Home Home Page Rank NTV ONLINE ETV ONLINE BANGLA  VISION ONLINE CHANEL I ONLINE EKATTOR TV ONLINE
২১-০৮-২০১৪ বৃহস্পতিবার

  ঈদ মোবারক, দৈনিক সিলেট ডটকম পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা এবং শুভানুধ্যায়ীদের জানাই পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক,    

 
 
 
মোবাইল ভার্সনে যারা আছেন
Free Global Counter
 
এই জনপদ
 
 
 
 
 

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি জাগপার কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট জেলা সভাপতি মকসুদ হোসেন, জেলা সাধারণ সম্পাদক তারেক আহমদ বিলাস, নগর আহবায়ক আব্দুল মোতাওয়াল্লি ফলিক, যুগ্ম আহবায়ক ও জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক আফছারুজ্জামান আফছার এক বিবৃতিতে সিলেট সাংবাদিক সমাজের অন্যতম অভিভাবক ও দৈনিক মানবজমিন সিলেটের বিশেষ প্রতিনিধি চৌধুরী মুমতাজ আহমদকে গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভুয়া মামলায় গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আওয়ামী দুঃশাসনের ফলে ষড়যন্ত্রকারীরা দেশপ্রেমিক ও সিনিয়র সাংবাদিককে গ্রেফতার করার দুঃসাহস দেখিয়েছে। সিলেটবাসী এটা কোনভাবেই মেনে নিতে পারেন না। দাবানল জ্বলে উঠার আগেই এই দেশপ্রেমিক আপোষহীন সাংবাদিক চৌধুরী মুমতাজকে নিঃশর্ত মুক্তি দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবী জানান। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এর দায়ভার বহন করবে।
               

 
 
 
 
 
 
 

সিনিয়র সাংবাদিক দৈনিক মানব জমিন এর বিশেষ প্রতিনিধি চৌধুরী মমতাজ আহমদকে একটি পরিকল্পিত ও সাজানো মামলায় গ্রেফতারের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন সিলেট বিভাগ অনলাইন সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ। এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা এহেন অন্যায় ঘটনায় বিস্মিত হয়েছি। ঘটনা পর্যালোচনা করলেই প্রমাণ পাওয়া যায় যে, পুরো বিষয়টি উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও পরিকল্পিত। তাই অবিলম্বে সাংবাদিক মমতাজ চৌধুরী নিঃশর্ত মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোরদাবী জানান।
বিবৃতিদাতা নেতৃবৃন্দরা হচ্ছেন- সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবীব, সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক অরুন চন্দ্র নাথ, কোষাধ্যক্ষ শিপন আহমদ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফারহানা বেগম হেনা, দপ্তর সম্পাদক সাহেদ আহমদ শান্ত, প্রচার সম্পাদক তোফায়েল আহমদ, সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক এম এস এ মাসুম খান, সদস্য- কাজী দেলওয়ার আহমদ, ফারুক খান কয়েস, এস এম ইকবাল হোসেন, মোঃ উবায়দুল্লাহ, নাহরিন লস্কর পান্না এবং সাবিনা রহমান বিনা।
               

 
 
 
 
 
 
 

এ.জে লাভলু, বড়লেখা প্রতিনিধি:
চিকিৎসাসেবা জনগনের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার স্লোগান বর্তমান মহাজোট আওয়ামীলীগ সরকার দিয়ে আসলেও এখনও এসে পৌঁছোয়নি মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার সীমান্তবর্তী উত্তর শাহবাজপুর একটি ঐতিহ্যবাহী জনবহুল এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়। স্বাধীনতার ৪২ বছরেও এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেনি। এ ইউনিয়নে সরকারি কোন আধুনিক চিকিৎসা কেন্দ্র না থাকায় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত এই গ্রামের প্রায় ৪০ হাজার মানুষ।
    সরজমিনে গেলে দেখা যায়, বিগত ১৯৯৮ সালে শাহবাজপুর ইউনিয়নের বুড়ারগোল নামক স্থানে ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রটি স্থাপিত হয়। সূচনালগ্ন থেকে একজন মেডিকেল সহকারি ছিলেন। কিন্তু বর্তমানে পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রটির ছয়টি পদ শূন্য রয়েছে। উক্ত পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে মহিলা ও শিশু রোগীর সংখ্যা বেশি। স্বাস্থ্যসেবা ও সঠিক চিকিৎসা সেবা জনগনের অধিকার হলেও সে অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন উত্তর শাহবাজপুরবাসী। এ ইউনিয়ন থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। উন্নত চিকিৎসার জন্য বিয়ানীবাজার ও বিভাগীয় শহর সিলেট যেতে হচ্ছে। উন্নত চিকিৎসা কেন্দ্র না থাকায় এ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের ভরসাস্থল হচ্ছে শাহবাজপুর বাজারে বিভিন্ন স্থানে চেম্বার খুলে বসা ভুয়া ডাক্তারদের উপর। শাহবাজপুর বাজারের বিভিন্নস্থানে চেম্বার খুলে বসেছেন এ সকল নামধারী ভুয়া ডিগ্রীধারী ডাক্তাররা তাদের নামের পিছনে বড় বড় ডিগ্রী লিখিয়ে বাজারে সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে এ গ্রামের সহজ-সরল লোকদের কাছ থেকে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
     শাহবাজপুর সচেতন যুব পরিষদের আহ্বায়ক কামরুল হাসান সুমন অভিযোগ করে জানান, এসব ডাক্তাররা প্রতিদিন ১৫০ থেকে ২০০ টাকায় প্রায় ৫০ থেকে ২০০ জন-এর অধিক রোগী দেখেন। অথচ আমরা দেখেছি এসব ভুয়া ডাক্তারের মধ্যে কেউ বা শিক্ষক ছিল, কেউ আর্টিস্ট ছিল, কেউ আবার মোদি দোকানদার ছিল।
      ইতিমধ্যে এসব ভূয়া ডিগ্রীধারী ডাক্তারদের বিরুদ্ধে শাহবাজপুর ইউনিয়নের সর্বস্থরের মানুষ প্রতিবাদী হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে শাহবাজপুর সচেতন যুব পরিষদ শাহবাজপুর বাজারের অদক্ষ ও ভুয়া ডিগ্রীধারী ডাক্তার দের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছে। তারা ¯ে¬াগান দিচ্ছে ”একজন ভুয়া ডাক্তারের চেয়ে, একজন সন্ত্রাসী দিয়ে শাহবাজপুরের মানুষকে হত্যা করাই উত্তম”। সব ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে আপামর জন সাধারন গনস্বাক্ষর অভিযানে স্বাক্ষও দিয়েছে এসব অদক্ষ ও ভুয়া ডিগ্রীধারী ডাক্তারদের বিরুদ্ধে। এলাকাবসী এ সকল প্রতারনার হাত থেকে বাঁচতে শীঘ্রই শুন্য পদে লোক নিয়োগ ও শাহবাজপুর বাজারে অদক্ষ ও ভূয়া ডিগ্রীধারীর বিরুদ্বে তদন্ত করার জন্য উপজেলারা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও ও জেলা সিভিল সার্জন ও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের  প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে।
    এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. আজিম উদ্দিন জানান, তদন্ত করে এসব ভুয়া ডাক্তারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
               

 
 
 
 
 
 
 

কানাইঘাট থেকে শিহাব:
কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ী ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষকের অব্যাহতি দেয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্র আন্দোলন অব্যাহত
রাখার ঘোষণা দিয়েছে আন্দোলনকারী ছাত্ররা। তাদের দাবি অন্যায় ভাবে তাদের প্রিয় শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাই অবিলম্বে অব্যাহতি বাতিল
করে তাকে স্বপদে ফিরিয়ে আনতে হবে এবং এর সাথে জড়িত শিক্ষকদের স্কুল
থেকে বহিষ্কার করতে হবে।অন্যথায় তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
ছাত্ররা আরো জানায়,রমজানে স্কুল খোলা রাখা হয়েছিল,তখন ছাত্ররা স্কুল বন্ধ
রাখার জন্য প্রধান শিক্ষক বরাবর আবেদন জানায় কিন্তু তিনি কোন সাড়া না দিয়ে সহকারী শিক্ষক মামুন এবং সুদাংশকে দিয়ে ছাত্রদের উপর অমানসিক নিযর্তন চালান।পরে কয়েক জন
শিক্ষক প্রতিবাদ জানালে আমাদের প্রিয় শিক্ষক আজমির
হোসেনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এ বিষয়ে অব্যাহতি দেওয়া শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান মিথ্যুক জাতি,সমাজ ও দেশের দুশমন
আমার বিরুদ্ধে যে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে তা সম্পুর্ন মিথ্যা ও
বানোয়াট একটি সংবাদ।আমি এ সংবাদের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।আমার
মতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মাধমে তাদের থলের বিড়াল বেরিয়ে আসছে বিধায় কতিপয় স্বার্থপর ব্যক্তি আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার
চালিয়ে আমার পাওনা টাকা আত্নসাত করার জন্য
শিক্ষকরা আন্দোলনের নাটক সাজিয়ে আমার পিছনে উঠে-পড়ে লেগেছে।যারা এ রকম মিথ্যা অপপ্রচার চালায় তারা শিক্ষকতার মহান পেশাকে কলংকিত করেছে।তারা মানুষ গড়ার কান্ডারী হয়ে সমাজ,জাতী ও
দেশের জঘন্য শত্রু।           

 
 
 
 
 
 
 

