Home Home Page Rank NTV ONLINE ETV ONLINE BANGLA  VISION ONLINE CHANEL I ONLINE EKATTOR TV ONLINE
০১-০২-২০১৫ রবিবার

 দৈনিক সিলেট ডটকম সিলেট বিভাগের সর্বাধিক জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল-আমাদের সাথে থাকুন, নিজেকে আপডেট রাখুন...

 
 
এই জনপদ
 
 
 
 
 

ছাতক প্রতিনিধিঃ
পুলিশ সপ্তাহ ২০১৫ উপলক্ষে আইজিপি ব্যাচ পেলেন ছাতক থানার এএস আই হারুন-অর রশীদ চেীধুরী। ছাতকে ছিনতাইকৃত ২২ লাখ টাকা উদ্ধার ও আসামী গ্রেফতারের স্বীকৃতি হিসেবে গত ২৯ জানুয়ারী  ঢাকা রাজারবাগ পুলিশ লাইন মাঠে আইজিপি একে এম শহীদুল হক এ ব্যাচ পরিয়ে দেন। উলে¬খ্য গত বছর ২ ফেব্রয়ারী ছাতক শহর থেকে বৃটিশ আমেরিকান ট্যোবাকো কোম্পানির ২২ লাখ টাকা ছিনাতাই হয়। ছিনতাই ঘটনার পর ৫ দিনের মাথায় ছাতক থানার এএসআই হারুন রশীদ চৌধুরীর নেতৃত্বে  ১৭ লাখ ৯৭ হাজার ৪শ’ টাকা উদ্ধার করা হয়। এএসআই হারুন ইতি পূর্বে ২০০৬ সালে জাতি সংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে অবদানের জন্য সনদ ও মেডেল প্রাপ্ত হয়েছেন। তিনি হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার মুড়িয়াউক গ্রামের মরহুম হাজী আব্দুল গফুর চৌধুরীর ছেলে।
               

 
 
 
 
 
 
 

সিলেট ০১ ফেব্রুয়ারি: দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপর ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের ও দেশব্যাপী নিরীহ নেতাকর্মীদেরকে নির্বিচারে হত্যা, গুম ও গণগ্রেফতারের প্রতিবাদে সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের ডাকা আজ রোববার সিলেটের সকাল সন্ধ্যা হরতাল কর্মসূচী সফলে সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদল সকাল ১১টায় নগরীর তালতলায় একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে।
মিছিল পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সিলেট মহানগর শাখার সংগ্রামী সভাপতি নূরুল আলম সিদ্দিকী খালেদ বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এ সংগ্রামকে হামলা, মামলা আর পুলিশী হয়রানি চালিয়ে দমানো যাবে না। মুক্তিকামী ছাত্র জনতা সকল বাধা উপেক্ষা করে গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে বদ্ধপরিকর। তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অহেতুক হয়রানি না করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বন্ধ করা না হলে ছাত্রদল সিলেটবাসীকে সাথে নিয়ে সরকার পতনের আন্দোলনে বেগবান করা হবে। তিনি পুলিশ প্রশাসনকে জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি ছাত্রদলের আজ রোববারের হরতাল সফল করা এবং ২০ দলীয় জোটের ডাকা সকল হরতাল-অবরোধ কর্মসূচী সফল করতে দলীয় নেতাকর্মীদের আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান। ছাত্রদলের কর্মীরা গণতন্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরে যাবে না। এ সকল কর্মসূচীতে সিলেটবাসীর সমর্থন আছে। তিনি সিলেটের পরিবহন মালিক, শ্রমিক ও ব্যবসায়ী সহ সর্বস্তরের আপামর জনতাকে গণতন্ত্র পুন:উদ্ধারের অভিযাত্রায় এ হরতাল কর্মসূচী সর্বাত্মক সফলের আহ্বান জানান।
বিক্ষোভ মিছিলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল্লাহ আল মামুন পারভেজ, ফখরুল ইসলাম রুমেল, কয়সে আহমদ, সায়েম আহমদ, আব্দুল আজিম, ইফতেখার হোসেন রাজু, ফয়সল আহমদ, মজনু আহমদ, খালেদুর রহমান ছানি, হুসাইন আহমদ, জায়েদ আহমদ জীবন, জাইদুল, খালেদ, ওয়াহিদ, ইমন, রকিব, শামিম, সাজু প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি

 
 
 
 
 
 
 

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ ফারুক আহমদ বলেছেন, আমাদের আন্দোলন-সংগ্রাম সরকার ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে নয়। আমাদের একটাই দাবি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন দিতে হবে। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে সরকার ও প্রশাসন মানুষের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করে যাচ্ছে। মানুষ তাদের বিরুদ্ধে কথা বললেই খুন, গুম, হামলা, মামলা করে অশান্তি সৃষ্টি করছে । তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাসার বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট, পানি সহ সকল প্রকার নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত করেছে বর্তমান সরকার। গণতান্ত্রিক দেশে এটা কোন মানুষ মেনে নিতে পারে না। 
    তিনি রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় ২০দলীয় জোটের ডাকা হরতালের প্রথম দিনে হরতাল সফলের লক্ষে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা ২০দলীয় জোটের আয়োজনে উপজেলার পাগলা বাজারে বিক্ষোভ মিছিল শেষে পাগলা বাজারস্থ সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের পাগলা ব্রিজের পশ্চিমে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
    সমাবেশে উপজেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রওশন খান সাগরের সভাপতিত্বে, উপজেলা জামায়াত সেক্রেটারী খালেদ আহমদের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপি সদস্য আবুল খয়ের, আব্দুল মজিদ, শহিবুল রহমান, নুরুল ইসলাম, খলিলুর রহমান, মুজিবুর রহমান, জুবায়ের আহমদ, আরাফাত আলী, তফজ্জুল হোসেন, তাজুদ মিয়া, উপজেলা জামায়াত নেতা কাজী নুরুল হক, শামীম আলম, উপজেলা খেলাফত মজলিস নেতা মাও. ওলিউজ্জামান, হাফিজ রশিদ আহমদ, উপজেলা ছাত্রদল নেতা হুমায়ূন কবির, লিটন মিয়া, হাসান মিয়া, কাবিদুল ইসলাম, আঙ্গুর মিয়া, কাওসার, রোমান, শ্যামল, খালিক, মাজেদুল, ইয়াহিয়া, মাছুম সহ প্রমূখ।
    এর আগে ২০দলীয় জোটের ডাকা হরতালের প্রথম দিনে হরতাল সফলের লক্ষে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা ২০দলীয় জোটের আয়োজনে উপজেলার পাগলা কান্দিগাও থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে পাগলা বাজার হয়ে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিছিলটি।
    অপরদিকে, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির উদ্যোগে হরতাল সফলের লক্ষ্যে ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক আহমদের উপর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আবদাল মেম্বার’র মুক্তির দাবিতে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের পাগলা চন্দ্রপুর, সদরপুর, সুনামগঞ্জ-জগন্নাথপুর সড়কের ছয়হাড়া, দিরাই-মদনপুর সড়কের গনিগঞ্জ বাজারে পিকেটিং ও বিক্ষোভ মিছিল করেন।
    এ সময় পিকেটিং ও বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপি সদস্য ফখরুদ্দিন কনু শাহ, নজরুল ইসলাম, ছাব্বির আহমদ, বাবুল মিয়া সহ প্রমূখ।

