বিএনপি’র মেয়র প্রার্থী নিয়ে জটিলতার অবসান হয়েছে বলে বিভিন্ন সুত্র থেকে জানাগেছে।শেষ পর্যন্ত আরিফুল হক চৌধুরীই হবেন চূড়ান্ত প্রার্থী।
২/১ দিনের মধ্যে দলের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী সিলেটে আসে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের প্রার্থী ঘোষণা করবেন।
জানা গেছে, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে সিলেট সিটি কর্পোরেশনে বিএনপি’র প্রার্থী হিসাবে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও মহানগর শাখার সাবেক সভাপতি আরিফুল হক চৌধুরীকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি। এ নিয়ে রোববার জরুরী বৈঠক করছে মহানগর বিএনপি। মহানগর বিএনপির সভায় মেয়র নির্বাচন নিয়ে সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে।
১৮ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতের সাথেও বিষয়টি আলাপ-আলোচনা চলছে। জামায়াতের প্রার্থী হিসাবে দলের মহানগর শাখার সভাপতি এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।অন্য একটি সুত্রমতে জামায়াতের সাথে আলোচনা ফলপ্রসু হলে শেষ পর্যন্ত আরিফুল হক চৌধুরী ১৮ দলীয় জোটের প্রার্থী হতে পারেন।
আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সিলেটের এমসি কলেজে ছাত্রলীগ আবার বন্দুক যুদ্ধ করেছে। জেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিরণ মাহমুদ নিপু ও অব্যাহতিপ্রাপ্ত সভাপতি পঙ্কজ পুরকায়স্থ গ্রুপের মধ্যে বন্দুক যুদ্ধ হয়েছে। এ সময় কমপক্ষে ৩০ রাউন্ড গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। তাদের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন সময় টিভির স্টাফ রিপোর্টার আব্দুল আহাদ ও ক্যামেরাপার্সন নওশাদ। তারা তাদের ক্যামেরাও ছিনিয়ে নেয়। রবিবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। বেলা পৌণে ১টায় পংকজ গ্রুপ রাজপাড়ার দিকে চলে যায়। ক্যাম্পাসের নিয়ন্ত্রণ নেয় নিপু গ্রুপ।
প্রত্যদর্শীরা জানান, এমসি কলেজ ও টিলাগড়ে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ছাত্রলীগের পঙ্কজ ও হিরণ গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। কয়েক দিন আগে পঙ্কজ গ্রুপকে হটিয়ে ক্যাম্পাসের নিয়ন্ত্রণ নেয় হিরণ গ্রুপ।
রবিবার দুপুর ১২টার দিকে পঙ্কজ পুরকায়স্থের গ্রুপের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসের দখল পুনরুদ্ধারে গেলে হিরণ মাহমুদ নিপু গ্রুপের নেতাকর্মীদের সাথে সংঘর্ষ বাধে। ক্যাম্পাসজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ছাত্র-ছাত্রীরা আতঙ্কে দিকবিদিক ছুটোছুটি শুরু করেন। বন্ধ হয়ে যায় টিলাগড় এলাকার দোকানপাট। বর্তমানে ক্যাম্পাসের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন নিপু গ্রুপ।
ক্যাম্পাসে নিপু গ্রুপের কর্মীরা লাঞ্ছিত করে সাংবাদিক আহাদ ও নওশাদকে। এ সময় তারা তাদের ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়। পরে তারা তাদের ক্যামেরা ভেঙ্গে ফেরত দেয়।
সৈয়দ শাহ সেলিম আহমেদ, লন্ডন থেকে:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব ও বর্তমানে লন্ডনে চিকিৎসাধীন, বেগম খালেদা জয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমান গত ১৭ই মে শুক্রবার হঠাৎ করে ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলস-এ গিয়েছেন। তারেক রহমানের হঠাৎ করে ব্রাসেলস গমন লন্ডনে রাজনৈতিক এবং বাংলা মিডিয়ায় বেশ গুঞ্জন ও আলোচনার খোঁরাক জুগিয়েছে। বিগত মঈন উদ্দিন-ফখর উদ্দিনের তত্বাবধায়ক সরকারের দ্বারা নির্যাতিত বিএনপির এই তরুণ নেতা লন্ডনে পাড়ি জমানোর পর থেকেই বলা যায়, অনেকটা নীরবে ও মিডিয়াকে এমনকি বিএনপি দলীয় সকল নেতা-কর্মীদের এড়িয়ে লন্ডনের সাসেক্স-এর এক অভিজাত নিরিবিলি এলাকায় প্রায় চুপ-চাপ অবস্থায় দিনযাপন করে আসছিলেন। ঐ সময়কালীন সময়ে অনেক মিডিয়া এবং বিএনপি দলীয় নেতা-কর্মী শত চেষ্টা করেও তারেক রহমানের সাক্ষাত পাননি কিংবা সক্ষম হননি। মরহুম কমর উদ্দিন জীবিত থাকাকালীন কেবলমাত্র কমর উদ্দিন এবং তার ঘনিষ্ঠ লোকজন তারেক রহমানের নিকটবর্তী হতে পেরেছিলেন। চিকিৎসকের শরণাপন্ন আর মেয়ে জাইমাকে নিয়ে মাঝে-মধ্যে শপিং ট্রিপ ছাড়া খুব কমই তারেক রহমান জনসমক্ষে এসেছেন। বলা যায়, তিনিই নিজেকে অনেকটা নেতা-কর্মী থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিলেন।
