতারকৃত ৩৭ জনকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। ওসির মৃত্যু পর বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
এর আগে ওসমানীনগর থানার ওসি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার রাতে ওসমানীনগর থানার এসআই আনোয়ার বাদী হয়ে ১শ’ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ৭শ’ জনকে আসামি করে এ মামালা দায়ের করা হয়।
মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট জেলা পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা।

প্রসঙ্গত, বুধবার দুপুরে সিলেটের গোয়ালাবাজারে অটোরিকশা শ্রমিকদের সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে একপর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন ওসমানীনগর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান। পরে বিকেল পৌণে ৪টার দিকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। পরে রাতে সিলেটে জানাযা শেষে লাশ নিয়ে কুমিল­ায় তার গ্রামের বাড়িতে যাওয়া হয়েছে।
কুমিল্লায় বাদ যোহর জানাযা শেষে ওসি মো. মোস্তাফিজুরের দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। জানাযায় অংশ নিতে কমিল্লায় যান সিলেট ২ আসনের এমপি ইয়াইয়াহ চৌধুরী।

       

 
 
 

সিলেট, ১৮ ডিসেম্বর :
সিলেট মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা সোহেল আহমদ বলেছেন, পাকিস্তানের পেশোয়ারে একটি স্কুলে বোমা হামলা চালিয়ে দেড় শতাধিক নিরীহ কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উপর নৃশংস হত্যাযজ্ঞ পরিচালনাকারীরা বিশ্ব মানবতার দুশমন। এদের ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাড়াতে হবে। এমন নৃশংসতা পরিচালনার মাধ্যমে কথিত তালেবান গোষ্ঠী ইসলমাকে বিশ্বের কাছে সন্ত্রাসবাদী ধর্ম হিসেবে প্রমান করছে। ইসলাম হচ্ছে শান্তির ধর্ম এখানে সংঘাত বিচারবাহির্ভুতভাবে নিরীহ মানুষকে হত্যার স্থান নেই। এরা হচ্ছে পথভ্রষ্ট। মুসলিম বিশ্বকে এই সব খুনীদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠতে হবে। তালেবান নামক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর এমন বর্বরতা গোটা বিশ্ববাসীকে মর্মাহত করেছে। আগামীর সম্ভাবনাময় তরুনদের কি অপরাধ ছিল। কার স্বার্থে এসব হত্যাকান্ড বিশ্ব মুসলিম জানতে চায়। বিশ্ববাসী আর কোন তান্ডবলীলা দেখতে চায়না। সময় এসেছে বিশ্বমুসলিমকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার। আমরা কোন দেশে আর কোন পেশোয়ার  ট্রাজেডী দেখতে চাইনা।
তিনি বৃহস্পতিবার জামায়াত কেন্দ্র ঘোষিত দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসুচীর অংশ হিসেবে সিলেট মহানগর জামায়াত আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। তালেবান নামক সন্ত্রাস গোষ্ঠী কর্তৃক পাকিস্তানের পেশোয়ারে বোমা হামলা চালিয়ে নিরীহ স্কুল শিক্ষার্থীদের উপর নৃশংস ববর হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী এডভোকেট আব্দুর রব, জামায়াত নেতা মু. আজিজুল ইসলাম, চৌধুরী আব্দুল বাছিত নাহির, রফিকুল ইসলাম মজুমদার ও মহানগর ছাত্রশিবির সেক্রেটারী মাসুক আহমদ প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ বলেন, বিশ্বব্যাপী যখন ইসলামী শক্তির বিরুদ্ধে তাবৎ তাগুতি শক্তি ঐক্যবদ্ধ সেই সময়ে ইসলামী নামাধারী তালেবান জঙ্গীরা নিরীহ ছাত্রদের উপর বর্বর হত্যাযজ্ঞ পরিচালনার মাধ্যমে প্রমান করেছে তারা ইসলামেরও দুশমন। তালেবান গোষ্ঠীর এমন নৃশংস মানুষ হত্যার বিরুদ্ধে গোটা মুসলিম বিশ্বকে ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তোলার মাধ্যমে এদের প্রতিহত করতে হবে।
               

 
 
 

সিলেট, ১৮ ডিসেম্বর :
ভাষা সৈনিক ও শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ মাসউদ খান বলেছেন, সিলেট নগরীর উন্নয়ন বাধ্যগ্রস্থ করতে আরিফুল হক চৌধুরী বিরুদ্ধে হীন প্রচেষ্ঠা চলছে। এই প্রচেষ্ঠা বন্ধ করতে সিলেটবাসীকে ঐক্যবন্ধ আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে। আরিফুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে যারা ষড়যন্ত্র লিপ্ত রয়েছে তাদের হুশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বন্ধ করে সিলেট নগরীর উন্নয়ন কাযক্রমে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করুণ। নাগরিক সেবা প্রদানে আরিফুল হক চৌধুরী যে ভূমিকা রেখেছেন তা সিলেটবাসী তথা দেশবাসী গণমাাধ্যমের মধ্যে দিয়ে অবলোকন করেছেন।
সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সিলেটের নগরীর উন্নয়নের অগ্নিপুরুষ। তাই আরিফুল হক চৌধুরীকে সিলেটের কৃতি সন্তান সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যাকান্ডের সম্পূরক চার্জসিট থেকে বাদ দিয়ে নাগরিক সেবা সু-নিশ্চিত করতে আহবান জানান।
সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া সিলেটের উন্নয়নে যে ভুমিকা রেখে গিয়েছেন তা প্রশংসার দাবী রাখে সেই ধারাবাহিকতায় তার স্বপ্ন‘র সিলেট নগরীর উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করেছেন সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, সিলেট নগরীর উন্নয়ন কাযক্রমের কথা চিন্তা করে ষড়যন্ত্র মূলক চার্জসিট থেকে আরিফুল হক চৌধুরীর নাম বাদ দিয়ে দেওয়ার জোর দাবী জানান।

তিনি সিলেট পেশাজীবি পরিষদের ডাকে সংহতি সমাবেশে সংহতি প্রকাশ করে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
পূর্ব ঘোষিত বৃহস্পতিবারের সিলেট সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গনে সকাল ১১ ঘটিকার সময় সিলেট পেশাজীবী পরিষদ‘র ডাকে সংহতি সমাবেশে সভাপতির বক্তব্য রাখেন পরিষদের আহবায়ক বিশিষ্ট শিক্ষবীদ লেঃ কর্ণেল (অবঃ) আতাউর রহমান পীর। তিনি বলেন আমরা সিলেট বাসীকে সাথে নিয়ে সিলেটের উন্নয়নের স্বার্থে সিলেটের কৃতি সন্তান সাবেক সফল অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যাকান্ডের ৩য় দফা সম্পূরক চার্জসিট থেকে আরিফুল হক চৌধুরীর নাম বাদ দেওয়ার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাব। সেই আন্দোলন সংগ্রামে আপনাদের সার্বিক সহযোগিতার আহবান জানাচ্ছি। তিনি বলেন আগামী ২১ই ডিসেম্বর রবিবার পরে আমরা আমাদের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করব।