 
 
 
 
 
 
 

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি॥ নবীগঞ্জের আউশকান্দিতে বঙ্গবীর কর্ণেল আতাউল গণী ওসমানী স্বরণে আলোচনায় সভা অনুষ্টিত হয়েছে। ঢাকা- সিলেট মহা সড়কের আউশকান্দি হীরাগঞ্জ মধ্য বাজারস্থ রূপালী ব্যাংকের সামনে রবিবার সকাল ১০ঘটিকার সময় ওসমানী স্মৃতি পরিষদ এর সভাপতি বদরুজ্জামান চানুর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট ও হবিগঞ্জ সংরক্ষিত আসনের মহিলা এমপি আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী। অনুষ্টানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন, আবু হানিফ ও আউশকান্দি সচেতন নাগরিক সমাজের অন্যতম নেতা আব্দুল মুকিত এর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, নবীগঞ্জ পৌর মেয়র অধ্যাপক্ষ তোফাজ্জল ইসলাম চৌধুরী, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম, আউশকান্দি ইউপি মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডার আবু তালেব, ডাঃ আজিজুর রহমান, জাপা নেতা ডাঃ শাহ আবুল খায়ের, সাংবাদিক ছাদিকুল ইসলাম, সাংবাদিক বুলবুল আহমদ, যুবলীগ নেতা আব্দুল হামিদ নিকছন, ইউপি সদস্য হাজী বদরুল ইসলাম বকুল, আউশকান্দি হীরাগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সহ সভাপতি ফজলুল করিম মিছবাহ, কোষাধ্যক্ষ আব্দুর নুর, প্রচার সম্পাদক পার্থ সারথীপাল, শ্রমিক নেতা দিলশাদ মিয়া, ফরহাদুল ইসলাম নানু, শওকত মিয়া, ডাঃ নিজামূল হক চৌধুরী, মাওলানা মুশাঈদ আলী প্রমূখ। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আহমদ মূছা, রনি আহমদ, রেজুয়ান, লিটু, মিলাদ, মনজু, আবু তাহের, তারেক, আবু হানিফ প্রমূখ।

 
 
 
 
 
 
 

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি: ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নবীগঞ্জের আউশকান্দি হীরাগঞ্জ বাজারে  ৪টি কার, ৩টি মাইক্রো বাস ভাংচুর করা হয়েছে। দূর্বৃত্তরা গাড়ি ভাংচুরের পর পরই পালিয়ে যায়। শনিবার গভীর রাতে আউশকান্দি হীরাগঞ্জ মধ্য বাজারে পার্কি করে রাখা গাড়ীর গ্লাস ভাংচুর করেছে দূর্বৃত্তরা।
জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় শনিবার আউশকান্দি হীরাগঞ্জ বাজারে গাড়ী রেখে বাড়িতে চলে যান গাড়ি মালিকরা। গভীর রাতে সামাদ মিয়ার ১টি কার, মায়না মিয়ার ১টি কার, তোফাজ্জল হোসেনের ১টি মাইক্রো, ফারছু মিয়ার ১টি মাইক্রো, নুরুল এর ১টি মাইক্রো, লায়েকের ১টি কার, রায়হান এর ১টি কার সহ ৭টি গাড়ীর গ্লাস ভাংচুর ও রুহেল চৌধুরী ১টি হাইএক্স এর চাকা পাংচার করেছে দূর্বৃত্তরা।
গাড়ী ভাংচুরের ঘটনায় আউশকান্দি হীরাগঞ্জ বাজার এলাকায় টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।

 
 
 
 
 
 
 

 চলমান দেশের অচলাবস্থা নিরসন ও করণীয় প্রেক্ষাপটে দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে রোববার দুপুর ২ ঘটিকার সময় বন্দরবাজার কাষ্টঘরস্থ  গাজী বোরহান উদ্দিন মার্কেটের ২য় তলায় অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বর্তমান রাজনৈতিক ও অচলাবস্থায় উভয় দল ও জোটকে সংলাপে বসার জন্য দেশের সুশিল সমাজের নেতৃবৃন্দ, বুদ্ধিজীবি সমাজ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা আহবান ও অনুরোধ সত্বেও দেশের বিদ্যমান অচলাবস্থা মীমাংসা না হয়ে ক্রমান্বয়ে দেশ অবণতির দিকে যাইতেছে। দুই রাজনৈতিক দল ও বিরোধী জোট তাদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকার ফলে দেশ ধ্বংস থেকে আরো ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে। দেশের আপামর জনগণ এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ চায়।
সভায় এই উভয় জোট ও দলকে সংলাপে বাধ্য করার জন্য দেশে কোন তৃতীয় শক্তি বিদ্যমান থাকলে তাদেরকে দেশের উদ্ভূত এই সংকট থেকে উদ্ধারের জন্য অনতিবিলম্বে ভূমিকা নেয়ার আহবান জানানো হয়। সভায় বলা হয় গণতান্ত্রিক রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধাহীন উভয় জোটের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের কার্যকলাপে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে দেশবাসী এই তৃতীয় শক্তিকে ওয়েলকাম জানানো অপেক্ষায় রহিয়াছে বলে সভায় মত প্রকাশ করা হয়।
কেন্দ্রীয় সভাপতি নাসির উদ্দিন এডভোকেটের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট গণসংগঠক মকসুদ হোসেনের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন ফোরামের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন চৌধুরী, স্থায়ী কমিটির সদস্য মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমান, কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান চৌধুরী এডভোকেট, যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা আবুল হোসাইন চতুলী, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ডা: অরুণ কুমার দেব, কেন্দ্রীয় ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক মো: রফিকুল ইসলাম সেনাজ, কেন্দ্রীয় সদস্য মীর আব্দুল করিম প্রমুখ।