ইতিমধ্যে তারেক রহমান লন্ডনে এসাইলাম প্রাপ্তির খবর বিভিন্ন সংবাদ পত্রে ও মিডিয়ায় আলোচিত হয়েছে, যদিও স্থানীয় বিএনপির অনেক নেতা-কর্মী তারেক রহমানের এসাইলাম প্রাপ্তির সংবাদের সত্যতা মানতে রাজি নন। যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক স্থগিত কমিটির নেতা আব্দুল মালিক তারেক রহমানের এসাইলাম নেয়ার যৌক্তিকতা না থাকার পেছনে বেশ নাতি-দীর্ঘ রাজনৈতিক বক্তব্য উপস্থাপন ইতিমধ্যেই বাংলা মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে।
এমনি অবস্থায়, গত কিছুদিন আগে সপরিবারে তারেক রহমান যুক্তরাজ্য থেকে সৌদি আরব গমন করেন, সেখানে মহানবী সাল্লাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রওজা মোবারক জেয়ারত ও ওমরাহ পালন করেন। লন্ডনের ফিরে আসার প্রাক্কালে প্রথমবারের মতো সৌদি আরব বিএনপির প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার সচিত্র সংবাদ দেশে-বিদেশে প্রকাশিত হয়েছে। আর মূলত: ওমরাহ পালনের মধ্য দিয়েই তারেক রহমান বিএনপির রাজনীতিতে তার সক্রিয়তার জানান দিয়েছিলেন বলেই অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত। কেননা, তারেক রহমানকে কাছে থেকে যারা পর্যবেক্ষণ করে আসছেন, তারা সকলেই একমত যে, তারেক মূলত এক নির্দিষ্ট ছক বা প্ল্যান-প্রোগ্রামের ভিতর দিয়ে রাজনীতি করতে অভ্যস্ত। ইতিমধ্যে অসুস্থতার সুযোগে তারেক রহমান নিজের রাজনৈতিক কর্ম-পরিকল্পনার এক ডায়াগ্রাম করে নিয়েছেন, আর যার ফলশ্রুতিস্বরূপ ধীরে ধীরে নিজেকে রাজনীতির পাদ-প্রদীপে আবার উপস্থাপন করতে আছেন বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলস অনেক বাংলাদেশী যেমন রয়েছেন, একই সাথে ইউরোপীয় রাজনীতির কেন্দ্রস্থল হওয়াতে বর্তমানে ব্রাসেলস-এর গুরুত্ব অনেক বেশী। এছাড়াও সেখানে রয়েছেন, আমাদের ঢাকার রাজনীতিতে নীতি-নির্ধারনী পর্যায়ের বেশ কিছু যোগ-সূত্র এবং তারেকের ঘনিষ্ঠ এক ডাক্তার বন্ধু, যিনি ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সাথে বেশ সখ্যতা পূর্ণ সম্পর্কও রয়েছে। তাছাড়া ইউরোপের রাজনীতিতে এবং আমাদের দেশে ইউরোপীয় লবির সবচাইতে শক্তিশালী প্রতিনিধি জার্মান লবীর অনেক হর্তা-কর্তাও ব্রাসেলসে থাকেন। অপরদিকে, গত আগস্ট থেকেই সর্ব-ইউরোপীয় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা ব্রাসেলসে তারেক রহমান কে নিয়ে সক্রিয় হওয়ার ও মিলিত হওয়ার গ্রাউন্ড ওয়ার্ক করে আসছিলেন, শুধু অপেক্ষায় ছিলেন তারেক রহমানের গ্রীণ সিগন্যালের। মূলত সেখানে বাংলাদেশ ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের নেতা-কর্মী এবং আগামী নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাই, নির্বাচনী কৌশল, নির্বাচনী তহবিল গঠনের লক্ষ্যেই আগে থেকেই পরিকল্পিত অতিগোপণীয় এক সভায় অংশ গ্রহণের জন্য বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে তারেক রহমান গত শুক্রবার গমন করেছেন। আর সেখানে তার অগ্রবর্তী টিম হিসেবে লন্ডন থেকে বেশ কয়েকজন বিএনপিমনা ব্যবসায়ী ১৩ ও ১৪ মে গমন করেছেন, যারা ব্রাসেলসের ঐ বৈঠকে তারেক রহমানের সঙ্গে মিলিত হবেন। স্থানীয় বিএনপির অনেক নেতা-কর্মী এ বিষয়ে আগাম কিছুই যেমন অবগত নন, একইসাথে লন্ডনের বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের কোন কোন নেতা এখন পর্যন্ত এব্যাপারে অবগত না থাকার কারণেই দলীয় এবং দলের বাইরে তারেক রহমানকে নিয়ে বা তারেকের ব্রাসেলস গমনে গুঞ্জন আলোড়িত হচ্ছে।
এদিকে, আগামী ২০শে মে সোমবার লন্ডনের ইষ্ট হ্যাম হলে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত প্রতিনিধি সভাকে কেন্দ্র করে বিএনপি এবং এর অঙ্গ সংগঠনসমূহের নেতা-কর্মীদের মাঝে বেশ উত্তেজনা ও উৎসাহ পরিলক্ষিত হচ্ছে। ইষ্টহাম সেন্টারের এই সভায় বলা হচ্ছে তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আয়োজক বিএনপির অন্যতম এক নেতা এব্যাপারে নিশ্চিত করে দাওয়াতও দিয়েছেন।
যুক্তরাজ্যে বিএনপি নানা ভাগে ও গ্রুপে বিভক্ত। ব্রিটেনের ৪০টি শাখা ও বিভিন্ন জোনালের রয়েছে অগণিত নেতা-কর্মী, অথচ সঠিক নেতৃত্ব ও একক কেন্দ্রীয় কমিটির অভাবে দলটি নানা কোন্দলে জর্জরিত। ইতিমধ্যে এইসব কোন্দলের কারণে অনেক সভা-সমাবেশ এমনকি সংবাদ সম্মেলন পর্যন্ত নানা অপ্রীতিকর ঘটনার মধ্য দিয়ে নস্যাৎ হয়েছে। সোমবারের এই সভা মূলত যৌথভাবে বলা হলেও খোজ নিয়ে জানা যায়, বিএনপির এক অংশ তাদের বিরোধী অপর অংশকে বাদ দিয়েই এই সভার আয়োজন করেছে, যেখানে তারেক রহমানের উপস্থিতি থাকার কথাও রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। বিএনপির এই সভার আয়োজকরা বলছেন, তারেক রহমান এই সভায় যুক্তরাজ্য বিএনপির নতুন কমিটি গঠন করবেন, যা মূলত তিনি বেশ আগে থেকেই যুক্তরাজ্য বিএনপির কমিটি গঠনের কাজে হাত দিয়েছেন বলে জোরালো ভাবে এই সভার আয়োজনকারীরা লন্ডনে বলে বেড়াচ্ছেন, দাওয়াতও তারা সেইভাবে দিচ্ছেন।