সিলেট পেশাজীবী পরিষদ‘র যুগ্ম আহবায়ক সাংবাদিক এমদাদ হোসেন চৌধুরী দীপু ও সদস্য সচিব সাংবাদিক নুরুল ইসলাম‘র যৌথ পরিচালনায় সংহতি সমাবেশে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র সালেহ আহমদ চৌধুরী, নগর উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান কাউন্সিলর ফরহাদ চৌধুরী শামীম, কাউন্সিলর রাজিক মিয়া, কাউন্সিলর সিকন্দর আলী, কাউন্সিলর সৈয়দ তৌফিকুল হাদী, কাউন্সিলর আব্দুর রকিব তুহিন, কাউন্সিলর এবিএম জিল্লুর রহমান উজ্জ্বল, কাউন্সিলর আব্দুল মুহিত জাবেদ, কাউন্সিলর রেজওয়ান আহমদ, কাউন্সিলর দিলওয়ার হোসেন সজীব, কাউন্সিলর সোহেল আহমদ রিপন, কাউন্সিলর এডভোকেট রোকশানা বেগম শাহনাজ, কাউন্সিলর সালেহা কবির শেপী, কাউন্সিলর দীবা রাণী দে বাবলী, কাউন্সিলর কহিনুর ইয়াছমিন ঝর্ণা, কাউন্সিলর আমেনা বেগম রুমি, অনলাইন প্রেসক্লাব‘র সভাপতি কবি মুহিত চৌধুরী, দৈনিক জালালাবাদ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আজিজুল হক মানিক, শাবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ড. মোজাম্মেল হক, বিশিষ্ট আইনজীবি এডভোকেট নুরুল হক, এডভোকেট আব্দুর রকিব চৌধুরী, এডভোকেট আব্দুল গফ্ফার, জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরাম‘র সভাপতি আশিক উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আতিকুর রহমান সাবু, আমরা সিলেটবাসীর আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, আম্বরখানা ব্যবসায়ী সমিতি‘র নেতা আব্দুল মান্নান পুতুল, কুতুবুর রহমান চৌধুরী, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিষ্ট শামছুল ইসলাম শামীম, সিলেট বিভাগ জনকল্যাণ ট্রাষ্টর চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, জাতীয় ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা হাবিব আহমদ শিহাব, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, বাস পরিবহন মালিক নেতা আব্দুস সত্তার মামুন, সিলেট ছাত্র ও যুব কল্যাণ ফেডারেশনের চেয়ারম্যান এইচ এম আব্দুর রহমান, মাদানী কাফেলার সভাপতি রুহুল আমীন নগরী, সিলেট সিটি কর্পোরেশন মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি লালু মিয়া, মুসলীম ঐক্য পরিষদ‘র সভাপতি মাওলানা আসলাম রাহমানী, বৃহত্তর গণদাবী পরিষদ (তৃণমূল) আহবায়ক আখলাক আহমদ চৌধুরী, যুগ্ম আহবায়ক ডাঃ হাবিবুর রহমান, জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটি সিলেট জেলার সভাপতি এডভোকেট আল আসলাম মুমিন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ এজাজ উদ্দিন, ইয়ুথ ফোরাম কেন্দ্রীয় সদস্য আব্দুল মজিদ, রিক্রাা মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ‘র সভাপতি মখলিছ মিয়া, দূর্জয় সমাজিক সংগঠনের সভাপতি কামরুজ্জামান দিপু, হোটেল রেস্তোরা শ্রমিক দলের সভাপতি রজব আলী, বীর বিক্রম ওয়ামিন ক্রীড়া চক্রের সভাপতি গোলাম জাকির চৌধুরী, সিলেট ফেন্ডস উন্নয়ন পরিষদ‘র সাধারণ সম্পাদক নজমুল ইসলাম, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল সিলেট জেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এ হান্নান, চালিবন্দ যুব কল্যাণ সংঘ‘র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ওবায়দুর রহমান ফাহিম, কুশিয়ারা বেল্ট উন্নয়ন ফোরাম‘র সাধারণ সম্পাদক এস এম নাসির উদ্দিন, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি সুরমান আলী, সাধারণ সম্পাদক ইউনুছ মিয়া, সিলেট সার্ভিস মাইক্রেবাস ও টেক্রী চালক সমিতির সভাপতি আলাউদ্দিন সওদাগর, সংবাদপত্র হকার্স দল মহানগরের সভাপতি শফিক মিয়া, সহ-সভাপতি হাসু মিয়া, এসনিক‘র সাধারণ সম্পাদক জুরেজ আব্দুল্লাহ, সিলেট উন্নয়ন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এম এহসানুল করিম মিশু, গ্রীণ সিলেট সমাজিক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজন, সিলেট নগরীর বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও খতিব বৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আব্দুর রহিম, মাওলানা মান্নান, মাওলানা আব্দুর রহমান, মাওলানা নওফল আহমদ, মাওলানা আব্দুল আহাদ, মাওলানা খলিলুর রহমান, মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম, মাওলানা সাইদুর রহমান, মাওলানা আব্দুল করিম, মাওলানা মুজিবুর রহমান, মাওলানা শিব্বির আহমদ, মাওলানা আব্দুস সালাম, মাওলানা জরিফ উদ্দিন, মাওলানা শফিকুর রহমান, মাওলানা আবেদ হাসান, মাওলানা শরিফ উদ্দিন সহ সিলেট বিভিন্ন সামাজিক সংসগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন।

সংহতি সমাবেশের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন জাতীয় ইমাম সমিতি নেতা হাফিজ আব্দুল কাইয়ুম।
                              

 
 
 

সিলেট, ১৮ ডিসেম্বর :
‘নিরাপদ অভিবাসন, দিন বদলের লক্ষ্য অর্জন’ প্রতিপাদ্য বিষয়টিকে সামনে রেখে ব্র্যাকের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সিলেটে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালিত হয়।
সকাল ১০ ঘটিকায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে র‌্যালী শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। র‌্যালী পরবর্তী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেট বিভাগীয় কমিশনার সাজ্জাদুল হাসান। উক্ত সভায় সভাপ্রধান ছিলেন সিলেট জেলা প্রশাসক মোঃ শহিদুল ইসলাম।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারী পরিচালক মীর কামরুল হাসান, ওভারসিজ সেন্টার সিলেটের নির্বাহী কর্মকর্তা সামসুল ইসলাম, ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সিনিয়র ফিল্ড কমিনিকেটর শুভাশীষ দেবনাথ, ব্র্যাক জেলা প্রতিনিধি বিভাষ চন্দ্র তরফদার, মেজনিন কর্মসুচি সিলেটের সেক্টর স্পেশালিস্ট মোঃ রবিউল ইসলাম। এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন ব্যাংক, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এবং এনজিও সমূহের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।
উক্ত আলোচনা সভা শেষে দুজন অভিবাসী কর্মীদের সন্তানদের বৃত্তি প্রদান করা হয় এবং সর্বোচ্চ রেমিটেন্স প্রেরণকারী একজন পুরুষ ও একজন নারীকে সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।           

 
 
 

ঢাকা: বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তি করায় ঢাকায় অ্যাডভোকেট মুস্তাফিজুর রহমান দুলালের করা মামলায় তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন মহানগর হাকিম আদালত। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মহানগর হাকিম মারুফ হোসেনের আদালতে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ২টি মামলা করেন মুস্তাফিজুর রহমান দুলাল। এছাড়া, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একাধিক মামলা হয়েছে।

