Home Home Page Rank NTV ONLINE ETV ONLINE BANGLA  VISION ONLINE CHANEL I ONLINE EKATTOR TV ONLINE
২৬-১১-২০১৪ বুধবার

 দৈনিক সিলেট ডটকম সিলেট বিভাগের সর্বাধিক জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল-আমাদের সাথে থাকুন, নিজেকে আপডেট রাখুন...   

 
 
এই জনপদ
 
 
 
 
 

এম.এ.সাবলু হৃদয়
শীতের শুরুতেই রাতে সিলেট নগরীতে পিঠা বেচাকেনার ধুম লেগেছে। অগ্রহায়ন মাস । হেমন্তকাল। শীতের বাতাস বইতে শুরু করেছে বাংলার প্রকৃতিতে। কমে গেছে রোদের তেজ। শীতের অবিচ্ছেদ্য অংশ আছে শীতের পিঠা। শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে নগরীর রাস্তার মোড়ে মোড়ে গড়ে উঠেছে মৌসুমী পিঠার দোকান। পিঠার দোকানগুলো বেশির ভাগেই হয় অস্থায়ী। অনেক সময় বিভিন্ন চায়ের দোকানীরা শীতের সময় বাড়তি আয়োজন হিসেবে পিঠা বিক্রি করে থাকেন। এছাড়া ও বিভিন্ন রাস্তায় ফেরি করে রিকশা, ভ্যান,ও ঠেলাগাড়ি করে শীতের পিঠা বিক্রি করে থাকেন। এসব পিঠার দোকানে ভাপা পিঠা,চিতল পিঠা এবং তেলে ভাজা পিঠা (সন্দেশ) পাওয়া যায়। তবে ভাপা পিঠার ক্রেতাই বেশি। চালের গুড়া,নারিকেল ও গুড় দিয়ে তৈরি এসব পিঠার বিক্রি ও বেশ ভালো। ভাপা ও চিতল পিঠা ৫ টাকা এবং তেলে ভাজা পিঠা দোকান ভেদে ৩ থেকে ৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। নগরীর জিন্দাবাজার,জেলরোড,সোবানীঘাট,বাসটামিনাল,বন্দরবাজার,মদিনামার্কেটসহ বিভিন্ন জায়গায় বিশেষ করে যেকানে লোকজনের আসা যাওয়া একটু বেশি সে সকল স্থানে পিঠার পশরা সাজিয়ে বসেন ব্যবসায়ীরা। ভোর আর সন্ধ্যায় যখন শীত একটু বেশি থাকে তখনই এসব দোকান নিযে বসে ব্যবসায়ীরা। তবে শেষ বিকেল থেকে নিয়ে সন্ধ্যার দিকেই দোকানগুলো বিক্রি জমে উঠে। ভাপা পিঠা বিক্রিতা মোবারক মিয়া বলেন,বিকেলে পিঠার দোকান নিয়ে বসি সন্ধ্যা পরপর বিক্রি বেড়ে যায়। প্রতিদিন ৮-৯ শত টাকার পিঠা বিক্রি হয়।
               

 
 
 
 
 
 
 

মুহাম্মদ আব্দুল বাছির সরদার, দিরাই প্রতিনিধি:
স্বঘোষিত নাস্তিক বর্তমান সরকারের সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ ওরফে জিন্দিকের ফাঁসির দাবিতে মঙ্গলবার বাদ আছর সুনামগঞ্জের দিরাই পৌরশহরে হেফাজতে ইসলাম দিরাই উপজেলা  শাখার উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলের পরবর্তী এক পথসভায় শাখার সভাপতি মাওলানা নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফিজ মাওলানা আরিফ আহমদের পরিচালনায়  বক্তারা বলেন, বিগত দিন যদি ধর্মের অবমাননা করার দায়ে শাস্তি প্রদান করা হতো, তবে কুখ্যাত-কুলাঙার নাস্তিক লতিফ সিদ্দিকীদের জন্ম হতোনা। ধর্মের অবমাননা করে অতীতে কেউই পার পায়নি, লতিফ সিদ্দিকীসহ তার সমর্থকরাও পার পাবেনা, তাদের বিচার যদি এ সরকার কঠোরভাবে না করতে পারে, তবে এদেশের জনগণ ইনশাআল্লাহ করবে। হজ্ব, মুহাম্মদ (সা), সাহাবায়ে কিরাম ও তাবলীগ জামায়াত নিয়ে লতিফ সিদ্দিকী যে অবমাননাকর বক্তব্য দিয়েছে, তার একমাত্র বিচার প্রকাশ্য ফাঁসিতে ঝুঁলিয়ে হত্যা করতে হবে। বর্তমান সরকার লতিফ সিদ্দিকীর বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে তার সমালোচনা করে বক্তারা বলেন, যে দেশে বিমানবন্দরের টয়লেট থেকে ছোট স্বর্ণের বার পুলিশ উদ্ধার করতে পারে, সে দেশে কুখ্যাত-কুলাঙার নাস্তিক লতিফ সিদ্দিকী শাহজাজাল বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে হাইকোর্টে আসার সুযোগ পায় কিভাব? এতেই প্রমাণ করে এ সরকারের ভেতরে নাস্তিকরা আস্তানা গেড়েছে, তারা দিন দিন ইসলামের বিরুদ্ধে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠছে। সুতরাং সরকারকে এখনই তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে, অন্যথায় পদত্যাগ করে দেশকে বাঁচান। সময় থাকতেই সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন, আর না হয় পালাবার সুযোগ পাবেন না। এ সময় বক্তব্য রাখেন দিরাই উপজেলা হেফাজতের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নুরুদ্দিন আহমদ, হেফাজত নেতা মাওলানা মুহিউদ্দিন ক্বাসিমী, মাওলানা মুখতার হোসেন চৌধুরী, মাওলানা জুবায়ের খান মাফিক, মাওলানা উবায়দুল হক চৌধুরী, মাওলানা আবিদুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাওলানা ইলিয়াছ আহমদ, মাওলানা খালেদ আহমদ জায়ীম, হাফিজ মাওলানা হাবিবুর রহমান, কাজী নুরুল আজিজ, হাফিজ বদরুল আলম, মাওলানা রেজয়ান আহমদ প্রমুখ।
এদিকে সুনামগঞ্জ শহরে বেলা সাড়ে ১০টায় মুরতাদ লতিফ সিদ্দিকিকে দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির  দাবিতে জেলা জমিয়তের উদ্যোগে শহরে এক বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিছিলটি মাদানিয়া মাদরাসা থেকে শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপুর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ট্রাফিক পয়েন্টে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা জমিয়েতর সংগ্রামি সভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা আব্দুল বছির। পরিচালনা করেন যুগ্ম-সম্পাদক মাওলানা মুশতাক আহমদ গাজিনগরি। বক্তব্য রাখেন জেলা জমিয়তের সহ-সভাপতি মাওলানা আফসর উদ্দিন, সহ-সম্পাদক মাওলানা আলিনূর, ইমাম-মোয়াজ্জিন পরিষদ সভাপতি ও জমিয়ত নেতা মাওলানা সাজিদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মুফতি আব্দুল হক, পৌর ছাত্র জমিয়তের সভাপতি মাওলানা তায়েফ আহমদ, দোয়ারাবাজার উপজেলা সভাপতি মাওলানা ফখরুল ইসলাম ও ছাত্রনেতা মাওলানা জাকির হুসাইন প্রমুখ। বক্তারা সরকারের কাছে লতিফ সিদ্দিকিকে দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি                

 
 
 
 
 
 
 

ছাতক প্রতিনিধিঃ
ছাতকে জোরপূর্বক ভূমির দখল নিতে হামলার চেস্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছে একটি চক্র। এ নিয়ে দু’পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নিলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।  মঙ্গলবার সকালে উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও ইউনিয়নের ব্রাহ্মনগাঁও (তকিপুর) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, গত ১৬সেপ্টেম্বর কালারুকা ইউনিয়নের মুক্তিরগাঁও গ্রামের মৃত আরফাত মিয়ার পুত্র শেখ সেলিম আরফাত মিয়া গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও ইউনিয়নের ব্রাহ্মনগাঁও গ্রামের মৃত সুশিল কুমার দত্তের পুত্র সুব্রত দত্ত বাবন ও সুপ্রিয় দত্ত লাভলুর নিটক হতে দক্ষিণ ব্রাহ্মনগাঁও মৌজার ২৬৩নং খতিয়ানের ৪৭নং দাগে ২৬শতক ভূমি ৩৫১৩/১৪ইং দলিলমুলে খরিদসূত্রে মালিক হন। মঙ্গলবার সকালে তকিপুর গ্রামের মৃত আমিম উল্লাহর পুত্র হাজী রজব আলী ও তার পুত্র আশিদ আলীসহ অন্যান্যরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে উক্ত ভূমি জোরপূর্বক দখল করতে ভূমির মালিক পক্ষের উপর অতর্কিত হামলার চেষ্টা চালায়। এতে দু’পক্ষের লোকজন মুখোমুখি অবস্থান নিলে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এ সময় ভেরাজপুর গ্রামের আবুল মিয়া, চান মিয়া, আলতা মিয়া, রামপুর গ্রামের বদর উদ্দিন, চাকলপাড়া গ্রামের ঠান্ডা মেম্বার, নিজাম উদ্দিন, তকিপুর গ্রামের মনির উদ্দিন, জমির উদ্দিনসহ লোকজন উপস্থিত হয়ে বিষয়টি সালিশে নিস্পত্তির আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

 
 
 
 
 
 
 

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায় হারবেস্ট প্লাস সহায়তায় এফআইভিডিবির মাধ্যমে উপজেলার ৪০ জন কৃষকদের মাঝে জিংক সমৃদ্ধ ব্রী ৬৪ ধান বীজ চাষাবাদের জন্য  বিতরণ হয়।
মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার শান্তিগঞ্জস্থ এফআইভিডিবির হলরুমে এফআইভিডিবির এমএনএইচ প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়ক শিল্পী রাণী সরকারের সভাপতিত্বে, এফআইভিডিবির ইউএফ ইমরান আহমদের পরিচালনায় বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা পিকেএম ফরিদ হোসেন।
    বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ক¤িপউটার ফেয়ারের পরিচালক সাংবাদিক সোহেল তালুকদার, জয়কল ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন, উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ আহমদ।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন এফআইভিডিবির ইউএফ সাইদুর রহমান সহ এফআইভিডিবির কর্মকর্তাবৃন্দরা।
    অনুষ্ঠানে ২০ জন কৃষকদের ৫ কেজি করে জিংক সমৃদ্ধ ব্রী ৬৪ ধান বীজ প্রদর্শনী চাষাবাদের জন্য ও ২০ জন কৃষকদেরকে ৩ কেজি করে জিংক সমৃদ্ধ ব্রী ৬৪ ধান বীজ বিতরণ করা হয়।
               