এই সংবাদ বিএনপির অপর অংশের কাছে যখন পৌঁছে, তখন বিভিন্ন মোবাইল ফোনের এসএমএস ম্যাসেজ ও সোশ্যাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ঐ অংশের সভা আহবানে ক্ষোভ প্রকাশ হতে থাকে। বাংলা বাজার ও মধুবন, আলাউদ্দিন সুইটের দোকান ও ইষ্ট লন্ডন এর বাংলা পাড়ায় এ নিয়ে অনেক বিএনপি নেতা-কর্মীদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ইষ্টহামের এই আলোচনা সভায় কমিটি করাকে কেন্দ্র করে অতীতের মতো সংঘর্ষে রূপ নিতে পারে, অন্তত নেতা-কর্মীদের মারমুখী আচরণে তাই মনে হচ্ছে।
এদিকে হঠাৎ করে লন্ডনে তারেক রহমানের বিএনপির সভায় উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে নিজেদের দলীয় আধিপত্য বিস্তার ও তারেকের নজর কাড়ার জন্য উভয় অংশ এখন মরিয়া। বিএনপির উভয় অংশই ঐ সভায় নিজেদের শো-ডাউনে ব্যস্ত। আর তাতেই সংঘর্ষের আশংকা ঘনীভূত হচ্ছে। বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন ও জোনালের নেতা-কর্মীদের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করলে জানা যায়, তাদের অধিকাংশই এখন(শনিবার মধ্য রাত্রি) পর্যন্ত সোমবারের সভার দাওয়াত পাননি। অনেকেই ধারণা করছেন, সভা মূলত বিএনপির যৌথ সভা বলা হলেও নিজ গ্রুপের ঘনিষ্ঠ নেতা-কর্মীদের নিয়েই সম্পন্ন করা হবে, যাতে নিজেদের পক্ষে যুক্তরাজ্য বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি নেয়া যায়। এই সভার বিরোধী পক্ষও নিজেদের শক্তিমত্তা নিয়ে সভায় উপস্থিতির জন্য মরিয়া, এতেই কমিউনিটির মধ্যে অনেকেই শঙ্কিত। কেননা ইতিপূর্বে বিএনপির প্রায় সকল অনুষ্ঠানেই মারামারি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বিগত সময়ে ওয়াটার লিলির সভায় বিরোধীদলীয় চীফ হুইপ জয়নুল আবদীন ফারুকের উপস্থিতিতে একে অন্যের সাথে হাতাহাতির পর্যায়ে চেয়ার ছুড়াছুড়ির ঘটনা ঘটেছিলো। ব্রাডি আর্ট সেন্টারের সভায় স্থগিতকৃত কমিটির যুগ্ম-আহবায়কের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনাতে সভায় উপস্থিত প্রধান অতিথি বিএনপি চেয়ার পার্সনের উপদেষ্টা মেজর (অব:) রুহুল আমিনকে সভাস্থলে ফেলেই তড়িঘড়ি করে বিএনপির স্থানীয় দুই নেতা সভাস্থল ত্যাগের ঘটনাও মিডিয়ার ও কমিউনিটির মুখরোচক আলোচনায় স্থান করে নিয়েছিলো বেশ কিছুদিন। এমনকি স্থগিত কমিটির সাংবাদিক সম্মেলনের সময়ও অপর বিদ্রোহী কমিটিও কতিপয় নেতা-কর্মী হামলা চালিয়েছিলেন।
অতি সম্প্রতি হাউস অব কমন্সে নিউহ্যাম বিএনপি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির উপর যে আলোচনা সভার আয়োজন করেছিলো সেখানেও টাওয়ার হ্যামলেটস বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেয়াকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছিলো।
এদিকে তারেক রহমানের উপস্থিতি থাকার কথা বলে বিএনপির নেতা-কর্মীদের দাওয়াত দেয়া হচ্ছে বলে সভার দাওয়াত প্রাপ্ত নেতা নিশ্চিত করেছেন। বর্তমানে তারেক রহমান বেলজিয়ামে রয়েছেন। কবে ফিরবেন লন্ডনে, বিএনপির কোন পর্যায়ের কোন নেতা-কর্মীর কাছে কোন ধারণা নেই। বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে সর্ব-ইউরোপীয় বিএনপি এবং বিশেষ ঐ সভা সোমবার রাতে অথবা মঙ্গলবারের কোন এক সময় হওয়ার কথা রয়েছে। ঢাকা থেকে বেশ কয়েকজন ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি হংকং ও সিঙ্গাপুর হয়ে সোমবারে বেলজিয়ামে আসার কথা রয়েছে। যুক্তরাজ্য বিদ্রোহী গ্রুপের এক নেতা বলে বেড়াচ্ছেন, তিনি টেলিফোনে তারেক রহমানকে সোমবারের লন্ডনের ইষ্টহামের সভায় অনুপস্থিত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ এক সূত্র দাবি করেছে, যুক্তরাজ্য বিএনপিতে তারেক চমক দেখাবেন, নতুন নেতৃত্বে যুক্তরাজ্য বিএনপিকে তিনি সাজাবেন। সেলক্ষ্যেই তারেক রহমান কাজ করে যাচ্ছেন।
১৮ই মে ২০১৩, ইউকে।