   

 
 
 
 
 
 
 

সামায়ুন আহমদ, তাহিরপুর প্রতিনিধি: কোমলমতী শিশুদের হাতে নতুন নতুন বই । সারাদেশের ন্যায় তাহিরপুর উপজেলা মল্লিকপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রবিবার সকাল ১০টার বই বিতরন শুভ উদ্বোধন করেন গ্রামের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও স্কুলটির জমিদাতা আহমদ মল্লিক । বই বিতরন কালে তিনি বলেন, আজকের শিশু আগামী দিনের  ভবিষ্যৎ । তাই তোমরা নতুন বই পেয়ে মনোযোগ সহকারে লেখাপড়া করবে এবং বিদ্যালয়ে নিয়মিত ভাবে আসবে কারণ তোমাদেরকেই ভবিষ্যতে দেশ গড়ার দায়িত্ব ভার গ্রহন করতে হবে । অনন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তাহিরপুর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক শফিক মল্লিক, বাদাঘাট বণিক সমিতির কুষাদক্ষ আবুল কালাম আজাদ, বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী আবুল কালাম , ছাত্রদল নেতা মাহাবুব মল্লিক, সাংবাদিক সামায়ুন আহমদ , সাজ্জাদ হোসেন শাহ ও বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক বৃন্দ ।
               

 
 
 
 
 
 
 


চুনারুঘাট: চুনারুঘাটে পরকীয়া প্রেমের টানে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া প্রবাসী স্ত্রী ও পরকীয়া প্রেমিককে ধরতে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার দিনভর তাদের ধরতে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়।
উল্লেখ্য, প্রায় ১৫ বছর পূর্বে নবীগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম তিমিরপুর গ্রামের মৃত কালা শাহ্র কন্যা সামেলা খাতুনকে (৩০) বিয়ে করে চুনারুঘাট উপজেলার ছনখলা গ্রামের প্রবাসী আব্দুল হামিদ। বিয়ের পর তাদের কোলজুড়ে ২টি পুত্র ও ১টি সন্তান জন্মগ্রহণ করে। জীবিকার তাগিদে হামিদ কুয়েত চলে যায় এবং সেখান থেকে তার স্ত্রীর একাউন্টে টাকা পাঠায়। স্বামী বিদেশ থাকার সুযোগে স্ত্রী সামেলা প্রতিবেশী কামাল মিয়ার (৩৫) সাথে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। কামাল প্রায়ই ছনখলায় সামেলার সাথে দেখা সাক্ষাত করত। এতে করে দুজনের সম্পর্ক গভীর হয়। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে পরিবারের লোকজন বিদেশে অবস্থানরত হামিদ মিয়াকে জানালে তিনি দেশে ফিরে আসেন। এ বিষয় নিয়ে শুরু হয় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য। সম্প্রতি হামিদ বাড়ি না থাকার সুযোগে সামেলা কামালের হাত ধরে পালিয়ে যায়। কিছুদিন অতিবাহিত হওয়ার পর সামেলার পরকীয়া প্রেমিক কামাল সামেলার স্বামীকে জানায়, ৫০ হাজার টাকা দিলে তার স্ত্রী সামেলাকে ফেরত দিয়ে দেবে। স্ত্রীর প্রেমে অন্ধ হামিদ জায়গা বিক্রি করে ৫০ হাজার টাকা কামালের হাতে তুলে দেয়। কিন্তু কামাল টাকা পেয়েও স্ত্রীকে ফেরত না দিলে হামিদের আম-ছালা দু-ই যায়। শুধু তাই নয় হামিদের পরিবার সন্তানসহ তাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। নিরূপায় হামিদ ৩ সন্তান নিয়ে শহরে এসে রিক্সা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহের পাশাপাশি প্রতারক কামালের সন্ধান করে। কপালের ফেরে গত বুধবার দুপুরে আদালত প্রাঙ্গণে কামাল ও তার স্ত্রীকে দেখতে পেলে পুরনো ক্ষত নতুন করে নাড়া দেয় হামিদের। এ সময় তার টাকাসহ স্ত্রীকে ফেরত চাইলে কামালের সাথে বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে দুজনের মধ্যে মারামারি শুরু হলে স্ত্রী সামেলা সটকে পড়ে। মারামারির সময় হামিদ ও সামেলার পুত্র শাহ আলমও উপস্থিত ছিল। কোর্ট পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দেয়। এ ঘটনায় হামিদ মামলা করলে পুলিশ অভিযান চালায়।

 
 
 
 
 
 
 

