Home Home Page Rank NTV ONLINE ETV ONLINE BANGLA  VISION ONLINE CHANEL I ONLINE EKATTOR TV ONLINE
১৯-০৯-২০১৪ শুক্রবার

 দৈনিক সিলেট ডটকম সিলেট বিভাগের সর্বাধিক জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল-আমাদের সাথে থাকুন, নিজেকে আপডেট রাখুন...   

 
 
 
মোবাইল ভার্সনে যারা আছেন
Free Global Counter
 
এই জনপদ
 
 
 
 
 

ছাতক প্রতিনিধিঃ 
ছাতকে মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে ডুবে এক পাথর শ্রমিকের মৃত্যু ঘটেছে। বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের বারকাহন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত পাথর শ্রমিক শাহাব উদ্দিন (৩৮) দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের খাইরগাঁও গ্রামের কিসমত মিয়ার পুত্র। জানা যায়, শাহাব উদ্দিন বারকাহন গ্রামে তার আত্মীয়র বাড়িতে থেকে পাথর শ্রমিকের কাজ করে আসছিল। বৃহস্পতিবার ভোরে গ্রামের একটি ডোবায় সে মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে তলিয়ে যায়। সকালে গ্রামের লোকজন ডোবায় তার লাশ দেখতে পেয়ে দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করেন। ছাতক থানার ওসি শাহজালাল মুন্সি জানান, পাথর শ্রমিক শাহাব উদ্দিনের মৃত্যুর ব্যাপারে আমার কিছুই জানা নেই।
               

 
 
 
 
 
 
 

ছাতক প্রতিনিধিঃ 
হৈয়া-হো, হৈয়া-হো সুরে মরমী কবি শাহ আব্দুল করিমের জনপ্রিয় গান কোন মেস্তরি নাও বানাইল, কেমন দেখা যায়। ঝিলমিল-ঝিলমিল করে- রে, ময়ূর পংকি নায় এ গানের তালে-তালে ছাতকের সুরমা নদীতে প্রাচীন বাংলার ঐতিহ্য নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছাতক উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার দুপুরে এ নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। নৌকা বাইচ উপভোগ করতে সুরমার দু’কুল জুড়ে মানুষের ঢল নামে। হাজার-হাজার নারী-পুরুষ প্রতিযোগিতা উপভোগ করতে প্রচন্ড গরম উপেক্ষা করে নদীর পারে দাড়িয়ে থাকে। ৮টি নৌকা প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহন করে। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পুটামারা পশ্চিমপাড়া, পুটামারা পূর্বপাড়া, তুড়ারপাড়া, বাঘজুরসহ ৮টি নৌকা প্রতিযোগীতায় অংশ নেয়। প্রতিযোগিতায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বাঘজুর প্রথমস্থান ও তুড়ারপাড় দ্বিতীয়স্থান অধিকার করে। নৌকা বাইচ শেষে থানা সংলগ্ন নদীর তীরে আয়োজক কমিটির কোষাধ্যক্ষ হাজী কুটি মিয়ার সভাপতিত্বে ও জয়নাল আবেদীন মহির পরিচালনায় অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কমিটির সভাপতি, উপজেলা চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, অধ্যক্ষ মঈন উদ্দিন আহমদ, পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র তাপস চৌধুরী, ইউপি চেয়ারম্যান আলজাল আবেদীন আবুল, নজরুল হক, হাজী সুন্দর আলী, আলহাজ্ব সৈয়দ তিতুমীর, সৈয়দ আহমদ, উপজেলা ক্রীড়া সম্পাদক লাল মিয়া, হাজী কনু মিয়া, মকবুল আলী বার্নার, সাবেক পৌর কমিশনার আফতাব মিয়া, মুহিবুর রহমান সাধু, নওশাদ মিয়া, শাহীন চৌধুরী প্রমুখ।
               

 
 
 
 
 
 
 

সিলেট, ১৮ সেপ্টেম্বর:
ছাত্রদলকর্মী কামাল আহমদের হত্যার ঘটনায় কতোয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহত কামালের স্ত্রী হ্যাপি বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে এ মামলাটি দায়ের করেন।  মামলায় সিলেট সিটির সাবেক নারী কাউন্সিলর শাহানা বেগম শানু, তার স্বামী তাজুল ইসলাম ও ছেলে রায়হানসহ পরিবারের ৮ সদস্যকে আসামি করা হয়েছে।  অন্য আসামিরা হলেন, শানুর স্বামী তাজুলের ভাই নুরুল ইসলাম ও রফিকুল ইসলাম, ভাতিজা রিপন, গৃহ পরিচারিকা জ্যোস্না ও ইমরান আহমদ।
আসামিদের মধ্যে গৃহ পরিচারিকা জ্যোস্না ছাড়া বাকিরা পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে বলে জানান এসআই মুবাশ্বির।
সোমবার রাত সাড়ে ৮টায় সিলেট নগরীর খুলিয়াপাড়া এলাকায় কামাল আহমদ (৩০) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত কামাল ওই এলাকার ২৬ নম্বর বাড়ির মৃত সুরুজ মিয়ার ছেলে। পাশাপাশি তিনি ছাত্রদলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
খুনের ঘটনার পর সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর শাহানা বেগম শানু ও তাজুল দম্পতির বাসায় অভিযান চালিয়ে ৯টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।
এছাড়া খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তাজুল ইসলামের শ্যালক বেলাল আহমদ ও গৃহ পরিচারিকা জ্যোস্নাকে আটক করা হয়।
মঙ্গলবার রাতে হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে ১৬১ ধারায় তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। বুধবার দুপুর পর্যন্ত কোনো মামলা না হওয়ায় তাদের দু’জনকে ৫৪ ধারায় আদালতে চালান দেওয়া হয়।           

 
 
 
 
 
 
 

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : 
সারাদেশে জামায়াতের ডাকা হরতালে পিকেটিং করার সময় হবিগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমির কাজী মুহসিন আহমেদকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে শহরে মিছিল করার সময় তাকে আটক করা হয়।
হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, বৃহস্পতিবার সকালে শহরে মিছিল করার সময় কাজী মুহসিনকে অাটক করা হয়। এসময় অন্যন্যা মিছিলকারীরা পালিয়ে যায়।
           

 
 
 
 
 
 
 

বেলাল বদরুল:
গত ১৭ই সেপ্টেম্বর রোজ বুধবার দুপুর ১ ঘটিকার সময় স্যান্ডওয়েল আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক লোকমান চৌধুরীর বাসায় সিলেট মহানগর মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর শাহানারা বেগম কে স্যান্ডওয়েল আওয়ামীলীগ সংবর্ধনা প্রদান করে, উক্ত সংবর্ধনা সভায় উপস্থিত ছিলেন স্যান্ডওয়েল আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ বিলাল বদরুল, সহ সভাপতি এনাম উদ্দিন জহুর, সাধারণ সম্পাদক কয়েস আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক লোকমান চৌধুরী, ওয়ালী খান, জিলাল উদ্দিন, খালেদ হোসেন কিং, সোহানুর রহমান কয়েস সহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ,
ব্যাক্তিগত সফরে গত মাসে তিনি ইউ কে আসেন, প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহানারা বেগম দেশে আওয়ামীলীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন, শত ব্যাস্ততার মাঝেও উনাকে সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য তিনি স্যান্ডওয়েল আওয়ামীলীগ কে ধন্যবাদ জানান,               

 
 
 
 
 
 
 

আব্দুল্লাহ আল মামুন । বয়স ১৩ বছর।  সাং খলাপাড়া, পো: সেলবরষ,ধর্মপাশা, সুনামগঞ্জ। পিতা মো : আল্লাদ মিয়া।
মামুন  নামের মাদরাসা পড়–য়া  এই ছেলেটি মোহনগঞ্জ উপজেলাধীন মাদরাসা দারুল কোরআনের হিফজ বিভাগের ছাত্র।
সে ইতিমধ্যে ১৮ পাড়া হিফজ সম্পন্ন করেছে। মাদরাসা থেকে ছুটি নিয়ে বাড়ীতে এসে ১১ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর গত ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪ রোজ মঙ্গলবার সকালে ফজরের নামাজের জন্য মসজিদে যাওয়ার কথা বলে  নিজ বাড়ী থেকে বের হয়ে আর বাড়ীতে ফিরেনি। মসজিদে যাওয়ার সময় ঘরের মোবাইল সেটটি তার সাথে ছিল (যার নাম্বার হল ০১৭৫৪৫২৮০৬৩)। এসময় পড়নে পাঞ্জাবী,পা জামা, মাথায় ছিলো গোল টুপি। গায়ের রং শ্যামলা।
সম্ভাব্য সকল স্থান, আত্মীয় স্বজনের বাড়ীতে খোঁজ নিয়ে ও তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়নি। এবিষয়টি  ধর্মপাশা থানা পুলিশকে অবগত করা হয়েছে। ছেলেটি সিলেট রিপোর্ট ডটকম সম্পাদক মুহাম্মদ রুহুল আমীন নগরীর আপন ভাগ্নে। যদি কোন সুহৃদ ব্যক্তি ছেলেটির সন্ধান পেয়ে থাকেন তাহলে নিন্মোক্ত নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা গেল । যোগাযোগ: ০১৭১৬৪৬৮৮০০,০১৭২৪৩৫৪০৩৩।
               

 
 
 
 
 
 
 

বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবী আ,ন,ম,শফিকুল হক বলেছেন, যুক্তরাজ্য একটি সভ্য দেশ এবং যুক্তরাজ্যের সাথে আমাদের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক দীর্ঘকালের। এই সভ্য ও বন্ধু রাষ্ট্র যুক্তরাজ্যের ডিটেনশন সেন্টারে একটি জলজ্যান্ত যুবকের মৃত্যু কখনো কাম্য হতে পারে না। আমরা এই মর্মান্তিক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবী করছি। একই সাথে নিহত তরুণ রুবেলের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান ও পুনর্বাসিত করার দাবী জানাচ্ছি।
যুক্তরাজ্যের ডিটেনশন সেন্টারে সিলেটের প্রতিশ্র“তিশীল তরুণ রুবেল আহমদের রহস্যজনক মৃত্যুর প্রতিবাদে সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে সচেতন নাগরিক সমাজ সিলেট-এর উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসুচী চলাকালে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সকাল ১১টায় এ মানববন্ধন কর্মসুচী অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন চলাকালে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে সিলেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আলহাজ শেখ মো. মখন মিয়া চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট সমাজসেবী হাজী রইছ আলী, ডা: শাহনুর হোসাইন, পুলক ভট্টাচার্য, গোলাম আহমদ, হাজী সামছুদ্দিন, এ কে এম দুলাল, শাহীনুল ইসলাম শাহীন, সিলেট প্রগ্রেসিভ ফোরামের সভাপতি মো: রেহান উদ্দিন, সিলেট কল্যাণ সংস্থার সাবেক সাধারন সম্পাদক আজিজুর রহমান, স্বাধীন সামাজিক সংগঠনের সভাপতি রাশেদুজ্জামান, মানবাধিকার তথ্য ও গবেষনা সোসাইটির সহ সভাপতি জাঙ্গির আলম (রফিক), জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন রশিদ শাহীন, রোম্মান আহমদ, আলমগীর হোসেন, মাওলানা আজিজুর রহমান, মাওলানা খছরুজ্জামান, মাওলানা ছাদিকুর রহমান, জহির উদ্দিন, কামাল হোসেন, দিলোয়ার হোসাইন, মোহাম্মদ আলী, শাহিন আহমদ,  পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন নিহত রুবেলের ছোট ভাই রুহেল আহমদ, আব্দুর রহিম (লিচু), মইনুর রেজা লাহিন, তুফায়েল আহমদ প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন সচেতন নগারিক সমাজ সিলেটের সভাপতি ফয়ছল আহমদ। উক্ত অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক এনামুল হক এনাম মেম্বার।  সভায় বক্তারা রুবেল আহমদের মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে বাংলাদেশ সরকারের হস্তক্ষেপের দাবী জানান।
               

 
 
 
 
 
 
 

সিলেট বিভাগের ৫ ও ৮ম শ্রেণী শিক্ষার্থীদের মধ্যে আগামী ২৪ অক্টোবর ২০১৪ শুক্রবার ইংরেজী ও গণিত বিষয়ে শামসুর রহমান স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা জিন্দবাজারস্থ সিলেট সরকারী অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ সালের মধ্যে ৫ম শ্রেণী (১০০ টাকা)  ও ৮ম শ্রেণীর (১৫০ টাকা) নির্ধারিত ফি ‘জিবলু রহমান, পূবালী ব্যাংক লিঃ, স্টেডিয়াম শাখা, সিলেট, সেইভিং একাউন্ট নং-৩৪৮৬১০১৬৪১১৭’ একাউন্টে জমা দিয়ে ব্যাংকের রশিদ সহ ডাকযোগে আবেদনপত্র শামসুর রহমান ফাউন্ডেশর ঠিকানায় প্রেরণ করা যাবে।
বৃত্তি পরীক্ষায় প্রত্যেক শ্রেণিতে প্রথম গ্রেডে ১০ জন, দ্বিতীয় গ্রেডে ১০ জন এবং তৃতীয় গ্রেডে ১০ জনকে পুরস্কার ও প্রশংসাপত্র প্রদান করা হবে, যে সকল বিদ্যালয় থেকে কমপক্ষে ৫জন ছাত্র/ছাত্রী অংশগ্রহণ করবে তাদের কোটা ভিত্তিক ১টি এবং যে সকল বিদ্যালয় থেকে ১০ জন বা তার অধিক ছাত্র/ছাত্রী অংশ গ্রহণ করবে তাদের কোটা ভিত্তিক ২টি (বিশেষ গ্রেড) বৃত্তি প্রদান করা হবে। শুধু ৮ম শ্রেণীর ক্ষেত্রে প্রথম গ্রেডে ৭ জন, দ্বিতীয় গ্রেডে ৭ জন এবং তৃতীয় গ্রেডে ৭ জনকে পুরস্কার ও প্রশংসাপত্র প্রদান করা হবে।
যদি কোন বিদ্যালয়ে আবেদনপত্র না পৌছে থাকে তবে সাদা কাগজে নাম, পিতা-মাতার নাম, বিদ্যালয়ের নাম, জন্ম তারিখ, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা, টেলিফোন-মোবাইল নম্বর, ইমেল নম্বর (যদি থাকে) সাদা কাগজে লিখে নির্ধারিত ফি দিয়ে শামসুর রহমান ফাউন্ডেশন, মেঘনা-বি/১৮, দাড়িয়া পাড়া, (ফোন-৭২৮০৯৭) সিলেট আবেদনপত্র জমা দেয়া যাবে। শুধুমাত্র জন্ম সনদপত্রও আবেদনপত্রের নিয়মের ভেতরে পড়বে। বিজ্ঞপ্তি।
               

 
 
 
 
 
 
 

বিশিষ্ট আইনজীবী এ্যডভোকেট আব্দুল আহাদ স্বর্ণালী সাহিত্য পর্ষদ, সিলেট-এর আইন উপদেষ্টা মনোনীত হওয়ায় পরিষদের উদ্যোগে এক সংবর্ধনা আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর বৃহষ্পতিবার বিকেল ৩টায় নগরীর সুরমা মর্কেটস্থ বৃহত্তর সিলেট গণদাবী পরিষদ কার্যালয়ে অনুষ্টিত হবে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বৃহত্তর সিলেট গণদাবী পরিষদের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মহম্মদ আশরাফ আলী।
উক্ত অনুষ্টনে সংশ্লিষ্ট সকলকে যথা সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য স্বর্ণালী সাহিত্য পর্ষদ, সিলেট-এর সভাপতি কবি নূরুদ্দীন রাসেল অনুরোধ জানিয়েছেন। - সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
               

 
 
 
 
 
 
 

এ.জে লাভলু, বড়লেখা প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়নের স্বরসতীবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জ্যেতিরময় পালের অমানুষিক নির্যাতনে রুহীনা আক্তার (১০) নামে এক চর্তুথ শ্রেনীর ছাত্রী ১৬ দিন ধরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ওই স্কুল ছাত্রীর পরিবারকে নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই স্কুল ছাত্রীর পিতা নুরউদ্দিন স্কুল কর্তৃপক্ষের  সহযোগিতা না পেয়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর বাধ্য হয়ে মৌলভীবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়নের মধ্য বটুলী গ্রামের নুরউদ্দিনের মেয়ে স্বরসতীবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্রী রুহিনা আক্তার প্রতিদিনের মতো সে তার স্কুলে গেলে গত ৩১ আগষ্ট প্রায় সাড়ে ১২ টায় সময় স্কুলের সহকারী শিক্ষক জ্যেতিরময় পাল স্কুলের শ্রেনী কক্ষ ঝাঁড়– দেয়ার কথা বললে ওই কিশোরী ছাত্রী অসুস্থবোধ হলে সে ঝাঁড়– দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে শিক্ষক জ্যেতিরময় ওই ছাত্রীকে রুলার দিয়ে বেধড়ক মারপিট করলে সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ছাত্রীর পিতা নুর উদ্দিন অজ্ঞান অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় লোকজন সহ সবাইকে বিষয়টি অবগত করে কুলাউড়া হাসপাতালে ভর্তি করান। পরবর্তীতে ওই স্কুলের শিক্ষক ও কমিটির সদস্য আব্দুস ছালাম ও তোষার পাল বিষয়টি স্থানীয়ভাবে দেখে দিবেন বলে আশ্বাস দিয়ে ওই ছাত্রীর মেডিকেল সক্রান্ত কাগজের মূলকপি তারা  নিয়ে যায়। ঘটনার কয়েকদিন অতিবাহিত হলেও ছাত্রীর পিতা বিবাদীগনের নিকট গেলে বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে বলে এ ব্যাপারে আইনের আশ্রয় বা কোথায় বিচার প্রাথী হলে মেয়েকে বিদ্যালয় হতে বাহিরসহ নানাভাবে হুমকি প্রদান করে। পরে ছাত্রীর পিতা নুরউদ্দিন মেয়ের অবস্থার অবনতি দেখে মৌলভীবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ৩নং আমল আদালতে মামলা দায়ের করেন। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষক জুতিরময় পাল ছাত্রীকে মারধরের ঘটনা অস্বীকার করে বলেন দীর্ঘ ৩৫ বছরে শিক্ষকতায় আমি কখনো মারধর করিনি, আমার বিরুদ্ধে একটি মহল ষড়যন্ত্র করেছে।

 
 
 
জনমত জরিপ

তিস্তা অভিমুখে লংমার্চ করে বিএনপি কি রাজনৈতিক ভাবে লাভমান হয়েছে?