বেলা সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মশিউর রহমানের আদালতে মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজম রনি বাদী হয়ে এই মামলা করেন। এসময় বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রনি কুমার দে বলেন, \\\'তারেক রহমান ১৫ ডিসেম্বর লন্ডনের স্থানীয় বিএনপির এক অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তি করেন যা শুধুমাত্র বঙ্গবন্ধুকে নয় দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতিও অবমাননাকর। তাই রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ এনে ১২৩ ধারায় মামলা করা হয়েছে। বিকেলে মামলার আদেশ দেয়া হবে\\\'।

অন্যদিকে, কুমিল্লায় শেখ রাসেল ক্রিয়া চক্রের জেলা শাখার সভাপতি সুবির নন্দী বাবু বাদী হয়ে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে একটি মামলাটি করেন। বিচারক সফিকুল ইসলাম মামলাটি আমলে নিয়ে আগামী পহেলা মার্চ তারেক রহমানকে স্বশরীরে আদলতে হাজির হওয়ার সমন জারি করেন।               

 
 
 

সিলেট, ১৮ ডিসেম্বর :
সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যাকান্ড‘র সম্পুরক চার্জশীটে ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীকে অন্তর্ভূক্ত করার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গনে সিলেট পেশাজীবি পরিষদ‘র ডাকে সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সিলেটের বিভিন্ন পেশাজীবি সংগঠন ব্যানার সহকারে অংশগ্রহণ করেছে।
সংহতি সমাবেশে সভাপতিত্ব করছেন সিলেট পেশাজীবি পরিষদ‘র আহবায়ক লেঃ কর্ণেল (অবঃ) আতাউর রহমান পীর।
সমাবেশ পরিচালনা করছেন, দৈনিক সিলেট সুরমার নির্বাহী সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী দীপু, সিলেট পেশাজীবি পরিষদ‘র সদস্য সচিব সাংবাদিক নুরুল ইসলাম, ছাত্র ও যুব কল্যাণ ফেডারেশন‘র চেয়ারম্যান এইচ এম আব্দুর রহমান।
সর্বশেষ পাওয়া খবরে জানা গেছে, সমাবেশে বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখছেন।
                                        

 
 
 

সিলেট, ১৮ ডিসেম্বর :
সিলেটের ওসমানীনগর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান নিহতের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ৮ শতাধিক লোককে আসামী করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। বাকিরা অজ্ঞাত। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা পর্যন্ত এ ঘটনায় ৪১ জনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
সিলেট জেলা পুুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজ্ঞান চাকমা জানান, ওসমানী নগর থানার এস আই আনোয়ার হোসেন বাদি হয়ে বুধবার রাতে এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১০০ জন নামীয় এবং ৭ শতাধিক লোককে অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে।

ওসির লাশও এরই মধ্যে কুমিল্লা সদর উপজেলার মোগলীটুলা এলাকার পাথারিয়া গ্রামে পৌঁছে গেছে বলে জানান সুজ্ঞান। সেখানে তার লাশ দাফন হবে।


প্রসঙ্গত, বুধবার দুপুরে সিলেটের গোয়ালাবাজারে অটোরিকশা শ্রমিকদের সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে একপর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন ওসমানীনগর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান। পরে বিকেল পৌণে ৪টার দিকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। পরে রাতে সিলেটে জানাযা শেষে লাশ নিয়ে কুমিল­ায় তার গ্রামের বাড়িতে যাওয়া হয়েছে। সেখানে আজ বাদ যোহর জানাযা শেষে দাফন সম্পন্ন করা হবে।

জানাযায় অংশ নিতে কমিল­ায় গিয়েছেন সিলেট ২ আসনের এমপি ইয়াইয়াহ চৌধুরী।
       

 
 
 

নিউজ ডেস্ক:
মঙ্গলবারের সন্ত্রাসী হামলায় পেশোয়ারের আর্মি পাবলিক স্কুলের নবম শ্রেণীর একজন বাদে সবাই তালেবানের বর্বর হত্যার শিকার হয়েছে।
বেঁচে থাকা একমাত্র ছাত্র ১৫ বছর বয়সী দাউদ ইব্রাহিম। সকালে ইব্রাহিমের এলার্ম ঠিকমত কাজ না করায় এই ভয়াবহ গণহত্যা থেকে বেঁচে যায় সে।
ঘটনার আগের দিন রাতে দাউদ একটি বিবাহ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিল। এ কারণে মঙ্গলবার  সকালে সে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিল।
দাউদ হয়ত বেঁচে আছে তার প্রিয় বন্ধদের শেষকৃত্য দেখার জন্য।
৭-৯ জন তালেবান বন্দুকধারী স্কুলটিতে নির্বিচারে গুলি এবং গ্রেনেড নিক্ষেপের মাধ্যমে ১৩২ শিশুসহ ১৪৫ জনকে হত্যা করে।
অনেক শিশুকে লাইনে দাঁড় করিয়ে, কাউকে খুব কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
দাউদের বড় ভাই সুফিয়ান ইব্রাহিমকে উদ্ধৃত করে পাকিস্তানের এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের রিপোর্টে বলা হয়, ‘এটা তার সৌভাগ্য। তার ক্লাসের কেউ বেঁচে নেই। ক্লাসের সবাইকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।’
দাউদের পরিবার জানায়, ঘনিষ্ঠ ছয় বন্ধুর শেষকৃত্যে যোগদানের পর সে অনেকটা নির্বাক হয়ে গেছে।
সুফিয়ান বলেন, ‘দাউদ একজন প্রাণবন্ত এবং বেশ দুরন্ত শিশু। কিন্তু এখন আর তার মাঝে কোনো আবেগ দেখা যায় না।’

স্কুলটির প্রধান শিক্ষকসহ হামলায় ১৪৫ জন নিহত হয়। এ ঘটনায় সারা বিশ্ব স্তব্ধ হয়ে গেছে।

সূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন       

 
 
 

নিউজডেস্ক:
প্রেমের ফাঁদে ফেলে এক তরুণীকে (২২) সিলেটের ওসমানীনগর থেকে রাজধানীতে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার ওই তরুণীকে কাকরাইলের রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায় প্রতারক যুবক। তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মামলা দায়েরর প্রক্রিয়া চলছে।
ধর্ষিতা মেয়েটি জানান, তার বাড়ি সিলেটের ওসমানীনগরে। মেয়েটির বাবা-মা বেঁচে নেই। বড় ভাইয়ের সংসারে বেড়ে ওঠা তরুণী সম্প্রতি আকিকুর রহমান নামে স্থানীয় এক যুবকের প্রেমে পড়েন। ওই যুবক বিয়ের প্রলভন দেখিয়ে মেয়েটিকে ঢাকায় নিয়ে আসে।

গত সোমবার তাকে কাকরাইলের ইসলামিয়া আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ করে আকিকুর। সোমবার রাতে আকিকুলের সহযোগী তাজুলও তরুণীকে ধর্ষণ করে। পালাক্রমে ধর্ষণের শিকার তরুণী মঙ্গলবার সকালে কান্নাকাটি করছিলেন। তখন আকিকুল ফের বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাকে হোটেল থেকে বের করে আনে।

একটি প্রাইভেটকারে করে কাজী অফিসে যাওয়ার কথা বলে অভিযুক্ত দুই যুবক আগেই ওই গাড়িতে উঠে পড়ে। এরপর তরুণীকে ধাক্কা মেরে রাস্তায় ফেলে গাড়িতে করে পালিয়ে যায়। এরপর কাকরাইলের ওই রাস্তায় বসে কাঁদছিল ধর্ষিতা মেয়েটি। তখন পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে পল্টন থানায় নিয়ে যান। সন্ধ্যায় পুলিশ তাকে ওসিসিতে পাঠায়।