প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট লেখক প্রফেসর মোহাম্মদ আবদুল আজিজ বলেছেন, দেশের ঐতিহ্যবাহী সাহিত্য প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদকে একটি আদর্শ গবেষনা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আমাদেরকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে। আমাদেরকে স্মরণ রাখতে হবে সাহিত্য সংসদ কোন রাজনৈতিক প্লাটফর্ম নয় এবং এটি যাতে রাজনৈতিক প্লাটফর্মে বিভক্ত না হয় সেজন্য আমাদেরকে দায়িত্বশীল ভূূমিকা পালন করতে হবে।
দেশের অন্যতম প্রাচীন সাহিত্য প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের \'২০১৫-২০১৬ সেশনের কার্যকরী পরিষদের\' দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে আয়োজিত সভায় দায়িত্ব গ্রহণ শেষে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক মানিক সদ্য প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক আবদুল হামিদ মানিকের কাছ থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
প্রফেসর মোহাম্মদ আবদুল আজিজ তার বক্তব্যে সংসদের আজীবন সম্পাদক মুহম্মদ নূরুল হকের স্মৃতিচারণ করে বলেন, মুহম্মদ নূরুল হকের মতো গ্রন্থপ্রেমিক মানুষ বিরল। তিনি সারাজীবন বইপত্রের জগতে কাটিয়ে দিয়েছেন। এর আগে সদ্য বিদায়ী সভাপতি হারুনুজ্জামান চৌধুরী নতুন কমিটির কর্মকর্তাদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সাহিত্য সংসদ আমাদের গর্বের প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানকে টিকিয়ে রাখতে, সমৃদ্ধ করতে আমাদের প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। অনুরুপভাবে সদ্য বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক আবদুল হামিদ মানিক বলেন, সাহিত্য সংসদের ঐতিহ্য রক্ষা-অগগ্রতিতে কমিটির দায়িত্বশীলদের যেমন ভূমিকা থাকবে তেমনি এই প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক সদ্যসেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য।
দায়িত্ব হস্থান্তর অনুষ্টানে অন্যান্যোর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাহিত্য সংসদের সহ সভাপতি আজিজুল মালিক চৌধুরী, সহ সভাপতি আজিজ আহমদ সেলিম, সহ সভাপতি আবদুল বাসিত মোহাম্মদ,সদ্যপ্রাক্তন সহসভাপতি আফতাব চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক মানিক, সহ সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান আবুল হোসেন মাহমুদ রাজা চৌধুরী, সদ্যপ্রাক্তন সহ সাধারণ সম্পাদক সেলিম আউয়াল, কোষাধ্যক্ষ মো: ছয়ফুল করিম চৌধুরী হায়াত, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক এডভোকেট আবদুস সাদেক লিপন, পাঠাগার সম্পাদক নাজমুল আনসারী, সদস্য শামসুল আলম চৌধুরী, অধ্যক্ষ মোঃ মাসউদ খান, মুজিবুর রহমান চৌধুরী এডভোকেট, অধ্যাপক নন্দলাল শর্মা, লাভলী চৌধুরী,  দেওয়ান তৌফিক মজিদ , আহমদ মাহবুব ফেরদৌস, মোস্তাক আহমদ দীন, সৈয়দ মোহাম্মদ তাহের, সদ্য প্রাক্তন সদস্য মুহিত চৌধুরী, মো: আব্দুল ওয়াহে।


 
 
 
 
 
 
 

এ.জে লাভলু. বড়লেখা প্রতিনিধি :
বড়লেখা পৌর শহরের পাখিয়ালা গ্রামের বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা মনজ্জির আলী ইন্তেকাল করেছেন, (ইন্নালিল্লাহি...রাজিউন)। ৩১ জানুয়ারী শনিবার সকালে তিনি নিজ বাড়িতে শেষ  নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৭৫ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৫ ছেলে ও ২ মেয়েসহ অসংখ্যা গুনগ্রাহী ও আত্মীয় স্বজন রেখে যান। বিকেলে রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন এবং যানাজা শেষে তাঁর লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। মরহুমের যানাজায় মুক্তিযোদ্ধা ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্তিত ছিলেন।  বীর মুক্তিযোদ্ধা মনজ্জির আলীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ শাহাব উদ্দিন এমপি, বড়লেখা উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সুন্দর, বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আমিনুর রহমান, বড়লেখা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সিরাজ উদ্দিন, ভাইস চেয়ারম্যান বিবেকানন্দ দাস নান্টু প্রমুখ।
               

 
 
 
জনমত জরিপ

অর্থমন্ত্রী এ এম এ মুহিত বলেছেন, ১ ও ২ টাকার মুদ্রা এখন অপ্রয়োজনীয় হয়ে গেছে। আপনি কি তার এ বক্তব্য সঠিক মনে করেন?       

 
হ্যাঁ না
 
 

ফলাফল দেখুন

 
 

ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান:
বিরোধী জোটের গত ২৬ দিন আর সরকার পক্ষের দুইদিনের হরতাল-অবরোধে গোটা দেশ আজ অচল।বোমা-পেট্রোলের আগুনে জ্বলছে যানবাহন, পুড়ছে হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ, বোমায় জলসে হতাহত হচ্ছে শত শত মানুষ।মেডিকেলের বার্ণ ইউনিটে চলছে দগ্ধ মানুষের আহাজারি।চলছে বন্দুকযুদ্ধের নামে বিচারবহির্ভুত হত্যাকাণ্ড।কোনো মতেই যেন এসব কিছু থামছে না।
র্যা ব, পুলিশ ও বিজিবির নির্বিচার গুলিতে হতাহত হচ্ছে পথচারী সাধারণ মানুষ।রাস্তাঘাট-হাটবাজারে পেটানো হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।গণগ্রেফতারে হয়রানির শিকার হচ্ছে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ। ঘরে-বাইরে কোথাও আজ মানুষের জানমাল নিরাপত্তা নেই। মানুষের ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকুরি, লেখাপড়া সব কিছুই বন্ধ হয়ে গেছে।রাজনীতির ছোবলে গোটা দেশবাসী যেন আজ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে।
রাজনৈতিক সহিংসতায় ইতোমধ্যে অর্ধশতাধিক নিরীহ মানুষ মারা গেছে।হরতাল অবরোধের কারণে ইতোমধ্যে ক্ষতি হয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকা।অর্থনীতির চাকা ভেঙ্গে পড়েছে। মানুষের মাঝে চলছে হাহাকার।চলমান এই সহিংসতার শেষ কোথায় তা কেউ জানে না।

এর আগে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, ৭ দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। কিন্তু ৭দিনের স্থলে ১৫ দিন শেষ হলেও এখনো পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। বরং আরো বেশী অবনতি হয়েছে।শনিবার রাতেও পেট্রোল বোমায় মারা গেছে আরো এক বাস যাত্রী। অন্যদিকে বিরোধী জোটের কার্যালয়ের বিদ্যুত, মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ডিসলাইন বিচ্ছিন্ন করে সরকার আরো একটি ভিন্ন নজীর স্থাপন করেছে।চলছে বিরোধী জোটের নেতাকর্মিদের গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পর বন্দুকযুদ্ধের নামে বিচারবহির্ভুত হত্যা। এতে পরিস্থিতি ক্রমেই বেসামাল হয়ে উঠেছে।বলা যায়, সার্বিক পরিস্থিতি অনেকটাই সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।