 
হ্যাঁ না
 
 

ফলাফল দেখুন

 
 

সিলেট, ১৮ সেপ্টেম্বর:
সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের নয়া কমিটি ঘোষণা নিয়ে সিলেট ছাত্রদলের বিরোধ আরো প্রকট আকার ধারণ করলো। নয়া কমিটির  পক্ষে-বিপক্ষে বৃহস্পতিবার রাতে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ হয়েছে। রাতে কমিটি ঘোষণার পর পরই কমিটিতে পদ বঞ্চিত নেতারা নগরীর চৌহাট্টাস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে জড়ো হয়ে মিছিল বের করেন। মিছিলটি জিন্দাবাজার হয়ে কোর্ট পয়েন্টে এসে শেষ হয়। এ সময় বেশ কয়েকটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
ককটেল  বিস্ফোরণের পর জিন্দাবাজার এবং বন্দর বাজার এলাকায় মানুষের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। ভয়ে অনেকেই দোকান পাট বন্ধ করে দিক-বিদিক ছোটাছুটি শুরু করেন। পথচারীদের মধ্যে দেখা দেয় আতংক। এ সময় কোর্ট পয়েন্টে পুলিশ উপস্থিত হয়ে বিশৃংখলা সৃষ্টি না করতে ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানালে তারা ওই এলাকা ত্যাগ করে।
এদিকে,সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় নগরীতে একটি আনন্দ মিছিলও বের করা হয়। মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের আয়োজন করা হয়। মহানগর ছাত্রদলের সাবেক ভারপাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক সাহেদ আহমদ চমনের সভাপতিত্বে এবং সিলেটে মহানগর ৮নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো: আফছর খান ও মহানগর ছাত্রদল নেতা বিধান স¤্রাট এর যৌথ পরিচালনায় এতে বেশ কিছু ছাত্রদল নেতা-কর্মী অংশ নেন।
ছাত্রদলের একটি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাতেই কেন্দ্র থেকে সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের নয়া কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল কাদের ভুইয়া জুয়েল ও সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিব কমিটির অনুমোদন দেন। জেলা কমিটিতে সভাপতি পদে সাঈদ আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক পদে রাহাত চৌধুরী মুন্না এবং মহানগর কমিটিতে সভাপতি পদে নূরুল আলম সিদ্দিকী খালেদ ও সাধারণ সম্পাদক পদে আবু সালেহ মোহাম্মদ লোকমানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সংগঠনের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক নাজমুল হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি গঠনের বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমকে জানানো হয়।
সভাপতি-সেক্রেটারী ছাড়া সিলেট জেলা ছাত্রদলের ঘোষিত কমিটিতে  ঠাঁই পাওয়া অন্য দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি আহমেদ চৌধুরী ফয়েজ, সহ-সভাপতি চৌধুরী মোহাম্মদ সুহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক এখলাছ মুন্না, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আহমেদ, মিজানুর রহমান নেসার, সহ-সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন পান্না। সভাপতি-সেক্রেটারী বাদে মহানগর কমিটিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্য নেতারা হলেন-সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহফুজ করিম জেহিন, সহ সভাপতি ফখরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুর রকিব চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুমেল শাহ, আজিজ হোসেন ও সহ-সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক স্বপন। নবনির্বাচিত কমিটিকে আগামী এক মাসের মধ্যে ৮১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা এবং সম্মেলনের মাধ্যমে অধীনস্থ সকল সাংগঠনিক কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্নেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে কেন্দ্র থেকে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ছাত্রদলের একাধিক সূত্র জানায়, ‘রাজপথের আন্দোলনে যাদের সম্পৃক্ততা ছিল না-তাদেরকে কমিটিতে স্থান দেয়া হয়েছে। নিয়মিত ছাত্রদের বাদ দিয়ে অছাত্রদের দিয়ে ঘোষণা করা হয়েছে কমিটি।’ এ কারণে ছাত্রদলের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যে কমিটি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে বলে ওই সূত্র জানায়।               

 
 
 
 

এ.জে লাভলু, বড়লেখা প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পুর্ব শত্র“তার জের ধরে অভিনব কায়দায় জুনু বেগম নামে এক মহিলাকে উলঙ্গ করে পিটিয়ে গোপনাঙ্গে মরিচ বাটা লাগিয়ে প্রতিশোধ নিল প্রতিপক্ষের দানিছ মিয়া ও তার স্ত্রী জবানুর বেগম। গুর“তর আহত জুনু বেগম পাঁচ দিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসা নি”েছন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জুনু বেগম জানান, উপজেলার হাটবন্দের সিরাজ উদ্দিনের মেয়ে জুনু বেগমের সাথে প্রতিবেশি দানিছ মিয়ার বিরোধ চলছিল। গত শনিবার সকালে জুনু বেগমকে একা পেয়ে প্রতিপক্ষের দানিছ মিয়া ও জবানুর বেগম তাকে উলঙ্গ করে বেধড়ক পিটিয়ে গোপনাঙ্গে মরিচ বাটা লাগিয়ে দেয়। চিৎকার শুনে লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।
               

 
 
 

সিলেট, ১৮ সেপ্টেম্বর:
অনলাইন পত্রিকার নীতিমালা পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে ঢাকা: অনলাইন পত্রিকার জন্য প্রণীত খসড়া নীতিমালা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।
তিনি বলেছেন, ‘অনলাইন পত্রিকার নীতিমালা প্রণয়নে গঠিত উপ-কমিটি ইতোমধ্যে প্রস্তাবিত নীতিমালার একটি খসড়া করে মূল কমিটির কাছে উপস্থাপন করেছে। মূল কমিটি ওই খসড়া নীতিমালাটি পরীক্ষা নিরীক্ষা করছে। তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনলাইন গণমাধ্যম সহায়ক নীতিমালা প্রণয়নের জন্য প্রধান তথ্য কর্মকর্তাকে আহ্বায়ক করে খসড়া নীতিমালা প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়েছে। মূল কমিটিকে সহায়তা করার জন্য বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির পরিচালক মোস্তফা জব্বারকে আহ্বায়ক করে একটি উপকমিটি গঠন করা হয়েছে।’

বৃহস্পতিবার দশম জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিকের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সংসদকে এ তথ্য দেন।

সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মুস্তফা লুৎফুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানের দেশের ২৪টি পত্রিকা অষ্টম ওয়েজ বোর্ড রোঁয়েদাদ বাস্তবায়ন করেছে। এখন পর্যন্ত ২৪টি পত্রিকায় অষ্টম ওয়েজবোর্ড রোঁয়েদাদ অনুযায়ী বিজ্ঞপন বিল পরিশোধ করা হচ্ছে।’

মন্ত্রীর দেয়া তথ্য অনুযায়ী অষ্টম ওয়েজবোর্ড রোঁয়েদাদ অনুযায়ী যেসব পত্রিকায় বিজ্ঞাপন বিল পরিশোধ করা হয়- (১) দৈনিক প্রথম আলো (২) দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩) দৈনিক কালের কণ্ঠ (৪) দৈনিক ইত্তেফাক (৫) দৈনিক আমাদের সময় (৭) দৈনিক যুগান্তর (৮) দৈনিক জনকণ্ঠ (৯) দৈনিক ভোরের পাতা (১০) দৈনিক বর্তমান (১১) দৈনিক ইনকিলাব (১২) দৈনিক মানবজমিন (১৩) দৈনিক বণিক বার্তা (১৪) দৈনিক আমার সংবাদ এবং (১৫) দৈনিক খবর।

ইংরেজি দৈনিকগুলোর মধ্যে রয়েছে- The Daily Star, the news Today, The Bangladesh Today, The Financial Express, The Independent, Dhaka Tribune, The Daily Observer, daily Sun, Daily New Nation.

মন্ত্রী বলেন, ‘অষ্টম মজুরি রোঁয়েদাদ-২০১৩ বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে সরকার সাংবাদিক, সাংবাদিক-শ্রমিক কর্মচারি ও সংবাদপত্রের মালিক প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে আট সদস্যের একটি মিনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। যার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।’

কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ইলিয়াছের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালায় জনগণের মত প্রকাশের ক্ষেত্রে অন্তরায় সৃষ্টি করতে পারে এমন বিষয় সন্নিবেশিত হয়নি।তবে সামাজিক নৈতিকতা, জাতীয় নিরাপত্তা ও নাগরিকদের অধিকার সমুন্নত রাখার বিষয়ে অধিকতর দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জন্য সম্প্রচারের মাধ্যমসূমহের প্রতি প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা এই নীতিমালায় আছে।’

এসময় মন্ত্রী সম্প্রতি মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত ও বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত বিশেষ বিশেষ দিক সংসদে তুলে ধরেন।
               

 
 
 

সিলেট, ১৮ সেপ্টেম্বর:
সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় সভাপতি আব্দুল কাদের ভূইয়া জুয়েল ও সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিব এ কমিটি অনুমোদন দেন। দুই কমিটির ৮টি পদে নেতাদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক নাজমুল হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সিলেট জেলা ছাত্রদলের ঘোষিত কমিটিতে সভাপতি পদে সাঈদ আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক পদে রাহাত চৌধুরী মুন্নার নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া জেলা কমিটিতে ঠাঁই পেয়েছেন সিনিয়র সহ সভাপতি আহমেদ চৌধুরী ফয়েজ, সহ সভাপতি চৌধুরী মোহাম্মদ সুহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক এখলাছ মুন্না, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আহমেদ, মিজানুর রহমান নেসার, সহ সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন পান্না।

মহানগর কমিটির সভাপতি পদে নূরুল আলম সিদ্দিকী খালেদ ও সাধারণ সম্পাদক পদে আবু সালেহ মোহাম্মদ লোকমান রয়েছেন। এছাড়া মহানগর কমিটিতে রয়েছেন- সিনিয়র সহ সভাপতি মাহফুজ করিম জেহিন, সহ সভাপতি ফখরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুর রকিব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুমেল শাহ, আজিজ হোসেন ও সহ সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক স্বপন।

নবনির্বাচিত কমিটিকে আগামী একমাসের মধ্যে ৮১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা এবং সম্মেলনের মাধ্যমে অধিনস্থ সকল সাংগঠনিক কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্নেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে কেন্দ্র থেকে।

 
 
 

সিলেট ১৮সেপ্টেম্বর:
জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর আমৃত্যু কারাদণ্ডের রায়ের প্রতিবাদে হরতাল চলাকালে শহরতলীর টুকেরবাজার বলাউরা এলাকায় সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে জামায়াত-পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার সময় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।তবে এ ঘটনায় কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। পুলিশ পরে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক ছাত্র সহ ৫ জনকে আটক করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হরতালের সমর্থনে সকালে স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা ঝটিকা মিছিল শেষে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে গাছ ফেলে পিকেটিং করছে, এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের ধাওয়া করলে সংঘর্ষ শুরু হয়।
এমময় বিজিবির একটি টইল দল সেখানে পৌঁছালে হরতাল সমর্থকরা তাদেরকে লক্ষ্য করেও ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ অর্ধশতাধিক রাউন্ড রাবার বুলেট ও ৫টি টিয়ারশেল ছোড়ে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার পর হরতাল সমর্থকরা পালিয়ে যায়।
পুলিশ পরে বিজিবি সদস্যদের নিয়ে বলাউরা গ্রামে তল্লাশি চালায় পুলিশ। এসময় সেখান থেকে স্কুল ছাত্রসহ ৫ জনকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন- বাচ্চু মিয়া (২৫), কবির (২২), শুয়াইব (২০), পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র আব্দুল্লাহ ও ৮ম শ্রেনীর ছাত্র পারভেজ।
জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, জামায়াত-শিবির আমাদের উপর হামলা চালায়। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অর্ধশতাধিক রাউন্ড রাবার বুলেট ও ৫টি টিয়ারশেল ছুড়ি।  এ ঘটনায় ৫ জনকে আটক করা হয়েছে।
অন্যদিকে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সিলেট নগরজুড়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ ও র‌্যাবসহ আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা। সকাল থেকেই নগরীর প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে টহল দিচ্ছেন তারা। এছাড়া নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতেও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মোতায়েন রয়েছে বিজিবিও।