কাজী  জমিরুল ইসলাম মমতাজ , সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
দক্ষিণ সুনামগঞ্জে রনি মিয়া(৭) নামে এক স্কুল ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। সে উপজেলার পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের বাগেরকোণা শক্রমর্দন গ্রামের মোঃ ফারুক মিয়ার ছেলে। সে পাগলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র । বুধবার দুপুর ২টায় শিশুটির প্রতিষ্ঠানের সামনে তাকে হাত পা বাধাঁ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে। স্থানীয়দের ধারনা প্রতিপক্ষের লোকজনের সাথে দীর্ঘদিন ধরে ফারুক মিয়ার বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে এ ঘটনাটি ঘটতে পারে।
এ ব্যাপারে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোঃ আল আমিন জানান,নিহত শিশুটির পিতা ফারুক মিয়ার সাথে একই গ্রামের কিছু লোকের মামলা মোকদ্দমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটতে পারে। প্রতিপক্ষের নাম প্রকাশ করতে ওসি অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি। তবে প্রয়োজনে ডিএনএ পরীক্ষা করার কথাও জানান। 
               

 
 
 
 
 
 
 

যে জাতি সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে যত উন্নত সে জাতি ততই সমৃদ্ধ
জাপান প্রবাসী লেখক গবেষক সাংবাদিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা পি.আর. প্ল্যাসিড রচিত গল্পগ্রন্থ অন্যরকম ভালোবাসা ও কবি নাজমুল ইসলাম মকবুল’র কথা ও সুরে সিলেটের আঞ্চলিক ভাষার প্যারডি গানের অডিও অ্যালবাম আমরা ঘরর তাইন’র মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান ও সাহিত্য আড্ডায় বক্তারা বলেছেন, সাহিত্য ও সংস্কৃতি হচ্ছে জাতির হৃদস্পন্দন। যে জাতি সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে যত উন্নত সে জাতি ততই সমৃদ্ধ। প্রত্যেক মানুষের জীবনে ভালোবাসা আছে। ভালোবাসার কোন শ্রেণীভেদ নেই। স্থান কাল পাত্রভেদে ভালোবাসা অন্যরকম হয়। অন্যরকম ভালোবাসা গ্রন্থটি সিলেট লেখক ফোরাম’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি নাজমুল ইসলাম মকবুল’র নামে উৎসর্গ করে গল্পকার সিলেটবাসীকেই সম্মানিত করেছেন। বক্তারা আরও বলেন, আমাদের চারদিকে সমস্যার জট লেগেই আছে। এসবের নেপথ্য কারিগর হচ্ছে কতিপয় সুযোগ সন্ধানী প্রতারক কতিথ সমাজপতি ভন্ড নেতা পাতিনেতা। এদের কুট কৌশল ও দাপুটে বিচরণের ফলে প্রতারিত ও ক্ষতিগ্রস্থ হন দেশের খেটে খাওয়া সাধারন মানুষ তথা গ্রাম বাংলার নীরিহ জনসাধারন। সহজ সরল ও সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় আবহমান গ্রাম বাংলার সুরের মুর্ছনায় ছন্দোবদ্ধ করে সঙ্গীতের মাধ্যমে এসব লুটেরাদের মুখোশ ভিন্ন ধারায় উন্মোচন করেছেন খ্যাতিমান সাংবাদিক ও গীতিকার কবি নাজমুল ইসলাম মকবুল। 
মঙ্গলবার সিলেট ক্যামব্রিয়ান কলেজ অডিটরিয়ামে সিলেট লেখক ফোরাম আয়োজিত প্রকাশনা অনুষ্ঠান ও সাহিত্য আড্ডা ফোরাম সভাপতি কবি নাজমুল ইসলাম মকবুল’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, জাপান প্রবাসী লেখক গবেষক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা পি.আর. প্ল্যাসিড। লিডিং ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ক্লাবের সভাপতি ও ফোরাম সদস্য মিজানুর রহমানের পরিচালনায় মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, জাতীয় দৈনিক আজকের বাণী সম্পাদক আলহাজ্ব আতিকুল ইসলাম। প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিষ্ট্রার মোঃ হেদায়েত উল্লাহ তুর্কী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট ক্যামব্রিয়ান কলেজের ফাউন্ডার চেয়ারম্যান ও রেক্টর শিব্বির আহমদ ওসমানী, কলেজের অধ্যক্ষ মাহমুদ মিয়া, শেখ ফজিলাতুন নেছা মহিলা ফাযিল মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আহমদ আলী হেলালী, কবি মীম সুফিয়ান।
অনুষ্ঠানে ফোরাম সদস্য ও সিলেট ইয়াং স্টারের সাধারন সম্পাদক মোঃ এমদাদুল হক যুক্তরাজ্য গমণ উপলক্ষে বিশেষ সংবর্ধনা প্রদান ও সংগঠনের পক্ষ থেকে ক্রেস্ট উপহার দেয়া হয়।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জননী মিডিয়ার পরিচালক মোশাররফ হোসেন সুজা, সিলেট ইয়াং স্টারের সহ সভাপতি আব্দুল মতিন, সাখাওয়াত হোসেন রাজিব, ফোরামের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুল আমীন, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মো. ফখর উদ্দিন, তোফায়েল আহমদ, জুয়েল আহমদ রাজু প্রমূখ। প্রশ্নোত্তর পর্বে জাপানের ভাষা সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধান অতিথি। কৌতুক উপস্থাপন করেন, চলচ্চিত্র নির্মাতা মোঃ হেদায়েত উল্লাহ তুর্কী। 
যুক্তরাজ্য প্রবাসী কমিউনিটি নেতা আলহাজ জবান আলী ও সৌদি প্রবাসী কমিউনিটি নেতা ফেরদৌস চৌধুরী মিঠু অ্যালবামটির স্পন্সর করায় অনুষ্ঠানের পক্ষ থেকে তাদেরকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
               

 
 
 
 
 
 
 

ছাতক প্রতিনিধিঃ  
ছাতক টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে খাদিজা বেগম চৌধুরী এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ লাভ করেছে। সে পৌর শহরের নোয়ারাই এলাকার ব্যবসায়ী আজিজুর রহমান চৌধুরী ও গৃহিনী শাহানারা বেগমের কন্যা। ভবিষ্যতে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে আগ্রহী খাদিজা সকলের দোয়া প্রার্থী।
               

 
 
 
 
 
 
 

ছাতক প্রতিনিধিঃ    
দৈনিক মানবজমিনের বিশেষ প্রতিনিধি চৌধুরী মুমতাজ আহমদকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন ছাতক প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ। একটি সাজানো ও মিথ্যা মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে নেতৃবৃন্দ দাবী করেছেন। এক বিবৃতিতে ছাতক প্রেসক্লাবের সভাপতি আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন তালুকদার, সহ-সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হারুন অর-রশীদ, যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন রনি, সাংগঠনিক সম্পাদক চান মিয়া, অর্থ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম হিরন, দপ্তর সম্পাদক বিজয় দত্ত, প্রচার সম্পাদক রাজ উদ্দিন, সদস্য ডাঃ সুধাম দেব, বিজয় রায়, নুর মিয়া রাজু, রেজাউল করিম রেজা, নুরুল ইসলাম, হামিদুর রহমান বাবলু, তপন জ্যোতি, কৃপেশ চন্দসহ নেতৃবৃন্দ চৌধুরী মুমতাজ আহমদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবী করেছেন। এদিকে সংবাদ সংক্রান্ত বিষয়ে দৈনিক ইনকিলাবের বার্তা সম্পাদক রবিউল্লাহ রবিকে গ্রেফতার করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নেতৃবৃন্দ। অবিলম্বে রবিউল্লাহ রবি’র মুক্তির দাবী করেছেন তারা।
               

 
 
 
 
 
 
 

শাবি প্রতিনিধি:
গত ২৬ জানুয়ারী শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ , শিবির ও পুলিশের ত্রিমুখী সংঘর্ষে ভাংচুর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ বিনষ্টের ঘঠনায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু করেছে তদন্ত কমিটি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে গঠিত তদন্ত কমিটি কয়েকজন শিক্ষার্থীকে ঐ দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা , কর্মচারীদের গাড়ি ভাংচুর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ বিনষ্টের ঘটনায় সাক্ষ্য দিতে বললে তারা মঙ্গলবার  একাডেমিক ভবন এ-তে গিয়ে সাক্ষ্য দেন। তবে সাক্ষ্যদাতারা সবাই শিবিরের রাজনীতির সাথে জড়িত বলে জানা গেছে। শিবিরের পক্ষ হতে অভিযোগ করা হয়েছে ঘটনার সাথে শিবিরের মিথ্যা সংশ্লিষ্টতা প্রমাণের জন্যই মূলত শিবির নেতাকর্মীদের সাক্ষী দিতে বলা হয়েছে। এ সময়  সাক্ষ্যদাতা  শিক্ষার্র্থীদেরকে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে তদন্ত কমিটি তাদের মানসিক নির্যাতন করে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
সূত্র জানায়, এ বছরের ২৬ জানুযারী ছাত্রশিবিরের এক নেতার মোটর বাইকে অগ্নি সংযোগ করে তাকে মারধর করে ছাত্রলীগ কর্র্মীরা। এ ঘটনায় শিবির কর্মীরা ছাত্রলীগকে পরে ধাওয়া করলে শিবির-পুলিশ ও ছাত্রলীগের ত্রিমুখী সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় পুলিশের গুলি বর্ষণ, শিবির ও ছাত্রলীগের ইটপাটকেল নিক্ষেপে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থাপনা, পরিবহন বাসগুলো মারাত্বক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়।  এ ঘটনায় পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. নাজিয়া চেীধুরীকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তদন্ত কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল গণি ও বিএমবি বিভাগের প্রধান ড. শামীম আহমেদ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তদন্ত কমিটির প্রধান অধ্যাপক ড. নাজিয়া চৌধুরী বলেন, “এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। তদন্তের স্বার্থে এর বেশী কিছু বলা যাবেনা।  সাক্ষ গ্রহণ অনেক আগ থেকেই শুরু হয়েছে।”
               

 
 
 
 
 
 
 

সিলেট: সিলেটে একটি বেকারির গ্যাসের চুলায় বিষ্ফোরণে ইসমাইল হোসেন (৩০) নামে এক শ্রমিক  নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৭ জন ।
মঙ্গলবার রাতে পূর্বকুশিঘাট এলাকার এ দুর্ঘটনা ঘটে।
অন্যান্য আহতরা হলেন, শেফালি বেগম (৩৫), জনি আহমদ (২০), জাবেল আহমদ (১০), হাসিনা বেগম (৩৫), রেখা বেগম (৪০), আমান (১০) ও জলি বেগম (২০)। তারা সবাই পুষ্টি বেকারিতে কাজ করতেন।

 
 
 
জনমত জরিপ

তিস্তা অভিমুখে লংমার্চ করে বিএনপি কি রাজনৈতিক ভাবে লাভমান হয়েছে?