 
 
 
 
 
 
 

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সারা জেলার ন্যায় দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সরকারী জায়গায় মঙ্গলবার শেষ দিনে নিজ দায়িত্বে প্রায় শতাদিক দোকানপাঠ সরিয়ে নিলেও কয়েকটি স্থাপনা বেঙ্গে ফেলে প্রশাসন।
    স্থানীয় ও সড়ক ও জনপথ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ১১টা পর্যন্ত ছিল সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সরকারী জায়গায় নিজ দায়িত্বে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার শেষ সময়। তবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এর আগে মাইকিং যোগে প্রচার করে জানিয়ে দেয় মঙ্গলবার সকাল ১১টার মধ্যে অবৈধ স্থাপনা নিজ দায়িত্বে সরিয়ে নেওয়ার জন্য। কিন্তু সকাল ১২টা পর্যন্ত ক্ষোদ্র ব্যবসায়ীরা নিজ দায়িত্বে সরিয়ে নিলেও অনেক স্থাপনা রয়ে যায়। পরে দুপুর সাড়ে ১২টায় সুনামগঞ্জ জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিশ্বজিৎ কুমার পাল ও সড়ক ও জনপথ বিভাগে কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে শতাদিক র‌্যাব, বিজিবি ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিয়ে উদ্ধার কর্মীরা বেশ কয়েকটি দোকান বেঙ্গে দেয়।
    মঙ্গলবার উপজেলার পাগলা বাজার, উপজেলা সদরের শান্তিগঞ্জ বাজার ঘুরে দেখা যায় নিজ দায়িত্বে সরিয়ে নিচ্ছেন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর জায়গায় স্থাপনা গুলো, কিন্তু দুপুর সাড়ে ১২টা বাজার সাথে সাথেই প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযান চালায়। এ সময় বেশ কিছু স্থাপনা বেঙ্গে ফেলে প্রশাসন।
    এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিশ্বজিৎ কুমার পাল এ প্রতিবেদককে বলেন, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সরকারী জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে। তিনি বলেন মাইকিং যোগে ব্যাপক ভাবে প্রচার করা পর স্থাপনার মালিকরা নিজ দায়িত্বে সরিয়ে নিয়েছে। কয়েকটি স্থাপনা সরিয়ে না নেওয়ায় আমাদের উদ্ধার কর্মীরা তা সরিয়ে দেয়।
               

 
 
 
 
 
 
 

মুরতাদ লতিফ সিদ্দিকীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসির দাবীতে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে মঙ্গলবার বাদ আসর এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভ মিছিলটি বন্দর বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সম্মুখ থেকে শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে চৌহাট্টা পয়েন্টে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।
সিলেট জেলা জমিয়তের সহ-সভাপতি মাওলানা খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা সাইফুর রহমানের পরিচালনায় মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক শায়খুল হাদীস মাওলানা আতাউর রহমান, মহানগর জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ হাফিজ আব্দুর রহমান সিদ্দিকী, জেলা জমিয়তের যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা আসরারুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা নজরুল ইসলাম, মহানগর জমিয়তের যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, জেলা সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা জয়নুল আবেদীন, মাওলানা আব্দুল মুকিত চৌধুরী, জেলা জমিয়ত নেতা মাওলানা শিব্বির আহমদ, জেলা যুব জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মোখতার আহমদ, সহ সম্পাদক মাওলানা ইলিয়াস আহমদ, মহানগর যুব জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক রোটারিয়ান মাওলানা বদরুল আলম, মাওলানা ছদরুল আমিন, মহানগর ছাত্র জমিয়তের সভাপতি মাওলানা হাসান আহমদ, জেলা ছাত্র জমিয়তের সেক্রেটারী মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান, মহানগর ছাত্র জমিয়তের সেক্রেটারী এম বেলাল আহমদ চৌধুরী, মাওলানা রহুল আমীন নগরী, মাওলানা সালেহ আহমদ শাহবাগী, মাওলানা ছালিম কাসিমী, মাওলানা নাজমুল হাসান, মাওলানা খায়রুজ্জামান, বাহাউদ্দিন বাহার, হাফিজ কবীর আহমদ, যুব জমিয়ত নেতা মাওলানা ফয়ছল আহমদ, যুব নেতা মাওলানা আসাদ উদ্দিন, হাফিজ শাহিদ হাতিমী, হাফিজ আব্দুল করিম দিলদার, মাওলানা মতিউর রহমান, সৈয়দ উবায়দুর রহমান, মাওলানা রেজওয়ান আহমদ, মাওলানা ফখরুল ইসলাম, মিজানুর রহমান মামুন, দেলোয়ার হোসেন, মাওলানা ফয়েজ উদ্দিন, নোমান বিন সিদ্দিক, কুতুব উদ্দিন, ছাত্রনেতা আবু সুফিয়ান, আরিফ রব্বানী, হাফিজ জাহেদ আহমদ, মকসুদ আহমদ, মাওলানা মহসিন প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, মুরতাদ লতিফ সিদ্দিকীকে শুধু গ্রেফতার নয়, তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ফাঁসি কার্যকর করতে হবে। তারা বলেন পাপ যত বড়ো, শাস্তিও তত কঠিন হতে হবে। তারা অবিলম্বে কুখ্যাত কুলাঙ্গার লতিফ সিদ্দিকীকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়ে মুসলমানদের হৃদয়ের আগুন নেভাতে হবে। অন্যথায় আল্লামা আহমদ শফীর নেতৃত্বে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে নাস্তিক মুরতাদদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
               

 
 
 
 
 
 
 

সিলেট জেলা যুবলীগের সভাপতি শামিম আহমদ বলেছেন, আওয়ামী লীগ দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্বকারী দল, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষার দল। আর বিএনপি দেশকে পাকিস্তান বানাতে চায়। বিএনপি-জামায়াতের কাছে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব নিরপদ নয়। আওয়ামী লীগ দেশে শান্তি চায়, কিন্তু বিএনপি-জামায়াত দেশে অশান্তির রাজনীতি করছে। তাদের বাংলাদেশে স্থান নেই। তাই দেশ বিরুদ্ধী ষড়যন্ত্রে সোচ্চার থাকার জন্য প্রবাসী যুবলীগের নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানাই। গোলাপগঞ্জ উপজেলা ও পৌর যুবলীগ, ছাএলীগের উদ্যেগে যুক্তরাজ্য ও লন্ডন মহানগর যুবলীগের নেতৃবৃন্দকে বিশাল সংবর্ধনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি  একথা বলেন।
গোলাপগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনীস্থ পৌর যুবলীগ ছাত্রলীগ কার্যালয়ে এ সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

গোলাপগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক তাহের উদ্দিন তাজ্জুব এর সভাপতিত্বে ও গোলাপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলিগের সাধারন সম্পাদক রফিক উদ্দিন, জেলা যুবলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম , যুক্তরাজ্য যুবলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক আমিনুল ইসলাম রাবেল, সিলেট মহানগর যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম উদ্দিন, উসমানীনগর যুবলীগের সভাপতি আনা মিয়া, সিলেট জেলা- ছাএলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ হাসিন আহমেদ মিন্টু , লন্ডন মহানগর যুবলীগের সাধারন সম্পাদক ফয়ছল আহমদ সুমন , গোলাপগঞ্জ পৌর আওয়ামীলিগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদ উদ্দিন ইরান , সিলেট জেলা যুবলীগের শাহিন আহম, সাজলু লস্কর ,অলিউর রহমান , মহানগর ছাএলীগের সহ সভাপতি সুজেল আহমদ তালুকদার , আওয়ামী প্রজন্মলীগের কেন্দ্রিও আন্তর্জাতিক সম্পাদক খালেদ উসমান, উপজেলা যুবলীগের নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গোলাপগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের জুগ্ন আহবায়ক ফয়ছল আহমদ,জুবের আহমদ , হোসেন আহমদ, আফতাব হোসেন ,আল্মি উদ্দিন বাবলু,আং হাকিম, আসাদ আহমদ, নাজিম আহমদ , ফখরু ইসলাম, রুমেল রাজা , মখছুছ আহমদ, আং মুকিদ, কামরুল ইসলাম , দেলওয়ার হোসেন, তুরন আহমদ, পৌর যুবলীগ এর -সাহেদ আহমদ, নোমান আহমদ, জাকির আহমদ , রাসেল আহমদ, বাদল, তারেক, রাসেদ , সালা উদ্দিন, সাহেদ, জুয়েল প্রমূখ।

               

 
 
 
 
 
 
 

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এর মহাসচিব সাবেক মন্ত্রী কারা নির্যাতিত মজলুম জননেতা মুফতী মুহাম্মদ ওয়াক্কাস বলেছেন, মুসলমানদের অন্যতম স্তম্ভ হজ্ব ও তাবলীগ নিয়ে কটুক্তি করে নিজে মুরতাদ হয়ে গেছে। স্বঘোষিত এই নাস্তিক অসংখ্য মামলা ও গ্রেফতারী পরোয়ানা নিয়ে দেশে ফিরে কোটি কোটি তাওহীদ জনতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন করছে। সরকার তাকে নিরাপদে দেশে ফেরার পথ সুগমন করে দিয়ে সরকার মুসলমানদের সাথে প্রকাশ্যে ঠাট্টা বিদ্রুপ করছে। ইসলামী শক্তির বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়ে এই সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনা। জমিয়ত মহাসচিব ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, লতিফ সিদ্দিকীকে শুধু গ্রেফতার করলেই হবে অবিলম্বে তার ফাঁসি কার্যকর করতে হবে। অন্যথায় যে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে সরকারকে সামাল দেওয়া মোটেই সম্ভব নয়। দেশ উত্তাল হওয়ার পূর্বেই স্বঘোষিত নাস্তিক লতিফ সিদ্দিকীকে ফাঁসির কাষ্টে ঝোলাতে হবে। নচেৎ পরবর্তী সকল দায়ভার বর্তমান সরকারকেই নিতে হবে। আল্লামা মুফতি ওয়াক্কাস হুশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন, জেল জুলুম হুলিয়া আর নির্যাতন করে এদেশে ইসলামী আন্দোলনকে স্তব্ধ করা যাবে না। সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় বন্দর বাজারস্থ দলীয় কার্যালয়ে সিলেট মহানগর জমিয়তের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুফতি ওয়াক্কাস উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
সিলেট মহানগর জমিয়তের সভাপতি হাফিজ মাওলানা মনছুরুল হাছান রায়পুরীর সভাপতিত্বে, যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জমিয়তের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব সাবেক এমপি মাওলানা এডভোকেট শাহীনূর পাশা চৌধুরী, কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুফতি রেজাউল করিম, সাংগঠনিক রিপোর্ট পেশ করেন মহানগর সেক্রেটারী অধ্যক্ষ হাফিজ আব্দুর রহমান সিদ্দিকী। বক্তব্য রাখেন মহানগর জমিয়তের সহ-সভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহমুদুল হাসান, সহ সম্পাদক মাওলানা আলী নূর, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা শফিউল আলম, সাহিত্য সম্পাদক মাওলানা মুফতি মতিউর রহমান, যুব জমিয়ত সিলেট মহানগর সভাপতি আলহাজ্ব যুবায়ের আল মাহমুদ, সেক্রেটারী বদরুল ইসলাম, সুনামগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা তৈয়্যিবুর রহমান চৌধুরী, মাওলানা আখতারুজ্জামান, মাওরানা নওফল আহমদ, মাওলানা তোফায়েল আহমদ ওসমানী, ছাত্র জমিয়ত সিলেট মহানগর সভাপতি মাওলানা হাসান আহমদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক জমিয়তের আহ্বায়ক মাওলানা সালেহ আহমদ শাহবাগি, মহানগর যুব জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা বদরুল আলম, মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক সরকার, মাওলানা এরশাদ খান, হাফিজ আব্দুল করিম দিলদার, ছাত্রনেতা হাফিজ জাহেদ প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি

 
 
 
 
 
 
 

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইলিয়াছুর রহমান ইলিয়াছ বলেছেন, কিশোর কিশোরীদের সচেতন করতে অভিভাবক মহল সহ সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। বাল্যবিবাহ রোধ, প্রজনন স্বাস্থ্য সচেতনতা ইত্যাদির মাধ্যমে কিশোর কিশোরীদের স্বাস্থ্য বিষয়ে শিক্ষা দিতে হবে।
তিনি মঙ্গলবার সকালে ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ে ভার্ড আয়োজিত এবিডিসি প্রজেক্টের কিশোর কিশোরীদের স্বাস্থ্য শিক্ষা বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগীতার পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্টানে প্রধান অতিথীর বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
ভার্ডের ৮নং ওয়ার্ড ফিন্ড ফেসিলেটর স্বপ্না রানী দাসের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবিডিসি প্রজেক্টের কো-অর্ডিনেটর মোঃ কামাল হোসেন, প্রোগ্রাম সাপোর্ট অফিসার  সায়রা খাতুন, ৮নং ওয়ার্ড সচিব সুব্রত রায় দুলাল, নুরুল ইসলাম সাহেদ, সাহেদ আহমদ, আলাউদ্দিন সুমন।
স্বাস্থ্য কর্মী পলি দাসের পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আবেদ আহমদ, গিয়াস, লাভলী, জাবেদ, খোদেজা প্রমুখ।
               

 
 
 
 
 
 
 

সিলেট, ২৪ নভেম্বর:
সিলেট ছাত্র ও যুব কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে সিলেট সাইবার সিটি গঠনের উদ্যোক্তা, মডেল নগর গঠনের উন্নয়নের রূপকার জনপ্রিয় জননেতা সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীকে সাবেক অর্থমন্ত্রী এ এস এম কিবরিয়া হত্যাকান্ডের চার্জশীটভুক্ত করার প্রতিবাদে বুধবার বিকেল ৩ টায় সিলেট সিটি কর্পোরেশন মিলনায়তনে সিলেটের সুশীল সমাজকে নিয়ে সুধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।
 এ সুধী সমাবেশ সফল করে তুলতে সিলেটের সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ ও সচেতন মহলকে উপস্থিত থাকার জন্য সিলেট ছাত্র ও যুব কল্যাণ ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এইচ এম আব্দুর রহমান অনুরোধ জানিয়েছেন।
               

 
 
 
জনমত জরিপ

তিস্তা অভিমুখে লংমার্চ করে বিএনপি কি রাজনৈতিক ভাবে লাভমান হয়েছে?

 
হ্যাঁ না
 
 

ফলাফল দেখুন

 
 

সিলেট, ২৬ নভেম্বর:               
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী ইস্যুতে কাউকে রাজনীতি করতে দেয়া হবে না।  লতিফের সংসদ সদস্য পদ থাকবে কি না, সেটা স্পিকার জানেন। তিনি বলেন, লতিফের গর্হিত বক্তব্য দেয়ার পর সরকার তার ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে।। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সেতু মন্ত্রী বলেন, শাবিপ্রবির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী এরই মধ্যে পুলিশ প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। আমিও প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশের সাথে একমত। এ ব্যাপারে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।
বুধবার দুুপুরে দক্ষিণ সুরমার চন্ডিপুলে ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় তার সাথে ছিলেন সিলেটের জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ প্রমুখ।
এর আগে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বুধবার বেলা ২টায় নভো এয়ারের একটি ফ্লাইটে সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান।    

 
 
 
 

সিলেট, ২৬ নভেম্বর:                                           
সিলেট মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেছেন, শান্তির ধর্ম ইসলামের প্রকাশ্য দুশমন নাস্তিক মুর্তাদ লতিফ সিদ্দিকী শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের  কলিজায়  আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। বিশ্ব মানবতার মুক্তি দূত মহানবী (সাঃ) ও পবিত্র হজ্ব নিয়ে কটুক্তিকারী লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার করে  ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের বোকা বানানোর অপচেষ্টা থেকে সরকারকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। ইসলাম ও বিশ্ব মানবতার শত্র“ লতিফকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ফাঁসি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় দেশব্যাপী ধর্মপ্রাণ মুসলমান যেভাবে গর্জে  উঠেছে তা ক্রমেই গণবিস্ফোরণের রূপ লাভ করবে। লতিফকে জেলে  রেখে জামাই আদর দেয়া থেকে বিরত থেকে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। গ্রেফতারের অন্তরালে জাতিকে বিভ্রান্ত করার কোন নাটক করার অপচেষ্টা তৌহিদী জনতা বরদাশত  করবে না।
বুধবার জামায়াত ঘোষিত কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে নাস্তিক মুর্তাদ লতিফ সিদ্দিকীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ফাঁসির দাবীতে সিলেট মহানগর জামায়াত আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথা বলেন। মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন-মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা সোহেল আহমদ, জামায়াত নেতা মুফতি আলী হায়দার, মু. আজিজুল ইসলাম, চৌধুরী আব্দুল বাছিত নাহির, মহানগর ছাত্রশিবির সেক্রেটারী মাসুক আহমদ, জেলা পূর্ব সভাপতি এস.এম. মনোয়ার হোসেন প্রমুখ।
 
               

 
 
 

সিলেট, ২৬ নভেম্বর:               
কোনো সফর পরিকল্পনা ছাড়াই সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সিলেট সফরে আসেন। বুধবার বেলা ২টায় নভো এয়ারের একটি ফ্লাইটে তিনি সিলেট এম এ জি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ।
এদিকে বুধবার বেলা ২টার দিকে সিলেটের বিমানবন্দর সড়কে ইজিবাইক চলাচল করতে দেখে নিজের গাড়ি থামিয়ে ইজিবাইক আটক করে পুলিশে দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
জানা যায়, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বুধবার বেলা ২টায় নভো এয়ারের একটি ফ্লাইটে সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ। তবে মন্ত্রীর এই সফর নিয়ে আগে থেকে কিছুই জানতেন না সংশ্লিষ্টরা।
পরে মন্ত্রী সিলেটের হুমায়ুন রশীদ চত্বর ও চণ্ডীপুলে অবৈধ ট্রাক স্ট্যান্ড পরিদর্শনে যাওয়ার পথে ১০টি ইজিবাইক চলাচল করতে দেখে নিজের গাড়ি থামিয়ে সেগুলোকে আটক করেন। পরে ইজিবাইকগুলোকে থানায় নিয়ে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দেন তিনি।               

 
 
 

চুনারুঘাট, সংবাদদাতা:
চুনারুঘাটের মিরাশী গ্রামে গর্ভধারিনী মাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে পাষন্ড পুত্র। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কিছুদিন পূর্বে মিরাশী গ্রামের হালেমা বানু তার মেয়েকে কিছু জমি রেজিস্ট্রি করে দেন। এ নিয়ে মায়ের সাথে ছেলে সফিক মিয়ার বিরোধ সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে প্রায়ই মা ও ছেলের মধ্যে ঝগড়া হতো। এ পরিস্থিতিতে মা হালেমা বানু রাজাকোনা গ্রামে এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যান। সেখানে সপ্তাহ দিন অবস্থান শেষে মঙ্গলবার সকালে তিনি নিজ বাড়ি ফিরছিলেন। ফেরার পথে সকাল ৯টার দিকে হালেমা বানু তারাসুল গ্রামে আজগর আলীর বাড়ির সামনে আসামাত্র ছেলে সফিক মিয়া (৩২) ধান কাটার ধারালো কাঁচি দিয়ে মা হালেমা বানুকে উপর্যুপরি আঘাত করে। এতে মায়ের পেট ও পিঠের মাঝখান কেটে অনেকটা দ্বিখন্ডিত হয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে। মাকে হত্যার পর ঘাতক পুত্র সফিক মায়ের পেট কাপড় দিয়ে বেধে একটি রিক্সাযোগে প্রায় এক কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে লাশ নিয়ে আসে নিজেদের বসতঘরে। মাকে বাড়িতে নেয়ার সময় লোকজনের প্রশ্নের জবাবে সফিক তাদের জানায় তার মা এক্সিডেন্ট করেছে। কিন্তু মায়ের লাশ হাসপাতালে না নিয়ে বাড়িতে নেয়ায় রিক্সাচালকের সন্দেহ হয়। রিক্সাচালক বিষয়টি জানায় নিহত হালেমার এক জামাতাকে। খবর পেয়ে হালেমার মেয়ে ও জামাতা ছুটে আসে বাড়িতে। ততক্ষণে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায় ঘাতক সফিক। এরপর খুনের ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন ছুটে আসে নিহত বৃদ্ধার বাড়িতে। খবর পেয়ে চুনারুঘাট থানার এসআই আব্দুল মালিকসহ একদল পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করে। মৃত হালেমা খাতুনের ৩ ছেলে ও ২ মেয়ে রয়েছে।
এ ঘটনার পর পুলিশ নিহত হালিমা বেগমের মেয়ে বানেছা খাতুনের স্বামী আব্দুল সালামকে (৩৬) আটক করে।               

 
 
 