এরই মধ্যে রোববার থেকে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবার কথা। ১৪ লাখ পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা আজ চরম উতকণ্ঠায়।যদিও সরকারের মন্ত্রী এবং র্যাাব-পুলিশ-বিজিবি প্রধান সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে পরীক্ষা নেয়া কথা বলছেন। কিন্তু সরকারি লোকজনের এমন বক্তব্যে দেশবাসী আশ্বস্ত হতে পারছেন না।পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কোনো লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না।

বলা যায়- রাজনীতিবিদদের একগুয়েমিতে দেশ আজ গভীর সংকটের নিমজ্জিত। সংকটের গভীরতা বিবেচনায় ‘পরিস্থিতি এমন যে, বাংলাদেশ ব্যর্থ রাষ্ট্র হওয়ার পথে চলছে।’ আবার কেউ কেউ গৃহযুদ্ধের আশংকাও ব্যক্ত করেছে। আসলে ব্যর্থ রাষ্ট্রের পরিস্থিতি প্রধানত গৃহযুদ্ধের পথ ধরেই আসে। ভাবতে অবাক লাগে, যে রাষ্ট্র লাখ লাখ মানুষের জীবনের বিনিময়ে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে সৃষ্টি হয়েছে সেই রাষ্ট্র ব্যর্থ হতে পারে। মুক্তিযুদ্ধের সময় যে সর্বাত্মক গণঐক্য সৃষ্টি হয়েছিল সেটি এমনভাবে হারিয়ে গেল কেন? জ্ঞানী-গুণী লোকেরা জাতীয় ঐকমত্যের প্রয়োজনীয়তার কথা বললেও কঠিন বাস্তবতা হচ্ছে সমগ্র জাতি আজ দুই মেরুতে বিভক্ত। এই বিভক্তি সহসা কেটে যাওয়ার কোনো লক্ষণ নেই। বরং দিনে দিনে তীব্র হচ্ছে।

বর্তমানে দেশে যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে তা থেকে সহজে বের হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে। কিন্তু চলমান রাজনৈতিক সংকট দ্রুত সমাধান হোক এটা সাধারণ মানুষের একান্ত চাওয়া৷ কারণ, সাধারণ মানুষের ওপরই রাজনৈতিক সংকটের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বেশি৷আর সমঝোতায় যত দেরি হবে, সাধারণ মানুষের ক্ষয়ক্ষতি এবং উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা তত বাড়বে৷ তাই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত এর একটা সুষ্ঠু সমাধান হওয়া প্রয়োজন।

সরকার পক্ষ যেভাবেই বিষয়টি ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করুক না কেন, দেশে বর্তমানে যা ঘটছে এসব কিছুর দায় তারা কোনোভাবেই এড়াতে পারে না।ফলে সরকার ও বিরোধী জোটের উচিত নিজ নিজ জেত ও স্বার্থের জায়গা থেকে সরে দেশ-জাতির বৃহত্তর স্বার্থে অবিলম্বে সংকট নিরসন করা।
তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী রাজনৈতিক জোটের নেত্রীর প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাবো- যতদ্রুত সম্ভব সংকট নিরসন করে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে দেশবাসীকে মুক্তি দিন।আমরা যে কোনো মূল্যে এই দুর্বিষহ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে চাই।

লেখক: শিক্ষা ও সমাজ বিষয়ক গবেষক। ই-মেইল: sarderanis@gmail.com
   

 
 
 
 

নিউজডেস্ক: ইসলামি ব্যাংকিং পদ্ধতিকে ‘ফ্রড’ (প্রতারণামূলক) ব্যাংকিং বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। শুরু থেকেই তিনি এই অভিযোগ করে আসছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।
রবিবার জাতীয় সংসদে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ইসলামি ব্যাংকিং বন্ধ করার সুযোগ নেই, এটা বন্ধ করতে হলে মুসলিম উম্মাহকেই উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি বলেন, ‘দুর্ভাগ্য যে, ইসলামিক ব্যাংকিং তত্ত্ব সারা দুনিয়াতেই গৃহীত। আইএমএফ পর্যন্ত তাদের অনুমোদন দিয়েছে। সুতরাং এটাকে বন্ধ করার কোনো সুযোগ এখানে নেই। এটাকে বন্ধ করার সুযোগ মুসলিম উম্মার ওপর। মুসলিম উম্মাহ যখন রেশনালিস্ট হবে, যখন বুঝতে পারবে ইসলামের নামে একটি জঘন্য প্রথা চালু করা হয়েছে।’


তিনি বলেন, ‘ইসলামে রিবা নিষিদ্ধ। রিবা এবং বর্তমান সুদ এক জিনিস নয়। রিবার মধ্যে কোনো ধরনের মানবিক চিন্তা ধারা নেই। কিন্তু সুদ মানবিক চিন্তা ধারার ওপর নির্ভর করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সুদ হল কস্ট অব ফান্ড এবং কস্ট অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। কিন্তু রিবাতে সেটা ছিল না। যারা ধর্ম নিয়ে কথা বলেন, তারা সুদ ও রিবাকে এক করে ফেলেন। এটা একান্তই ভুল। এই ভুলের ওপর ভিত্তি করেই ইসলামিক ব্যাংকিং হয়েছে। এখন আমার কিছু করার নেই।’


অপর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, কৃষকদের মধ্যে সুদমুক্ত ঋণ দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই, তা কোনোকালেই সম্ভব হবে না। কেননা আমরা বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করে ঋণ বিতরণ করি। যার কাছ থেকে আমরা টাকা নেই তাদেরকেও একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ সুদ আমাদের দিতে হয়। তাই সুদমুক্ত ঋণ দেওয়া কোনোভাবেই সম্ভব হবে না।


-ফাইল ছবি       

 
 
 