 
হ্যাঁ না
 
 

ফলাফল দেখুন

 
 

সিলেট ২১আগস্ট:               
সারা দেশের ন্যায় সিলেটেও পালিত হয়েছে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ। “মায়ের দুধ আর ঘরের তৈরী খাবার: লক্ষ্য হবে সফল জীবন পাবার’ স্লোগানকে সামনে রেখে সপ্তাহ উপলক্ষে  বৃহস্পতিবার সকালে নগরীর কিন ব্রীজ এলাকা থেকে একটি র‌্যালী বের করা হয়।
নগর অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দারিদ্র হ্রাসকরণ প্রকল্প ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত র‌্যালীর উদ্বোধন করনে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। র‌্যালীটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে নগর ভবন প্রাঙ্গনে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালী শেষে সিটি কর্পোরেশন হল রুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বাজারের অনেক গুঁড়ো দুধকে মায়ের দুধের বিকল্প দুধ হিসেবে খাওয়ানো হয়। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে মায়ের দুধের কোন বিকল্প নেই। শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ালে শুধু শিশুর জীবন রক্ষা এবং সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত হয় তাই নয়, শিশুর পরিপূর্ন বিকাশ ঘটে।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা এনামুল হাবীবের সভাপতিত্বে ও নগর অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দারিদ্র হ্রাসকরণ প্রকল্পের টাউন ম্যানেজার এম সাখাওয়াত হোসেনের পরিচালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর আব্দুল মুহিত জাবেদ, কাউন্সিলর তৌফিক বক্স লিপন, নগর অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দারিদ্র হ্রাসকরণ প্রকল্পে নিউট্রিশন এসপার্ট মোঃ আলমীগর হোসেন সহ সিটি কর্পোরেশনে কর্মকর্তা ও প্রকল্পের নেতৃবৃন্দ।
               

 
 
 
 

সিলেট ২১আগস্ট:
সিলেটে সদর উপজেলার খাদিমনগর ইউনিয়নের টিলাগাঁওয়ে জমসেদ আলী (৫৫) নামের এক কেয়ারটেকারের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।তিনি একই গ্রামের আনোয়ারুল হকের বাসার কেয়ারটেকার ছিলেন।
নিহত জমসেদ আলীর ভাতিজা ফয়জুর সংবাদমাধ্যমকে জানান, বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ২টার (বুধবার দিবাগত রাত) দিকে চাচা আমার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে ফোন দিয়ে বলেন, আমি অসুস্থ। তখন আমি বাড়ি থেকে আমার মা পিয়ারুন বেগম ও চাচী পারুল বেগমকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যাই। এ সময় চাচা আমাদেরকে বলেন আমার শরীর ভালো না। সকালে আমাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে। তখন আমরা রাতেই চাচাকে ডাক্তারে নেয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু চাচা ডাক্তারে যেতে অপারগতা জানান। পরে আমরা বাসায় চলে আসি। ভোরে পুনরায় চাচাকে দেখতে গিয়ে দেখা যায় চাচা গলায় গামচা পেছানো। ফয়জুর আরো জানান, জমসেদ আলীর বিছানায় পেপসির ভাঙ্গা বোতলও পড়েছিল।
তিনি জানান, তার চাচার সঙ্গে বাসায় মদন মোহন কলেজের দুই শিক্ষার্থী মেস করে থাকত। তাদের মধ্যে জীবন আহমদ (২২) এর বাড়ি জগন্নাথপুর এলাকায়। আলী আহমদ নামের অপর জনের বাড়ি ছাতক উপজেলায় বলে জানান তিনি।
ফয়জুর আরো জানান, বুধবার চাচা জমসেদ ব্যাংক থেকে ৫০ হাজার টাকা  উত্তোলন করেন জীবন আহমদকে নিয়ে । সকালে আমরা এসে দেখি জীবন ও আলী আহমদ বাসায় নেই। আমাদের ধারণা টাকার জন্যই চাচাকে খুন করা হয়েছে।               

 
 
 

ঢাকা, ২১ আগস্ট: বাংলাদেশে বিভিন্ন ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেলের সমপ্রচারের অনুমতি ও ফি প্রদানের বিষয়ে প্রতিবেদন চেয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের হাইকোটের্র অবকাশকালীন বেঞ্চ আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে রিটকারী ও কেবল টিভি নেটওয়ার্ককে এই প্রতিবেদন দিতে বলেছেন।

বৃহস্পতিবার আদালতে রিটকারীর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন মো. একলাস উদ্দিন ভূঁইয়া। কেবল টিভি নেটওয়ার্কের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আব্দুল মতিন খসরু।

বাংলাদেশে ভারতীয় তিনটি চ্যানেলের সমপ্রচার বন্ধে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা চেয়ে গত ৭ই আগস্ট রিট করেন শাহিন আরা লাইলী।

রিটে বলা হয়, ভারতীয় বিভিন্ন চ্যানেল বাংলাদেশে দেখানো হলেও ভারতে বাংলাদেশের কোনো চ্যানেল  দেখানো হয় না। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় চ্যানেলের অবাধ সমপ্রচারের কারণে দেশের টিভি চ্যানেলগুলো দর্শক হারাচ্ছে। দেশ হারাচ্ছে নিজস্ব সংস্কৃতি। সর্বশেষ ভারতীয় চ্যানেলে প্রচারিত একটি সিরিয়ালের একটি চরিত্রের পোশাকের জন্য দুইজনের প্রাণও গেছে।           

 
 
 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
হামাসের সামরিক বিভাগের প্রধান মোহাম্মেদ দেইফকে ফের হত্যার চেষ্টা চালিয়েছিল ইসরায়েলি বাহিনী। কিন্তু এবারও তিনি প্রাণে বেঁচে গেছেন এবং হামাসের সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তবে মঙ্গলবার রাতে গাজায় তার বাসভবনকে লক্ষ্য করে চালানো ওই বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন তার স্ত্রী ওয়াইদাদ (২৭) এবং সাত মাসের শিশুপুত্র।

গত দু’দিন ধরে মঙ্গলবার রাতের ওই ইসরায়েলি হামলা নিয়েই আলোচনা চলছে গোটা মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে। ইসরায়েলি হামলা থেকে তিনি বার বার কীভাবে নিজেকে রক্ষা করেন, এ নিয়েই সবার বিস্ময়। এ প্রশ্নে উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছে ‘দা ইনডিপেনন্ডেন্ট’ পত্রিকা। নিচে দৈনিক সিলেট ডটকম-এর পাঠকদের জন্য ওই প্রতিবেদনটির অনুবাদ তুলে দেয়া হলো।

‘ইনডিপেন্ডেন্ট’ পত্রিকায় ‘Israel-Gaza conflict: Hamas leaders do their best to stay hidden-but still expect to die’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেইফের আত্মরক্ষার কিছু কলাকৌশল তুলে ধরা হয়েছে।

ভাগ্য এবং নিজের বুদ্ধিমত্তার জোরেই বারবার ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে ফাঁকি দিয়ে চলেছেন মোহাম্মেদ দেইফ। তবে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক এক কর্মকর্তা বলেছেন, আত্মরক্ষার জন্য কিছু মৌলিক নিয়ম মেনে চলেন হামাসের এই নেতা। তিনি সবসময় আত্মগোপনে থাকেন-কখনোই প্রকাশ্যে আসেন না্। কোনো বৈঠকেও অংশ নেন না এবং সরাসরি কাউকে নির্দেশ দেন না। হামাসের গুটিকয়েক বিশ্বাসযোগ্য কর্মীই কেবল তার অবস্থান জানেন। তবে তিনি একস্থানে বেশিক্ষণ থাকেন না-দ্রুত নিজের অবস্থান এবং গাড়ি পরিবর্তন করেন। তিনি কোনো মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন না। এ কারণে তার অবস্থান নির্দিষ্ট করা সম্ভব হয় না।

এছাড়া ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের ভুল পথে পরিচালনা করাও দেইফের একটি কৌশল। তিনি সবসময় নিজের অবস্থান সম্পর্কে ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের ভুল তথ্য দেন।

শুধু দেইফ নয়, গাজায় ইসরায়েলি হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে নিজেদের জীবন বাঁচাতে ইসমাইল হানিয়েহসহ হামাসের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক নেতারা আত্মগোপনে চলে গেছেন। সামি আবু জুহরি এবং মুশির আল- মাসরির মতো তরুণ নেতারাই কেবল জনসমক্ষে আসছেন।

তবে সবচেয়ে কঠোর নিরাপত্তা সতর্কতা অবলম্বন করেন হামাসের প্রধান নেতা খালেদ মাশাল। তবে নিরাপত্তার জন্য তিনি গাজায় থাকেন না, থাকেন কাতারে। ১৯৯৭ সালে ইসরায়েল তাকে গুপ্ত হত্যার চেষ্টা চালিয়েছিল।