সৈয়দ শাহ সেলিম আহমেদ-লন্ডন থেকে:
ব্রিটিশ পার্লামেন্টের পোর্ট কেলিস হাউসে  মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বাংলাদেশে হিউম্যান রাইটস এন্ড ডেমোক্রেসি-পারস্পেক্টিভ বাংলাদেশ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।লন্ডনের নাগরিকদের সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠিত সিটিজেন মুভম্যান্ট এর আয়োজনে এই সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন লর্ড নাজির আহমেদ। এতে বক্তব্য রাখেন ব্রিটিশ পার্লামেন্টের লেবার দলীয় সদস্য সায়মন ডানসাক এমপি, লর্ড কোরবান, ব্যারোনেস পলা মঞ্জিলা উদ্দিন, বাংলাদেশ থেকে আগত বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ফরহাদ মযহার, টেলিভিশন টক শোর জনপ্রিয় আলোচক ডঃ তুহিন মালিক‌ সিটিজেন মুভম্যান্টের আহ্বায়ক এম এ মালেক সহ আরো অনেকেই।

সেমিনারে লর্ড নাজির বলেন, বাংলাদেশ তার ৪০ বছর আগের ঘটনা নিয়ে  ট্রাইব্যুনাল গঠনের মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছে। ফাইন- আমরাও সেটা চাই। কিন্তু বাংলাদেশে যা হচ্ছে সেটা যুদ্ধাপরাধের বিচার নয়, বিচারের নামে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের জন্য, রাজনৈতিকভাবে মোটিভেটেড হয়ে অ-স্বচ্ছভাবে আন্তর্জাতিক নিয়ম লঙ্ঘন করে বিচারের নামে প্রহসন করা হচ্ছে। বিগত ১/১১ সময়ে আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লন্ডনের হিথরো এয়ারপোর্ট থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রার সময়ে তার সহযোগিতার স্মৃতিচারণ করে বলেন, সেদিনের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সৈনিক ও আওয়ামীলীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার বর্তমান অগণতান্ত্রিক ও একতরফা কার্যকলাপে স্তম্ভিত এবং হতবাক। শেখ হাসিনার কাছ থেকে তিনি এরকম এক নায়ক সুলভ আচরণ আশা করেননি বলে জানান।

এ সময় তিনি চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনে দমন-পীড়নে সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করে হেফাজতে ইসলামের প্রতি সহানুভূতির(সিমপ্যাথি) কথা উল্লেখ করেন।

সেমিনারে লর্ড কোরবান বলেন, বাংলাদেশে মানবাধিকারের লঙ্ঘন আর রাজনৈতিক সন্তোষ, হত্যায় উদ্বেগ প্রকাশ করে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের উন্নয়নের তাগিদ দেন। একই সাথে লর্ড কোরবান অবাধ, নিরপেক্ষ ও সকলের অংশ গ্রহণের মাধ্যমে দ্রুত নতুন নির্বাচনের উপর জোর দেন।

ব্রিটিশ পার্লামেন্টের লেবার দলের এমপি সায়মন ডানসাক বলেন, বাংলাদেশে বিগত ৫ জানুয়ারি যে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে, সেখানে ৫% পার্সেন্ট ভোটারের কোন উপস্থিতি ছিলোনা- পৃথিবীর সকল গণমাধ্যম এবং বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ সেই দাবীই করছেন। ১৫৩ জনের মতো সাংসদ বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। বাকী আসনগুলোর নির্বাচনেও ভোটারের কোন উপস্থিতি ছিলোনা। এই ভোটের মাধ্যমে সরকারের কোন ক্রেডিবিলিটি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আছে বলে তিনি মনে করেননা। সায়মন ডানসাক এমপি বলেন, বাংলাদেশের সংকট নিরসনে অবিলম্বে সংলাপের মাধ্যমে সকল দলের অংশ গ্রহণে অবাধ নিরপেক্ষ গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যবস্থাই এর সমাধান বলে তিনি মনে করেন। একই সাথে সায়মন বলেন, যেভাবে বর্তমান সরকার গুম, খুন, হত্যা, বিরোধী রাজনৈতিক দল মতের দমন পীড়ন ও মানবাধিকারের যেভাবে লঙ্ঘন করছে, বিনা বিচারে হত্যা, দুর্নীতির উৎসব যেভাবে চলছে,  এর প্রেক্ষিতে আমি এখানে ব্রিটিশ বাংলাদেশীদের আহ্বান জানাই আসুন আমরা সকলে মিলে আগামী ৫ জানুয়ারি ভোটার বিহিন এই সরকারের বার্ষিকী পালনের মাধ্যমে প্রতীকী প্রতিবাদ করে ব্রিটিশ সরকারকে এই ম্যাসেজ পৌছে দেই, বাংলাদেশের সরকার ভোটারবিহিন সরকার। এর গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নের সম্মুখীন।

সেমিনারের বাংলাদেশের বিশিষ্ঠ লেখক, গবেষক, বামধারার বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মযহার লিখিত তথ্য উপাত্ত ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামের ঐতিহাসিক প্রেক্ষিত উল্লেখ করে বলেন, বিএনপির আমলে গঠিত র‍্যাব বর্তমানে এক ডেড স্কোয়াডের নাম।বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ এখন র‍্যাব নামক এই বিশেষ এলিট ফোর্সের নাম শুনলে আঁতকে উঠেন।এই বাহিনীর দ্বারা ২৭জন নাগরিক হত্যার উল্লেখ করে বলেন এই কিলিং বাহিনী নারায়ণ গঞ্জের সাত খুনের সাতেও জড়িয়ে পড়েছে- যা মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচিত হয়েছে।

ফরহাদ মযহার বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সৃষ্টির সময়ে অর্থাৎ মহান মুক্তিযুদ্ধে গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র আর অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ নিয়ে যে ঐক্য গড়ে উঠেছিলো আওয়ামীলীগ সরকার স্বাধীনতার অব্যাহতি পর পরই সেই গড়ে উঠা ঐক্য বিনষ্ট করে দলীয় ভিত্তিতে সরকার পরিচালনা কয়রে, যা এখনো অব্যাহত আছে। জাতীয় ঐক্যের বিপরীতে দলীয় চিন্তা চেতনা রাষ্ট্রের সর্বাঙ্গে এমনভাবে আঁকড়ে ধরেছে যেখান থেকে এখন শুধু পচনই নয়, দুর্গন্ধ বের হচ্ছে।

ফরহাদ মযহার সেমিনারে অধিকার কর্তৃক তথ্য উপস্থাপন করে বলেন, ২০০৯ সালে যেখানে মানুষ গুম হওয়ার সংখ্যা ছিলো ৯, সেখানে ২০১৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত দেখা গেছে গুম হওয়ার সংখ্যা ৩১ এ দাঁড়িয়েছে। ২০১৩ সালয়ে এই গুম হওয়ার সংখ্যা ছিলো ৪৩। এর বাইরেও আরো অনেক গুমের তথ্য রয়ে গেছে, যা রেজিস্টার্ড নয়।

তিনিও সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর আর্টিক্যাল ১৪২ এর ১,২.৩ এবং ১৫০ এর ১১ উপ-ধারার উল্লেখ করে সমালোচনা করে বলেন, আওয়ামীলীগ আমাদের সংবিধানের মৌলিক রাষ্ট্রীয় স্ট্যাটাসের পরিবর্তন করে একচ্ছত্র ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে দিয়েছে, যা মৌলিক গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের লঙ্ঘন।

সেমিনারের ডঃ তুহিন মালিক বলেন, তত্বাবধায়ক সরকারের পটভূমিকা এবং এর মাধ্যমে বিগত সময়ের নির্বাচন কালীন পরিস্থিতি ও সরকার গঠনের লিখিত ধারাবাহিক ইতিহাস ও প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে বলেন, ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত কেয়ার টেকার গভর্ণম্যান্ট বা তত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে বাংলাদেশে মোটামুটি ফ্রি, ফেয়ার, ক্রেডিবল ইলেকশনের মাধ্যমে সরকার গঠিত হয়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ধীরে ধীরে উন্নতি সাধিত হচ্ছিলো।তিনি বলেন, বিগত ১৯৯১, ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতিতে অবাধ নিরপেক্ষভাবে নির্বাচনের মাধ্যমে সব দলের কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ও সরকার গঠিত হয়েছে।

ডঃ তুহিন মালিক তার লিখিত নিবন্ধে সেমিনারে বিগত সময়ের ২০০৭ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ১১ জানুয়ারির সময়কালীন রাজনৈতিক আন্দোলন, ঘেরাও, হরতাল, বিশৃঙ্খলা, লঘি বৈঠা আর রাজপথ দখল ইত্যাদির উল্লেখ করে তখনকার সময়ে সেনা সমর্থিত দুই বছরের সরকারের বিভিন্ন কার্যকলাপের বিবরণ দিয়ে বলেন, এই সেনা সমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকার আওয়ামীলীগের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছিলো। কেননা দুই বছরের এই অসাংবিধানিক সরকারের সকল কর্মকাণ্ড দেশে বিদেশে সকল পার্টনার, ষ্টেক হোল্ডার, ডেভেলপম্যান্ট পার্টনার, সংস্থার কাছে ফোকাস হয়েছিলো বাংলাদেশে একটি অবাধ স্বচ্ছ ও সকল দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থাই কেবল রাজনৈতিক সংকট মোকাবেলা করতে পারে।কেননা এর মাধ্যমে দেশ কেবল মানবাধিকারের লঙ্ঘন আর রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা, হত্যাকাণ্ড বন্ধ করা সম্ভব বলে সকল মহলেই প্রতিভাত হয়েছিলো।

ডঃ তুহিন মালিক বলেন, ২০১১ সালে ৩০ জুন আওয়ামীলীগ সরকার সংবিধানের এই তত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করে সংবিধানের সংশোধন করে বসে। তার মতে এই সংবিধান সংশোধনই মূলত বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের মূল কারণ।

তিনি আরো বলেন, ২০১১ সালের ১০ মে সুপ্রিম কোর্টের আপিলেট ডিভিশন তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অসাংবিধানিক ব্যবস্থা বলে যে ডাইরেকশন দিয়েছিলো- আওয়ামীলীগ সরকার এপিলেট ডিভিশনের দেয়া সেই ডাইরেকশন না মেনেই তড়িঘড়ি করে তত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করে দিয়েছিলো। ডঃ তুহিন মালিক আরো বলেন, এই সংশোধিত সংবিধানের সন্দেহমূলক ৭বি এবং ১৫২ অনুচ্ছেদের ৫২টি অনুচ্ছেদ যা কখনো সংশোধন করা যাবেনা বলে বিধান রাখা হয়েছে, যা পৃথিবীর কোন পার্লামেন্টেই এমন সাংবিধানিক বিধান নেই যা পরিবর্তন করা যাবেনা- এই এমন চিরস্থায়ী ব্যবস্থাই পঞ্চদশ সংশোধনীর সবচাইতে বড় সন্দেহের জন্ম দিয়েছে। আর এই সংশোধনীগুলো সহ সংবিধানের ৫৭(৩) অনুচ্ছেদ প্রধানমন্ত্রীকে একচ্ছত্র ক্ষমতার মালিক করে দিয়েছে- যার ফলে সংকট আরো ঘনীভূত হয়েছে। কারণ এই ৫৭(৩) অনুচ্ছেদ প্রধানমন্ত্রীকে এতো ক্ষমতা দিয়েছে যে তার সময়কালীন সময়ে তার পরবর্তী সাকসেসর তার অফিসে প্রবেশ না করা পর্যন্ত- এমন ক্ষমতা মূলত শেখ হাসিনাকে পৃথিবীর সবচাইতে ক্ষমতাশালী এক শাসকে পরিণত করেছে।