পল্টন থানার এসআই মনসুর আহমেদ (ডিউটি অফিসার) বলেন, মেয়েটির অভিযোগ অনুযায়ী মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অভিযুক্ত দুই যুবককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ধর্ষিতার চিকিৎসা এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।           

 
 
 
 
 
কবিতা
শিল্প-সাহিত্
মিডিয়া
ইসলাম
Image Missing
 
 
বিনোদন
বিনোদন
বিচিত্রা
বিচিত্রা
মুক্তমঞ্চ
Image Missing
 
 
খেলাধুলা
খেলাধুলা
স্বাস্থ্য
স্বাস্থ্য
তথ্য-প্রযুক্তি
তথ্য-প্রযুক্তি
 
 
সংবাদদাতা
জীবন সদস্য
সম্পাদক
 
দেশ বিদেশ
 
 
 

আসিফ মানিক,ঝালকাঠি : ঝালকাঠি পৌরসভায় বৃহস্পতিবার নগর সমন্বয় কমিটির (টিএলসিসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় গ্রাহক পর্যায়ে নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন অবস্থা নিরুপন সংক্রান্ত জরিপের ফলাফল উপস্থাপন এবং এর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়া সভায় পৌরসভার উদ্যোগে বাস্তবায়িত ও চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম পর্যালোচনা, নতুন প্রকল্প অবহিতকরণ এবং নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। মেয়র মোঃ আফজাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ওয়াটার এন্ড স্যানিটেশন এক্সপার্ট আবদুল মোতালেব, পৌরসভার প্যানেল মেয়র প্রনব কুমার নাথ ভানু, নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আবু হানিফ, সচিব শাহীন আখতার, সহকারী প্রকৌশলী (পানি) মোঃ কামরুল হাসান, হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ মনিরুদ্দোজা হারুন এবং টিএলসিসি সদস্য, সূর্যালোক নিউজ সম্পাদক হেমায়েত উদ্দিন হিমু বক্তৃতা করেন।
               

 
 
 
 
 
 

ঢাকা, ১৮ ডিসেম্বর :
কিছুদিনের মধ্যেই বাংলাদেশ ছাড়ছেন ঢাকাস্থ মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজিনা। শেষ সময়ে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাসহ অনেকের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করছেন তিনি।

এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার বিকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাক্ষাৎ হয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচএম মাহমুদ আলীর সঙ্গে।
এসময় নানা আলাপে বেশ আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মজিনা।

এমনকি সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালেও তার কণ্ঠ ভারী হয়ে আসে।
এই মুহূর্তে বাংলাদেশ ছাড়তে মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলেন না বলেও জানান মজিনা।

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে স্বাস্থ্য, কৃষি, বৈশ্বিক জলবায়ু, নিরাপত্তা সব বিষয়ে অংশীদারী হয়ে কাজ করছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা বিষয়টি নিয়েও আলাপ হয়েছে (পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে)। মায়ানমারের এসব নাগরিকদের বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ওবামাও অবগত।

বাংলাদেশের ৬৪ জেলা ভ্রমণ করা নিয়েও তিনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। দেশের প্রান্তে প্রান্তে তার এসব ভ্রমণে সহযোগিতা করার জন্য তিনি বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

নিজের বাবা কৃষক ছিলেন উল্লেখ করে মজিনা বলেন, বাংলাদেশের কৃষকদের সংস্পর্শে গিয়ে তার বাবার স্পর্শ পেয়েছেন তিনি।

 
 
 
 
 
 

ঢাকা : পাকিস্তানের পেশোয়ারে সেদেশের সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত একটি স্কুলে স্মরণকালের নির্মম ও নৃশংস জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম।

বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী ও মহাসচিব আল্লামা হাফেজ জুনাইদ বাবুনগরী এ প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে হেফাজত নেতৃবৃন্দ বলেন, পেশোয়ারের পাক সেনাবাহিনী পরিচালিত একটি স্কুলে তেহরিক-ই-তালেবানের পাঠানো ৯ জঙ্গির নৃশংস ও বর্বরোচিত হামলায় ১৩২ শিশুসহ মোট ১৪১ জন খুন হয়েছে। এই ধারণাতীত বীভৎস হামলার সবচেয়ে বড় ট্রাজেডি হচ্ছে, কচি কচি শিশুদের নির্বিচারে হত্যা করা। নিহতদের বেশিরভাগই শিশু। নিরপরাধ শিশুদের হত্যা করতে যাদের হাত কাঁপে না এবং বিবেকে বাধা দেয়না- তারা কোনোভাবেই মানুষ হতে পারেনা। শিশুদের তো কোনো দোষ ছিলনা। কিন্তু সেনাবাহিনীর ওপর প্রতিশোধ নিতে গিয়ে নির্দোষ শিশু ও সাধারণ মানুষের ওপর হামলা করা অত্যন্ত কাপুরুষোচিত নৃশংস অপরাধ। ইসলাম কোনোভাবেই এই ধরনের ঘৃণ্য গণ-হত্যালীলা সমর্থন করেনা। যারা হামলা চালিয়েছে, তারা কোনোভাবেই ইসলামি আন্দোলনের সেবক বা কর্মী হতে পারে না।

তারা বলেন, মুসলিম বিশ্ব এখন চরম ক্রান্তিকাল পার করছে। এই ক্রান্তিকালে হক-বাতিলের লড়াই খুবই ঘোলাটে হয়ে আছে। কে কার শত্রু বা মিত্র তা নির্ণয় দুরূহ হয়ে পড়েছে। ইসলামি আন্দোলনের নামে অসংখ্য পক্ষ-বিপক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে ‘জিহাদে’ লিপ্ত। এক মুসলমান আরেক মুসলমান ভাইয়ের জান কেড়ে নিচ্ছে। পারস্পরিক অন্তর্দ্বন্দ্বে আমরা নিজেরাই নিজেদেরকে শেষ করছি।

নেতৃদ্বয় আরো বলেন, পাকিস্তানের পেশোয়ারে সংঘটিত এই ঘৃণ্য নারকীয় হত্যাযজ্ঞ কোনো প্রকৃত ইসলামি আন্দোলনের কর্মীদের দ্বারা সম্ভব হতে পারেনা। যারা কচি নিষ্পাপ শিশুদের ওপর এই গণহত্যা চালিয়েছে, তারা প্রকৃতপক্ষে ইঙ্গ-মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী অপশক্তির যোগসাজশেই এটি ঘটিয়েছে বলে আমরা মনে করি। এই বিশ্বনিন্দিত জঙ্গি হামলার ঘটনায় একদিকে যেমন মার্কিন ড্রোন হামলার ন্যায্যতা বাড়ে, তেমনি পাকিস্তানকে অস্থিতিশীল এবং ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার ব্রাহ্মণ্যবাদী চক্রান্তও সফল হয়। তাই পাকিস্তানের সেনাবাহিনী এবং তাদের দেশের অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পক্ষগুলোর প্রতি আমাদের আহ্বান হলো যে, আপনারা আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে অন্তর্দ্বন্দ্ব পরিহার করে ঈমানি চেতনায় জাতীয় সংহতি গড়ে তুলে দেশের অভ্যন্তরে লুকিয়ে থাকা বিদেশি এজেন্ট ও ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের নির্মূলের উদ্যোগ গ্রহণ করুন। তাহলেই পাকিস্তানে শান্তি, স্বস্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।