 
 
 

সিলেট ১৮সেপ্টেম্বর: বিয়ানীবাজারের দেউলগ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই খুন হয়েছেন। এলাকাবাসী ঘাতককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
বুধবার সন্ধ্যায় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। রাতে নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী হাতপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
জানা যায়, কুড়ারবাজার ইউনিয়নের দেউলগ্রাম মুল্লাবাড়ির মৃত আব্দুর রাজ্জাকের বড় পুত্র হারুনুর রশীদ (২৮) বুধবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নিজ বাড়িতে একা একা গাছের চারা রোপন করেন। এ সময় ছোট ভাই মামুনুর রশীদকে চারা রোপনে সাহায্য করার কথা বললেও সে কর্ণপাত করেনি। এ নিয়ে ছোট ভাইকে হারুন একটু বকাঝকা করেন। কাজ শেষে সন্ধ্যায় হারুন বাড়ির পুকুরে গোসল করতে গেলে ছোট ভাই মামুন ছুরি দিয়ে হারুনকে উপর্যুপরি আঘাত করতে থাকেন। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ১৫টি জখম রয়েছে। হারুনের আর্তচিৎকারে বাড়ির লোকজন এসে হারুনের রক্তাক্ত অবস্থা দেখে সাথে সাথে তাকে বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। কিন্তু কর্তব্যরত ডাক্তার পরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ধারণা করা হচ্ছে বড় ভাইয়ের বকাঝকার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে ছোট ভাই নৃশংস এ হত্যাকান্ডটি ঘটিয়েছে। নিহত হারুনের দেড়বছর বয়সী একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।
এদিকে বড় ভাইকে হত্যা করে ঘাতক মামুন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও এলাকাবাসী ফুলমল্লিক খেয়াঘাট থেকে তাকে আটক করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মামুনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। এলাকাবাসী সূত্রমতে, ঘাতক মামুন ৩-৪ বছর পূর্বে লন্ডন থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরেন। এরপর তিনি তাবলীগ জমাতে যোগ দেন এবং মুখে দাঁড়ি রেখে দেশের বিভিন্ন স্থানে তাবলীগ করেন। কিছুদিন পূর্বে রহস্যজনক কারণে ঘাতক মামুন দাঁড়ি কেটে ফেলেন।
বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, এলাকাবাসী ঘাতক মামুনকে আটক করে থানায় দিয়েছেন। তিনি বলেন, কি কারণে হত্যাকা-টি হয়েছে তা এখনো পরিষ্কার নয়। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

 
 
 

সিলেট ১৮সেপ্টেম্বর:
জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তির দাবিতে ডাকা ৪৮ ঘন্টা হরতালের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার সিলেটে মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হচ্ছে।
সকাল ১০টা পর্যন্ত বিক্ষিপ্ত কয়েকটি ঘটনা ছাড়া তেমন কোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
হরতাল চলাকালে ভোর থেকেই জামায়াত-শিবিরকর্মীরা নগরীর খাসদবীর, আম্বরখানা, দর্শনদেউড়ি, সোবহানীঘাট, ঈদগাহ, পাঠানটুলা, মদিনামার্কেট, চন্ডিপুল এবং দক্ষিণসুরমা এলাকায় মিছিল বের করেছে।এসব এলাকায় বেশ কয়েকটি সিএনজি ভাংচুর করা হয়েছে বলে আমাদের ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন।
নগরীতে দুই একটি রিকশা ছাড়া অন্য কোনো প্রকার যানবাহন চলাচল করছেনা। সিলেট থেকে দুরপাল্লার কোনো যান ছেড়ে যায়নি। তবে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক রয়েছে।সব ধরনের দোকান-পাট বন্ধ রয়েছে।
সর্বশেষ পাওয়া খবরে জানা গেছে জামায়াত-শিবির কর্মীরা নগরীর অলিগলিতে অবস্থান করে পিকেটিং এবং ঝটিকা মিছিল চালিয়ে যাচ্ছে।
হরতালে যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা মোকাবেলায় নগরী ও জেলায় কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি বিজিবিও মোতায়েন আছে।

 
 
 

সৈয়দ শাহ সেলিম আহমেদ-লন্ডন থেকে:
মর্টন ডিটেনশন সেন্টারে বাংলাদেশী রুবেল হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটন ও সুষ্ঠু পাবলিক তদন্তের দাবীতে আজ লন্ডনে গ্রেটার সিলেট ডেভেলপম্যান্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল-জিএসসি তাদের পূর্ব লন্ডনের কার্যালয়ে এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে।

সভায় একই সাথে দিল্লীতে ভিসা প্রসেসিং সেন্টার স্থানান্তরেরও প্রতিবাদ জানানো হয়।

 
সংগঠনের চেয়ারপার্সন নূরুল ইসলাম মাহবুব এর সভাপতিত্বে ও জয়েন্ট সেক্রেটারি ড. মুজিবুর রহমানের পরিচালনায় সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সেক্রেটারি জেনারেল সৈয়দ আব্দুল কাইয়ুম কয়সর। সভায় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের প্রেস এন্ড পাবলিসিটি সেক্রেটারি তৌফিক আলী মিনার। প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য সফররত বিশ্বনাথ উপজেলা চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গ্রেটার সিলেট কাউন্সিলের পেট্রন কেএম আবু তাহের চৌধুরী, জিএসসির উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি মিয়া মনিরুল আলম, বাংলাদেশ ক্যাটারার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এম এ মুনিম, জিএসসির প্রতিষ্ঠাতা ট্রেজারার মাহিদুর রহমান, সংগঠনের ভাইস চেয়ার এম এ মান্নান, সাবেক মেয়র আব্দুল আজিজ সরদার, মতিন উজ্জামান, জিএসসি সাউথ ইষ্ট রিজিওনের চেয়ারম্যান মো: ইসবাহ উদ্দিন,  সংবাদ পাঠিকা ড. জাকি রেজোয়ানা আনোয়ার, বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাষ্টের সভাপতি একেএম সেলিম । বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন নিহত রুবেলের আত্মীয় হিরন মিয়া।

সভায় বক্তারা বলেন, ব্রিটেনের মতো একটি ওয়েলফেয়ার আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এভাবে একজন ইমিগ্রেন্টের করুন মৃত্যু মেনে নেয়া যায় না। বক্তারা এই  ঘটনার  সুষ্ঠু তদন্ত দাবী করেন এবং ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটিশ ভিসা প্রসেসিং অফিস দিল্লীতে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত বাতিল করার পাশাপাশি অবিলম্বে সিলেটে অবস্থিত অফিসে পূণার্ঙ্গ ভিসা প্রসেসিং কার্যক্রম শুরু করার দাবী জানান।

সভায়  প্রবাসী সকল সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জোড়ালো প্রতিবাদের জন্য আহবান জানানো হয়।

সভায় বেশ কিছু প্রস্তাবাবলি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত  হয়। প্রস্তাবসমূহ হলো-

০১. আজকের এই সভা লিংকনশায়ার মর্টন  ডিটেনশন সেন্টারে বাংলাদেশের তরুন রুবেল আহমদ এর অস্বাভাবিক মৃত্যু এবং চিকিৎসা জনিত অবহেলার কারনে দুঃখজনক মৃত্যুর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছে।

০২. এই সভা সকল কমিউনিটি সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুবেল আহমদের মৃত্যুর সুবিচারের জন্য জোড়ালো আন্দোলন গড়ে তুলার আহবান জানাচ্ছে।

০৩. এই সভা ব্রিটিশ ভিসা কার্যক্রম ঢাকায় চালু রাখার পাশাপাশি সিলেটে পূর্ণাঙ্গ ভিসা প্রসেসিং সেন্টার চালুর জোর দাবী জানাচ্ছে।

প্রতিবাদ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জ এসোসিয়েশনের সভাপতি এম এ আজিজ, কমিউনিটি নেতা রফিক আহমদ রফিক, জিএসসি সাউথ ইষ্ট ভাইস চেয়ার গোলাম আজম তালুকদার, জয়েন্ট সেক্রেটারি আব্দুল মালিক কুটি, কমিউনিটি নেতা ফারুক মিয়া, নূর বকস, আব্দুল মুমিন চৌধুরী বুলবুল, মুক্তিযোদ্ধা আমান উদ্দিন, দৌলতপুর এডুকেশন ট্রাষ্টের সাংগঠনিক সম্পাদক কদর উদ্দিন, বেতার বাংলার প্রেজেন্টার সোনিয়া তাসলিম, সলিসিটার এহসানুল হক সুমন, কমিউনিটি নেতা খলিল আহমদ কবির, জিল্লুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক সুরমার সম্পাদক আহমেদ ময়েজ, বার্তা সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম, লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ এর বার্তা সম্পাদক জাকির হোসেন কয়েছ। সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন খাজাঞ্চী ইউনিয়ন ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্টের সভাপতি আব্দুল বাছিত রফি।
উল্লেখ্য রুবেল আহমদের এভাবে আকস্মিক এবং অস্বাভাবিক মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্তের দাবীতে ব্রিটেন জুড়ে শুরু হয়েছে তোলপাড়। একে একে সকল সামাজিক, রাজনৈতিক এবং বিভিন্ন  বিভাগীয় সংগঠনসমূহ একত্রিত হয়ে আন্দোলনে নামছে। অনেকের সাথে আলাপের করে জানা গেছে তারা ধীরে ধীরে এই আন্দোলনকে সারা ব্রিটেন ও অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে দিয়ে স্বাক্ষর অভিযান, মানব বন্ধন, স্মারকলিপি পেশ ইত্যাদি সহ বিভিন্ন লবিষ্ট গ্রুপের সাথে সাক্ষাত করে এ ব্যাপারের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশের আন্দোলন জোরদার করবেন। ব্রিটেনের মতো জায়গায় এধরনের পাবলিক ইনকোয়ারির ক্ষেত্রে অনেক সময় প্রয়োজন পড়ে ১০ হাজার থেকে লক্ষাধিক স্বাক্ষর সম্বলিত পিটিশন, যা যেকোন পরিস্থিতির গতিপথকে পাল্টে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। কেননা এধরনের আন্দোলনের ফলে পার্লামেন্ট সহ সরকারি অন্যান্য সংস্থা এবং তৃতীয় মনিটরিং সহ ওয়াচ ডগ নড়ে চড়ে বসে, যাতে কাঙ্ক্ষিত সফলতা পাওয়ার বহু নজির রয়েছে। তাদের মতে এখন দরকার শুধু আমাদের নিজেদের ঐক্যবদ্ধ নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন জোরদার করা।               