ছাতক প্রতিনিধিঃ
টানা ৭২ ঘন্টা হরতালের প্রথম দিন রোববার ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল, প্রতিবাদ সভা ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খানের কুশ পুত্তলিকা দাহ করেছে বিএনপি। সকাল থেকেই গোবিন্দগঞ্জে হরতালের সমর্থনে পিকেটিং করে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। দুপুরে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। বিক্ষোভ মিছিল শেষে সুনামগঞ্জ জেলার প্রবেশদ্বার গোবিন্দগঞ্জে সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়কে দাহ করা হয় নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খানের কুশ-পুত্তলিকা। এ সময় ছাতক পৌর বিএনপি’র আহ্বায়ক সৈয়দ তিতুমীরের সভাপতিত্বে ও উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মতিউর রহমান রুমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এক প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, সাবেক সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন, বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম, মখদ্দুছ আলী, নুর আলম মেম্বার, সামছুর রহমান বাবুল, শুকুর আলী মেম্বার, মইজ উদ্দিন মেম্বার, হিফজুল বারী শিমুল, কাজী মাও. আব্দুস সামাদ, আতাউর রহমান এমরান, জসিম উদ্দিন সুমেন, ছাদিকুর রহমান, আব্দুল মমিন, এমাদ উদ্দিন, দিল হোসেন মেম্বার, আলী হোসেন মানিক,আশরাফুর রহমান এনাম, আব্দুল করিম মেম্বার, আব্দুল খালিক, সাজ্জাদ আহমদ, আসকর আলী লাভু, আবুল হোসেন, যুবদল নেতা জহির উদ্দিন, দিদার আলম, জগলু মিয়া, ঝুনু মিয়া, শাহ ফজর আলী, জাহির খান, লিজন তালুকদার, জিয়াউর রহমান, কুতুব উদ্দিন, তারেক আহমদ, সবুজ মিয়া, নেছার আহমদ, সোহেল মিয়া,  শ্রমিক দল নেতা চেরাগ আলী, ছাত্রদল নেতা মকবুল হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম,ফয়জুল আহমদ পাভেল, আব্দুল¬া আল মমিন, ইজাজুল হক রনি, আব্দুল মোমিন, সারওয়ার আহমদ, সেবুল মিয়া, নাছির উদ্দিন, জুনেদ আহমদ, আযাহার হোসেন, সালাহ উদ্দিন, সাজ্জাদ হোসেন সাজু, রুমেল আহমদ নয়ন, আব্দুল মন্নান, নুরুজ্জামান, মিজান আহমদ, মাহবুব আহমদ, জাহিদুল আলম ইমন, মারুফ কামাল আজাদ, সাদিকুর রহমান সাদিক, আলমগীর হোসেন এমদাদুর রহমান ইমন, রুমেল মিয়া, আব্দুল হেকিম, এসএম ফেরদৌস, সাদিক আহমদ, সুমন আহমদ, আল আমিন,জাহিদ হাসান, ইসমাইল হোসেন সানি, আল আমিন হোসেন, আতাউর রহমান সোহাগ, কয়েছ আহমদ প্রমূখ। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে আপত্তিকর ও অমানবিক মন্তব্য করার প্রতিবাদে কুশ পুত্তলিকা দাহ করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন।
               

 
 
 


সিলেট, ০১ ফেব্রুয়ারি:
বর্তমান সরকারের সমাজকল্যাণমন্ত্রী মহসিন আলী সম্প্রতি বোরকা পরিহিত মেয়েরা কলেজের ছাত্রী হতে পারবে না বলে যে-ধৃষ্টতা দেখিয়েছেন তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ও দারুল উলূম হাটহাজারীর সিনিয়র মুহাদ্দিস আল্লামা হাফেজ জুনাইদ বাবুনগরী ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী আজ এক যুক্তবিবৃতিতে বলেছেন, মেয়েরা হিজাব বা পর্দা করে চলবে; এটা আল্লাহর দেয়া ফরজ বিধান। পর্দার বিধান সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে অসংখ্য আয়াত নাজিল হয়েছে। মহানবী (সা.) মহিলাদের ইজ্জত ও নিরাপত্তা রক্ষায় পর্দা বা বোরকা পরে বাইরে চলাচলের নির্দেশ দিয়েছেন, কারণ তারা যেন পরপুরুষের যৌন হয়রানি ও ইভটিজিং-এর কবল থেকে নিজেদের নিরাপদ রাখতে পারে । যে আল্লাহর ফরজ বিধানকে ইচ্ছাকৃতভাবে কটাক্ষ করবে, সে কোনোভাবেই ঈমানদার হতে পারেনা। 
হেফাজত নেতৃদ্বয় বলেন, মহান আল্লাহ তায়ালার নির্দেশিত এই ফরজ বিধানের বিরুদ্ধে এই ইসলামবিদ্বেষী মূর্খ সমাজকল্যাণমন্ত্রী বিভিন্ন সময় ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্য ও বিদ্বেষমূলক আচরণের মধ্যদিয়ে এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে। তার এহেন ধৃষ্টতা ক্ষমা করা যায়না। পর্দা বা হিজাবের মধ্যে থেকে যেকোনো মুসলিম নারী শিক্ষা অর্জনে ও কর্মসংস্থানে স্বাধীনভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে। কিন্তু সরকারের বর্তমান সমাজকল্যাণমন্ত্রীর বক্তব্যে প্রমাণিত হয় যে, পর্দানশীন মেয়েদেরকে পর্দাহীন করে এদেশটাকে পাশ্চাত্যের অসভ্য দেশে পরিণত করার চক্রান্ত করা হচ্ছে। সরকারের মন্ত্রিপর্যায় থেকে ধারাবাহিকভাবে একের পর এক ইসলামবিরোধী বক্তব্য এদেশের মুসলমানদের ক্ষুব্ধ করে তুলছে। শুধু সমাজকল্যাণমন্ত্রীই নয়, যারা ইসলামী বিধি-বিধানের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য রাখবে, তারা ৯২ শতাংশ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম রাষ্ট্রের মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেনা। তাই এদেরকে অবিলম্বে মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণের জোর দাবি জানাচ্ছি।  
হেফাজত নেতৃদ্বয় বলেন, আজকে ভোগবাদী দুনিয়া নারী-স্বাধীনতার নামে প্রতারণার স্লোগান তুলে নারীকে পণ্যে পরিণত করে অশ্লীল বিজ্ঞাপণের মাধ্যমে রমরমা ব্যবসা করছে। নারীকে মিডিয়ার পর্দায় কৃত্রিমভাবে প্রদর্শন করতে গিয়ে তার প্রকৃত স্বাভাবিক রূপ ও সৌন্দর্যকে অবজ্ঞা করা হচ্ছে। নারীর মাতৃত্বকে হুমকির মুখে ফেলে দেওয়া হয়েছে। নারী মাত্রই যেন এখন শোকেজের একটা পুতুল। এর ফলে ধর্ষণ, যৌনহিং¯্রতা, ব্যভিচার ইত্যাদি বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমাদের মায়ের জাতি নারীর প্রতি সম্মান-শ্রদ্ধা দিন দিন কমে আসছে। নারীদের নিরাপত্তার জায়গা সঙ্কুচিত হয়ে আসছে। সমাজে ক্রমবর্ধনশীল নারী নির্যাতন ও যৌন হয়রানি আমাদের শঙ্কিত করছে। এহেন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য এবং নারীর প্রতি সহিংসতা ও নির্যাতন বন্ধে আল্লাহর দেয়া ফরজ বিধান পর্দা বা হিজাব মেনে চলার কোনো বিকল্প নেই।
হেফাজত নেতৃদ্বয় সমাজকল্যাণমন্ত্রীকে তওবা করে প্রকৃত মুসলমান হওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় এদেশের বিক্ষুব্ধ তৌহিদি জনতার রোষানল থেকে তিনি রেহাই পাবেন না। -প্রেস বিজ্ঞপ্তি
               