 
 
 
 
 
 

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সব সময়ে তাদের পাশে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও তারা জনগণের পক্ষেই থাকবে।
তিনি বৃহস্পতিবার সকালে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি) এবং আমর্ড ফোর্স ওয়ার (এএফডব্লিউ) কোর্স-২০১৪ এর গ্রাজ্যুয়েশন সেরিমনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে এনডিসির কমান্ডান্ট লে. জেনারেল মোল্লা ফজলে আকবরও বক্তব্য রাখেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে মন্ত্রিবর্গ, সংসদ সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধান, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, কূটনৈতিক এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, দেশের কষ্টার্জিত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তার সরকার পেশাদার ও সুপ্রশিক্ষিত সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, এজন্য আমরা জাতীয় বাজেটে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছি এবং সশস্ত্র বাহিনী গোল ২০৩০ প্রণয়ন করেছি।

প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনী তার প্রচেষ্টা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মান অব্যাহত বজায় রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে সৃষ্ট সশস্ত্র বাহিনী নিয়ে গর্ববোধ করে।

শেখ হাসিনা বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর লক্ষ অর্জনে চতুর্থ প্রজন্মের ট্যাঙ্ক এমবিটি-২০০০, সেলফপ্রোপেলড গান, রাডার, সেনা বাহিনীর জন্য এপিসি এবং সামরিক বিমান বাহিনীর জন্য আধুনিক হেলিকপ্টারসহ আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় করেছে।

তিনি বলেন, নৌ বাহিনীর জন্য সাবমেরিন ক্রয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ২০১৬ সালের মধ্যে এই সাবমেরিন অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

পাশাপাশি নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় হেলিকপ্টার, মেরিন পেট্রল এয়ারক্রাপ্ট, মর্ডান ফ্রিগেট ও জাহাজ কেনা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার সশস্ত্র বাহিনীর সর্বশেষ প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার নিশ্চিত করেছে। সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা অখণ্ডতা ও প্রতিশ্রুতি নিয়ে সব সময় কাজ করে যাচ্ছে এবং যে কোনো ধরনের প্রাকৃতিক ও অন্য কোনো দুর্যোগের সময়ে জনগণের পাশে দাঁড়াচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, তারা কৌশলগত অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে এবং দেশে ও দেশের বাইরে খুবই মানসম্পন্ন কাজ করছে। তারা দেশে ও বিদেশে ভাল কাজ করে সুনাম বয়ে আনছে।

তিনি জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যকার এই অংশীদারিত্ব আগামীতে দেশকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনীতি বহুমুখীকরণ ও জোরদারে এ সকল দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধিরও আহ্বান জানান।
শেখ হাসিনা বলেন, আমরা অধিক সম্ভাবনাময় ও কানেকটেক্ট ওয়ার্ল্ডে বসবাস করছি। এজন্য আমরা অধিক ঝুঁকিতে রয়েছি। উন্নয়নশীল দেশগুলো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রণীত নীতির মধ্যে চলছে। ফলে উন্নত দেশগুলো এ সকল দেশ চরম ঝুঁকিতে রয়েছে।

তিনি বলেন, এ অবস্থায় আমাদের অবশ্যই অর্থনীতি বহুমুখীকরণ ও শক্তিশালীকরণে উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে হবে।

 
 
 
 
 
 

ঢাকা, ১৮ ডিসেম্বর  : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তার জিহ্বা ও হাসি সংযত করার পরামর্শ দিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেন, আগে আপনার মুখ সংযত করুন। ছাত্রলীগ, গুন্ডালীগকে থামান। আমরা সত্যকথা বলি, তথ্যভিত্তিক কথা বলি।

বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে ৯০’র স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের ছাত্রনেতাদের জাতীয় কনভেনশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের চলমান আন্দোলনে বিজয়ী হওয়ার লক্ষে এ কনভেনশনের আয়োজন করে ৯০’র ছাত্রঐক্য।

খালেদা জিয়া বলেন, তারা আমাদেরকে নিয়ে বলতে বলতে এখন মুখ আর সামলাতে পারছে না। বিদেশিদেরকে নিয়েও আজেবাজে মন্তব্য করে বসছে। তাই আগে আপনাদের মুখ সামলান।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ দেশটাকে খেয়ে ফেলছে। এরা বেশিদিন ক্ষমতায় থাকলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব টিকে থাকবে না। তাই আপনারা অতীতের মতো আবার রাজপথে নেমে আসুন। আন্দোলন গড়ে তুলুন। ’৯০এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে তোমরাই ছিলে আমার শক্তি ও সাহস। এখন আমার বয়স হয়েছে, তোমাদেরও বয়স হয়েছে। তবে বয়স হলে কি হবে সাহস এখনও আছে। আর সাহস থাকলে বিজয় আমাদের হবেই।

যে কোন সময় আন্দোলনে ডাক আসতে পারে জানিয়ে খালেদা জিয়া বলেন. শুধু ঢাকা সিটিকে দায়িত্ব নিলে হবে না। সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে। আন্দোলনের ডাক আসলে রাজপথে নেমে আসতে হবে। যে কোন সময় আন্দোলনের ঘোষণা আসতে পারে।

তিনি বলেন, হাসিনা বাংলাদেশকে গিলে খেয়েছে। হাসিনা যে গণতন্ত্রকে নির্বাসনে পাঠিয়েছে তা ফিরিয়ে আনতে হবে। নিজেদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, ৫ জানুয়ারি কোনো নির্বাচন হয়নি। আর যদি ২০০৮ সালের কথা ধরি- সেটাও ছিল ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দিনের দয়ার ফসল।

তিনি বলেন, জনগণ নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। আওয়ামী লীগের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। তাই আমরা অর্থাৎ ২০ দলীয় জোট ও অন্যান্য দলগুলো নির্বাচনে না যাবার সিদ্ধান্ত নেই।

তিনি বলেন, জনগণ ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বর্জন করেছে। ভোট কেন্দ্রে কুকুরের উপস্থিতি দেখা গেছে। প্রধানের ভাষায় এটা ‘কুত্তা মার্কা’ নির্বাচন হয়েছে।
 
এ সরকার সম্পূর্ণভাবে অবৈধ উল্লেখ করে খালেদা জিয়া বলেন, এটা একটা অবৈধ পার্লামেন্ট। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এরা সেখানে বসেছে।

ডাকসুর সাবেক ভিপি ও বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব আমান উল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে এ কনভেনশনের উদ্বোধন করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

কনভেনশন পরিচালনা করেন ডাকসুর সাবেক জিএস ও বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন।

সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এমকে আনোয়ার, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম, আসাদুজ্জমান রিপন, সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, বিএনপির সহ-স্বেচ্ছাসেবক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন, জাগপার সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান, সাবেক ছাত্রনেতা কামরুজ্জামান রতন, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, আজিজুল বারী হেলাল, সাইফুদ্দিন মনি, আসাদুর রহমান আসাদ, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু, মহিলাদলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহসান, সাধারণ সম্পাদক আকরাম হাসান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল বারী বাবু প্রমুখ।