 
 
 

সিলেট ১৭ সেপ্টেম্বর:
নগরীর মদিনা মাকের্ট এলাকায় জামায়াত-পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।পুলিশ এ সময় ফাঁকা গুলি ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে।সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে হরতালের সমর্থনে জামায়াত মিছিল বের করলে পুলিশের সাথে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এসময় পুলিশ ১৫/২০ রাউন্ড ফাকা গুলি ও চার পাচ রাউন্ড টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে। এতে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।পুলিশ জামায়াত শিবির নেতা কর্মিদের ধরতে পাঠানটুলা এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে শিবির সন্দেহে ২ পথচারীকে আটক করে নিয়ে যায়।

 
 
 

ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর : সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মুক্তিযুদ্ধের উপপ্রধান সেনাপতি এবং সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) এ কে খন্দকার, বীরউত্তম। পাশাপাশি তিনি সংগঠনটির প্রাথমিক সদস্যপদ থেকেও নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
বুধবার সন্ধ্যার পর মহাসচিব বরাবর লেখা পদত্যাগপত্র ফোরামের ধানমন্ডি কার্যালয়ে পৌঁছানো হয়। ফোরামের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হারুন হাবীব এটি গ্রহণ করেন।

এতে বলা হয়, আমি অদ্য ১৭/০৯/২০১৪ খ্রিঃ তারিখ থেকেই সজ্ঞানে এবং সুস্থ মস্তিষ্কে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের “চেয়ারম্যান” এর পদ থেকে পদত্যাগ করছি এবং অদ্য ১৭/০৯/২০১৪খ্রিঃ তারিখ থেকে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের সদস্য পদ থেকে আমার নাম প্রত্যাহার করছি।

বয়সের কারণে বর্তমানে এ পদে থেকে ফোরামের সার্বিক দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হয়ে উঠছে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সমপ্রতি প্রথমা প্রকাশনী থেকে এ কে খন্দকারের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসভিত্তিক বই ‘১৯৭১: ভেতরে বাইরে’ প্রকাশিত হয়। বইটিতে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ ও স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে কিছু মন্তব্যের কারণে বইটি নিয়ে  অব্যাহত বিতর্ক হচ্ছে। বইটি নিষিদ্ধ করার দাবি উঠেছে সংসদে। বিবৃতি দেয়া হয় সেক্টর কমান্ডার্র ফোরামের পক্ষ থেকে।

উল্লেখ্য, ‘১৯৭১ : ভেতরে বাইরে’ বইয়ের ৩২ পৃষ্ঠায় এ কে খন্দকার লিখেছেন, ঐতিহাসিক ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণের শেষ শব্দ ছিল ‘জয় পাকিস্তান’। এছাড়া এ কে খন্দকার তার বন্ধু মঈদুল হাসানের বরাত দিয়ে বলেছেন, তাজউদ্দীন আহমদ ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে স্বাধীনতার একটি ঘোষণাপত্র লিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তা পাঠ করতে বললেও তিনি রাজি হননি। উল্টো তিনি বলেন, ‘এটা আমার বিরুদ্ধে একটা দলিল হয়ে থাকবে। এর জন্য পাকিস্তানিরা আমাকে দেশদ্রোহের বিচার করতে পারবে।’

এ কথা শুনে তাজউদ্দীন আহমদ ক্ষিপ্ত হয়ে বঙ্গবন্ধুর বাসা থেকে বেরিয়ে যান। এছাড়া ‘মুজিব বাহিনী ভারতীয়দের কাছ থেকে সম্মানী পেতো’, ‘মুজিব বাহিনী অস্থায়ী সরকার ও মুক্তিবাহিনীকে অবজ্ঞা করত’ মুক্তিযুদ্ধকালীন এমন আরো কিছু তথ্য তিনি তার বইয়ে উল্লেখ করেছেন।

মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে বঙ্গবন্ধুসহ তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্বের যথেষ্ট প্রস্তুতি ছিল না বলেও মন্তব্য রয়েছে বইটিতে।           

 
 
 

সিলেট ১৭ সেপ্টেম্বর:
সিলেট মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেছেন, ক্ষমতাসীন অবৈধ আওয়ামীলীগ সরকার দেশ থেকে ইসলাম ও ইসলামী নেতৃত্বকে নির্মুল করতেই সর্বোচ্চ আদালত দিয়ে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন মুফাসসিরে কুরআন আল্লামা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীকে আমৃত্যু কারাদণ্ড প্রদান করেছে। ইসলামী আন্দোলনের অন্যতম সাহসী সিপাহশালার জামায়াতের নায়েবে আমীর দেলোয়ার সাঈদীর উপর বিচারের নামে ইতিহাসের নিকৃষ্টতম অবিচার করা হয়েছে। এই অন্যায় ও অবিচারের রায় ধর্মপ্রাণ মুসলমান প্রত্যাখ্যান করেছে। সম্পূর্ণ  প্রহসনের বিচারে নিজ দলীয় স্বাক্ষীর উপর ভিত্তি করে এই রায় প্রদান করা হয়েছে। যেখানে সরকার পক্ষ একটি অপরাধের ঘটনা প্রমাণ করতে পারেনি। উল্টো সাঈদীর পক্ষের সাক্ষীকে প্রকাশ্য দিবালোকে ট্রাইব্যুনালের সামনে থেকে গুম করে ভারতে পাচার করা হয়েছে। দেলু শিকদার নামের এক ঘৃণ্য রাজাকারের অপকর্মের দায় আল্লামা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর উপর চাপিয়ে যে রায় প্রদান করা হয়েছে জাতি তা কোন ভাবেই মেনে নিতে পারে না। অবিলম্বে প্রহসনের সেই সব রায় বাতিল করে কুরআনের খাদেম আল্লামা সাঈদীকে জনতার মাঝে ফিরিয়ে দিতে হবে।
গতকাল বুধবার সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক আপীলের রায়ে আল্লামা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীকে অন্যায়ভাবে আমৃত্যু কারাদন্ডের প্রতিবাদে নগরীর বিভিন্ন স্থানে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল বের করে সিলেট মহানগর জামায়াত। মিছিল  পরবর্তী সমাবেশে নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথা বলেন। এই অন্যায় রায়ের প্রতিবাদে জামায়াত কেন্দ্র ঘোষিত হরতাল, দোয়া দিবস, বিক্ষোভ সমাবেশ সর্বাত্মকভাবে সফলের জন্য সিলেটবাসীর প্রতি আহবান জানান তারা।
নগরীর বন্দরবাজার, আম্বরখানা ও দক্ষিণ সুরমা সহ পৃথক স্থানে অনুষ্ঠিত তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন মহানগর জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী মাওলানা সোহেল আহমদ, সহকারী সেক্রেটারী মু. শাহজাহান আলী, জামায়াত নেতা জাহেদুর রহমান চৌধুরী, এডভোকেট আব্দুর রব, মুফতি আলী হায়দার, মাওলানা আব্দুল মুকিত, মাওলানা মুজিবুর রহমান, আব্দুল্লাহ আল মুনিম, শামীম আহমদ, ক্বারী আলাউদ্দিন, মু. আজিজুল ইসলাম, হাফিজ মশাহিদ আহমদ, আনোয়ার আলী, চৌধুরী আব্দুল বাছিত নাহির, ইঞ্জিনিয়ার শাহজাহান কবির রিপন ও মহানগর ইসলামী ছাত্রশিবির সভাপতি মু. আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।
               

 
 
 
 
 
কবিতা
শিল্প-সাহিত্
মিডিয়া
ইসলাম
Image Missing
 
 
বিনোদন
বিনোদন
বিচিত্রা
বিচিত্রা
মুক্তমঞ্চ
Image Missing
 
 
খেলাধুলা
খেলাধুলা
স্বাস্থ্য
স্বাস্থ্য
তথ্য-প্রযুক্তি
তথ্য-প্রযুক্তি
 
 
সংবাদদাতা
জীবন সদস্য
সম্পাদক
 
দেশ বিদেশ
 
 
 

সৈয়দ শাহ সেলিম আহমেদ- লন্ডন থেকে:
১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪ আন্তর্জাতিক মাইগ্রেশন সংস্থা তাদের ওয়েব সাইটে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে আর তাতে লেখা রয়েছে মেডিটারিয়ান সীতে মাইগ্রেশন দালাল চক্র ইচ্ছেকৃতভাবে ৫০০ ইমিগ্র্যান্ট লোকের সাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপের দেশে যাওয়ার প্রাক্কালে সাগরেই নৌকা ডুবিয়ে তাদের হত্যা করেছে।

আইওএম এর এই হিসেবে তাদের রিপোর্টে বলা হয়েছে এ পর্যন্ত ইমিগ্র্যান্টদের ৩,০০০ হাজারের মতো মৃত্যু বরণ করেছেন, যা ২০১৩ সালের তুলনায় এই ফিগার চারগুণ বেশী।