এর আগেও আরো চারবার তাকে হত্যার প্রচেষ্টা চালিয়েছিল ইসরায়েল। এর আগে ২০০৬ সালে শেষবার তাকে মারার চেষ্টা করা হয়েছিল। তখন বেঁচে গেলেও গুরুতর আহত হয়েছিলেন দেইফ। মঙ্গলবারও তিনি বেঁচে গেছেন। কিন্তু ওই হামলায় নিহত হয়েছেন তার স্ত্রী ওয়াইদাদ এবং সাত মাসের ছেলে আলি।

ইসরায়েলি নিরাপত্তা সংস্থা শেন বেতের গবেষণা শাখার সাবেক প্রধান বারাক বেন তেসুর বলেছেন, ‘দেফের শারিরীক পরিস্থিতি আমি জানি না। তবে সম্পর্ণ নিরাপদ রয়েছে এমনটি আমি মনে করছি না।’

ইসরায়েলি গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে দিয়ে ফক্স নিউজ জানায়, ইসরায়েল মনে করছে, মঙ্গলবারের ওই বিমান হামলায় দেইফ নিহত হয়েছেন। তবে এ বিষয়ে এখনই করে কিছু বলা যাচ্ছে না। এর আগে ২০০৬ সালে তার ওপর হামলা করার পর মনে করা হয়েছিল, তিনি মারা গেছেন। দীর্ঘ ছয় মাস পর ইসরায়েল জানতে পারে, তিনি কেবল আহত হয়েছিলেন, তাকে হত্যা করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার দেইফ তার স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে নিজের বাড়িতে অবস্থান করছেন এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার পরই হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েলি বাহিনী। তার পরও তিনি কীভাবে বেঁচে আছেন তাতে বিস্ময় প্রকাশ করেছে মোসাদের এক সাবেক কর্মকর্তা।

ইসরায়েলের বিজ্ঞানমন্ত্রী এবং সাবেক শেন বেইত প্রধান ইয়াকভ পেরে বলছেন, ‘সম্ভবত হামলার সময় বাড়িতে ছিলেন না মোহাম্মেদ দেইফ। নিশ্চিত না হয়ে আমাদের তার বাড়িতে হামলা চালানো উচিত হয়নি।’
               

 
 
 

সুনামগঞ্জ: প্রবাসী বিএনপি নেতা মুজিবুর রহমান মুজিব ও তার গাড়িচালক রেজাউল হক সোহেলের অপহরণ ঘটনা নিয়ে দুজন দুরকম কথা বলেছেন। তাদের বক্তব্যে গরমিল পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাংবাদিকদের এই তথ্য দেন তিনি। তিনি আরো জানান, সাড়ে তিন মাস পর নিখোঁজ থাকার পর উদ্ধার এই বিএনপি নেতাকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবে পুলিশ। মুজিবের বর্ণনায় ওঠে আসা ঘটনাস্থলগুলো পরিদর্শন ও যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী সিদ্ধান্তে যাবে পুলিশ।
দুপুর ১২টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেমায়েতুল ইসলাম মুজিবকে নিয়ে সিলেটের উদ্দেশ্য যাত্রা করেছেন। প্রথমে তাকে নিয়ে সিলেটের টুকেরবাজার যায়।
মুজিব পুলিশকে বলেছেন, সিলেটের টুকেরবাজার থেকে তাকে তুলে নিয়ে যায় অপহরণকারীরা।
এদিকে, বুধবার রাতে মুজিবকে সুনামগঞ্জে নিয়ে আসার পর পুলিশ সুপারের অফিসে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার হাজিপাড়ার বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পুলিশের নজরদারীতে ছিলেন তিনি।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ সুপার হারুন অর  রশীদ তার অফিসে উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, ঘটনাস্থলগুলো মুজিবকে নিয়ে পরিদর্শন শেষে তাকে আদালতে তোলা হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, মুজিবুর ও গাড়ি চালক সোহেলকে পৃথক স্থানে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাদের দুজনের দেয়া তথ্যের মধ্যে গরমিল রয়েছে।
মুজিব অপহরণ হয়েছেন, তার এই দাবির সত্যতা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পুলিশ সুপার বলেন, ‘বর্তমানে পুলিশের কাছে অনেকগুলো বিষয়ই রহস্যজনক মনে হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের পর বিস্তারিত জানা যাবে।
               

 
 
 

সিলেট ২১আগস্ট:
আজ ভয়াল ২১ আগস্ট। ইতিহাসের আরও একটি কলঙ্কময় দিন। ২০০৪ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। তবে ওই ঘটনায় বেঁচে যান শেখ হাসিনা। ন্যক্কারজনক ওই ঘটনায় প্রাণ হারান মরহুম রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী ও মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভী রহমানসহ ২৪ জন। আহত হন ওই দিনের সমাবেশে আসা আরও শতাধিক নারী-পুরুষ। ওই সময় সরকারে ছিল বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট। অভিযোগ রয়েছে, সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ইন্ধনে জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশ (হুজি) ওই নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়। ওই ঘটনার পর জজ মিয়া নাটক সাজিয়ে ঘটনাটিকে ভিন্ন দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়।

দশ বছরেও শেষ হয়নি মামলার বিচার। আর কবে নাগাদ শেষ হবে এই আলোচিত হত্যা মামলার বিচার, তা সুনির্দিষ্ট করে কেউ বলতে পারছে না। মামলার মোট সাক্ষী ৪৯৪ জন। অথচ গতকাল বুধবার পর্যন্ত মাত্র ৯৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। ৯৯তম সাক্ষী পুলিশ ইন্সপেক্টর মিজানুর রহমানের জেরা চলছে। মামলায় মোট আসামির সংখ্যা ৫২ জন। এদের মধ্যে ১৯ জন পলাতক, জামিনে রয়েছেন ৮ জন, কারাগারে রয়েছেন ২৫ জন। পুরানো ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে কেন্দ্রীয় কারাগার সংলগ্ন এজলাসে ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলার বিচার কাজ চলছে।

রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি বিশেষ পিপি সৈয়দ রেজাউর রহমান জানান, মামলার ৯৯ তম সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে। কবে নাগাদ বিচার কাজ শেষ হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ন্যায় বিচারের স্বার্থে কিছুটা সময় লাগবে। তাই নির্দিষ্ট করে সময়সীমা বলা সম্ভব না।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় মতিঝিল থানায় পুলিশ বাদী হয়ে পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করে। কিন্তু বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে। হামলার দায় চাপানোর চেষ্টা করা হয় আওয়ামী লীগের উপর। সাজানো হয় জজ মিয়া নাটক। গ্রেফতার করা হয় আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার মোখলেছুর রহমান, ভবঘুরে যুবক জজ মিয়াসহ ২০ জনকে। এমনকি নষ্ট করা হয় গ্রেনেড হামলা মামলার আলামত। জজ মিয়া নাটক জানাজানি হবার পর বন্ধ হয়ে যায় মামলার কার্যক্রম। তবে ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে নতুন করে শুরু হয় মামলার কার্যক্রম। মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান সিআইডির সিনিয়র এএসপি ফজলুল কবির। তিনি ২০০৮ সালের ১১ জুন বিএনপি নেতা সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, তার ভাই মাওলানা তাজউদ্দিন, হরকাতুল জিহাদের (হুজি) নেতা মুফতি হান্নানসহ ২২ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। এরপর ২০০৮ সালের ২৯ অক্টোবর থেকে ২০০৯ সালের ৯ জুন পর্যন্ত ট্রাইব্যুনাল ৬১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। তবে ওই চার্জশিটে গ্রেনেড হামলার ঘটনায় গ্রেনেড সংগ্রহ ও সরবরাহকারী, পরিকল্পনাকারী আসামিদের সনাক্ত ও অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এ অবস্থায় রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০০৯ সালের ৩ আগস্ট ট্রাইব্যুনাল অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন। মামলার তদন্তভার দেয়া হয় সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার আব্দুল কাহার আকন্দকে। তিনি ২০১১ সালের ৩ জুলাই বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে সম্পুরক চার্জশিট দাখিল করেন। আর ২০১২ সালের ১৮ মার্চ সম্পূরক চার্জশিটের ৩০ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে শুরু হয় বিচার কাজ।

৮ জনের জবানবন্দি: ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় আট জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা হলেন- মুফতি হান্নান, শরীফ শাহেদুল আলম বিপুল, মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডা. জাফর, মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ওরফে অভি, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, জাহাঙ্গীর আলম, আরিফ হাসান সুমন ও রফিকুল ইসলাম সবুজ।

পলাতক রয়েছেন ১৯ জন: তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরী, বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য কাজী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন কায়কোবাদ, হানিফ এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. হানিফ, হাফেজ ইয়াহিয়া, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আবদুল হাই, রাতুল বাবু, ডিএমপির সাবেক ডিসি (পূর্ব) ওবায়দুর রহমান, ডিএমপির সাবেক ডিসি (দক্ষিণ) খান সাঈদ হাসান, লে. কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার, মেজর (অব.) এ টি এম আমিন, মাওলানা তাজউদ্দিন (গ্রেনেড সরবরাহকারী দক্ষিণ আফ্রিকায়) ঝিনাইদহের ইকবাল, বরিশালের মাওলানা আবু বকর, মাগুরার খলিলুর রহমান, ঢাকার দোহারের জাহাঙ্গীর আলম ওরফে বদর ও গোপালগঞ্জের মাওলানা লিটন ওরফে জোবায়ের ওরফে দেলোয়ার। আর ভারতের তিহার কারাগারে আটক রয়েছেন হুজির সদস্য আনিসুল মোরসালিন ও মহিবুল মোত্তাকিন।

জামিনে রয়েছেন ৮ জন: পুলিশের সাবেক তিন মহাপরিদর্শক আশরাফুল হুদা, শহুদুল হক, খোদা বকস চৌধুরী, সিআইডির সাবেক তিন কর্মকর্তা রুহুল আমিন, মুন্সী আতিকুর রহমান, আবদুর রশিদ, খালেদা জিয়ার ভাগ্নে লে. কমান্ডার (অব.) সাইফুল ইসলাম ডিউক এবং ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক বিএনপি নেতা কাউন্সিলর আরিফুর রহমান।