সম্মেলনে সারাদেশ থেকে তৎকালীন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজের ভিপি, জিএস ও জেলার সভাপতিরাসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।           

 
 
 
 
 
 

নিউজ ডেস্ক:
পাকিস্তানের সাবেক সেনাশাসক জেনারেল পারভেজ মুশাররফ বলেছেন, পেশোয়ারের আর্মি পাবলিক স্কুলে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান বা টিটিপি যে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে তাতে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র-এর সমর্থন আছে।
সিএনএন-আইবিএনকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
মুশাররফ বলেন, ‘আপনি কি জানেন কে এই মাওলানা ফজলুল্লাহ? তিনি তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) কমান্ডার। তিনি আফগানিস্তানে থাকেন। আমি মোটামুটি নিশ্চিত যে পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলা চালানোর জন্য তাকে কারজাই সরকার ও র সমর্থন দিয়েছে।’
তিনি বলেন, এই দুষ্কৃতিকারীদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে ভারত।
পাকিস্তানের সাবেক এ প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা অবশ্যই ফজলুল্লাহর অবস্থান সম্পর্কে জানে।

জেনারেল মুশাররফ বলেন, ‘আমাদের কাছে যারা সন্ত্রাসী তারা আপনার দৃষ্টিতেও সন্ত্রাসী হবে। কিন্তু সমস্যাটা হয়েছে- অনেক ক্ষেত্রে আমাদের সন্ত্রাসীরা আপনার কাছে সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত হয় না এবং আপনি তাদেরকে আপনার জন্য সন্ত্রাসী মনে করেন না।’
তিনি বলেন, মঙ্গলবারের হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বরং গত ১৫ বছর ধরে এ অঞ্চলে যা ঘটছে তারই ধারাবাহিকতা।
মঙ্গলবারের  তালেবান হামলায় ওই স্কুলের ১৩৩ শিশুসহ ১৫১ জন মারা গিয়েছে।               

 
 
 
 
 
 

ঢাকা:  ৩৪তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় ৯ হাজার ৮২২ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। আগামী বছর ২৬ জানুয়ারি থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে এই ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

টেলিটক মোবাইল থেকে ইঈঝ লিখে স্পেস দিয়ে ৩৪ লিখে স্পেস দিয়ে রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠালে ফল জানা যাবে।

২ হাজার ৫২টি পদে নিয়োগের জন্য ২০১৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ৩৪তম বিসিএসের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে পিএসসি। ওই বছরের ২৪ মে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১ লাখ ৯৬ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নেন।

প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল ৮ জুলাই প্রকাশ করা হয়। এতে ১২ হাজার ৩৩ জন উত্তীর্ণ হন। এ পরীক্ষায় প্রথমবারের মতো প্রিলিমিনারিতে কোটাপদ্ধতি চালু করায় অনেক মেধাবী বঞ্চিত হন।

অপেক্ষাকৃত কম নম্বর পেয়ে আদিবাসী ও মুক্তিযোদ্ধা কোটায় অনেকেই উত্তীর্ণ হন। এ নিয়ে সারা দেশে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়লে ১০ জুলাই ফল পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেয় পিএসসি। এরপর ১৪ জুলাই প্রচলিত পদ্ধতিতে সংশোধিত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে মোট ৪৬ হাজার ২৫০ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হন।

পরে ২৮০ জন আদিবাসী আদালতে রিট করে লিখিত পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ পান। এত বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর লিখিত পরীক্ষা নেয়া নিয়ে সংকটে পড়ে পিএসসি। চলতি বছরের মার্চে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

 
 
 
 
 
 

ঢাকা, ১৮ ডিসেম্বর :
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান সত্য কথা বলেছেন। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়েই কথা বলেন। তার সত্য কথায় সরকারের গায়ে জ্বালা ধরে।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনিস্টিটিউশন মিলনায়তনে স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলন চলাকালীন গঠিত নব্বইয়ের ডাকসু ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত কনভেনশনের প্রথম সেশনের উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সির্জা আলমগীর বলেন, তারেক রহমান ইতিহাসের সত্যটিই তুলে ধরেছেন, তাই সরকারের গা জ্বালা করছে। সরকারের বক্তব্যে জাতি বিভ্রান্ত হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সকাল ১০টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে এই কনভেনশন শুরু হয়। দুপুর ২টায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কনভেনশনে যোগ দেবেন।

অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য রাখেন ডাকসুর সাবেক ভিপি ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান। কনভেনশনে সাবেক ছাত্রনেতা শামসুজ্জামান দুদু, ফজলুল হক মিলন, নাজিম উদ্দিন আলম, হাবিবুর রহমান হাবিব, খন্দকার লুৎফর রহমান, কামরুজ্জামান রতন, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, আজিজুল বারী হেলাল, সাইফুদ্দিন মনি প্রমুখ উপস্থিত রয়েছেন।

এ ছাড়া সারাদেশ থেকে আগত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজের সাবেক ও বর্তমান দেড় সহস্রাধিক ভিপি ও জিএস  কনভেনশনে যোগ দেন।               

 
 
 
 
 
 

ঢাকা, ১৮ ডিসেম্বর  :
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা ২ মামলার বিচারক পরিবর্তন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আইন মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
পুরান ঢাকার বকশিবাজারে স্থাপিত বিশেষ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়কে পটুয়াখালীতে বদলি করা হয়েছে। তার জায়গায় আইন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আবু আহমেদ জমাদারকে বিচারক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
এর আগে বিচারক বাসুদেব রায়ের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে আবেদন করেছিলেন খালেদা জিয়া। দুই মামলায় বিচারিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বুধবার দ্বিতীয় দিনের মতো সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।
সাক্ষ্যগ্রহণকে কেন্দ্র করে দুদিনই দুপক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। হট্টগোলের কারণে অল্প সময় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক সহকারীর মাধ্যমে পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করে দেন। মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের পরবর্তী তারিখ ২৪ ডিসেম্বর।
               

 
 
 
 
 
 

নিউজ ডেস্ক : ক্রিকেটার রুবেল হোসেন ও উঠতি চিত্র নায়িকা নাজনিন আক্তার হ্যাপির মধ্যে মোবাইল ফোনে কথোপকথনের একটি অডিও ফাঁস হয়েছে। পাঠকদের সামনে তার কিছু অংশ তুলে ধরা হলো :

রুবেল : এটা তুমিও জানো আমিও জানি

হ্যাপি : আমি এগুলো শুনতে চাইনা

রুবেল : এর মতো চরম সত্য কথা দুনিয়াতে আর নেই।

হ্যাপি : এটা কিসের সত্য কথা ? আপনি আমাকে আজকে যে মনোভাব দ্যাখাইছেন না? আপনি একজন সেলিব্রেটি আমি আপনার মত সেলিব্রেটিকে.....(অশ্লীল) সে যত বড় সেলিব্রেটি হোক না কেন?