 
 
 

সিলেট ০১ ফেব্রুয়ারি: নগরীর সোবহানীঘাটে গাড়ি পোড়ানোর মামলায় স্বেচ্ছাসেবকদলের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি ও সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামানসহ ৩৪ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ।
রোববার সিলেট মহানগড়র পুলিশ কোতয়ালি জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) সাজ্জাদুল আলম  বিষয়টি নিশ্চেত করেছেন।
তিনি জানান, এ ঘটনায় থানার উপ-সহকারী পরিদর্শক (এএসআই) মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে শনিবার রাতে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলাটি (নম্বর-২৮(০১)১৫) করেছেন।
মামলায় ১৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে জানান এসি।

উল্লেখ্য-সিলেট কমদতলী বাস টার্মিনাল থেকে একটি বাস (সিলেট জ-১১-০৩০৮) যাত্রী নিয়ে জাফলং যাচ্ছিল। বিকেলে সোবহানীঘাট পয়েন্টে এসে যাত্রী তোলার সময় পায়ে হেঁটে এসে কয়েকজন যুবক গাড়িতে পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে পালিয়ে যায়।               

 
 
 

সিলেট ০১ ফেব্রুয়ারি: সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেছেন, অবৈধ সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসামুলক বর্বরতা ও জুলুম নির্যাতন ইতিহাসের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। বিদায় ঘন্টা বেজে গেছে আচঁ করতে পেরেই তারা আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করতে চরম নিষ্ঠুরতার আশ্রয় নিয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সাথে এমন প্রতিহিংসামুলক আচরণের মাধ্যমে আওয়ামীলীগ ইতিহাসের আস্তাকুঁেড় নিক্ষিপ্ত হওয়ার পথ প্রশস্ত করেছে। সরকারের বিদায় ঘন্টা বেজে গেছে। কোন ষড়যন্ত্রই আওয়ামী বাকশালীদের পতন ঠেকাতে পারবেনা । গণতন্ত্রের চুড়ান্ত বিজয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত দেশপ্রেমিক জনতার স্বতঃস্ফুর্ত সর্বাত্মক হরতাল অবরোধ চলছে এবং চলবে।
রোববার ২০ দলীয় জোট কেন্দ্র আহুত টানা ৭২ ঘন্টার হরতালের প্রথম দিন হরতাল চলাকালে নগরীর নয়সড়ক  সংলগ্ন মানিকপীর রোডে মিছিল সমাবেশ করেছে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি। মিছিল পুর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথা বলেন। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন- সিলেট মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য এডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবীব, সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহমদ, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মিফতাহ সিদ্দীকি, জেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক মামুনুর রশীদ মামুন, বিএনপি নেতা এডভোকেট মুজিবুর রহমান, মামুনুর রহমান, যুবদল নেতা রুহুল কুদ্দুস চৌধুরী হামজা, মঈনুল ইসলাম মঞ্জু, আশরাফ বাহার, কাওসার আহমদ রকি, ছাত্রদল নেতা হোসেন খান ইমাদ, মাসুম পারভেজ, সোহেল ইবনে রাজা, সুমন আহমদ বিপ্লব, আজাদ আহমদ ও শাহজাহান আহমদ প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ ২০ দলীয় জোট কেন্দ্র আহুত টানা ৭২ ঘন্টার হরতাল শান্তিপূর্ন ও সর্বঠত্মকভাবে পালন করায় সিলেটবাসীকে অভিনন্দন জানিয়ে সোমবার ও মঙ্গলবার টানা হরতাল সফলের জন্য পরিবহন মালিক, শ্রমিক, ব্যাবসায়ী নেতৃবৃন্দসহ সিলেটবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। তারা বলেন, আওয়ামী অবৈধ ফ্যাসীবাদীদের হাত থেকে গনতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে আন্দোলনের বিকল্প নেই। দুর্বার গণ আন্দোলনেই আওয়ামী বাকশালীদের পতন নিশ্চিত করে মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

 
 
 

সিলেট ০১ ফেব্রুয়ারি: সিলেটের সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম চালিকা শক্তি সম্মিলিত নাট্য পরিষদ গত বছরের ধারাবাহিকতায় বর্ণাঢ্য বর্ণমালার মিছিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে মহান ভাষার মাস বরণ করেছে। ১ ফেব্রুয়ারী রোববার সকাল ১১টায় সিলেট জেলা পরিষদ প্রাঙ্গন থেকে বর্ণমালার মিছিল শুরু হয়ে সিলেট কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারে সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

বর্ণমালার মিছিলের শুভ সূচনা করেন ভাষা সৈনিক প্রফেসর মোঃ আব্দুল আজিজ।
বর্ণমালার মিছিলে অংশ নেন সিলেটের জেলা প্রশাসক মোঃ শহিদুল ইসলাম সহ রাজনৈতিক, সামাজিক, সংস্কৃতিক ও পেশাজীবি সংগঠনের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার প্রতিনিধিত্বশীল ব্যক্তিবর্গ।