রিপোর্ট প্রকাশের পর আইওএম এর ডিরেক্টর জেনারেল উইলিয়াম লুসি বলেছেন ইমিগ্র্যান্টদের মৃতের সংখ্যা শকিং এবং সম্পূর্ণ অ-গ্রহণযোগ্য। তার মতে এতে নারী শিশু যুবক সকল স্তরের লোক রয়েছেন যারা কেবলমাত্র একটি উন্নত জীবনের আশায় উন্নত দেশে পাড়ি জমানোর আশায় ঝুঁকি নিয়েছিলেন, যা তাদের ভাগ্যের নিয়তির পরিহাসের কাছে হার মানতে হলো।

রিপোর্টে জানা যায়, একটি নৌকা করে মিশর হয়ে ব্যাপক হারে সিরিয়ান, ফিলিস্তিনী, সুদানী, মিশরীয় ও আফ্রিকান নাগরিকেরা ইউরোপ পাড়ি দেয়ার উদ্দেশ্যে দালালদের মাধ্যমে যাত্রা করেন। এই সব লোকজন  সাগরের উত্থাল তরঙ্গ রাশির কাছে ভয় পয়ে একটি বড় নৌকা থেকে ছোট নৌকায় স্থানান্তরিত হয়ে পাড়ি জমাতে দালালদের কাছে অস্বীকৃতি জানালে বাধানুবাধ বেধে যায়।এরই এক পর্যায়ে দালালেরা ৫০০ ইমিগ্র্যান্ট লোক ভর্তি নৌকা তখন সাগরে ডুবিয়ে দেয়। সাতার না জানা, অত্যধিক স্রোত, ঢেউ, আর মধ্য সাগরের উত্থাল পানির সাথে সকলেই মিলিয়ে নিঃশেষ হয়ে যান, মাত্র ৯ জনের মতো লোক ভাগ্যক্রমে বেচে যান। সৌভাগ্যক্রমে বেচে প্যালেস্টাইনী নাগরিকদের কাছ থেকে আইওএম বিস্তারিত তথ্য প্রথমে জানতে পারে। প্যালেস্টাইনের ঐ বেচে যাওয়া নাগরিকেরা জানান, মাঝ পথে বড় নৌকা থেকে ছোট নৌকায় পাড়ি দেয়াকে কেন্দ্র দালালদের সাথে ইমিগ্র্যান্টদের কথা কাঠাকাঠি থেকে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে দালালেরা ক্ষিপ্ত হয়ে ছোট নৌকার সাহায্যে বড় নৌকাকে ধাক্কাতে ধাক্কাতে নীচ একেবারে ফুটো করে ফেলে।তলানির ফুটো পানি উপচে পড়ে নৌকায় । এক সময় নৌকা সাগরে তলিয়ে যায় কিন্তু ঐ নিষ্ঠুর দালাল চক্রের মায়া মহব্বত বিন্দুমাত্র উদয় হয়নি। আইওএম ও কোস্ট গার্ডের সহায়তায় ডুবুরিরা ১১ মেইল নটিক্যাল পর্যন্ত অনুসন্ধান চালিয়ে কয়েকজনের লাশ উদ্ধার করেছে, এর মধ্যে ৩৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে, তিনজন মহিলাও রয়েছেন তাতে, একজন মহিলা গর্ভবতী বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

রিপোর্টে জানা যায়, ৫০০ ডুবিয়ে মারার পর আরেকটি বুটে সাগর পাড়ি দেয়ার সময় ৩৮৬ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে ।

পশ্চিমা বিশ্ব বিভিন্ন গণ-মাধ্যমে বেশ ঘটা করেই প্রচার করে সমুদ্রে এবং বর্ডার এলাকায় নৌসার্ভিল্যান্স সহ কোস্ট গার্ড বাড়ানো হয়েছে। অথচ এক শ্রেণীর দালালেরা অসহায় মানুষদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিদেশে স্বপ্নের জীবনের লোভে ফেলে দিয়ে অত্যন্ত নিষ্ঠুর ও অমানবিক ভাবে ভয়াল উথাল সমুদ্র পাড়ি কোন রকম নিরাপত্তার ব্যবস্থা না করেই ঝুঁকি পূর্ণভাবে সাগর পাড়ি দেয়ায়। এরা এতো নিষ্ঠুর ও পৈশাচিক যে, আগে ভাগে ইমিগ্র্যান্টদের কাছ থেকে সব হিসেব প্যাঁই প্যাঁই করে নিয়ে নেয়। একজন লোক নিজের সব কিছু দালালের কাছে দিয়ে তখন অসহায়ের মতো দালাল নামক ভয়ানক মানুষ রূপী হায়েনাদের হাতের পুতুল হিসেবে হুকুম তামিল করে চলেন। এই দালাল চক্র কখনো সাগর পাড়ি, কখনো মুরগী, কুকুর, জন্তু-জানোয়ারের লড়ির ভিতরে একই খাঁচায় করে আমার কখনো গ্যাস, পানীয়-জাত লড়ির ট্যাংকার ভিতরে করে পাড়ি দেয়ার মতো জঘন্য অমানবিক পন্থা বেছে নেয় যার কিছু কিছু পত্রিকার পাতায় শিরোনাম হয় তখনি, যখন ধরা পড়ে।এরকম অনেক মানুষরূপী দালাল চক্র ও তাদের দেশীয় এজেন্ট আমার আপনার আশে পাশে রয়েছে, সাধারণ সহজ সরল জনগণকে সজাগ করার আপনার আমার সকলের নৈতিক দায়িত্ব।               

 
 
 
 
 
 

ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর :
গণজাগরণ মঞ্চকে ষড়যন্ত্রকারীদের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছেন, আঁতাত শব্দটি আওয়ামী লীগের ডিকশনারিতে নেই। যারা আঁতাতের কথা বলে তারা ষড়যন্ত্রকারীদের একটি অংশ। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ আঁতাতের রাজনীতি করে না।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মহানগর আওয়ামী লীগের হরতালবিরোধী অবস্থান নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মায়া বলেন, আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সাঈদীর মৃত্যুদণ্ড থেকে কারাদণ্ডের রায় মেনে নিতে পারি না। দেশের মানুষ হতাশ হয়েছে। তবে যেহেতু এটি সর্বোচ্চ আদালতের রায়, তাই এ রায় আমরা মেনে নিচ্ছি।
তিনি বলেন, এই হরতাল জামায়াতের পিঠ বাঁচানোর হরতাল। একই সঙ্গে একে আনন্দের হরতাল বলেও অভিহিত করেন তিনি।
মায়া বলেন, ঢাকাসহ সারাদেশে কোথাও কোনো হরতাল হচ্ছে না। ভবিষ্যতে জামায়াত-শিবির আর মাথাচাড়া দিতে পারবে না। হরতালও করতে পারবে না।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট কামরুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজ, সহ-সভাপতি ফয়েজউদ্দিন মিয়া, মুকুল চৌধুরী প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, বুধবার আপিল বিভাগ জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে আমৃত্যু কারাদণ্ডের রায় দিলে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। এতে তিনি বলেন, এই রায় গ্রহণযোগ্য নয়। জামায়াতের সঙ্গে আঁতাত করেই এই রায় দেয়া হয়েছে।       

 
 
 
 
 
 

ঢাকা: দেশে ফিরেই আদালতে আত্মসমর্পণ করে সহিংসতার এক মামলায় জামিন পেয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আলমগীর কবির রাজ তাকে জামিন দেন।
এর আগে বেলা ১১টার দিকে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে সিঙ্গাপুর থেকে ঢাকা আসেন মির্জা ফখরুল। সেখান থেকে সোজা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন অবেদন করেন।
শুনানি শেষে বিচারক আলমগীর কবির তার জামিন মঞ্জুর করেন।
২০১২ সালের ডিসেম্বরে বিএনপি জোটের অবরোধে গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে রাজধানীর কদমতলী থানায় দায়ের করা এই মামলায় গত রবিবার মির্জা ফখরুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন মহানগর হাকিম ইউনুস খান।


আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর অসুস্থ মা ফাতেমা আমিনকে দেখতে ইউনাইটেড হাসপাতালে যান তিনি।

ফখরুলের আইনজীবী সানাউল্লা মিয়া বলেন, কদমতলী থানার ওই মামলার এজাহারে নাম না থাকলেও পারবর্তীতে অভিযোগপত্রে ফখরুলের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বিজ্ঞ বিচারক বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তার জামিন মঞ্জুর করেছেন।

               

 
 
 
 
 
 

ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর:
মানবতাবিরোধী অপরাধে গ্রেফতারকৃত জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের রায় যেকোনো দিন।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলাটি সিএভি (অপেক্ষমান) রাখেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য সদস্যরা হলেন- বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আনোয়ারুল হক।
আজ আজহারের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন তার আইনজীবী আব্দুস সোবহান তরফদার ও শিশির মো. মুনির। রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর গোলম আরিফ টিপু, প্রসিকিউটর জিয়াদ আল মালুম।
এটিএম আজহারের বিরুদ্ধে গণহত্যা, হত্যা, লুণ্ঠন, ধর্ষণ, নির্যাতন, আটক, অপহরণ, গুরুতর জখম ও অগ্নিসংযোগের ৬টি অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটিতেও (উর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়) অভিযুক্ত হয়েছেন তিনি।
গত বছরের ২৫ জুলাই এটিএম আজহারের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। ১৮ জুলাই আনুষ্ঠানিক অভিযোগটি দাখিল করেন প্রসিকিউটর একেএম সাইফুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর নুরজাহান বেগম মুক্তা। ৪টি ভলিউমে ৩শ’ পৃষ্ঠায় দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগে আজহারের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালে ৯ ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের ৬টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়।
এটিএম আজহারের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চ থেকে ২৭ মার্চের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ভাষানী (ন্যাপ) নেতা ও বিশিস্ট আইনজীবী এ ওয়াই মাহফুজ আলীসহ ১১ জনকে অপহরণের পর নির্যাতন করা হয়। এরপর তাদের ৩ এপ্রিল রংপুর শহরের দখিগঞ্জ শশ্মানে নিয়ে ব্রাশফায়ার করে গণহত্যার সঙ্গে এ আসামি জড়িত ছিলেন।
দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়, একাত্তরের ১৬ এপ্রিল রংপুরের বদরগঞ্জ থানার ধাপপাড়ায় ১৫ জন নিরীহ, নিরস্ত্র বাঙ্গালীকে গুলি করে গণহত্যার সঙ্গে এ আসামি জড়িত ছিলেন।
তৃতীয় অভিযোগে  হচ্ছে, এ আসামি একই বছরের ১৭ এপ্রিল রংপুরের বদরগঞ্জের ঝাড়ুয়ার বিল এলাকায় ১২শ’র বেশী নিরীহ লোককে ধরে নিয়ে গণহত্যা চালানোর সঙ্গে জড়িত।
চতুর্থ অভিযোগে বলা হয়, ১৭ এপ্রিল কারমাইকেল কলেজের চারজন অধ্যাপক ও একজন অধ্যাপক পত্মীকে ধরে দমদম ব্রীজের কাছে নিয়ে গুলি করে হত্যার সঙ্গে এ আসামি জড়িত।
পঞ্চম অভিযোগে বলা হয়, ২৫ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে রংপুর শহর ও বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মহিলাদের ধরে এনে টাউন হলে আটকে রেখে ধর্ষণসহ শারীরিক নির্যাতনের সঙ্গে এ আসামি জড়িত। একইসঙ্গে তাদের হত্যা ও গণহত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এ আসামি।
ষষ্ঠ অভিযোগে বলা হয়, একাত্তরের নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে রংপুর শহরের গুপ্তাপাড়ায় একজনকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।
একই বছরের ১ ডিসেম্বর রংপুর শহরের বেতপট্টি হতে এজনকে অপহরণ করে রংপুর কলেজের মুসলিম ছাত্রাবাসে নিয়ে আটক রেখে নির্যাতন করে গুরুতর জখম করার সঙ্গে এ আসামি জড়িত ছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধের সময় সংগঠিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর আদেশে ২০১২ সালের ২২ আগস্ট আজহারের ঢাকার মগবাজারের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