কারাগারে রয়েছেন ২৫ জন ঃ সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুত্ফুজ্জামান বাবর, সামরিক গোয়েন্দা অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক রেজ্জাকুল হায়দার, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক মহাপরিচালক আব্দুর রহিম, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুজাহিদ, মাওলানা ফরিদ, মুফতি আব্দুল হান্নান ওরফে সাব্বির, হুজির সাবেক আমির মাওলানা আবদুস সালাম, কাশ্মীরি জঙ্গি আব্দুল মাজেদ বাট, জঙ্গি আব্দুল মালেক ওরফে গোলাম মোস্তফা, মুফতি আবদুল হান্নান মুন্সী ওরফে আবুল কালাম ওরফে আবদুল মান্নান, মহিবুল্ল¬াহ মফিজুর রহমান ওরফে অভি, শরিফ শাহেদুল আলম বিপুল, মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডা. জাফর, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, মো. জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, শাহাদাত উল্লাহ ওরফে জুয়েল, হোসাইন আহম্মেদ তামিম, মো. আবদুস সালাম পিন্টু, মঈন উদ্দিন শেখ ওরফে মুফতি মঈন ওরফে খাজা ওরফে আবু জান্দাল ওরফে মাসুম বিল্ল¬াহ, রফিকুল ইসলাম ওরফে সবুজ ওরফে খালিদ সাইফুল্ল¬াহ ওরফে শামিম ওরফে রাশেদ ও উজ্জল ওরফে রতন ও আরিফ হাসান ওরফে সুমন ওরফে আবদুর রাজ্জাক।               

 
 
 

কাজী মাহমুদুল হক সুজন : চুনারুঘাটে পঞ্চম শ্রেণী পড়–য়া ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে এক সেলুন ব্যবসায়ীকে ২ বছরের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার রাত ১০টায় চুনারুঘাটের ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাশহুদুল কবির এ দন্ডাদেশ দেন।
সূত্র জানায়, কিশোরগঞ্জের তাড়াইল নয়াপাড়া গ্রামের লিয়াকত আলীর পুত্র আব্দুল কবির দীর্ঘদিন ধরে চুনারুঘাট শহরের হাতুন্ডা এলাকায় বসবাস করে সেলুনের ব্যবসা করে আসছে। তার পাশের বাসায় বসবাস করেন আলহাজ্ব আব্দুল হান্নান। পাশাপাশি বাসায় বসবাসের সুবাদে গতকাল আব্দুল হান্নানের কন্যা সেলুন ব্যবসায়ী করিমের বাসায় যায়। সুযোগ বুঝে করিম তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় মেয়েটি করিমের হাতে কামড় দিয়ে পালিয়ে বাসায় গিয়ে ঘটনটি পরিবারের লোকজনকে জানায়। পরিবারের লোকজন প্রতিবেশিদের সহায়তায় করিমকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। রাতে এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ভ্রাম্যমান আদালত বসে। আদালতের কাছে করিম দোষ স্বীকার করায় আদালত তাকে ২ বছরের কারাদন্ডে দন্ডিত করেন।
               

 
 
 

নিউজডেস্ক:   
যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিএনপি নেতা মুজিবুর রহমান মুজিব অপহরণের ঘটনায় এখন রহস্যের কেন্দ্রে ওঠে এসেছে গাড়িচালক রেজাউল হক সোহেলের নাম। সে অপহরণকারীদের সোর্স হিসেবে কাজ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে মুজিবের ঘনিষ্ঠজনদের পক্ষ থেকে। অপহৃত অবস্থায় গাড়িচালক রেজাউল হক সোহেল কোথায় ছিল তা জানতেন না মুজিব। অপহরণকারীদের কাছ থেকে মুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাকে দেখতে পান তিনি। মুক্ত হওয়ার পর বাড়িতে যাওয়ার কথা বলেও বাড়ি যায়নি সোহেল। গতকাল রাজধানীর গুলশান এলাকার একটি হোটেল থেকে তাকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। অপহরণের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রহস্যজনক আচরণ করেছে সে। তবে বিএনপি নেতা মুজিবুর রহমান মুজিবের দাবি, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমেই যেন এই রহস্য উদঘাটন করা হয়। সূত্র জানায়, আজ বিএনপি নেতা মুজিবুর রহমান মুজিব ও তার গাড়ি চালক সোহেলকে সুনামগঞ্জে আদালতে হাজির করা হবে। সেখানে তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে। গতকাল বেলা ২টায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতাল থেকে সুনামগঞ্জের উদ্দেশে যাত্রা করেন মুজিব। এ সময় সুনামগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেমায়েতুল ইসলাম ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা পুলিশের কয়েকজন সদস্য তার সঙ্গে যান। ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জ যাওয়ার পথে মুজিবের গাড়ির পেছনে নিরাপত্তার জন্য পুলিশের একটি গাড়ি ছিল বলে এএসপি হেমায়েত নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গুলশান থেকে সোহেলকে আটক করে পুলিশ। সূত্র জানায়, শুরু থেকেই সোহেলের আচরণ সন্দেহমূলক। উদ্ধার হওয়ার পর মুজিবের কাছ থেকে বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে ১০০০ টাকা নিয়ে গেলেও সে বাড়িতে যায়নি। জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকেও সে বিশ্বাসযোগ্য কোন তথ্য দেয়নি। এএসপি হেমায়েত জানিয়েছেন, বাড়িতে না যাওয়ার কারণ সম্পর্কে চালক সোহেল জানিয়েছে, ভয়ে সে বাড়িতে যায়নি। সিলেট থেকে সুনামগঞ্জের দুরত্ব ৬৮ কিলোমিটার। ঘটনার দিন সুনামগঞ্জ থেকে টয়োটা এলিয়ন গাড়িতে করে সিলেট যাচ্ছিলেন মুজিব। সোহেল গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিল। এসময় পথে দু’বার সে গাড়ি থেকে নামে। প্রথমবার পাগলা ও দ্বিতীয়বার ঘটনাস্থলের কাছাকাছি লামাকাজী এলাকায়। লামাকাজী পার হয়ে টুকের বাজার এলাকায় পুলিশ গাড়ি তল্লাশি করছিল। সারাদিন রাজনৈতিক কর্মসূচি শেষে ক্লান্ত ছিলেন মুজিব। এসময় ঘুম ঘুম ভাব ছিল তার। মুজিবকে পুলিশের তল্লাশির বিষয়টি চালক সোহেলই জানায়। মুজিব তখন বলেন, সমস্যা কিসের? তুমি চালিয়ে যাও। এর মধ্যেই চালক সোহেল আবার জানায়, পুলিশ গাড়ি থামাতে সঙ্কেত দিয়েছে। মুজিব বলেন, ঠিক আছে গাড়ি থামাও। এরপরেই ড্রাইভিং লাইসেন্স সংক্রান্ত ভুয়া দাবি করে চালক সোহেলকে নিয়ে যায় পুলিশ। অপহৃত হন মুজিব। তারপর প্রায় দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস অপহৃত অবস্থায় থাকলেও চালকের কোন খোঁজখবর জানতেন না তিনি। গত সোমবার মুজিবকে গাজীপুর এলাকায় ফেলে যাওয়ার পর চোখ খুলেই সোহেলকে দেখতে পান মুজিব। দু’জনের পরনেই তখন অপহরণকারীদের পরানো বোরকা। তাৎক্ষণিকভাবে সিএনজি অটোরিকশা ভাড়া করে তারা টঙ্গিতে যান। পরে টঙ্গি থেকে গুলশান যান মুজিব। পথিমধ্যে মুজিবের কাছ থেকে ১০০০ টাকা নিয়ে বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে চলে যায় সোহেল। কিন্তু রহস্যজনকভাবে সে বাড়িতে না গিয়ে ঢাকাতেই আত্মগোপনে ছিল। অন্যদিকে তাকে আটক করতেও তেমন কোন বেগ পেতে হয়নি পুলিশকে। গতকাল সকাল ১১টায় তাকে আটক করা হয়েছে। অপহরণের এই ঘটনার শুরু থেকেই সোহেলের আচরণ রহস্যজনক বলে মনে করছেন মুজিবের স্বজনরা। তবে পুলিশ মনে করছে জিজ্ঞাসাবাদেই সত্য বের হয়ে আসবে। চালক সোহেল সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারের মান্নারগাঁও ইউনিয়নের সাউদেরগাঁও গ্রামের আবদুল ওয়াহিদের ছেলে। তার পরিবার সুনামগঞ্জ শহরের উকিলপাড়া এলাকায় বসবাস করে। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে মুজিবুর রহমান মুজিবের চালক হিসেবে কর্মরত।
তারেক রহমানের পরিকল্পনা জানতে চায় অপহরণকারীরা
যুক্তরাজ্যে অবস্থানকারী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্পর্কে নানা তথ্য চেয়ে মুজিবকে বেদম প্রহার করেছে অপহরণকারীরা। কিন্তু প্রতিবারই প্রবাসী বিএনপি নেতা মুজিবুর রহমান মুজিব  জানিয়েছেন তিনি তার সম্পর্কে কিছুই জানেন না। গতকাল দুপুরে ইউনাইটেড হাসপাতালে কথা হয় মুজিবের সঙ্গে। তিনি তার পোশাক খুলে পিঠ দেখান। শরীর জুড়ে লাঠির আঘাতের চিহ্ন। পিঠে অনেক কালো দাগ। একই ভাবে হাড়ের জোড়ায় জোড়ায়ও রয়েছে কালো দাগ। মুজিব জানান, তারা জানতে চাইতো বিএনপিকে নিয়ে দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পরিকল্পনা কি, তিনি কি করতে চান। লন্ডনে কাদেরকে নিয়ে তিনি দলীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেন। তারেক রহমানের অর্থের উৎস সম্পর্কে জানার জন্য বেদম প্রহার করতো তারা।
অপহরণকারীরা বলতো, সত্য কথা না বললে তোকে মেরে ফেলা হবে। তারা তারেক রহমানের টাকার উৎস সম্পর্কে জানতে চাইতো। তাকে দুর্নীতিবাজ বলে এ সংক্রান্ত তথ্য চাইতো। মুজিব একবার তাদের বলেছেন, আমাকে মেরে ফেললেও মিথ্যা বলবো না। অপহরণকারীদের সম্পর্কে তিনি বলেন, তারা প্রশিক্ষিত। অপহৃত অবস্থায় মুজিবকে  খাবার দেয়ার মধ্যেও ছিলো শৃঙ্খলা। দুই পিস মাংস দেয়া হতো। সেখানে কখনও তিন বা এক পিস হতো না। তারা প্রায়ই তাদের একজনকে স্যার বলে সম্বোধন করতো। এমনকি মাঝে মাঝে শোনা যেতো তারা একে অন্যকে বলছে, এই প্রস্তুত হও সিও স্যার আসছেন। এসময় বুট জুতার হাঁটার শব্দ পেতেন তিনি। মাঝে মাঝে মুজিবের চুল, দাড়ি কেটে দিতো তারা। মুজিবকে ছেড়ে দেয়ার আগেও তার চুল কেটে দিয়েছে অপহরণকারীরা। গতকাল মুজিবকে দেখতে হাসপাতালে যান ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি সানাউল হক নিরু, যুবদলের যুক্তরাজ্যের সাবেক সভাপতি মুকাদ্দেস নিয়াজ। এর আগে রাতে মুজিবকে দেখতে হাসপাতালে যান বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু। -মানবজমিন (২১-০৮-১৪)
               