দৈনিক আমার দেশ প্রকাশ, দিগন্ত ও ইসলামিক টিভির সমপ্রচার এবং সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের মুক্তি দাবি জানিয়েছেন ১৫টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক। শনিবার এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এ দাবি জানান। মিডিয়ার ওপর সরকারের চলমান পদক্ষেপকে গণমাধ্যম ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে আশঙ্কাজনক হুমকি হিসেবে অভিহিত করে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। মাহমুদুর রহমানের মা ও সংগ্রাম সম্পাদকের মামলা প্রত্যাহার করারও দাবি জানান সম্পাদকগণ।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী সম্পাদকরা হলেন:- ইন্ডিপেন্ডেন্ট সম্পাদক মাহবুবুল আলম, সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, নয়াদিগন্ত সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন, নিউজ টুডে সম্পাদক রিয়াজউদ্দিন আহমেদ, ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন, মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, দ্য ফিনান্সিয়াল এঙপ্রেস সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন, নিউ এইজ সম্পাদক নুরুল কবীর, কালের কন্ঠ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, নিউ নেশন সম্পাদক মোস্তফা কামাল মজুমদার, দৈনিক সংবাদ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুনীরুজ্জামান, বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম ও যুগান্তরের নির্বাহী সম্পাদক সাইফুল আলম।
বিবৃতিতে সম্পাদকগণ বলেন, ‘দৈনিক আমার দেশ’র প্রেসে তালা দিয়ে পত্রিকার ছাপা বন্ধ করা, পত্রিকাটির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতারের পর নির্যাতনের অভিযোগ, বিকল্প ব্যবস্থায় ছাপতে না দেয়া, আমার দেশ পাবলিকেশন্স লিমিটেডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাহমুদা বেগম ও দৈনিক সংগ্রাম সম্পাদক আবুল আসাদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা এবং বেসরকারি টিভি চ্যানেল দিগন্ত ও ইসলামিক টিভির সমপ্রচার বন্ধ করে দেয়ার ঘটনায় আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে আইসিটি মামলায় গ্রেফতার করে পত্রিকার প্রেসে তালা লাগিয়ে দেয়া এবং কোনো কারণ না দেখিয়ে দিগন্ত ও ইসলামিক টিভি চ্যানেলের সমপ্রচার বন্ধ করে দেয়া অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক। অনিবার্য পরিণতি হিসেবে অনেক সাংবাদিককে বেকারত্বের অন্ধকারে নিক্ষেপ করা কোনো নির্বাচিত ও গণতান্ত্রিক সরকারের ভাবমূর্তির পক্ষে অনুকূল নয়।’
সম্পাদকবৃন্দ বলেন, ‘আমরা মনে করি, সরকারের এ ধরনের পদক্ষেপ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারের ওপর আশঙ্কাজনক হুমকি। এ জাতীয় ঘটনা গণতন্ত্রের ভিতকে দুর্বল করবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। একজন সম্পাদককে গ্রেফতার, পত্রিকার প্রকাশনা ব্যাহত ও দুটি টিভি চ্যানেলের সমপ্রচার বন্ধের সিদ্ধান্ত বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের পরমত সহিষ্ণুতা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতি সম্পর্কে নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। একই সঙ্গে স্বদেশে গণতন্ত্র চর্চা ও বিকাশের ক্ষেত্রেও প্রতিবন্ধকতা হিসেবে চিহ্নিত এবং বিবেচিত হচ্ছে।’
‘সমাজে কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়। আইনকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দিয়ে দৈনিক আমার দেশ’র ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের মুক্তি, পত্রিকাটির প্রেসের তালা খুলে দিয়ে এর প্রকাশনা অব্যাহত রাখা এবং দিগন্ত ও ইসলামিক টিভির সমপ্রচার করার জন্য সরকারের প্রতি আমরা আহ্বান জানাই।’
সিলেটে সাধারণ মানুষের রোষানলে পড়লেন সাবেক মেয়র ও বর্তমান মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান।শনিবার নগরীর বন্দর বাজারস্থ কেন্দ্রিয় জামে মসজিদে যোহরের নামাজ আদায়ের পর উপস্থিত মুসল্লিদের কাছে ভোট চেয়ে বক্তব্য দিতে গেলে উপস্থিত মুসল্লিরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন।
প্রত্যক্ষ্যদর্শী সূত্রে জানা যায়, যোহরের ফরয নামাজের পরই দাঁড়িয়ে তাকে ভোট দেওয়ার কথা বলে বক্তব্য দেওয়ার চেষ্টা করেন সাবেক মেয়র কামরান। এক পর্যায়ে মুসল্লিরা বলেন আপনি বসেন, আপনারা নিরীহ আলেমদের হত্যা করেছেন আওয়ামীলীগের দালাল, এরকম নানা কথা চিৎকার করে বলতে থাকেন। এক পর্যায়ে ক্ষোভে উপস্থিত মুসল্লিদের কেউ কেউ দাঁড়িয়ে যান। অবস্থা বেগতিক দেখে মসজিদ থেকে দ্রুত বেরিয়ে চলে যান বদর উদ্দিন আহমদ কামরান।
মসজিদের ভিতর মুসল্লিদের চিৎকারের শব্দ শুনে আশপাশের উৎসুক জনতা ভিড় করেন।
খবরটি দ্রুত নগরীতে ছড়িয়ে পড়লে কেউ কেউ মন্তব্য করেন, -মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে কামরান মিয়ার ভরাডুবি এখন থাকি শুরু অই গেছে...