 
 
 
 
 
 

সৈয়দ শাহ সেলিম আহমেদ:
হাটি হাটি পা পা করে, অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে ব্রিটেনের বাংলা টিভি ১৫ বছরে পদার্পণ করলো। এ উপলক্ষে গতকাল বাংলা টিভির কার্যালয়ে এক বর্ণাঢ্য ও ঝাঁক ঝমক ভাবে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উৎসব পালন করা হয়। এতে ব্রিটেনের বিভিন্ন মাধ্যমের মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, কবি, লেখক ও শুভানুধ্যায়ীদের সমাবেশ ঘটেছিলো।

সন্ধ্যায় শুরু হওয়া ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলা টিভিতে নানা আলোচনা, স্মৃতিচারণ আর গান, নাটক প্রচারিত হয়। বাংলা টিভির এমডি সামাদুল হক ও মিসেস হককে লন্ডনের অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমের কর্ণধার ও এমডি ফুলের তোড়া দিয়ে অভিনন্দিত করেন। বিলেতের একমাত্র রেডিও বেতার বাংলার এমডি নাজিম চৌধুরী তার রেডিওর সকল কর্মী, স্রোতা ও ডিরেক্টরদের নিয়ে বাংলা টিভি কর্তৃপক্ষকে শুভেচ্ছা জানাতে যান।

অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ছাড়াও নানান রকমের খাবারের সমাহারও ছিলো। বাংলা টিভি কর্তৃপক্ষ সকলকে ডিনারে আপ্যায়িত করেন ।

উল্লেখ্য বাংলা টিভি বিলেতের প্রথম স্যাটেলাইট বাংলা চ্যানেল। শুরুতে এই চ্যানেল অনেক কাঠ খড় পোড়াতে হয়েছিলো। যখন অন এয়ারে এই চ্যানেল আসে, তখন সবে মাত্র স্কাই আর কেবলস নেট ওয়ার্ক ব্রিটেনে  বিজনেস শুরু করেছিলো। ঐ সময় ব্রিটেনে বাংলা ভাষায় একমাত্র সাপ্তাহিক পত্রিকাগুলোই  ছিলো প্রবাসীদের বাংলা খবর ও বিনোদনের একমাত্র অবলম্বন। এই অবস্থার অবসান ঘটাতে এয়ারে চলে আসে একমাত্র রেডিও বেতার বাংলা। তার পরেই প্রচলিত মিডিয়া মুঘলদের একচ্ছত্র ব্যবসার বিপরীতে অনেকটা ঝুঁকি নিয়ে বাংলা ভাষা ভাসীদের মনোরঞ্জনের জন্য নিজস্ব চ্যানেল বাংলা টিভির যাত্রা করে। তখন বাংলা টিভি  সাবস্ক্রিপশন সম্ভবতঃ ১০০ পাউন্ডের মতো ছিলো, তার উপর ছিলো মাসিক কিস্তি বা ফি।

ব্রিটেন ও ভারতীয় বিনোদন মাধ্যমের দাপটে তখন বাংলা টিভির পথ কণ্টকাকীর্ণ ছিলোনা। অনেক হুচট খেয়ে পড়তে হয়েছিলো পদে পদে। এর মধ্যে অনেকবার সম্প্রচার বন্ধ কিংবা বাতিলের পর্যায়ে চলে গিয়েছিলো। আবার মাঝে মধ্যে মালিকানা পরিবর্তন হয়ে নানা হাত বদলিয়ে বর্তমান এমডি সৈয়দ সামাদুল হক ও মিসেস হকের হাত ধরে সেই বিকলাঙ্গ শিশু এখন পরিপুষ্ট ও সুষ্ঠু এবং বাঙালিদের জন্য একটি পরিপূর্ণ বাংলা স্যাটেলাইট চ্যানেল হিসেবে সর্ব-মহলে সমাদৃত।

অবশ্য ব্রিটেনে এখন বাংলা টিভির পাশাপাশি চ্যানেল এস, চ্যানেল আই, এটিএন বাংলা, এনটিভি, ইক্করা বাংলা টিভির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সব কটা চ্যানেলই ব্রিটেন প্রবাসীদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়। আর সম্প্রচারে না থাকা কিংবা বন্ধের সময় ধরলে চ্যানেল এস হলো ব্রিটেনের প্রথম সার্বক্ষণিক প্রচারের দিক থেকে প্রথম হওয়ার গৌরবের অধিকারী।

অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া চ্যানেল আইয়ের সংবাদ পাঠিকা সাজিয়া স্নিগ্ধা বলেন, অনুষ্ঠানে অনেক অতিথি এসেছিলেন। বেশ মজা হয়েছে। তিনি বলেন, বিলেতের মতো ব্যস্ত শহরে বাঙালিদের অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন উৎসব উপলক্ষে এক হওয়ার একটা সুযোগ সত্যি উপভোগ্য। বাংলা টিভি সহ চ্যানেল আই এবং অন্যান্য চ্যানেল এক্ষেত্রে ব্রিটেনের মাটিতে প্রবাসীদের সাথে দেশের জনগণের মেলবন্ধনের জন্য সেতু হিসেবে কাজ করছে।               

 
 
 
 
 
 