তিনি সংবিধানের ১২৩(৩) অনুচ্ছেদের কথা উল্লেখ করে বলেন প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় থাকলে, পার্লামেন্ট যদি সেই সময় নাও থাকে, তারপরেও প্রধানমন্ত্রী ১০-১৫জন অসাংবিধানিক ও অনির্বাচিত উপদেষ্টা নিয়োগের মাধ্যমে দেশে তার শাসন ব্যবস্থা কায়েম করতে পারবেন। আর এভাবেই প্রধানমন্ত্রী আগামী ২০৪১ সাল পর্যন্ত দেশে তার একচ্ছত্র ক্ষমতা ধরে রাখতে বা ক্ষমতায় থাকতে চান।

ডঃ তুহিন মালিক বর্তমান সংসদে লেজিটিমেইট বিরোধীদলের অনুপস্থিতি উল্লেখ করে সর্বশেষ বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার, রাজনৈতিক সংকট এখন আন্তর্জাতিক এক ইস্যু হিসেবে পরিগণিত। ডেভেলপম্যান্ট পার্টনার্স, আন্তর্জাতিক এজেন্সি সমূহ এখন বাংলাদেশের রাজনীতি, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিয়ে বেশী কনসার্ণ এবং তিনি আহ্বান জানান, আমাদের উন্নয়ন সহযোগী, আন্তর্জাতিক সকল সংস্থা সমূহকে বাংলাদেশে প্রকৃত গণতন্ত্র এবং গুড-গভর্ণন্যান্সের লক্ষে রাজনৈতিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের জন্য এগিয়ে আসবেন, সহযোগিতা করার আহবান
জানান।

সেমিনারে ব্যারোনেস পলা মঞ্জিলা উদ্দিনও গণতান্ত্রিক পদ্ধতির সরকার অব্যাহত, মানবাধিকারের উন্নতি ও জবাবদিহিমূলক সরকারের জর দাবী এবং সংলাপের মাধ্যমে সমাধানের তাগিদ দেন।

Salim932@googlemail.com
25th November 2014, London.         
      

               

 
 
 

ঢাকা: মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.), হজ ও তাবলিগ জামায়াতকে নিয়ে ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্য দেয়া সদ্য বহিষ্কৃত মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী এমপিকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোয় ইসলামী দলগুলোর ডাকা কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে।

লতিফ সিদ্দিকীর গ্রেফতার দাবিতে সম্মিলিত ইসলামী দলগুলোর ডাকা বৃহস্পতিবারের হরতাল প্রত্যাহার করা হয়েছে। এছাড়া আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের ডাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ঘেরাও কর্মসূচিও স্থগিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে প্রেরণ করায় এসব কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে।

       

 
 
 

রিয়াদ: অভিবাসীদের বসবাসের অনুমোদন (আকামা) এক বছরের পরিবর্তে পাঁচ বছর করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে সৌদি সরকার।
আর এ পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছে বিদেশি বিনিয়োগকারী আর অভিবাসী কর্মীরা। তারা বলছেন, এ পদক্ষেপ সৌদি আরবের অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করবে।

সৌদি পাসপোর্ট বিভাগের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সুলাইমান আল ইয়াহিয়া বলেছেন, আকামা নামটি পরিবর্তন করে ‘রেসিডেন্ট আইডি’ করার পরিকল্পনা রয়েছে। একইসঙ্গে পরিকল্পনা রয়েছে এর বৈধতা পাঁচ বছর পর্যন্ত বর্ধিত করার জন্য। প্রস্তাবটি অচিরেই বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আরো জানান, এছাড়াও সৌদি পাসপোর্টের মেয়াদ ১০ বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি করার প্রস্তাব বিবেচনাধীন রয়েছে।

পাসপোর্ট বিভাগের মক্কা এলাকার মুখপাত্র কর্নেল মোহাম্মদ আল হুসেইন জানান, ৫ বছরের আকামা কবে নাগাদ বাস্তবায়ন হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত তিনি অবগত নন।

তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স মোহাম্মদ বিন নাইম অনুমোদন দেয়ার পরই প্রস্তাবটি বাস্তবায়ন শুরু হবে।

ইরাম গ্রুপের সিএমডি সিদ্দিক আহমেদ বলেন, আকামা ৫ বছর বর্ধিত করা হলে তা অভিবাসী কর্মীদের কাজের নিরাপত্তা দেবে। এছাড়াও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সৌদি আরবে বিনিয়োগে আরো আগ্রহী হবেন।

               

 
 
 

সিলেট, ২৫ নভেম্বর:                  
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর প্রিন্সিপাল মাওলানা হাবীবুর রহমান বলেছেন, স্বঘোষিত মুর্তাদ লতিফ সিদ্দিীকীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ধর্ম অবমাননা বিরোধী কঠোর আইন প্রণয়নের দাবীতে পুরো জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ। ইতিপূর্বে সরকার তাকে মন্ত্রীত্ব থেকে অপসারণ করে বলেছিল দেশে আসলেই তাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে। অথচ পুলিশী নিরাপত্তায় সে দেশে ঢুকেছে। তাকে আশ্রয় দেওয়ার প্রমাণ হয়েছে বর্তমান সরকার নাস্তিক মুর্তাদের মদদ দাতা সরকার। নাস্তিকদের প্রশ্রয় দেয়ার পরিণাম শুভ হবে না। এর জন্য চরম মূল্য দিতে হবে সরকারকে।
তিনি মঙ্গলবার সিলেট ঐতিহাসিক কোর্ট পয়েন্টে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর শাখার উদ্যোগে নাস্তিক লফিত সিদ্দিকীর দেশে আগমনের প্রতিবাদে ও তার ফাঁসির দাবীতে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
মাওলানা হাবিব আরো বলেন, নাস্তিক লতিফ সিদ্দিকী একের পর এক যে দুঃসাহস দেখাচ্ছে তার কঠোর শাস্তি নিশ্চিত না হলে অন্যান্য নাস্তিকরাও উৎসাহিত হবে। নাস্তিকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে দেশবাসীকে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, সরকার তাকে নিয়ে যে নাটক করছে, দেশবাসী তা বুঝতে পেরেছে। ঈমান নিয়ে খেলবেন না, প্রিয়নবী (সাঃ) এর দুশমনদের পক্ষালম্বন না করে জনগণের দাবী মেনে নিন।
প্রিন্সিপাল হাবীব বলেন, আধ্যাত্মিক রাজধানী সিলেট থেকেই তাসলিমা নাসরিনের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছিলাম, সে দেশ ত্যাগে বাধ্য হয়েছিল। ওলি আউলিয়ার এদেশে কোন মুর্তাদের ঠাই নাই। এবারও আমাদের এক দফার আন্দোলন ধর্ম অবমাননাকারীদের ফাঁসির আইন করতে হবে। তিনি বলেন, আমরা ভাংচুরে বিশ্বাস করি না, বিগত দিনে যেভাবে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন হয়েছে এবারও কঠোর আন্দোলন হবে।
সিলেট কোর্ট পয়েন্টে বিকাল ৩ টায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মহানগর সভাপতি মাওলানা সিরাজুল ইসলাম সিরাজী, মহানগর সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলমের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা রেজাউল করিম জালালী, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য আলহাজ্ব মাওলানা বদিরুজ্জামান, সিলেট মহানগর সহ-সভাপতি মাওলানা গাজী রহমত উল্লাহ, মাওলানা শাহ মমশাদ আহমদ, মাওলানা পীর আব্দুর জব্বার, মাওলানা রিয়াজ উদ্দিন, মহানগর সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ছামিউর রহমান মুছা, মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ মাওলানা আতিকুর রহমান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা নাইম উদ্দিন, মহানগর প্রচার সম্পাদক মাওলানা আরিফুল হক ইদ্রিস, সুনামগঞ্জ জেলা প্রচার সম্পাদক মাওলানা জয়নুল ইসলাম, মহানগর অফিস সম্পাদক হাফিজ কয়েছ আহমদ, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মাওলানা রেজাউল হক, মাওলানা ফাহাদ আমান, হাফিজ মাওলানা মামুন আহমদ, হাজী আব্বাস জালালী, মাওলানা তফাজ্জুল হক, মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম। 
সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর নির্বাহী সদস্য হাফিজ মাওলানা এখলাছুর রহমান, মো: আব্দুল গফফার, বদরুল ইসলাম, জয়নুল আবেদীন, মাওলানা কাউছার আহমদ হাসানী, ছাত্র নেতা  জুবায়ের আহমদ, হাফিজ রশিদ আহমদ, কবির আহমদ, হাফিজ মাহফুজুল হক প্রমুখ।
   
               

 
 
 

সিলেট, ২৫ নভেম্বর:
বাল্যবিবাহ নারী নির্যাতনের অন্যতম কারণ। নারী নির্যাতন বন্ধ করতে হলে সর্বপ্রথম বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে হবে। নির্যাতিত নারীদের প্রতি সকলের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। পারিবারিক সহিংসতা বন্ধ করার জন্য সমাজের সর্বস্তরে মানবাধিকার সচেতনতা প্রয়োজন। এজন্য নারীদের পাশাপাশি পুরুষদেরও এগিয়ে আসতে হবে। নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস ২০১৪ উপলক্ষ্যে আরএইচস্টেপ আলোর ধারার উদ্যোগে মিছিল পরবর্তী আলোচনা সভায় বক্তারা একথা বলেন।
মঙ্গলবার নগরীর আখালিয়াস্থ আলোর ধারা কমিউনিটি রিসোর্স সেন্টারে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোর ধারা কমিউনিটি রিসোর্স সেন্টার-এর সহকারী ইউনিট ম্যানেজার ফিলিপ সমদ্দারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট সিটি কর্পোরেশন-এর ৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের  মহিলা কাউন্সিলর রেবেকা বেগম রেনু। এছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, আলোর ধারা কমিউনিটি রিসোর্স সেন্টার-এর ইউনিট ম্যানেজার নীহার রঞ্জন দাশ, আলোর ধারা কর্মকর্তা রাবেয়া আক্তার, নাসিম আহমদ, ফুয়াদ আহমদ আজিম, লোকমান আহমদ, টিপু দাস, খোকন আহমদ, সাহেরা বেগম বীথি, মৌষুমী চন্দ্র, হামিদা আক্তার হিমা, লিমা বেগম, রুমানা পারভীন রুমাসহ আরএইচএসটিইপি, আরএফএসইউ প্রোজেক্ট-এর আওতায় আলোর ধারা কমিউনিটি রিসোর্স সেন্টার-এর কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকা ও এলাকতার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ  উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন, দেশে প্রতিনিয়ত নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। রাস্তাঘাটে মেয়েরা লাঞ্ছিত হচ্ছেন। নারী নির্য়াতনের আইন থাকলেও তা সঠিকভাবে প্রয়োগ হচ্ছে না। দেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করার জন্য নারীদের অংশগ্রহণ করতে হবে। দেশের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে অনতিবিলম্বে নারীদের উপর নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। পরিবার ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য পারিবারিক সহিংসতাসহ সকল প্রকার নারী নির্যাতন প্রতিরোধ করতে হবে।
               