এমএ আহমদ আজাদ নবীগঞ্জ প্রতিনিধি
মোবাইল ফোনে অন্য পুরুষের সাথে কথা বলায় বিয়ের এক মাসের মাথায় অঞ্জনা বেগম (২৫) নামে এক নববধুকে গলাটিপে হত্যা করেছে তার পাষন্ড স্বামী। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার গভীর রাতে নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের জুহুরপুর গ্রামে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে পোষ্টমর্টেম রিপোর্টের জন্য মর্গে প্রেরন করেছে। এ ঘটনার পর পাষন্ড স্বামী পালিয়ে গেছে।
পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, নবীগঞ্জ উপজেলার বড় ভাকৈর পুর্ব ইউনিয়নের বাগাউড়া গ্রামের সঞ্জব আলীর ছেলে আব্দুল কাদির রুহেল গত প্রায় মাস খানেক পুর্বে বিয়ে করে জুহুরপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের কন্যা অঞ্জনা বেগম কে। বিয়ের পর থেকে সে শশুর বাড়ীতেই থাকতো। এ ব্যাপারে পাশের কক্ষে থাকা অঞ্জনার ভাইপো শাহিন মিয়া জানায়, রাতে ফুফুর মোবাইলে ফোনে কে বা কারা ফোন করে। এর কারন জানতে চাওয়া নিয়ে তাদের দুজনের মধ্যে বাদানুবাদ হয়। এ সময় ফুফুর চিৎকার শুনা গেছে। সকাল বেলায় ঘরের দরজা খোলা অবস্থায় ফুফুর নিতরদেহ বিচানার উপর পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার স্বামীকে আর খুজে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ওসি মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন পোষ্টমর্টেম রিপোর্টের জন্য লাশ হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরন করা হয়েছে।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সীমানা পূন্:নির্ধারণ করে নির্বাচনের পূনরায় তফসিল ঘোষনা করে নির্বাচনের দাবিতে শনিবার দুপুর ১২ ঘটিকার সময় নগরীর বালুচর পয়ন্টে সচেতন সিলেট বাসির উদ্দ্যেগে এক মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। যুব সংগঠক কাওছার-উজ-জামান আহমদের সভাপতিত্বে ও ছাত্রনেতা মাহিন আহমদ এবং সাইদুল ইসলাম‘র যৌথ পরিচালনায় মানব বন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম, কামাল আহমদ, জাবেদ আহমদ, শিক্ষক রহিম আহমদ, আবজল আহমদ, ব্যবসায়ী মানিক আহমদ, তরুন সমাজ সেবক কামাল আহমদ, সামাদ মিয়া, আব্দুল্লা আল নোমান, শফিক মিয়া, এম,সি, কলেজের শিক্ষার্থী দিপু আহমদ, নজমুল ইসলাম, জামিল আহমদ, সরকারী কলেজের শির্ক্ষাথী শফিক আহমদ, রিপন আহমদ, মামুন আহমদ, সাহান আহমদ প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন বৃহত্তর জন গোষ্টীকে বাহিরে রেখে সিটি নির্বাচন মেনে নেয়া সম্ভব নয়। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের অধিনস্ত যে ৬টি থানা রয়েছে তা সিটি কর্পোরেশনের বিতরে এনে সিমানা নির্ধারণ করে পূর্ণরায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের তফসিল ঘোষনা করে নির্বাচন দেওয়ার দাবি জানান। অন্যতায় সিলেটবাসী আগামী সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন প্রত্যাক্ষাণ করবে।
সিলেট মহানগর বিএনপি‘র সভাপতি এম এ হক ও সাধারণ সম্পাদক হাজী আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী এক যৌথ বিবৃতিতে অদ্য ১৮ মে ২০১৩ শনিবার বিভিন্ন স্থানীয় পত্রিকায় মহানগর বিএনপির দপ্তর সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির প্রতি দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে উল্লেখ করে বলেন প্রকাশিত উক্ত সংবাদের সাথে সিলেট মহানগর বিএনপির কোন সম্পর্ক নেই বা এ সম্পর্কে আমরা অবহিত নই। নেতৃবৃন্দ বিবৃত্তিতে বলেন, প্রকাশিত সংবাদ বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য দলের সকল স্তরের নেতা কর্মীদের প্রতি আহবান জানান। সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে আলোচনা বা নির্দেশনা ছাড়া এ ধরনের সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত তাকার জন্য দলের সকলকে অনুরোধ করেন।
সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন দৈনিক সবুজ সিলেটের সিনিয়র সাংবাদিক অহী আলম রেজা। ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার জরুরী অস্ত্রোপচার চলছে।
শনিবার রাত পৌনে সাতটার দিকে উপশহরস্থ শাহজালাল সিটি কলেজ থেকে রিক্সাযোগে পূর্ব জিন্দাবাজারের সবুজ সিলেট কার্যালয়ে আসছিলেন সাংবাদিক রেজা। নগরীর সোবহানীঘাটস্থ কাঁচাবাজারের সামনে ৫/৬ জনের মোটর সাইকেল আরোহী একদল দুর্বৃত্ত তাকে পিঠে, হাতে ও পায়ে কুপিয়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ ইবনে সিনা হাসপাতালে প্রেরণ করেন। ইবনে সিনা থেকে আশংকাজনক অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী নেয়া হয়।
মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি নাসিম হোসাইনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে আপিলের শুনানী শেষে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন বিভাগীয় কমিশনার এনএম জিয়াউল আলম।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, নাসিম হোসাইন তার মনোনয়নপত্রের সাথে সংযুক্ত হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে এমকম প্রিলিমিনারি উল্লেখ করেন। কিন্তু এর উপযুক্ত কোন কাগজপত্র জমা দিতে পারেননি। ফলে গত বুধবার বাছাইকালে নির্বাচন কর্মকর্তারা তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন। এর বিরুদ্ধে আপিল করেন নাসিম হোসাইন। শুক্রবার শুনানী শেষে তার মনোনয়পত্র বৈধ ঘোষণা করেন বিভাগীয় কমিশনার এনএম জিয়াউল আলম।