রুবেল : মেজাজটা গরম করছো কেন? কী বলছো তোমার মাথা ঠিক আছে? তুমি এগুলো কী বলছো ? তোর সাথে  সেলিব্রেটি...(অশ্লীল)

হ্যাপি : না আমার মনে হচ্ছে আমি একজন সেলিব্রেটিকে ফোন দিছি, যে মহা ব্যস্ত।

রুবেল : সেলিব্রেটিকে ফোন দিছি মানে আমার শরীরের অবস্থা খারাপ।

হ্যাপি : না, আপনিতো আজ প্রথম মাঠে নামছেন, প্রথম দিন খেলে গায়ে ব্যথা হয়ে গেছে।

রুবেল : তোমার কোনো আইডিয়া নেই, আমি তোমাকে বলি টেস্ট ক্রিকেটে কী রকম কষ্ট...(অশ্লীল)। আমার সারা শরীর যা ব্যথা পরের টেস্ট নাও খেলতে পারি। তুমি তাতো শুনবানা। .... (প্রকাশ অযোগ্য)। ওইখান থেকে আসলাম। আসার পর আমার এক খালা আসলো খুলনায় এবং সাথে অনেক গুলা পিচ্চি-পাচ্চা সাথে নিয়ে। এরপর অনেক কয়েক জন প্লেয়ারের সাথে তাদের সাথে অনেক ছবি-টবি তুলে দিলাম। অনেকক্ষণ ছিলো, প্রায় ৪৫ মিনিটের মতো। তারপর ছবি-টবি তুলে চলে গেছে। তারপর ডিনার করতে সাকিব ভাইদের বাসায় যাই। এরপর আসলাম। আসার পর এক ...... ফোন করে বলল, আমার ফোন নাকি বন্ধ। আমার ফোন দু’টা, দুটো ফোনই খোলা। আমি ওরে বললাম ওই .......... আমার নাম্বার তো দুটাই খোলা। এরপর ওই নাম্বার দিয়ে ওরে ফোন দিলাম। আমি এমন একটা ......... যে এই নাম্বার দিয়েই ফোন দিসি। তুমিও ওই টাইমে ফোন দিসো। তুমি যে আমার এই নাম্বারে ফোন দিসো আমি তো ভয়ে কাঁপতেছি। আর আমি জানতামই যে তুমি এই নাম্বারে ফোন দিতে পার। আমি তোমারে চিনিনা! তুমি ভাব কী বাবু। আর তুমি কী মনে কর আমি এ রকম কথা বলব কোন মেয়ের সাথে? 

হ্যাপি : আর কোন মিথ্যা কথা শুনব না। আমি আর কোন বোকামি করব না। আমি আর তোমাকে বিশ্বাস করি না। একটুও না। 

রুবেল : সত্যি আমি যা বলছি তাতে একটাও মিথ্যা নাই।

এ সময় দুজনে একই সাথে কথা বলতে বলতে রুবেল বলেন, চুপ চুপ চুপ চুপ কর না। একেবারে ঠোঁট...(প্রকাশ অযোগ্য)। আমার কথা শোন। শোননা...উফ। আমি তো জানি তুমি আমার এই নাম্বারে ফোন দিবা। সব কিছুই জানি ঠিক আছে। এবং আমি তাও জানি যে তুমি আমারে ওই নাম্বারেও ফোন দিবা। কারণ সন্ধ্যার পরে তোমার সাথে আমার কথা হয় নাই। আর সত্য কথা আমি আজ অনেক ব্যস্ত ছিলাম, ঠিক আছে? আমি সাড়ে সাতটা না আটটা পর্যন্ত ডাক্তারের কাছে ছিলাম। বিশ্বাস কর, আমি টাসকে ছিলাম। তারপর ওইখান থেকে আমার খালা আসছে আমি তার সাথে দেখা করতে গেছি। তিনি অনেকক্ষণ ছিলেন আমার সাথে। রেস্টুরেন্টে বসা। সেখানে অনেক ছবি-টবি তুললাম। তারপর সাকিব ভাইকে ফোন দিলাম। সাকিব ভাই আসলো এবং তার সাথে ছবি টবি তুলে দিলাম। বিশ্বাস কর ‘বাবু’। আর তুমি তো জান যে আমি তোমার সাথে কথা বলব।

হ্যাপি : হ্যাঁ, আপনার কথা বলতে হবে তাই আপনি বলবেন...তাইতো! আমার কোন দরকার নাই। আমি সব বুঝি। আমি আসলে খুবই বোকা। নিজের ভালো বুঝি না।

রুবেল : তোমার বোঝা উচিত হ্যাপি। হ্যাপি শোন তোমার তো এটা বুঝা উচিত যে আমার আসলে বিজি সময় থাকতেই পারে তাই না। আমার প্রপেশনটা তোমার বুঝতে হবে। আমার যদি কোন মিটিং থাকত? টিমের কোন ডিনার থাকতো তাহলে হ্যাপি! তাহলে কি করতা বল। এই প্রপেশনে বিজি থাকাটা খুবই স্বাভাবিক হ্যাপি। আমাদের প্রপেশনটাই এরকম। আমাদের বিজি সময় থাকতে পারে হ্যাপি। তারপরও আমি যখনই ফ্রি হই তখনই তোমাকে ফোন করি, তোমাকে নক করি। তুমি ঝগড়া...(অশ্লীল) তাই আমি তোমার সাথে যোগাযোগটা নিয়মিত রাখার চেষ্টা করি। তারপরও যদি আমার সাথে এমন কর হ্যাপি তাহলে কেমন হয় বল।

হ্যাপি : ওকে থাক, তোমাকে এতো কষ্ট আর করতে হবে না।

রুবেল : তুমি শুধু শুধু আমাকে ভুল বুঝতেছ হ্যাপি। আমি আসলে আজ অনেক ব্যস্ত ছিলাম। আর তুমি খুব ভালো করেই জানো যে আমরা যখন তখন বের হতে পারি না। আর শরীরের যে আবস্থা আমার এই অবস্থায় তো ইম্পসিবল। তুমি আমাকে উল্টা-পাল্টা কোন ব্লেম দিবা না।

হ্যাপি : আমি আপনাকে ব্লেম দিতে চাচ্ছি না। আমি ফেসবুকে ব্লক দিসি, আমার ফোনে ব্লকটা হচ্ছে না। তুমি আমাকে কী বলছো যে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে?

রুবেল : হ্যাপি আমি কী করছি বল? কী করলাম এমন আমি?

হ্যাপি : আপনি আমার সাথে কিছু করেন নাই। আমি আপনার আর কোন কথা বিশ্বাস করতে পারব না। আমি তখন সিওর ছিলাম যে আপনি কারও সাথে কথা বলেছেন।

রুবেল : আচ্ছা তুমি আমার কথাটা শুনবা তো।  আমার কথা বিশ্বাস করবা তো।

হ্যাপি : আপনি দুইটা উইকেট পাইছেন, তো আপনি অনেক সুখী, তো আপনার সুখী মুহূর্ত শেয়ার করার মতো পারসন তো আমি নই। আপনার সুখী মুহূর্ত শেয়ার করবেন তো অন্য কারও সাথে।

রুবেল : আরে ধুর... (অশ্লীল) আমি কোন মেয়ের সাথে কথা বলছি নাকি। ...আরে ধুর তুই আমার ওই নাম্বারটা তোর ধারে রাখিস। .....(অশ্লীল)