 
 
 

 বড়লেখা প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় মাটি ফেলাকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্টির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের ৮জনসহ অন্তত দশজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে পৌর শহরের উত্তর চৌমুহনী এলাকায় সদর ইউপির গংঙ্গারজল গ্রামের ইসলাম উদ্দিন ও বদরুল ইসলামের গোষ্টির মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের আহতদের কয়েকজন হলেন- ইসলাম উদ্দিন (৪০), আব্দুল আহাদ (৫৫), আবুল হোসেন (৩০), জাকির আহমদ (২৫), আজির উদ্দিন (৩৫), বদরুল ইসলাম (৩৫), মস্তকিন আলী (৫৫)। আহতদের মধ্যে ইসলাম উদ্দিন ও আব্দুল আহাদের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যান্য আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৪জনকে আটক করে। আটককৃতরা হলেন- আবু তাহের রঞ্জু (১৮), সাজু আহমদ (১৭), আবুল হোসেন (৩০), মুহিবুর রহমান (২৫)। এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত থানায় উভয় পক্ষের কেউ মামলা দায়ের করেননি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও থানা পুলিশ সুত্র জানায়, ট্রাকটর দিয়ে মাটি ফেলানোকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকালে সদর ইউপির গংঙ্গারজল গ্রামের ইসলাম উদ্দিন ও বদরুল ইসলামের মাঝে কথা কাটা কাটি হয়। কথা কাটা কাটির জের ধরে দুপুর ১২ টার দিকে শহরের উত্তর চৌমুহনী এলাকায় ইসলাম উদ্দিন ও বদরুল ইসলামের গোষ্টির লোকজন দেশীয় অস্ত্রসহ সংঘর্ষ জড়ায়। সংঘর্ষের সময় এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে। সংষর্ষে পথচারীসহ উভয় পক্ষের ৮জনসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল হাসেম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় কোনো পক্ষই মামলা দেয়নি। এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
               

 
 
 

সিলেট, ২৫ নভেম্বর
সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরীয়া হত্যা মামলার চার্জশিট থেকে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর নাম প্রত্যাহারের দাবিতে কাউন্সিলরদের উদ্যোগে পক্ষাকাল ব্যার্পী কর্মসূচীর অংশ হিসেবে মঙ্গলবার দুই ঘন্টা কর্মবিরতি পালন করা হয়।
সিটি কাউন্সিলর ও কর্মকর্তাদের স্বতঃপুর্ত অংশ গ্রহণের মধ্য দিয়ে দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত এ কর্মসূচী পালিত হয়। কর্মসূচি চলকালে কাউন্সিলরা নগর ভবনের প্রধান ফটকে অবস্থান করেন। পরে তারা নগর ভবনের কর্মকর্তা কর্মচারীদের সহযোগিতা কামনা করলে তারাও সবধরণের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকেন।
ফলে নগর ভবনের সব কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অচল হয়ে পড়ে। কর্মসূচি চলাকালে বক্তারা বলেন, সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ.এম.এস.কিবরিয়া হত্যাকান্ডের জড়িত থাকতে পারেন এমন কল্পনাও কেউ করে নি। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাম্প্রতিক উন্নয়ন কার্যক্রমে যাদের গাত্রদাহ সৃষ্টি হয়েছে, যারা সিলেট নগরীকে ভূতুড়ে দেখতে চায়, সমস্যা ও সংকট সৃষ্টি করে নিজেদের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করতে চায়, সেই বিদ্বেষী মহলই পরশ্রীকাতার হয়ে নোংরা খেলা খেলতে গিয়ে মেয়র আরিফকে হয়রানী করছে। প্রকৃতপক্ষে তারাই শ্রদ্ধেয় কিবরিয়ার আসল খুনী ও দোষীদের আড়াল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত। জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদ সিলেটের গর্বিত সন্তান সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ.এস.এম. কিবরিয়া হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু বিচার এখন সময়ের দাবী।
কর্মবিরতি চলাকালে উপস্থিত ছিলেন ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ তৌফিকুল হাদী, ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রাজিক মিয়া, ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজওয়ান আহমদ, ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরহাদ চৌধুরী শামীম, ১০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এডভোকেট ছালেহ আহমদ চৌধুরী, ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সিকন্দর আলী, ১৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম মুনিম, ১৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছয়ফুল আমিন বাকের, ১৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মুহিত জাবেদ, ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর দেলোয়ার হোসেন সজীব, ১৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ বি এম জিল্লুর রহমান উজ্জল, ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর দিনার খান হাসু, ২১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুর রকিব তুহিন, ২২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিন, ২৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোস্তাক আহমদ, ২৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সোহেল আহমদ রিপন, ২৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল জলিল নজরুল, সংরক্ষিত ৪ আসনের কাউন্সিলর আমেনা বেগম রুমি, সংরক্ষিত ৫ আসনের কাউন্সিলর দিবা রানী দে, সংরক্ষিত ৮ আসনের কাউন্সিলর সালেহা কবীর শেপী, সংরক্ষিত ৯ আসনের কাউন্সিলর এডভোকেট রোকসানা বেগম শাহনাজ প্রমুখ।
               

 
 
 
 
 
কবিতা
শিল্প-সাহিত্
মিডিয়া
ইসলাম
Image Missing
 
 
বিনোদন
বিনোদন
বিচিত্রা
বিচিত্রা
মুক্তমঞ্চ
Image Missing
 
 
খেলাধুলা
খেলাধুলা
স্বাস্থ্য
স্বাস্থ্য
তথ্য-প্রযুক্তি
তথ্য-প্রযুক্তি
 
 
সংবাদদাতা
জীবন সদস্য
সম্পাদক
 
দেশ বিদেশ
 
 
 

ঢাকা, ২৬ নভেম্বর :
আগামী ৯ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা। ৯ জানুয়ারি ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু হয়ে চলবে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত। আর দ্বিতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হবে ১৬ থেকে ১৮ জানুয়ারি।

বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে অনুষ্ঠিত এক প্রস্তুতি সভায় এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

বৈঠক সূত্র মতে,  ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত পাঁচটি দেশের মুসল্লিদের ভিসা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিশ্ব ইজতেমায় ভিসা না পাওয়া দেশগুলো হল্ত লাইবেরিয়া, নাইজেরিয়া, সিয়েরা লিওন, গিনি ও মালি।

প্রস্তুতি সভায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা এ দেশগুলোর মুসল্লিদের আসতে নিরুৎসাহিত করব। একইসঙ্গে এ সব দেশের নাগরিকদের ভিসা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেশগুলোর বাংলাদেশ মিশনে পৌঁছে দেওয়া হবে।

বৈঠকে গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. জাহিদ আহসান রাসেল, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার বেনজীর আহমেদ, র‌্যাব, বিজিবি, ফায়ার সার্ভিস, ওয়াসা ও ডেসকোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন               

 
 
 
 
 
 

ঢাকা, ২৬ নভেম্বর:
 বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেছেন, অচিরেই বাংলাদেশে সঠিক ইতিহাস লেখা হবে। সেখানে ধিকৃত ও জঘণ্য স্বৈরাচার হিসেবে এরশাদ এবং শেখ হাসিনার নাম লেখা থাকবে।
তিনি বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘শহীদ ডা. মিলন হত্যা দিবসের’ আলোচনায় একথা বলেন। ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) এই আলোসভার আয়োজক।
এতে অংশ নিয়ে বি. চৌধুরী বলেন, নব্বইয়ে স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনে নিজের জীবন দিয়ে শহীদ ডা. মিলন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তার মৃত্যু যুবসমাজকে প্রবলভাবে নাড়া দিয়েছিল।

তিনি বলেন, ডা. মিলনের গণতন্ত্র আজ আবার জবরদখল হয়ে গেছে। আমরা যদি তার প্রতি কৃতজ্ঞতা না জানাই তবে জাতি হিসেবে অকৃতজ্ঞ হয়ে যাব। এই সময়ে তার প্রতি কৃতজ্ঞতার প্রকাশ হতে পারে- বর্তমান স্বৈরাচার সরকারকে হটিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা।

বর্তমান সরকারকে অদ্ভুত ও জগাখিঁচুরি আখ্যা দিয়ে সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমানে দেশে এক অদ্ভুত ও জগাখিঁচুরি মার্কা সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। জনগণের
ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে তারা ক্ষমতা দখল করেছে, যেভাবে মন্ত্রিসভা গঠন করেছে, পৃথিবীর কোথাও এমন নজির নেই।

তিনি বলেন, সরকারের অনেক দায়িত্ব। দেশের জনগণের দায়িত্ব, মানুষের অধিকার রক্ষা, গণতন্ত্র রক্ষা করা সরকারের দায়িত্ব। কিন্তু এই সরকার এসব দায়িত্ব পালন না করে শুধু ক্ষমতা আঁকড়ে বসে আছে।
বিকল্পধারা সভাপতি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ভেবেছে আর কোনো দিন বাংলাদেশে সঠিক ইতিহাস লেখা হবে না। কিন্তু অচিরেই বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাস লেখা হবে। সেখানে ধিকৃত ও জঘণ্য স্বৈরাচার হিসেবে এরশাদ এবং শেখ হাসিনার নাম লেখা থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘ইতিহাসই তাদের বিচার করবেই, করবে। সেদিন আর বেশি দূরে নয়।’

এরশাদকে ইতিহাসের নিকৃষ্ট স্বৈরাচার ও দুর্নীতিবাজ আখ্যা দিয়ে বি. চৌধুরী বলেন, ‘এরশাদ বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ঘৃণিত ও জঘণ্যতম অধ্যায় রচনা করেছিলেন। তিনি নিকৃষ্ট স্বৈরাচার, বড় দুর্নীতিবাজ। অথচ ইতিহাস ভুলে বর্তমান সরকার তার সঙ্গে জোট করেছে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত করা হয়েছে।’