নাসিম হোসাইন জানান, আপিলের শুনানীকালে তিনি সব রকম কাগজপত্র উপস্থাপন করেন। পরে বিভাগীয় কমিশনার এনএম জিয়াউল আলম তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলে জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগ আয়োজিত আলোচনা সভা শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্টিত হয়। মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম রিপনের সভাপতিত্ত্বে ও জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহদী হাসান ফয়েজের পরিচারনায় সভায় বক্তব্য রাখেন মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পলাশ চৌদূরী, জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি তারেক হাসান চৌধূরী, সহ সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান, সিনিয়র ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল তালুকদার, নুর মোহাম্মদ বাবু, রিংকু কুমার চন্দ্র, কিপেশ চন্দ্র, শামন্ত চন্দ্র, বুরহান উদ্দিন শিপলু, মহানগর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক স্পাদক নিউরাজুল ইসলাম চৌধূরী, ইব্রাহিম আহমদ জেনি, আব্দুল হক সাজু, রাজু আহমদ, শেপু আহমদ, আবুল হোসেন, সাদিক আহমদ, ফরহাদ আহমদ, আলতাফ আহমদ, নজরুল ইসলাম প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন দেশনেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অতীতের ন্যায় এখনো ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত চলছে। তাই ছাত্রলীগের সকল নেতা-কর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়তে হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
এস এম সুরুজ আলী:
জীবিকার সন্ধানে বাহরাইন গিয়ে বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন বানিয়াচঙ্গ উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়নের আকুতুড়া গ্রামের রুহুল আমিন নামে এক যুবক। এলাকাবাসী সূত্র জানায়, আতুকুড়া গ্রামের মৃত আব্দুল মন্নাফ মিয়ার পুত্র রুহুল আমিন (২৪) জীবিকার তাগিদে প্রায় ৪ বছর পূর্বে বাহরাইনে পাড়ি জমান। সেখানে গিয়ে রুহুল আমিন তার এক আত্মীয়ের সহায়তায় ইলেক্ট্রিশিয়ানের কাজে নিয়োজিত হন। বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় রুহুল আমিন প্রতিদিনের ন্যায় একটি কোম্পানীতে বিদ্যুতের কাজে গেলে তিনি বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। বৃহস্পতিবার রাতেই তার মৃত্যু সংবাদ বাড়িতে পৌঁছলে স্বজনরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া। নিহত রুহুল আমিনের বড় ভাই আল-আমিন জানান, রুহুল আমিনের মৃত্যুর সংবাদ তার এক চাচাত ভাই নিশ্চিত করেছেন। দুয়েক দিনের মধ্যে তার লাশ দেশে আসবে।
সিলেট-৩ আসনের এমপি আলহাজ্ব মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী বলেছেন, সমাজে ভাল কাজ করলে মৃত্যুর পরও মানুষ তার কর্মের মাধ্যমে বেঁচে থাকেন সবার হৃদয়ে। ব্যবসায়ী সেলিম আহমদ ছিলেন একজন ভাল কর্মঠ দক্ষ ব্যবসায়ী। তার নেতৃত্বে এখানকার ব্যবসায়ীরা উপকৃত হয়েছেন। একজন অভিজ্ঞ সংগঠক হিসেবে নিজেকে ব্যবসায়ী মহলে দক্ষতার পরিচয় দিয়ে গেছেন। তিনি ব্যবসার পাশাপাশি সমাজের কল্যাণে সেলিম আহমদের অবদান ছিল অবিস্মরণীয়। তিনি ছিলেন ব্যবসায়ীদের জন্য একজন নিবেদিত প্রাণ। সব সময় ব্যবসায়ীদের কল্যাণ ও সম্মান অক্ষুন্ন রেখে নিজের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে গেছেন। তার এই মৃত্যুতে ব্যবসায়ীরা একজন সহপাঠীকে হারিয়েছেন। এই শূন্যতা পূরণ হওয়ার মতো নয়। তার এই অকাল মৃত্যুতে ব্যবসায়ী সহ আমরা এলাকাবাসী গভীরভাবে শোকাহত। আজকের উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে, তিনি ছিলেন একজন সামাজিক ও ব্যবসায়ী মহলে সমাদৃত ব্যক্তিত্ব। পরিশেষে আমরা সেলিম আহমদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে আল্লাহ তায়ালা দরবারে প্রার্থনা করি আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করেন।
এমপি মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী শুক্রবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ ফেঞ্চুগঞ্জ মাইজগাঁও বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সেলিম আহমদের স্মরণে বণিক সমিতির উদ্যোগে এক শোক সভা ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
ব্যবসায়ী শওকত আলীর সভাপতিত্বে ও বণিক সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আউয়াল কয়েসের পরিচালনায় শোক সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সহিদুর রহমান রুমান, ডা. জাকির হোসেন, আব্দুল বাছিত টুটুল, ফয়জুল ইসলাম মানিক, আজিজুর রহমান গেদা, আব্দুল্লাহ ভাগন, হাজী খলিলুর রহমান কলা, আব্দুল মান্নান, নজরুল ইসলাম মিফতা, হারুনুর রশীদ, মিসবাহ আহমদ চৌধুরী, ছাইফুল ইসলাম ছুটন, আশফাকুল ইসলাম সাব্বির, বিজন দেব নাথ, জয়নাল আবেদীন খান, মাহফুজুর রহমান জাহাঙ্গীর, মুহিত আহমদ শাহ, হাবিবুল ইসলাম এনাম, জুনেদ আহমদ প্রমুখ।
বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় সিলেট বিএনপির মেয়ার প্রার্থী চুড়ান্ত করা হয়েছে মর্মে প্রকাশিত ও প্রচারিত সংবাদের সাথে ভিন্ন মত পোষণ করে সিলেট মহানগর বিএনপির দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল ওয়াছেহ চৌধুরী জুবের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জনানো হয়েছে আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহনের ব্যাপারে দলীয় কোন চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তাই মেয়র প্রার্থী মনোনয়ন বিষয়ে যেসব খবরাখবর বিভিন্ন সংবাদ পত্র ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশি ও প্রচারিত হচ্ছে তা মনগড়া ও ভিত্তিহীন।
বিবৃতিতে দলীয় নেতাকর্মীদের এরুপ সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বলা হয় দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আদৌ দলীয়ভাবে বিএনপি নির্বাচনে যাবে কিনা তা এখনও ষ্পষ্ট নয়। তাই সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চুড়ান্ত হয়েছে এরূপ সংবাদ কেবল বিভ্রান্ত ছড়াতে পারে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয় দলীয়ভাবে বিএনপি যদি শেষ পর্যন্ত নির্বাচন বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেয় তবে দলের কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল নেতা মনোনয়ন প্রত্যাশীদের পাশাপাশি সিলেট বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাকর্মীদের মতামতের আলোকে যে কেউকে পরোক্ষ সমর্থন দিতে পারে। তাই চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত পত্র পত্রিকায় বা ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার ও প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।
নবীগঞ্জ(হবিগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ
আমেরিকান দূতাবাস এবং ইমপাওয়ারমেন্ট এন্ড হিউম্যান ডেভেলাপমেন্ট সোসাইটির উদ্দ্যেগে নবীগঞ্জ ও বাহুবলের বিভিন্ন আলিয়া ও দাখিল মাদ্রাসার সুপার ও ইংরেজী শিক্ষকদের উন্নত ইংরেজী শিক্ষাদান নির্দেশনার উপর দুইদিন ব্যাপী কর্মশালা শুক্রবার সকালে উপজেলার নহরপুর সিনিয়র দাখিল মাদ্রাসার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কর্মশালা উদ্বোধন করেন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুৎফুর রহমান। এ উপলক্ষে সভায় সভাপতিত্ব করেন ইমপাওয়ারমেন্ট এন্ড হিউম্যান ডেভেলাপমেন্ট সোসাইটির চেয়ারপারসন মুসাম্মদ বদরুন্নেসা। ট্রেনিং- কো-অর্ডিনেটর কামাল আহমদ আম্বিয়া এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুৎফুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম,এ আহমদ আজাদ,নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি গিয়াস উদ্দিন আহমদ,নবীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম,হবিগঞ্জের আয়নার নির্বাহী সম্পাদক মোঃ আলাউর রহমান ।
এছাড়া অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ইউ এস স্টেইট ডিপার্টমেন্ট মাষ্টার ট্রেনার মাহমুদা আহসান সিদ্দিকী,সিলেট স্কর্লাস হোমের সিনিয়র শিক্ষক ও মাষ্টার ট্রেনার ফারহানা রহমান জাহান প্রমূখ। প্রধান অতিথি বলেন শিক্ষকরা মানুষ গড়ার কারিগর তাদের কে ভাল ভাবে গড়ে তুললে তারা একজন ভাল ছাত্র জন্ম দিতে পারেন। এক সময় মাদ্রাসা শিক্ষা কে অবহেলার চোখে দেখা হতো। এখন আর সেই যুগ নেই। এখন মাদ্রাসা থেকে পড়ে অনেকে দেশে বিদেশে পিএইচডি ডিগ্রী নিচ্ছে। ব্যারিষ্টার ও সিভিল ক্যাডার হচ্ছেন,। আজকের ট্রেনিং মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়নে কাজে লাগবে। আমেরিকান দূতাবাসের আর্থিক সহায়তার মাদ্রাসা শিক্ষকদের ট্রেনিং অনেক প্রশংসা অর্জন করবে এবং মাদ্রাসা সম্পর্কে তাদের পজেটিভ ধারনা আসবে।
বৃহত্তর শিবগঞ্জ মুসলিম জনতার উদ্যোগে শিবগঞ্জ পয়েন্টে ১৭ এপ্রিল শুক্রবার বাদ জুম্মা মানববন্ধন মাওলানা শিহাব উদ্দীনের সভাপতিত্বে ও তরুণ আলেম কলামিষ্ট আতিকুর রহমান নগরী ও রাশেদুর রহমান রাশেদের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এডভোকেট মাওলানা শাহিনুর পাশা চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাওলানা নজরুল ইসলাম, প্রধান বক্তারা হিসেবে বক্তব্য রাখেন আলহাজ্ব মাওলানা জুবায়ের আল মাহমুদ, বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাওলানা সাইফুর রহমান, মাওলানা বদরুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, মাওলানা কবির আহমদ।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ উমেদুর রহমান উমেদ, জাহেদ আহমদ, এপলু আহমদ, জুনেদুর রহমান জুনেদ, সৈযদ কাওসার মাহমুদ, এম. আরিফ আহমদ, আফজল আহমদ, আল আমিন রিপন, আফজল হোসেন মান্না, জারাল আহমদ, রাহেল আহমদ, ইমরান আহমদ, আলমগীর আহমদ, কামরুল হাসান, শিব্বির আহমদ, তপন আহমদ, ইকবাল আহমদ, রাহিল আহমদ, দেলওয়ার, রানা, ইমন আহমদ, ফরহাদ, দিদার, রাসেল আহমদ, মোমেন, মাহফুজ, কাদির, আজম, ঝুমন, কাওসার, আবির, রুবেল, পারভেজ, শাহজাহান, ইমরান, মনির, রুমন, সারোয়ার, সাঈদ, শাহাদত, ইফতি, জীবন, মুন্না, রাফি প্রমুখ।