 
 
 

ঢাকা, ২০ আগস্ট: সম্প্রতি ঘোষিত জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালাসহ সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সম্পাদক পরিষদ। বুধবার ডেইলি স্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত পরিষদের এক সভায় এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
সংগঠনের সভাপতি সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় নিম্নোক্ত প্রস্তাবসমূহ সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়:

সম্প্রতি ঘোষিত জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালাসহ সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও অবাধ তথ্যপ্রবাহে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হবে বলে সম্পাদক পরিষদ উদ্বিগ্ন। এসব পদক্ষেপ গ্রহণ করে সরকার গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে বলে সম্পাদক পরিষদ মনে করে।

সংবিধানে গণমাধ্যমের স্বাধীনতাসহ যেসব নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে, তথ্য অধিকার আইনে অবাধ তথ্য লাভের যে সুযোগ অবারিত করা হয়েছে, সরকারের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ তার সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। এর ফলে গণতন্ত্রের ভিত্তি দুর্বল ও গণমাধ্যমের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হবে। দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি ও তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অংশীজনদের দ্বারা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আচরণবিধি প্রণয়নের যে কোন উদ্যোগকে সম্পাদক পরিষদ স্বাগত জানাবে।

মঙ্গলবার ইনকিলাব কার্যালয়ে পুলিশি অভিযান ও দেশের বিভিন্ন স্থানে গণমাধ্যম কর্মীদের গ্রেপ্তার, হয়রানি ও তাদের ওপর হামলার নিন্দা জানাচ্ছে সম্পাদক পরিষদ।

প্রবীণ সাংবাদিক এবিএম মুসা ও ইনডিপেন্ডেন্টের সাবেক সম্পাদক ও সম্পাদক পরিষদের সদস্য মাহবুবুল আলমের মৃত্যুতে সম্পাদক পরিষদ গভীর শোক প্রকাশ করে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন- মাহফুজ আনাম, মতিউর রহমান, রিয়াজ উদ্দিন আহমদ, তাসমিমা হোসেন, মতিউর রহমান চৌধুরী, মোজাম্মেল হোসেন, শ্যামল দত্ত, আলমগীর মহীউদ্দীন, খন্দকার মুনীরুজ্জামান, মোয়াজ্জেম হোসেন, ইমদাদুল হক মিলন, নঈম নিজাম, শাহজাহান সরদার, সাইফুল আলম, আমির হোসেন ও এম শামসুর রহমান।               

 
 
 

সিলেট ২০ আগস্ট:
সিলেটে বিল্ডিং কোডের বাইরে গিয়ে কোন দালান নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। আর কেউ এমন করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বুধবার সিলেট নগরীর একটি হোটেলে সিলেট দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় করণীয় বিষয়ে এক সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘অপারেশনালাইজিং দ্য ডিজেস্টার ম্যানেজমেন্ট ইন সিলেট: রুলস এন্ড রেসপনসিবিলিটিস অব লোকাল অথোরিটিজ এন্ড লোকাল এ্যাক্টরস’ শীর্ষক এই সেমিনার যৌথভাবে আয়োজন করে সিলেট সিটি কর্পোরেশন ও ওয়ার্ল্ড ব্যাংক।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাবিবের পরিচালনায় সেমিনারে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আরবান রেজিলেন্স প্রজেক্টের গবেষণা সহকারী জিকরুল হাসান ফুহাদ, প্রজেক্ট টীম লিডার ড. মেহেদি আনসারী। সেমিনারে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ইএমআই প্রজেক্টের টিম লিডার ড. ফুয়াদ ভেনডিমুরাদড ফার্নিনান্দ ভেন্ডিমুরাদ। উপস্থিত ছিলেন জালালাবাদ ক্যান্টনম্যান্টের লে. কর্ণেল খায়ের, মেজর আরিফ, সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সুধাময় মজুমদার। এছাড়া সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলরবৃন্দ, বিভিন্ন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, সিলেট অত্যন্ত ভূমিকম্প প্রবণ এলাকা। যে কোন সময় বড় ধরণের ভূমিকম্পের সম্ভাবনা রয়েছে। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ডাউকি ফল্ট আমাদের একেবারে কাছে। তাই ভূমিকম্প হলে সিলেট অঞ্চলে ঝুকিপূর্ন ও অপরিকল্পিত ভবনগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে বলে বিশেজ্ঞরা বারবার সতর্ক করছেন। তাই আমাদের এখন থেকে সচেতন হতে হবে। তিনি বিশ্ব ব্যাংকের ‘বাংলাদেশ আরবান রেজিলেন্স প্রজেক্ট’ এ সিলেট সিটি কর্পোরেশনকে অন্তর্ভূক্ত করায় সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। নগরীতে দুর্যোগ প্রস্তুতি বিষয়ে এই প্রকল্প পরিচালনায় তিনি সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সবধরণের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।
               

 
 
 

সিলেট ২০ আগস্ট:
দেশের মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজগুলোতে ২০১৪-২০১৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির জন্য আগামী ২৪ অক্টোবর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (মেডিকেল শিক্ষা) এ বি এম আবদুল  হান্নান জানান, ২৪ অক্টোবর শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে একযোগে পরীক্ষা হবে। এবার সারা দেশে ২২টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা নেয়া হবে। বর্তমান পদ্ধতি অনুযায়ী এসএসসি ও এইচএসসির ফল মিলিয়ে অন্তত ৮ জিপিএ থাকলে মেডিকেলে ভর্তির আবেদন করতে পারবেন। এ বছর থেকেই ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষায় পাস নম্বর ২০ থেকে বাড়িয়ে ৪০ করা হয়েছে। এছাড়া ভর্তি প্রক্রিয়ায় বড় কোনো পরিবর্তন আসছে না বলে জানা গেছে।            

 
 
 
 
 
কবিতা
শিল্প-সাহিত্
মিডিয়া
ইসলাম
Image Missing
 
 
বিনোদন
বিনোদন
বিচিত্রা
বিচিত্রা
মুক্তমঞ্চ
Image Missing
 
 
খেলাধুলা
খেলাধুলা
স্বাস্থ্য
স্বাস্থ্য
তথ্য-প্রযুক্তি
তথ্য-প্রযুক্তি
 
 
সংবাদদাতা
জীবন সদস্য
সম্পাদক
 
দেশ বিদেশ
 
 
 

ঢাকা, ২১ আগস্ট: ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমার সামনে যখন গ্রেনেড ছোঁড়া হল, তখন মনে হচ্ছিলো যেন কেয়ামত হচ্ছে। একটার পর একটা গ্রেনেড বিস্ফোরিত হচ্ছিলো ভীষণ শব্দ করে। আওয়ামী লীগের নেতার মরহুম হাফিসহ সবাই তখন মানববর্ম তৈরি করে আমাকে রক্ষা করেন।
বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ২১ আগস্টের স্মরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, হামলার পর তৎকালীন সরকার কোন আলামত রক্ষার চেষ্টা করেনি। তারা সব আলামত নষ্ট করে দেয়। এমনকি যারা লাশ ও আহতদের উদ্ধার করতে যায় তাদের উপর পুলিশ লাঠিচার্জ চালায়।
তিনি বলেন, গ্রেনেড হামলায় আহতদের চিকিৎসা বা কোন উদ্যোগ নিতে বিএনপি সরকারকে দেখা যায় নি। এমনকি আহতদের চিকিৎসা দিতে বিএনপিপন্থী চিকিৎসকরা এগিয়ে আসেনি। আমরা আহত এমপিরা হামলার বিষয়ে সংসদে কথা বলতে চাইলে বিএনপি সরকার আমাদের কথা বলতে দেয়নি।

 
 
 
 
 
 

ঢাকা, ২১ আগস্ট: মানহানির অভিযোগে ও ক্ষতিপূরণ চেয়ে তিন জাতীয় দৈনিকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ঢাকার মিরপুরের সংসদ সদস্য কামাল আহমেদ মজুমদার। মানহানির অভিযোগে দৈনিক প্রথম আলো, কালের কন্ঠ ও ইংরেজি দৈনিক ডেইলি সানের বিরুদ্ধে এ মামলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকার সিএমএম আদালতে তিনটি ফৌজদারি মামলা ও প্রথম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মানহানি হয়েছে মর্মে ক্ষতিপূরণ আদায়ের লক্ষে একটি দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়ের করেন তিনি।