লন্ডন প্রতিনিধি:
অবিলম্বে আল্লামা সাঈদীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবী করেছে যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সুশীল সংগঠন সেভ বাংলাদেশ। আল্লামা সাঈদীর যাবজ্জীবন কারাদন্ডের রায়কে প্রত্যাখান করে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ বলেন, আল্লাহর এই বান্দা সম্পূর্ণ নির্দোষ। একটি দিনও তাকে কারাগারে রাখা চরম জুলুম ছাড়া আর কিছুই নয়।অথচ মিথ্যা অভিযোগে তাকে দীর্ঘদিন কারাগারে বন্দী রাখা হয়েছে। অবশেষে সরকারের নির্দেশিত রায় পড়া হয়েছে তার বিরুদ্ধে। নেতৃবৃন্দ বলেন, জুলুম কখনো দীর্ঘস্থায়ী হয়না। আল্লাহ তা’লা জালিমদের কি পরিণত করেন তা সাদ্দাম আর গাদ্দাফীর পরিণতি দেখলেই বোঝা যাবে। ১৭ সেপ্টেম্বর বুধবার যুক্তরাজ্যস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে অনুষ্ঠিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা এই কথা বলেন। সেভ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভ সমাবেশে সিটিজেন মুভমেন্টের সভাপতি ও যুক্তরাজ্য বিএনপি’র সাবেক আহ্বায়ক এম এ মালেক, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন হেফাজতে ইসলাম ইউরোপ এর আহ্বায়ক মুফতি সদরুদ্দিন, সেভ বাংলাদেশের কনভেনর ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ইউরোপ মুখপাত্র ব্যারিস্টার আবু বকর মোল্লা, কমিউনিটি নেতা মাওলানা আব্দুল মুনিম চৌধুরী প্রমুখ।
বক্তারা আরো বলেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ সরকার রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলায় ব্যর্থ হয়ে দেশের বিরোধী দলীয় নেতৃবৃন্দকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করেছে।  কিন্তু দেশের জনগন তাদের এই দূরভিসন্ধি বাস্তবায়িত হতে দেবেনা। বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে দেশ থেকে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন নির্বাসনে পাঠিয়েছে। সরকারের নিকট দেশের সংবিধান ও জনগণের মতামতের কোন মূল্য নেই। তারা ক্ষমতার দাপটে ধরাকে সরাজ্ঞান করে গায়ে পড়ে বিরোধীদলগুলোর সাথে সংঘাত ও সংঘর্ষ বাঁধিয়ে দেশে অশান্তি সৃষ্টি করতে চায়।
বক্তার আরো বলেন, আল্লামা সাঈদীর কোন অপরাধ ছিল না এছাড়া যে, তিনি দুনিয়ার মানুষের কাছে বুলন্দ আওয়াজে কুরআনের কথাকে তুলে ধরেছেন। এই সেই ব্যাক্তি যার হাতে অসংখ্য মানুষ ইসলামের সুশীতল ছায়ায় আশ্রয় নিয়েছে। তিনি হচ্ছেন সেই ব্যক্তি যার তাফসীর শুনে পথ হারা মানুষেরা পথের দিশা পেছে। অসংখ্য খারাপ মানুষ ভালো হয়েছে। এসবই সাঈদীর অপরাধ। আর এজন্যই তাকে কারাগারে ষড়যন্তমূলকভাবে আটকে রাখা হচ্ছে। উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর ঘটনার মতোই কথিত দেলু রাজাকারের সব অপকর্ম তার ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। আল্লামা সাইদীর বিরুদ্ধে একটি অপরাধও প্রমাণ করতে পারেনি সরকার। নেতৃবৃন্দ প্রশ্ন করেন, তাহলে কি কারণে তাকে যাবজ্জীন কারাদন্ড দেয়া হলো?
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, বাংলাদেশে আওয়ামীলীগ সরকারের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের নামে প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনাল আসলে ভিন্নমত দলনের একটি হাতিয়ার ছাড়া আর কিছুই নয়। জামায়াত নেতাদেরকে পরিকল্পিতভাবে খুন করাই তাদের উদ্দেশ্য। সরকার গোটা দেশকে একটি কারাগারে পরিণত করেছে। সাধারণ মানুষের কোন নিরাপত্তা নেই। সরকারীদলের লাগামহীন দূর্নীতির কারণে জনগনের জীবনযাত্রা দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে। একতদিকে বাজারে আগুন অপরদিকে বিদ্যুৎ, পানি আর গ্যাসের সংকটে তাদের নাভিশ্বাস অবস্থা। এমনকি জনগনের আজ প্রাণখুলে কথা বলারও কোন সুযোগ নেই। নেতৃবৃন্দ বলেন, এই সরকার একদিকে গণতন্ত্রের বুলি কপচায় অপরদিকে বিরোধীদলের নেতৃবৃন্দকে বিনা অপরাধে গ্রেফতার করে তাদের জামিন পর্যন্ত দিতে অস্বীকার করছে বশংবদ বিচারকদের ব্যবহার করে। জনসভায় বক্তারা বলেন, সরকার দেশ থেক ইসলাম ও ইসলামী মূল্যবোধ দূর করতে সকল ধরণের অপপ্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।  তারা বলেন, সরকার মিথ্য মামলায় ইসলামী ব্যক্তিত্বদের বিচার করছে। তারা যুদ্ধাপরাধের বিচারকে পক্ষপাতিত্বমূলক এবং আওয়ামীলীগের দলীয় জিঘাংসা আখ্যা দিয়ে  বলেন, রাজনৈতিক বিরোধীদের দমনের জন্যই সরকার দেশের বৃহত্তম ইসলামী সংগঠন জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দকে যুদ্ধাপরাধী সাজিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করতে চায়।
বক্তারা ট্রাইব্যুনালকে কথিত আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি বাতিল করতে হবে। ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যেই বিতর্কিত হয়েছে এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা ট্রাইব্যুনালকে বাতিল করার আহ্বান জানিয়েছেন। কেননা এই ট্রাইব্যূনালের আর কোন বৈধতা নেই ।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ছলে বলে কৌশলে দেশের ক্ষমতায় থেকে যাওয়ার জন্য আওয়ামীলীগ দেশে অত্যাচার নির্যাতন আর নিবর্তনের পথ অবলম্বন করেছে। দেশের আইন, শাসন আর বিচার বিভাগ আজ প্রশ্নের সম্মুখীন। বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের সম্মান ধূলায় লুণ্ঠিত। দেশের মানুষ আওয়ামী দুঃশাসনে এক দূর্বিসহ জীবন যাপন করছে। সাধারণ মানুষ দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, বিদ্যুত পানি আর গ্যাসের সংকটে দিনাতিপাত করছে। দেশে আইনের শাসন নেই।  মাত্রাতিরিক্ত দলীয়করণে দেশের মানুষ আজ সুশাসনবঞ্চিত। একদলীয় শাসনের অবয়বে চলছে দেশ। বিরোধী দল, বিরুদ্ধমত শুধু দলনের শিকারই হচ্ছে না ক্ষমতাসীনদের নির্মূল অভিযানের এক অব্যর্থ নিশানার শিকার হচ্ছে দেশের মানবতা।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে বিতর্কিত ট্রাইব্যুনাল ভেঙ্গে দিয়ে মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীসহ সকল ইসলামী ব্যক্তিতের মুক্তির দাবী জানান।               

 
 
 
 
 
 

ঢাকা: আপিল বিভাগ কর্তৃক মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে দেয়া আমৃত্যু কারাদণ্ডের রায় মেনে নিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট। একই সঙ্গে রায়ে যারা আঁতাতের অভিযোগ তুলছে তাদের জ্ঞানপাপী বলেও আখ্যা দিলেছে যুদ্ধাপরাধীদের দাবিতে সোচ্চার থাকা এই জোট।

বুধবার দুপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের এক সভা শেষে এমন প্রতিক্রিয়া জানান জোটের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, “১৪ আশা করেছিল দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হবে। তবে সর্বোচ্চ আদালত যে রায় দিয়েছে তার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা আছে।”

‘জনশ্রুতি আছে এই রায় আঁতাতের, আপনারা কিভাবে নিচ্ছেন, আদৌ কি এটা আঁতাতের রায়? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। ক্ষোভের সঙ্গে তিনি বলেন, “আঁতাতের কথা যারা বলে তাদের জ্ঞানপাপী। তারা না বুঝে এসব কথা বলে।”

বিরোধীদের সমালোচনা করে নাসিম আরো বলেন, “তারা অনেক সময় অনেক কথা বলে। এটা অহেতুক ও অযৌক্তিকভাবে বলে। আদালত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ। তাদের (আদালত) ওপর হস্তক্ষেপ করা শোভন নয়। অনেক বাধা সত্ত্বেও বিচার চালিয়ে যাচ্ছি। ১৪ দল সমস্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে।”

জামায়াতের হরতাল নিয়ে তিনি বলেন, “হরতালে মানুষের সমর্থন নেই। এটা মানুষ রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করবে। আইনও তার গতিতে চলবে।”

ষোড়শ সংশোধনীর বিষয়ে ১৪ দলেল মুখপাত্র বলেন, “দেশের স্বাধীনতার পর ৭২ এর সংবিধান সবচেয়ে বড় অর্জন। সেই ৭২ এর সংবিধান ক্ষত বিক্ষত করা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য ৭২ এর সংবিধানে ফিরে যাওয়া। তারই অংশ হিসেবে আজ (১৭ সেপ্টেম্বর বুধবার) সংসদে বিচারপতিদের অভিসংসনের ক্ষমতা সংসদে দেওয়ার জন্য সংবিধান সংশোধনী বিল আকারে সংসদে উঠবে, আশা করছি এটি পাশও হবে। এ ধরণের উদ্যোগের জন্য শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।”

এসময় ১৪ দলের এ শীর্ষ নেতা বলেন, “ফিলিস্তিনে আহত ১০ জন মেডিকেল ছাত্রকে বাংলাদেশে চিকিৎসার জন্য নিয়ে এসেছি। আমরা তাদের সহায়তায় একটি প্রতিনিধি দল পাঠানোর কথা ছিল, আমরা যথাযথ প্রদক্ষেপ নিয়েছি।”

১৪ দলের পক্ষ থেকে দর্গাপূজা ও ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকেও ‘শান্তিবৃক্ষ’ পাওয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ অটিজমের উপর পুরস্কার পাওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছে।

সকাল সাড়ে ১১ টায় শুরু হওয়া ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ নাসিম। এতে উপস্থিতি ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক নূরুর রহমান সেলিম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সাধারণ সম্পাদক শরিফ নূরুল আম্বিয়া, কার্যকরী সভাপতি মঈনুদ্দিন খান বাদল এমপি, তরিকতের মহাসচিব লায়ন এম এ আউয়াল, আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ।
               

 
 
 
 
 
 

নিউজডেস্ক: যুদ্ধাপরাধ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে করা আপিলের যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। বুধবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের আপলি বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে ৪ সদস্যের বেঞ্চ উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক গ্রহণ শেষে রায়টি অপেক্ষমান রেখেছেন। যুক্তিতর্ক শেষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, রায়টি আদালত অপেক্ষমান রেখেছেন, অর্থাৎ যে কোনো দিন রায় ঘোষণা করা হবে। কামারুজ্জামানের পক্ষে সমাপনী যুক্তি উপস্থাপন করেন এডভোকেট মোঃ নজরুল ইসলাম।               

 
 
 
 
 
 

ঢাকা: গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ওপর জোর দিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে ফের সংলাপে বসার তাগিদ দিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্য পদ লাভের ৪০তম বার্ষিকী উপলক্ষে এক বার্তায় তিনি এ তাগিদ দেন।
অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানে সংলাপের তাগিদ দিয়ে দুই নেত্রীর সঙ্গে ফোনালাপ ও বিশেষ দূত অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকোর মধ্যস্থতার পর মুন আবারও একই তাগিদ দিলেন।
বার্তায় তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। এর মধ্যে আছে জলবায়ু পরিবর্তন, বাল্য বিয়ে, অবকাঠামো দুর্বলতা।
গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার কথা উল্লেখ করে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, রাজনীতিক উন্নয়নের জন্য বিশ্বের সব গণতান্ত্রিক দেশকেই প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। বাংলাদেশও এ প্রক্রিয়ার বাইরে নয়।
এজন্য বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য মতবিরোধ শান্তিপূর্ণভাবে নিষ্পত্তি ও সব পক্ষের মধ্যে সমঝোতা তৈরিতে রাজনৈতিক সংলাপের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

 
 
 
 
 
 

বুধবার সৌদি আরব পশ্চিমঅঞ্চল যুবদল এর সাধারণ সম্পাদক এনাম আহম্মেদ রিয়াদ যাওয়ার পথে আল আতিফ নামক একটি স্থানে গাড়ী এক্সসিন্ডেটে মারা জান,দেশের বাড়ি কুমিল্লা।তার মৃত্যুতে বি,এন,পি নেতা ও সাবেক প্রতি মন্ত্রী এডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরী ও সৌদি আরব পশ্চিমঅঞ্চল যুবদল এর সভাপতি মোজামমেল হোসেন ,সৌদি আরব পশ্চিমঅঞ্চল বি,এন.পির সভাপতি আহমেদ আলী মুকিব সহ বি,এন,পি নেতৃ বৃন্দ শোক প্রকাশ করেছন।               

 
 
 
 
যোগাযোগ করুন..
01712 247 900

dainiksylhet@gmail.com