বক্তারা ৫ মে ঢাকায় হেফাজতের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পুলিশী হামলার কড়া সমালোচনা করেন এবং হেফাজতের মহাসচিব প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন মাওলানা জুনায়েদ আহমদ বাবুনগরীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবী জানান। পরে শাহাদত বরণকারী হেফাজত কর্মীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদল ও ইলিয়াস মুক্তি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় এবং নগরীর ২৭টি ওয়ার্ড শাখার এক যৌথ কর্মী সমাবেশ বৃহস্পতিবার দুপুরে মিরাবাজারস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও ইলিয়াস মুক্তি ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক আব্দুল আহাদ খান জামালের সভাপতিত্বে এবং মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও ইলিয়াস মুক্তি ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মতিউল বারী চৌধুরী খুরশেদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা বলেন, আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দলের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এবং সিলেটবাসী বিএনপি থেকে একজন যোগ্য ও নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিকে মেয়র পদে দেখতে চায়। কিন্তু স¤প্রতি আরিফুল হকের মতো একজন অশিক্ষিত ও দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি মেয়র পদে প্রার্থীতার খবরে সিলেটের ছাত্রদল নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ। বক্তারা বলেন, বিগত সাড়ে চার বছর বিএনপি চেয়াপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে যড়যন্ত্র বন্ধ ও বিএনপির সংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীকে ফিরে পাওয়ার দাবীতে গড়ে ওঠা আন্দোলনে যে ব্যক্তির কোন ভূমিকা ছিলনা, সেই সুবিধাবাধী আরিফুল হককে দলের তৃণমূল নেতাকর্মীরা কোন অবস্থাতেই মেনে নিবেনা। সুবিধাবাধী ও রহস্যজনক আচরণের করনে বিগত সাড়ে চার বছরে আরিফুল হকের বিরুদ্ধে কোন মামলা হয়নি। বক্তারা প্রশ্ন রেখে বলেন, বিএনপির জাতীয় থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপর যেখানে একের পর এক মামলা, হামলা, নির্যাতন হচ্ছে, সেখানে আরিফুল হক তার আগের দুর্ণীতির মামলা থেকে খালাস পায় কিভাবে? অপরদিকে বিএনপির পরীক্ষিত নেতা এডভোকেট সামসুজ্জামান জামানের বিরুদ্ধে বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার অসংখ্য মামলা দিয়ে হয়রানী করছে।
<br>বক্তারা বলেন, হযরত শাহজালাল (র:) ও হযরত শাহপরান (র:) এবং পূন্যভূমি সিলেটকে আরিফুল হক কলংকিত করেছিলেন তার দুর্নীতির মাধ্যমে। পাশাপাশি দলের ভাবমূর্তিও ক্ষুন্ন করেছিলেন তার অতীত কর্মকান্ডে। একারনে দলের তৃনমূল নেতা কর্মী যেমন ক্ষুব্ধ তেমনি সিলেট নগরীর মানুষের নেতিবাচক ধারনা রয়েছে তার প্রতি। তাই এই দুর্নীতিবাজ সুবিধাবাদী আরিফুল হক কে মনোনয়ন না দিয়ে দলের দুঃসময়ের পরীক্ষিত নেতা এডভোকেট সামসুজ্জামান জামানকে মেয়র পদে মনোয়ন দেয়ার জন্য দলের হাই কমান্ডের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি। সভায় উপস্থিত ছিলেন, ইলিয়াস মুক্তি ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক একেএম আজাদ আহমদ, জয়দেব চক্রবর্তী জয়ন্ত, চৌধুরী মোহাম্মাদ সোহেল, জয়নাল আহমদ, রুজেল আহমদ চৌধুরী, তারেক আহমদ, মিফতাহুল কবির, জয়নাল আবেদীন, জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত প্রচার সম্পাদক আজিজুল হোসেন আজিজ, রাশেদ আহমদ, অর্পন ঘোষ, শামীম আহম, জুনেদ আহমদ জামাল, এমডি জুনেদ চৌধুরী, রাসেল আহমদ, এমদাদ বক্স, আমিনুল ইসলাম সাজু, আবু সালেহ শামীম, মনোজ দেব, কাওছার আহমেদ রানা, মুহিত হোসেন, কাহের আহমদ, কামাল হোসেন, ইমু চৌধুরী, খুরশেদ আলম শিপলু, ফাহাদ আহমদ সুমন, আব্দুল কাইয়ূম প্রমুখ।
নিউজডেস্ক:
ট্রাইবুনালের গেট থেকে নিখোঁজ হওয়া সাক্ষী সুখরঞ্জন বালির সন্ধান পাওয়া গেছে। ভারতের কলকাতার দমদম কারাগারে সে এখন আটক রয়েছে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের ইংরেজী দৈনিক নিউ এইজের বরাত দিয়ে তার সন্ধানের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার কথা বলেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। আর তার নিরাপত্তার বিষয়টিতেও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
সংস্থাটির কাছে বালি জানায়, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে সাক্ষ্য দিতে গেলে আদালতের গেট থেকে তাকে তুলে নিয়ে যায় বাংলাদেশের নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা। এরপর তাকে সীমান্ত দিয়ে জোর করে ভারতে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
তিনি ভারতে প্রবেশ করার পর ভারতীয় সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনী (বিএসএফ) তাকে আটক করে। তাদের হাতে নির্যাতিত হন তিনি। বর্তমানে কলকাতার দমদম জেলে বন্দি আছেন।
এ বিষয়ে সংস্থাটি সুখরঞ্জন বালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বাংলাদেশ ও ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানিয়েছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সুখরঞ্জন বালিকে যারা অপহরণ করেছিল তারা মনে করেছিল তাকে ভারতে পাঠিয়ে দেয়ার ফলে বিএসএফই তাকে মেরে ফেলবে। অথবা এভাবে চিরদিনের জন্য সে নিখোঁজ হয়ে যাবে। বালি যদি এখন বাংলাদেশে ফেরেন তাহলে তার জীবনের নিরাপত্তা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর পক্ষে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে সাক্ষী ছিলেন সুখ রঞ্জন বালি। ওই মামলায় সাক্ষ্য দিতে গেলে আদালতের গেট থেকে তিনি অপহৃত হন বলে অভিযোগ ওঠে।
