মামলাগুলোতে প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, প্রতিবেদক কামরুল হাসান, কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, ডেইলি সানের সম্পাদক আমির হোসেন খান ও প্রতিবেদক তোফাজ্জল হোসেন রুবেলকে বিবাদী করা হয়েছে।

গত ১৮ অগাস্ট দৈনিক পত্রিকায় সাংসদের দপ্তরে \'আদালত\' শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। কালের কণ্ঠ ও ডেইলি সানও একই দিনে একই বিষয়ে প্রতিবেদন ছাপায়।

ওই প্রতিবেদনে কামাল মজুমদারের মানহানি হয়েছে বলে হাকিম আদালকে দায়ের করা মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।  আর এ কারণে ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে দেওয়ানি আদালতের মামলাগুলো দায়ের করা হয়েছে।               

 
 
 
 
 
 

ঢাকা: জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালাকে নিয়ন্ত্রণমূলক আখ্যা দিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক- সুজন এটি বাতিল করার দাবি জানিয়েছে।
একই সঙ্গে সংস্থাটি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে নীতিমালা নতুন করে করারও দাবি জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘সম্প্রচার নীতিমালা, আইন ও সম্প্রচার কমিশন’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় সুজন এ দাবি জানায়।
আলোচনায় বক্তারা শুধুমাত্র মালিক এবং সম্পাদকদের সঙ্গে নয়, রিপোর্টারদের সঙ্গেও নীতিমালা বিষয়ে আলোচনা করার জন্য পরামর্শ দেন।

বক্তারা বলেন, ‘সম্প্রচার নীতিমালা গণমাধ্যমবান্ধব নয়। এটি বাস্তবায়ন হলে গণমাধ্যম শিল্প হুমকির মুখে পড়বে।’

সভাপতির বক্তব্যে সুজন চেযারম্যান এম হাফিজ উদ্দিন বলেন, নারায়ণগঞ্জের ৭ খুন এবং মিরপুরের ঝুট ব্যবসায়িকে পিটিয়ে হত্যার পেছনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জড়িত থাকার খবর প্রকাশের পরই সরকার উঠে-পড়ে লেগেছে।

তিনি বলেন, গণমাধ্যম আছে বলেই আমরা এ হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে জানতে পারছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অপরাধ আড়াল করতেই তড়িঘড়ি করে এ নীতিমালা করছে সরকার।

হাফিজ উদ্দিন বলেন, সংসদের হাতে বিচারপতিদের অপসারণ ক্ষমতা এবং সম্প্রচার নীতিমালা বাস্তবায়িত ফলে এদেশে আর কোনো ঘটনার সুষ্ঠু বিশ্লেষণ হবে বলে মনে হয় না। হাইকোর্টের বিচারপতিরা অপসারণের ভয়ে এসব বিষয়ে কোনো রুলও দিবেন না।

গোলটেবিল আলোচনায় লেখক সাংবাদিক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, দেশে সরকার যেভাবে নীতিমালা করা শুরু করেছে, তাতে ভবিষ্যতে ড্রেসকোড মেনে সাংবাদিকদের হলুদ জামা এবং কলামিস্টদের হাফ প্যান্ট পরে রাস্তায় ঘুরতে হবে।

অনুষ্ঠানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, নেতারা তাদের সুবিধার জন্যই রাজনীতিকে ব্যবহার করেন। নিজের ইচ্ছেমত আইন তৈরি করেন। নির্বাচনের আগে আমরা দেখলাম এরশাদকে র্যা ব ধরে নিয়ে গেল অসুস্থ বলে। এরপর দেখা গেল তিনি গলফ খেলছেন। এটি কোনো রাজনৈতিক কৌশল হতে পারে না। এটা ছলছাতুরী।

তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে ভিন্নমত প্রকাশের কোনো সুযোগ নেই। দেশে একটি সংসদ থাকলেও কেউ খোঁজ নেয় না এটি কখন বসছে। সবাই তাকিয়ে থাকে গণমাধ্যমের দিকেই।

দিলারা চৌধুরী বলেন, দেশের অনেক অসংগতি গণমাধ্যমের মাধ্যমেই আমরা জেনে থাকি। এখন যদি গণমাধ্যম তাদের স্বাধীনতা হারিয়ে ফেলে, তাহলে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ব।

তিনি বলেন, সরকার এই নীতিমালার মাধ্যমে জনগণের অবস্থান পরিষ্কার হতে চাচ্ছেন। আপনারা নিশ্চিত থাকেন- ভবিষ্যতে এই নীতিমালা থেকে সরকার এমন আইন বের আনবে, যা গণতন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেক হয়ে দেখা দিবে।

গোলটেবিল আলোচনায় সমালোচিত এই নীতিমালা পুনর্বিবেচনায় এনে নতুন করে করার দাবি জানান সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।

তিনি বলেন, সকলের পরামর্শের ভিত্তিতে গণমাধ্যম এবং নাগরিকবান্ধব নীতিমালা করা হোক।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ তোফায়েল আহমদ বলেন, সম্প্রচার নীতিমালা গণমাধ্যমবান্ধব হলে এ নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। তবে দেখতে হবে তা সরকার কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর। আরো বক্তব্য রাখেন- সাবেক মন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, ঢাবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গোলাম রহমান, আমাদের অর্থনীতি সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান প্রমুখ।               

 
 
 
 
 
 

ফখরুল আলম,যুক্তরাজ্যে থেকে:
গত ১৯ আগষ্ট রাতে চেষ্টারের একটি রেষ্টুরেন্টে জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয়। যুক্তরাজ্যে আওয়ামীলীগ এর চেশিয়ার নর্থওয়েলস শাখার সভাপতি আ: ছালামের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোস্তাকিম আলীর পরিচালনায় অনুষ্টিত সভায় পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন জহিরুল ইসলাম ।
সভা শুরুর প্রথমেই স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ বাংলাদেশের সকল শহিদের আতœার মাগফেরাত কামনার করে সবাই এক মিনিট দাড়িয়ে নিরবতা পালন করেন।
 আলোচনা সভায় নেতৃবৃন্দরা -জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বর্ণাঢ্য জীবন কাহিনী সহ দেশ ও জাতির উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন কর্মকান্ড  আলোকপাত করেন। এবং নেতৃবৃন্দরা বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে দ্রুত ফাঁসির রায় কার্যকর করার জোর দাবি জানান বর্তমান সরকারের কাছে।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন , জে. এফ ট্রেনিং সেন্টারের পরিচালক জাহাঙ্গির ফিরোজ, সংযুক্ত আরব আমীরাতের সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের নেতা হাবিবুর রহমান চন্নু, জি এস সি এর চেস্টার এন্ড নর্থ ওয়েলস এর চেয়ারপার্সন আব্দুল মালিক, জি এস সি এর সাবেক সেন্টাল চেয়ারম্যান সোফু মিয়া, জি এস সি এর চেস্টার এন্ড নর্থ ওয়েলস এর সহ সভাপতি আজাদ উদ্দিন,  সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, জি এস সি উইরাল শাখার চেয়ারপার্সন কয়ছর মিয়া, এটিএম লোকমান, রেজাউল ইসলাম রেজা, চান্দ আলী, আব্দুল হাকিম, ছায়েদ আহমেদ, আবুল কাশেম নোমান প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ তার স্ব পরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা কান্ডে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় করে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয়।
 সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গ্রেটার সিলেট ডেভেলাপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল ইন ইউ কে এর উইরাল শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক জুয়েল চৌধুরী, লিভারপুল বাংলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম, যুগ্ন সম্পাদক আবু সাঈদ চৌধুরী সাদি, বাংলা টিভির ম্যানচেষ্টার প্রতিনিধি সাগর সহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ।

 
 
 
 
 
 

নিউজডেস্ক:
প্রায় ৩৬ বছর ধরে মাতৃগর্ভে ছিল ভ্রুণ। অবশেষে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে গর্ভ থেকে জন্ম না হওয়া ওই শিশুর কঙ্কাল বের করলেন চিকিত্সকরা। ঘটনাটি ভারতের মধ্যপ্রদেশের পিপারিয়া গ্রামের। ওই নারীর নাম কান্তাবাই গুণবন্ত ঠাকরে। বর্তমানে তার বয়স ৬০।
কান্তাবাই তার ২৪ বছর বয়সে ১৯৭৮-এ গর্ভবতী হয়েছিলেন। সঠিক স্থানে জন্ম না হওয়া ভ্রুণটি (একটোপিক এমব্রায়ো) এতদিন কান্তাবাইয়ের গর্ভেই ছিল। এতবছর ধরে মাতৃগর্ভে ভ্রুণ থাকার নজির সম্ভবত আর নেই। কান্তাবাই গত সপ্তাহে এন কে পি সালভে ইন্সস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সের আউটডোরে আসেন। গত দুমাস ধরে তার তলপেটে তীব্র ব্যথা হচ্ছিল।