হ্যাপি : আমার কোন দরকার নাই। এই সব বিষয়ে আমি আর নাই।

রুবেল : সত্যি কথা বলতে (অশ্লীল) এই জন্যই তোমার উপর আমার মেজাজটা গরম হয়।...থাকেনা অনেক। বন্ধু বান্ধব ফোন দিতে পারে না? তোমার জন্য কি আমি সব বন্ধু-বান্ধব ক্যান্সেল করে দিব নাকি? লাইফটাকে কি পুরা...করে রাখব নাকি আমি। বন্ধু-বান্ধবের সাথেও কথা বলতে পারবোনা আজব.....এগুলা কি হ্যাপি হ্যাঁ। আমি ছেলে বন্ধুদের সাথে কথা বলতে পারব না। দেখা করা তো বন্ধই করে দিছি।

হ্যাপি : আপনিতো ছেলে বন্ধুদের সাথে কথা বলছিলেন না। আপনি যতই বলেন না কেন, আমি তো এটা বিলিভ করবই না।

রুবেল : আচ্ছা তোমার কি মাথা গেছে হ্যাপি। তুমি আমারে ফোন দিবা এটা আমি জানি। তো এই ভয়টা তো আমার আছে। ফোন দিয়ে ওয়েটিং পেলে যে চিল্লা-চিল্লি করবা সে ভয়টা তো আমার আছে।

হ্যাপি : আপনার কিসের ভয়। আপনার তো কোন ভালোবাসা নাই। ভালোবাসা থাকলে ভয় থাকতো আপনার।

রুবেল : বাবু তোরে আমি ভালোবাসি না এই কথাটা উচ্চারণ করেনা বাবু। তাহলে তুমি মরে যাবা। চুপ কর...

হ্যাপি : জানি! আপনার সাথে আমার রিলেশন হওয়ার পরে এই খুলনা সিরিজটিতে ভালো খেলছেন। তুলনামূলকভাবে। মানে পেসারদের জন্য অনেক কঠিন উইকেট তবুও তুমি দুইটি উইকেট পাইছ, এক ওভারে। এটা তোমার জন্য বড় একটা সিগমেন্ট। তো

রুবেল : বাবু শোন তোমার সাথে রিলেশন হওয়ার পরে আমি মাত্র একটা ম্যাচ খেলছি। আর এই একটা ম্যাচ।

হ্যাপি : সেটাই। এই দুই ম্যাচে তুমি ভালো করনি? এই ম্যাচে তো ভালো করছ। তো...

রুবেল : ওয়েস্ট ইন্ডিজে আমি ভালো খেলছি। আগে একটাতেও ভালে খেলিনি কে বলছে? টেস্টে আমি ভালো বল করেছি। উইকেট পাইছি...বোলিং আমার ভালো হইছে। আর এতে সবাই খুশি ঠিক আছে। কোচার-মোচার থেকে সবাই খুশি। তার পরের ম্যাচটাতে আমার ঘাড়টা লক হয়ে গেছে আমি খেলতে পারিনি।

হ্যাপি : হ্যাঁ ভালো লাগে। দর্শকদেরই ভালো লাগে প্লেয়াররা উইকেট পেলে তাদেরও ভালো লাগে। তো আজকে বুঝলাম...

রুবেল : তোমার সাথে রিলেশন হওয়ার আগে মনেহয় নিউজিল্যান্ডের সাথে খেলা হয়েছে তাইনা?

হ্যাপি : সেটা তো আমি জানিনা। আমি তো খেলা দেখিনা। আগে খেলা দেখতামইনা।

রুবেল : বাবু....তোরে বাবু আমি অনেক বেশি ভালোবাসি বাবু। এতোটা বেশি যে আমি বুঝাতে পারব না বাবু। আর সিম্পল বিষয় নিয়ে তুমি আমার মনটা খারাপ করে দিচ্ছ।

হ্যাপি : কোন সিম্পল বিষয় না। কিসের সিম্পল?

রুবেল : কালকে আমার ব্যাটিং আছে, কালকে আম‍ার বোলিং আছে। কালকে অনেক টাফ একটা দিন যাবে আমাদের জন্য। কালকে ম্যাচ জিতব না হয় ড্র হবে ঠিক আছে। এগুলো নিয়ে ঝগড়া করোনা।

হ্যাপি : আমি তোমার সাথে কোন রকম ঝগড়া করছিনা। আমি তোমার সাথে কথা বলব না। আমার অনেক হয়ে গেছে আসলে। আমার আসলে বুঝা উচিৎ যে, এখন অন্তত বুঝা উচিৎ একটা ছেলে আমার সাথে কি করছে। আমি এতো গাধা কেন? মাঝেমাঝে মনে হয় নিজের মাথাটা দেয়ালের সাথে ফাটাই।

রুবেল : আস্তে কথা বল। আস্তে কথা বলনা।

হ্যাপি : আমার বাসায় আমি চিল্লায়ে কথা বলব, তোর কি?

রুবেল : (কিছুক্ষণ চুপ থেকে).....আমার বন্ধু-বান্ধব কয় ভাই তুমি একটু টেনশন না করে খেলায় মন দাও। আর... টেনশন মানে...সব টেনশনে...

হ্যাপি : আচ্ছা তোমার কথা শেষ। তুমি তো বলছিলা যে, তোমার কিছু কথা শোনার জন্য। ঠিক আছে শুনছি। শেষ। আমার এয়ারটেলের এই...(অশ্লীল) এই এয়ারটেলের নেটওয়ার্কের খালি কয়েকদিন পরপর প্রোবলেম হয়। 

রুবেল : আচ্ছা হ্যাপি তোমাকে একটা কথা বলব?

হ্যাপি: হ্যাঁ বল।

রুবেল : কথা হচ্ছে কি বাবু, তোমার সাথে আমার রিলেশন হওয়ার পর থেকে তুমি আমাকে একটু শান্তি মতো টেনশন মুক্ত থাকতে দাওনি। এক দিন পরপর তোমার সাথে ঝগড়া লাইগাই আছে আমার। আমি কিছু করিনি, তুমি এটা বুঝতে পার যে ও এটা করেনি, তবুও। এক-দুইদিন পর বুঝ তুমি।

হ্যাপি : তাইনা? এইবার তুমি দেখ আমি দু-একদিন পর বুঝি কিনা? আমি কালকে আউটডোর যাচ্ছি। ১৮ তারিখ ঢাকায় ফিরব। কাজে বিজি থাকব।  সো তোমাকে ভুলে থাকা আমার জন্য একটু ইজি হবে। আর আমি তো তোমার নাম্বার ব্লক করছিই। ফেসবুকেও ব্লক করছি। কক্সবাজারে সেরকম ফেসবুকিং করতেও পারব না। কক্সবাজার এবার টপ একটা মিশন আমার। এই মুভিটা বড় একটা চ্যালেঞ্জ আমার জন্য। কারণ এটা অনেক বড় বাজেটের। অলমোস্ট দুই কোটি টাকার মতো হবে। গান গুলো বিশাল বাজেটের।

রুবেল : ধুর...(অশ্লীল) খেলার গুষ্টিটা মারে আমার। যে দিন...ঝগড়া হয় সেদিন... ভালো খেলিনা।

হ্যাপি : কে বলছে? তুমি কালকেও অনেক ভালো খেলবা। তুমি যে মেয়ে দুইটার সাথে শেয়ার করছ যে কালকে তুমি দুইটা উইকেট পাইছ...

রুবেল : আরে ধুর চুপ। ফোন রাখ...

হ্যাপি : ওকে ঠিক আছে। বাই

--শীর্ষ নিউজ
           

 
 
 
 
যোগাযোগ করুন..
01712 247 900

dainiksylhet@gmail.com