মেনন ও ইনুর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘ইনু-মেননরা আজ তাদের ভাইয়ের রক্তের কথা ভুলে গিয়ে এরশাদের সঙ্গে রাজনৈতিক সখ্যতা গড়ে তুলেছে। এখন এরশাদকে নিয়ে তারা ডা. মিলনের কবর জিয়ারত করলে রাজনৈতিক নাটকের ষোল কলা পূর্ণ হবে।’
বর্তমান সরকার স্বৈরাচারের গাড়িতে পতাকা তুলে দিয়ে জাতীয় পতাকার অবমাননা করেছে বলেও মন্তব্য করেন অধ্যাপক ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী।
ড্যাব সভাপতি ডা. একেএম আজিজুল হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন- বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, আমানউল্লাহ আমান, অধ্যাপক ডা. এমএ মাজেদ, ড্যাব সচিব ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, হাবিবুর রহমান হাবিব প্রমুখ।

 
 
 
 
 
 

নিউজ ডেস্ক::
কাঠমান্ডু: \'শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য আরো ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক\'- এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে দুই দিনের সার্ক শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে শুরু হয় ১৮তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনের মূল পর্ব। কাঠমান্ডুর ভ্রীকুটি মণ্ডপে রাষ্ট্রীয় সভাগৃহে শীর্ষ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ও সার্কের বিদায়ী চেয়ারপারসন আবদুল্লাহ ইয়ামিন আবদুল গাইয়ুম। তার সঙ্গে নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীল কৈরালা প্রদীপ প্রজ্বলন করেন।
 
সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মাহিন্দ রাজাপাকসে, আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি ও মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিন আবদুল গাইয়ুম। যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও জাপানসহ ৯টি পর্যবেক দেশও সম্মেলনে তাদের প্রতিনিধি পাঠিয়েছে।
 
এদিকে সার্কের নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীল কৈরালা। শীর্ষ সম্মেলন শুরুর কিছুক্ষণ পরই কোনো অনাপত্তি ছাড়াই সুশীল কৈরালা সার্কের নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নতুন চেয়ারম্যান সুশীলকে করতালি দিয়ে অভিনন্দন জানান সার্কের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান এবং অন্যান্যরা।
 
শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে কাঠমান্ডুতে নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের পাশাপাশি যান চলাচলের ওপরও আরোপ করা হয়েছে কড়াকড়ি। নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীল কৈরালা নিজে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিরাপত্তাব্যবস্থা পরিদর্শন করেছেন।
 
সম্মেলনের দুই দিন বুধ ও বৃহস্পতিবার সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে নেপালে। সম্মেলনস্থল কাঠমান্ডুর রাষ্ট্রীয় সভাগৃহে (সিটি হল) সাংবাদিকদের প্রবেশেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। প্রতিটি দেশের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের মাত্র দুইজন সাংবাদিক সেখানে ঢুকতে পারবেন।
 
সম্মেলনের অবকাশে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে বৈঠকের কথা রয়েছে। এ বিষয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে নেপাল। নেপালি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, পাক-ভারত অচলাবস্থা দূর করার চেষ্টা করছেন কাঠমান্ডুর কর্মকর্তারা।
 
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আনুষ্ঠানিক মোটর শোভাযাত্রা সহকারে হোটেল ক্রাউন প্লাজা সোয়েলটি-কাঠমান্ডুতে নিয়ে যাওয়া হয়। নেপাল সফরকালে তিনি এ হোটেলে অবস্থান করবেন।
 
সম্মেলনের অবকাশে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী প্রথম দিন নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীল কৈরালা, আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট ড. আশরাফ গনি এবং মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিন আবদুল গাইয়ুমের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
 
একই দিন তিনি অন্যান্য দেশের রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধানদের সঙ্গে হোটেল ক্রাউন প্লাজা সোয়েলটিতে নেপালের প্রধানমন্ত্রী আয়োজিত ভোজসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন। পরদিন ২৭ নভেম্বর শেখ হাসিনা ও সার্কের অন্যান্য নেতা রিট্রিট সেশনে যোগ দিতে নেপালের শীর্ষ পর্যটন কেন্দ্র ধুপিখেল যাবেন। একই দিন ধুপিখেল থেকে ফিরে তারা শীর্ষ সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
 
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও সার্কের অন্যান্য নেতা কাঠমান্ডুর রাষ্ট্রপতি ভবনে নেপালের প্রেসিডেন্ট ড. রামবরণ যাদবের সাথে সাক্সাৎ করবেন। তারা নেপালের রাষ্ট্রপতির দেয়া ভোজসভায়ও যোগ দেবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ২৮ নভেম্বর দুপুরে দেশে ফেরার কথা রয়েছে।                

 
 
 
 
 
 

ফাহমিদ-উস-সালেহীন:
নেতা কর্মীদের প্রত্যাশা অনুযায়ী গণতান্ত্রিক উপায়ে এই প্রমবারের মতো বিপুল উৎসাহ-আনন্দে মধ্য দিয়ে ফিনল্যান্ড বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

২৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে উপস্থিত কাউন্সিলরা জামান সরকারকে সভাপতি, মোকলেসুর রহমান চপলকে সিনিয়র সহ সভাপতি, মবিন মোহাম্মদকে সাধারন সম্পাদক, মিজানুর রহমান মিঠুকে সিনিয়র যুগ্ম ও গাজী সামসুল আলমকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কার্যকরী পরিষদ নির্বাচিত করে।

সন্ধ্যা ৭টায় তিক্কুরিলাস্থ এসডিপি মিলনায়তনে সম্মেলন অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন স্থানীয় পৌরকমিশনার ও ফিনিশ সোস্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা মি. রণবীর সদহী। সভাপতিত্ব করেন সম্মেলন প্রস্ততি কমিটির আহবায়ক ফিনল্যান্ড বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আবুল হাসেম চৌধূরী।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও সভাপতি নব নির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের মঞ্চে আহবান করে মাল্যভূষিত করেন।

এতে অন্যান্যদের মধ্য উপস্থিত ছিলেন বদরুম মনির ফেরদৌস, আওলাদ হোসেন, আলাউদ্দিন আহমেদ, আনোয়ার হোসেন খান, আবদুল্লাহ আল মাসুদ, নিজাম আনোয়ার হোসেন, নিজাম আহমেদ, সাইফুর রহমান সাইফ, আবদুল্লাহ আল মাসুদ, মোস্তাক সরকার, ইব্রাহিম খলিল, মঞ্জুর রহমান, প্রদীপ কুমার সাহা, আবুল কালাম আজাদ, আশরাফ উদ্দিন, তাজুল ইসলাম, সাজিদ খান জনি, মনিরুল ইসলাম, সোলেমান মোঃ জুয়েল, সাজ্জাদ মুন্না, নুরুল ইসলাম, সাগর, আরিফুজ্জামান বাবু, মামুন হোসেন, মোঃ জুয়েল, মুকুল হোসেন, তানভীর আহমেদ, ফাহমিদ-উস-সালেহীন, মোহাম্মদ হাসিব উদ্দিন, নাজমুল হাসান, খালেদুল ইসলাম, আজাদ আবুল কালাম, মোঃ সহিদুল, সাজিদ খান জনি, শাকিল নেওয়াজ, মাসুমা আফরোজ, উম্মে কুলসুম কলি, সেলিনা আক্তার, সাদিয়া চৌধূরী লিসা, আজমাইন রহমান, সবুজ খান, নজরুল ইসলাম, আরিফ আহমেদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের সব শেষে ছিল নৈশভোজ। সম্মেলনকে সুন্দর, সার্থক ও সফল করার জন্য সম্মেলন প্রস্ততি কমিটির আহবায়ক ফিনল্যান্ড বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আবুল হাসেম চৌধূরী ফিনল্যান্ড বিএনপির নেতা কর্মীসহ উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে সম্মেলন-২০১৪ন সমাপ্তি ঘোষনা করেন।



           

 
 
 
 
 
 
ঢাকা: ধর্মীয় উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয়া আওয়ামী লীগ ও মন্ত্রিসভা থেকে বহিস্কৃত আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে জুতা নিক্ষেপ করেছে বিক্ষুব্ধ আইনজীবিরা। মঙ্গলবার আত্মসমর্পনের আদালত থেকে কারাগারে আনার সময় লতিফ সিদ্দিকীকে লক্ষ্য করে জুতা নিক্ষেপ করেছে উত্তেজিত জনতা ও আইনজীবীরা। আইনজীবীরা এ সময় তাকে \'নাস্তিক\' উল্লেখ করে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন। পরে তারা আদালত চত্বরে মিছিল বের করেন। মিছিল থেকে বলা হয়, \'নাস্তিক লতিফের গালে গালে, জুতা মারো তালে তালে\'। এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে ধানম-ি থানায় আত্মসমর্পণ করেন ধর্মীয় উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়ায় আওয়ামী লীগ ও মন্ত্রিসভা থেকে বহিস্কৃত আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী। তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা থাকায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে হাজির করে পুলিশ। রবিবার রাতে ভারত থেকে দেশে ফেরেন লতিফ সিদ্দিকী। তাকে গ্রেফতারের দাবিতে সোমবার রাজধানীতে বিক্ষোভ করে বিভিন্ন ইসলামিক দল। এমনকি বুধবারের মধ্যে তাকে গ্রেফতার করা না হলে বৃহস্পতিবার হরতালের হুমকি দেয় হেফাজতে ইসলাম।
 
 
 
 
 
 

ঢাকা: সদ্য বহিষ্কৃত মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী এমপি কারাফটকের পকেট গেট দিয়ে মাথা নিচু করে ঢুকতে আপত্তি করেন। এ সময় কারাগারের সামনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। পরে জেলসুপার ফরমান আলী বিষয়টি সমাধান করেছেন বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের মূল ফটকের সামনে এসব ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, সাড়ে ৩টার দিকে আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে বহনকারী প্রিজন ভ্যান কারা ফটকে এসে পৌঁছায়। এসময় তিনি নেমে কারাফটকে দাঁড়িয়ে যান। কারারক্ষীরা তাকে কারাগারের পকেট গেট দিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলে তিনি বাঁধ সাধেন। লতিফ সিদ্দিকী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আমি এখনো একজন সংসদ সদস্য, মাথা নত করে পকেট গেট ঢুকবো না, পুরো গেইট খুলতে হবে। এসময় উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা তাকে পকেট গেট দিয়ে প্রবেশের অনুরোধ করলে তিনি ক্ষিপ্ত হন। এসময় কয়েকজন পুলিশ সদস্যের সঙ্গে লতিফ সিদ্দিকীর কথাকাটাকাটি হয়। পরে সিনিয়র জেলসুপার ফরমান আলী মূল ফটকে এসে  পুরো গেইট খুলে থাকে কারাগারের ভিতরে নেন।

এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুর রহমানের আদালত তাকে কারাগারে পাঠানো আদেশ দেন। লতিফ সিদ্দিকীর পক্ষে জামিনের জন্য কোনো আইনজীবী না থাকায় জামিন শুনানি হয়নি। এ সময় মামলার বাদীসহ শত শত আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আবদুল লতিফ সিদ্দিকী দুপুর ১টা ২২ মিনিটে রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় হাজির হয়ে তিনি আত্মমর্পণ করেন। আত্মসমর্পণের পর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে ঢাকার সিএমএম আদালতে নেয়া হয়।

এদিকে দেশের বিভিন্ন স্থানে দায়ের করা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের মামলায় লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি আছে।

রবিবার রাতে ভারত থেকে দেশে ফেরার পর তাকে গ্রেফতার করা নিয়ে নানা নাটকীয়তা তৈরি হয়। তাকে গ্রেফতারের দাবিতে মঙ্গলবার হরতালের ডাক দেয় ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট। এ ছাড়া তাকে গ্রেফতার না করা হলে বুধবার ইসলামী ঐক্যজোট ও বৃহস্পতিবার হেফাজতে ইসলাম হরতালের ঘোষণা দেয়।

এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতারের আইনি কোনো জটিলতা নেই এবং যেকোনো সময় তাকে গ্রেফতার করা যাবে।

এদিকে এর আগে সোমবার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেছিলেন, লতিফ সিদ্দিকীর সংসদ সদস্য পদ বহাল এবং একই সঙ্গে সংসদ অধিবেশন চলমান থাকায় তাকে গ্রেফতারে কিছুটা জটিলতা রয়েছে। তিনি বলেছিলেন, তাকে গ্রেফতারের জন্য স্পিকারের অনুমতি নিতে হবে।

অপরদিকে সোমবার সংসদ অধিবেশন শুরুর আগ মুহূর্তে নিজ কার্যালয়ে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী জানান লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতারে তার অনুমতি লাগবে না।

প্রসঙ্গত, গত রবিবার রাতে বহিষ্কৃত মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী ঢাকায় ফেরেন।
               

 
 
 
 
 
 

ঢাকা, ২৫ নভেম্বর  :

দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) ১৮তম শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা বাংলাদেশ বিমানের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ছাড়েন। ফ্লাইটটি নেপালের স্থানীয় সময় সোয়া ৪টার দিকের কাঠমান্ডুর ত্রিভূবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
এবারের শীর্ষ সম্মেলনের প্রতিপাদ্য হচ্ছে- ‘শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য আরো ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।
বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এক আনুষ্ঠানিক মোটর শোভাযাত্রা সহকারে হোটেল ক্রাউন প্লাজা সোয়েলটি- কাঠমান্ডুতে নিয়ে যাওয়া হবে। নেপাল সফরকালে তিনি এ হোটেলে অবস্থান করবেন।
প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে সাকের্র অন্যান্য সদস্য দেশগুলোর রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন এবং ভাষণ দেবেন। মঞ্চে আসন গ্রহণের আগে তারা ফটো সেশনে অংশ নেবেন।
প্রথমদিন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনের ফাঁকে নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীল কৈরালা, আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট ড. আশরাফ ঘানি এবং মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লাহ ইয়ামিন আব্দুল গাইয়ুমের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
একই দিন তিনি অন্যান্য দেশের রাষ্ট্র বা সরকার প্রধানদের সঙ্গে হোটেল ক্রাউন প্লাজা সোয়েলটিতে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর আয়োজিত ভোজসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।
পরদিন ২৭ নভেম্বর শেখ হাসিনা ও সাকের্র অন্যান্য নেতৃবৃন্দ র্রিট্রিয়েট সেশনে যোগ দিতে হেলিকপ্টারে নেপালের শীর্ষ পর্যটনকেন্দ্র ধুপিখেল যাবেন।

একইদিন ধুপিখেল থেকে ফিরে তারা শীর্ষ সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাকের্র অন্যান্য নেতৃবৃন্দ কাঠমান্ডুর রাষ্ট্রপতি ভবনে নেপালের প্রেসিডেন্ট ড. রামবরণ যাদবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। তারা নেপালের রাষ্ট্রপতির দেয়া ভোজসভায়ও যোগ দেবেন।

শেখ হাসিনা ২৮ নভেম্বর দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

 
 
 
 
 
 

ঢাকা : একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া জামায়াত নেতা আবদুল কাদের মোল্লার আপিলের রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন খারিজ করে দেয়া পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এ রায় প্রকাশ করেছেন।

রায়ে বলা হয়েছে, সংবিধান ও আইন অনুযায়ী মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্তদের রিভিউ আবেদন করার সুযোগ নেই। কিন্তু আপিল বিভাগের বিচারপতিরা অন্তর্নিহিত ক্ষমতাবলে তাদের এ সুযোগ দিয়েছেন।

রায়ে আরো বলা হয়, মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তিরাও রিভিউ আবেদন করার সুযোগ পাবেন। এক্ষেত্রে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে তাদেরকে রিভিউ আবেদন করতে হবে এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ওই আবেদনটি নিষ্পত্তি করা হবে।

গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতির মতামতের ভিত্তিতে কাদের মোল্লাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। প্রায় আড়াই মাসেরও বেশি সময় পর ৫ ডিসেম্বর আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। রায়ের কপি প্রকাশের পর ৮ ডিসেম্বর সেটি ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। এরপর ট্রাইব্যুনাল ওইদিনই কাদের মোল্লার মৃত্যু পরোয়ানা জারি করে আদেশটি ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠায়। রায়ের কপি হাতে পেয়েই তার ফাঁসি কার্যকর করার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়।

সরকারের পক্ষ থেকে তখন বলা হয়েছিল, মানবতাবিরোধী অপরাধীদের জন্য জেল কোডে প্রদত্ত সুবিধা প্রযোজ্য হবে না। কিন্তু রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ করতে আসামিপক্ষের উদ্যোগের প্রেক্ষাপটে ১০ ডিসেম্বর রাতে সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ফাঁসির আদেশ স্থগিত করেছিলেন।

পরদিন কাদের মোল্লার পক্ষে রিভিউ সংক্রান্ত দুটি আবেদন করা হয়েছিল আপিল বিভাগে। এর একটি ছিল রিভিউ গ্রহণযোগ্য হবে কি হবে না এবং অন্যটি ছিল তার মূল রিভিউ আবেদন। এই দুই আবেদনের ওপর শুনানি করে ১২ ডিসেম্বর প্রধান বিচারপতি কেবল ঘোষণা দেন যে, বোথ দ্য ক্রিমিনাল রিভিউ পিটিশনস আর ডিসমিসড। রিভিউ আবেদন খারিজের দিন রাতেই কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর করা হয়।
               

 
 
 
 
 
 

ঢাকা, ২৫ নভেম্বর  :
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া জামায়াত নেতা আবদুল কাদের মোল্লার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের রিভিউ আবেদন খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি মোঃ মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ৫ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেন। অপর বিচারপতিরা হচ্ছেন- বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা, বিচারপতি আব্দুল ওয়াহাব মিঞা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী।

প্রসঙ্গত, রিভিউ খারিজের সংক্ষিপ্ত রায়ের পর গত বছর ১২ ডিসেম্বর রাতে ফাঁসি কার্যক্রর করা হয় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলকে।

গত বছর ১৭ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতির মতামতের ভিত্তিতে কাদের মোল্লাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

গত বছর ১২ ডিসেম্বর কাদের মোল্লার রিভিউ আবেদন খারিজ করে সংক্ষিপ্ত রায় দেন আপিল বিভাগ। এরপর আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষে ওই দিন রাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর করা হয়।               

 
 
 
 
 
 

ঢাকা : সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার করতে স্পিকারের অনুমতির প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

সোমবার সংসদ অধিবেশন শুরুর আগে বিকেল পৌনে ৪টার দিকে তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন স্পিকার।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী শুধুমাত্র সংসদ লবি, গ্যালারি ও চেম্বার থেকে কোন সংসদ সদস্যকে গ্রেফতার করার ক্ষেত্রে স্পিকারের অনুমতির প্রয়োজন হয়। এছাড়া কোনো অনুমতি লাগে না।

এর আগে সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানিয়েছেন, আইনি জটিলতার কারণেই সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার করতে পারছে না আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতারে হাইকোর্টের নির্দেশনা রয়েছে সত্য, তেমনি তিনি এখনো একজন সংসদ সদস্য সেটিও সত্য। স্পিকারের অনুমতি ছাড়া একজন সাংসদকে গ্রেফতার করা যায় না।

স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর এ বক্তব্যের বিষয়ে স্পিকার সাংবাদিকদের বলেন, তিনি যেটা বলেছেন সেটা ভুল। এটা স্পিকারের কোনো বিষয় নয়। প্রচলিত আইনে বলা আছে, সংসদ অধিবেশন শুরু হওয়ার ১৪দিন আগে ও সংসদ অধিবেশন শেষ হওয়ার ১৪দিন পর্যন্ত কোনো সিটিং এমপিকে গ্রেফতার করা যাবে না ।

স্পিকার বলেন, তবে কোনো সংসদ সদস্যকে গ্রেফতার করা হলে তাকে (স্পিকারকে) অবহিত করার বিধান রয়েছে। এক্ষেত্রে স্পিকার সংসদে থাকলে সংসদে জানাতে হবে, না থাকলে চিঠি দিতে হবে।

তিনি আরো বলেন, অধিবেশন চলাকালে কোনো সংসদ সদস্য গ্রেফতার করার বিষয় আমাকে অবহিত করা হলে, আমি সংসদে তা পাঠ করে শোনাব। নবম জাতীয় সংসদে স্পিকার থাকাকালেও সিটিং এমপিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। আমাকে অবহিত করার পর আমি সেটা সংসদে পাঠ করে শুনিয়েছি।

যুক্তরাষ্ট্রে একটি অনুষ্ঠানে হজ ও তাবলিগ জামাত নিয়ে বিরুপ মন্তব্য করে মন্ত্রীত্ব ও আওয়ামী লীগের সদস্যপদ হারানো আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় করা মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

মন্তব্য করার পর থেকে দেশের বাইরে অবস্থান করছিলেন তিনি। রোববার রাতে দেশে ফেরেন লতিফ সিদ্দিকী। কিন্তু  এখনও তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
           

 
 
 
 
যোগাযোগ করুন..
01712 247 900

dainiksylhet@gmail.com