\'প্রাথমিকভাবে চিকিত্সকরা মনে করেছিলেন, তার তলপেটের ডানদিকে একটি মাংসপিন্ড রয়েছে। চিকিত্সকরা প্রথমে ক্যানসার বলে আশঙ্কা করেন। সোনোগ্রাফিতে মাংসপিন্ড থাকার ব্যাপারটি সুনিশ্চিত হয়। এরপর এমআরআই করে চিকিত্সকরা বুঝতে পারেন, ওই মাংসপিন্ড আসলে একটি শিশুর হাড়গোড়। চিকিত্সকরা এ বার চিকিত্সাশাস্ত্র থেকে এই ধরনের ঘটনা সম্পর্কে খোঁজখবর করেন। এরপর তারা জানতে পারেন, বেলজিয়ামের এক নারীর একটোপিক গর্ভাবস্থা প্রায় ১৮ বছর স্থায়ী হয়েছিল। সেই রেকর্ড ভাঙলেন কান্তাবাই। ১৯৭৮ সালে গর্ভবতী হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু গর্ভাশয়ের বাইরেই ছিল ভ্রুণ। এরপর তার গর্ভপাত হয়েছিল। কান্তাবাই চিকিত্সকদের জানিয়েছেন, গ্রামের একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কয়েক মাস চিকিত্সার পর তিনি সুস্থ হয়ে যান। কিন্তু ভুল চিকিৎসা এবং ডাক্তারের গাফিলতির জন্য সঠিকভাবে এই শিশু ভ্রুণটিকে সনাক্ত করা যায়নি। অবশেষে গত ১৪ অগস্ট ৪ ঘন্টার অস্ত্রোপচারের পর তার গর্ভাশয় থেকে মৃত ভ্রুণের হাড়গোড় বের করলেন চিকিত্সকরা।

 
 
 
 
 
 

ঢাকা : আগামী ২০১৯ সালের পর আওয়ামী লীগ আরো ১০ বছর ক্ষমতায় থাকবে বলে জানিয়েছেন দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ।
তিনি বলেন, আন্দোলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের কাছ থেকে অবৈধ কোনো দাবি আদায় করা যাবে না। ২০১৯ সালের আগে দেশে কোনো নির্বাচন হবে না। আর ১৯’র পরও আওয়ামী লীগ ১০ বছর ক্ষমতায় থাকবে।
‘২০১৯ সালের আগেই সরকারকে নির্বাচন দিতে বাধ্য করা হবে’ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ফার্মগেট খামারবাড়ী কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলিনায়তনে  এক আলোচনা সভায় হানিফ এসব কথা বলেন।

 
 
 
 
 
 

ঢাকা, ২০ আগস্ট: বেতন-বোনাসের দাবিতে তোবা গ্রুপ গার্মেন্টস শ্রমিক সংগঠনের মিছিল পুলিশি বাধায় পন্ড হয়ে গেছে। এ সময় শ্রমিক নেতা মোশরেফা মিশুসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমএ জলিল সাংবাদিকদের জানান, বুধবার বিকালে তোবা গ্রুপ গার্মেন্টস শ্রমিক সংগঠনের শ্রমিকেরা মিছিল বের করার চেষ্টা করে। কিন্তু মিছিলের অনুমতি না থাকায় শ্রমিকদের মিছিল করতে দেয়া হয়নি। এ  সময় শ্রমিক নেতা মোশরেফা মিশুসহ দুইজনকে আটক করা হয় বলে জানান তিনি। 
মোশরেফা মিশু গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের সভাপতি ও তোবা গ্রুপ শ্রমিক সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক।
আটক হওয়ার পূর্বে তিনি সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, তারা শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল বের করছিল। কিন্তু পুলিশ তাদের মিছিল করতে না দিয়ে ব্যানার কেড়ে নিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে তোবা গ্রুপ গার্মেন্টস শ্রমিক সংগঠনের শ্রমিকেরা মধ্য বাড্ডার লিংক রোড থেকে মিছিল বের করার চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ তাদের বাধা দিলে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ তাদের ব্যানার কেড়ে নিয়ে শ্রমিক নেতা মোশরেফা মিশুকে পুলিশের ভ্যান গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
শ্রমিকরা জানান, বেতন-বোনাসসহ কয়েক দফা দাবি আদায়ের জন্য শান্তিপূর্ণ মিছিল বের করে। কিন্তু পুলিশ তাদের মিছিল করতে দেয়নি।
তারা জানান, তাদের শান্তিপূর্ণ মিছিল আফতাব নগরে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা ছিল।
               

 
 
 
 
 
 

নিউজডেস্ক: বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন কর্তৃক গঠিত একটি কমিশন অনুসন্ধান শেষে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে মিশরের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল মুসলিম ব্রাদারহুড ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ নয়। সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রমের সাথে দলটির সদস্যদের সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। খবর মেইল অনলাইন’র।

মেইল অনলাইন জানায়, সৌদি আরব ও মিশর ব্রাদারহুডকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণার জন্য বৃটিশ সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।

ইতোমধ্যেই ওই দুটি দেশ বিশ্বের অন্যতম সুশৃঙ্খল ব্রাদারহুডক  ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে, যে দলটিকে বিশ্বের বেশিরভাগ বিশ্লেষকই উদারপন্থী গণতান্ত্রিক এবং মধ্যপ্রাচ্যে গণতন্ত্রের অগ্রদূত হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরব ও মিশরের অব্যাহত চাপের মুখে প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরন সৌদি আরবে নিযুক্ত বৃটিশ রাষ্ট্রদূত স্যার জন জেনকিনসের নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠন করেন।

মিশরীয় এই ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন এবং বৃটেনে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া ঠিক হবে কিনা তা তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদানের জন্য কমিশনকে নির্দেশ দেয়া হয়।

সিনিয়র ওই কূটনীতিককে বলা হয়, ব্রাদারহুড বৃটেনে থেকে মধ্যপ্রাচ্যে হামলার কোনো পরিকল্পনা করছে কিনা তা তদন্ত করে দেখতে।

কমিশন তাদের রিপোর্টে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে, বৃটেনে ব্রাদারহুডকে নিষিদ্ধ করা ঠিক হবে না। দলটির সদস্যদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদী কার্যক্রমে জড়িত থাকারও কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তবে এই রিপোর্ট প্রকাশিত হলে সৌদি আরব ও তার স্বৈরতান্ত্রিক মিত্ররা বৃটেনের ওপর নাখোশ হতে পারে বলে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে এটির প্রকাশ বিলম্বিত করা হয়েছে।

একটি সূত্র মেইলকে বলেন, ‘ স্যার জন বলছেন ব্রাদারহুড কোনো সন্ত্রাসী সংগঠন নয়। সৌদি আরব ও আরব আমিরাত তাতে আমাদের ওপর খুব হতাশ হবেই।’


বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ডাউনিং স্ট্রিটের একজন মুখপাত্র বলেন, ‘ প্রধানমন্ত্রী সরকারি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন  মুসলিম ব্রাদারহুড কী, তারা কীভাবে তাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে চায় এবং বৃটেনের ওপর এর কী প্রভাব পড়তে পারে তা খতিয়ে দেখতে।’

তিনি বলেন, ‘সেই কাজটি জুলাই মাসের শেষের দিকেই শেষ হয়েছে। সরকার এখন বিবেচনা করে দেখছে যে তদন্ত রিপোর্টের ফলাফল কী হতে পারে।  আমরা বলেছি যে আমরা যথাযথভাবেই তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করব।’

মেইলের প্রতিবেদনে বল হয়, তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশে বিলম্বের আরেকটি কারণ হচ্ছে সম্প্রতি ইরাক ও সিরিয়ায় সুন্নী যোদ্ধাদের অগ্রযাত্রা। কট্টরপন্থী এই সংগঠনটিকে পশ্চিমারা মধ্যপ্রাচ্যে তাদের স্বার্থের প্রতি হুমকি বলেই মনে করছে।

মেইলের প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়, ‘১৯২৮ সালে প্রতিষ্ঠিত মুসলিম ব্রাদারহুড মিশরের সবচেয়ে প্রাচীন, সবচেয়ে সুশৃঙ্খল এবং সবচেয়ে সফল রাজনৈতিক সংগঠন।’

গত বছর এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ব্রাদারহুড নেতা এবং দেশটির ইতিহাসে প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়।

এরপর মিশরীয় সেনাবাহিনী ব্রাদারহুডের শান্তিপূর্ণ অবস্থানে কয়েক দফা গণহত্যা চালিয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে দলটির হাজার হাজার নেতাকর্মীকে। বর্তমানে প্রহসনের বিচারে তাদের অনেককেই মৃত্যুদণ্ড ও দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড দেয়া হচ্ছে।

অনেক পর্যবেক্ষকই মনে করেন, ব্রাদারহুডের নিরস্ত্র ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশে গণহত্যা চালিয়ে মিশরীয় নিরাপত্তা বাহিনীই আসলে সন্ত্রাসী সংগঠনে পরিণত হয়েছে।               

 
 
 
 
 
 

ঢাকা, ১৯ আগস্ট  :
অসুস্থতার কারণে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশে অংশ নেননি বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা মহানগর বিএনপির আহবায়ক মির্জা আব্বাস এ কথা জানান। দলের চেয়ারপারসনের পক্ষ থেকে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন উপস্থিত নেতাকর্মীদের কাছে।মঙ্গলবার বিকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে ২০ দলের নেতারা বক্তব্য রাখেন। বৃষ্টি উপেক্ষা করে এতে ঢল নামে নেতাকর্মীদের। সভাপতির আগে বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর আগে বিএনপি ও ২০ দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন।

 
 
 
 
 
 

ঢাকা, ১৯ আগস্ট :
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, আমার শাসনামলে একক সিদ্ধান্তে অনেক কিছু করেছি। একক সিদ্ধান্তে বঙ্গবন্ধুকে জাতির পিতা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে পারিনি। এটা পারলে তার নামের পাশে আমার নাম লেখা থাকত। আমি সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে চেয়েছিলাম। মঙ্গলবার সকালে বনানীতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে পূজা উদযাপন কমিটির নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশে এরশাদ বলেন, আপনি অনেক কিছু করেছেন। আপনার বাবাকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এবার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করুন।
সাক্ষাত অনুষ্ঠানে পার্টির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, পূজা উদযাপন কমিটির নেতা কাজল দেবনাথ, জুয়েল ভৌমিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।               

 
 
 
 
যোগাযোগ করুন..
01712 247 900

dainiksylhet@gmail.com