মিছিলে বিভিন্ন রং বেরং এর বর্ণমালা ও ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক স্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ড হাতে বর্ণিল এ আয়োজন নগরবাসীর কাছে দৃষ্টিনন্দিত মনে হয়েছে। নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিনের সময় ভাষার গান, ভাষা আন্দোলনের স্লোগান ও দেশে চলমান সহিংসতার বিরুদ্ধে মানুষকে জাগ্রত করার আহবান জানানো হয়।15280

বর্ণমালার মিছিলটি সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পৌঁছুলে নৃত্য সংগঠন ‘ছন্দ নৃত্যলয়’র নৃত্য শিল্পীরা ভাষা ও দেশের গানের সাথে নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে মিছিলটিকে বরণ করে নেন।

সম্মিলিত নাট্য পরিষদ সিলেটের সহ সভাপতি খোয়াজ রহিম সবুজ এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রজত কান্তি গুপ্তের পরিচালনায় সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন নাট্য পরিষদের পরিচালক নিরঞ্জন দে।

এ সময় অনুষ্ঠানে সংহতি প্রকাশ করে উপস্থিত ছিলেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও উদীচী র কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি ব্যরিষ্টার মোঃ আরশ আলী,  বিশিষ্ট সাংবাদিক আজিজ আহমদ সেলিম, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও বিশিষ্ট সাংবাদিক আল-আজাদ, কবি ও সংগঠক এ কে শেরাম, আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি মোকাদ্দেস বাবুল, রাজনীতিবিদ সিকান্দর আলী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম সেলিম, সম্মিলিত নাট্য পরিষদের প্রক্তন পরিচালক আমিনুল ইসলাম লিটন, প্রাক্তন সভাপতি সৈয়দ মনির হেলাল, প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক শামসুল বাসিত শেরো, বাংলাদেশ রুখে দাড়াও সিলেট এর সমন্বয়ক এড. গোলাম সোবহান চৌধুরী, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সভাপতি রুবায়েত আহমদ, ছড়ামঞ্চ সিলেটের সভাপতি সিরাজ উদ্দিন শিরুল, শ্র“তি সিলেটের সংগঠক সুকান্ত গুপ্ত, বাংলার মুখ সিলেট জেলা সম্পাদক আহমাদ সেলিম, মুক্তাক্ষর সিলেটের পরিচালক বিমল কর, ছড়ানিকেতন সিলেটের পরিচালক বশির আহমদ জুয়েল, জাতীয় কবিতা পরিষদের কাসমির রেজা, মৃত্তিকা মহাকালের সভাপতি সৈয়দ সাইমুম আনজুম ইভান, চিরন্তন সিলেটের সাধারণ সম্পদক ইকবাল হোসেন আফাজ সহ বিভিন্ন নাট্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সম্মিলিত নাট্য পরিষদের কার্যকরী কমিটির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাক আহমদ, কোষাদক্ষ্য কামরুল হক জুয়েল, প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক সাইফুর রহমান চৌধুরী সুমন, নির্বাহী সদস্য ইসমাঈল হোসেন তপাদার, রকিবুল হাসান রুমন প্রমুখ।

বর্ণমালার মিছিল উপলক্ষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ভাষা আন্দোলনের ৬৩ বছর পার হয়ে গেল। এখনো সর্বত্র বাংলা ভাষার শুদ্ধ ও সঠিক প্রচলন হচ্ছে না। তারা বলেন রফিক, সালাম, বরকত, জব্বারদের আত্মদানের মধ্য দিয়ে যে ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সে ভাষা আজ বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়েছে। বাহান্নর হাত ধরে বাঙ্গালী জাতি এগিয়ে গিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের দিকে। রক্ত দিয়ে অর্জন করেছে মহান স্বাধীনতা। আজ সেই স্বাধীনতার ৪৩ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্রে ঘাপটি মেরে আছে কিছু দানব। যারা আজও সহিংসতা চালিয়ে পুড়িয়ে মারছে শিশু, কিশোর, সাধারণ নারী-পুরুষ ও মেহনতি শ্রমিকদের। এদের হাত থেকে সমাজ ও জাতি কে রক্ষা করতে ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জিবীত হয়ে সহিংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে। তারা শুদ্ধ বাংলা ভাষার প্রচলন ও বাঙ্গালী সংস্কৃতি বিকাশে ঐক্যবদ্ধ ভাবে এগিয়ে চলার আহবান জানান।            

 
 
 

সিলেট, ০১ ফেব্রুয়ারি: সিলেট নগরীর সুবিদ বাজার এলাকায় শিবিরের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষের সময় শিবির নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ও ককটেল নিক্ষেপ করে। এসময় পুলিশ ২ শিবির কর্মীকে আটক করে। রবিবার বিকাল ৪টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, চলমান অবরোধ ও হরতালের সমর্থনে রোববার বিকেল ৪টার দিকে নগরীর সুবিদ বাজার এলাকায় মিছিল বের করে শিবর নেতাকর্মীরা। এসময় তারা বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এসময় পুলিশ জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।
এসময় মোবারক (২২) ও শফিকুল ইসলাম (২১) নামে ২ জনকে আটক করে পুলিশ।



 
 
 

ঢাকা: বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়ার ওপর গত সাত বছর ধরে চলে আসা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে সৌদি আরব সরকার।
এর ফলে বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের এই তেলসমৃদ্ধ দেশে শ্রমিক পাঠাতে আর কোনো বাধা থাকল না বলে জানিয়েছেন সৌদি আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শহীদুল ইসলাম।

রবিবার প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক বার্তায় তিনি বলেন, সৌদি আরবের রাজকীয় সভা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়টি অনুমোদন করেছে।
দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের উপমন্ত্রী আহমেদ এফ আলফাহিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়ার খুঁটিনাটি বিভিন্ন বিষয় চূড়ান্ত করতে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সৌদি সরকারের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফরে আসতে পারেন বলেও আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত।

সরকারি হিসাবে বর্তমানে ১২ লাখ ৮০ হাজার বাংলাদেশি সৌদি আরবে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত। এই হিসাবে সৌদি আরবই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার।

২০০৮ সালে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আগে বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর গড়ে প্রায় দেড় লাখ শ্রমিক নিত সৌদি আরব।

শ্রমবাজার খুলে যাওয়ার পর বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে যেতে একজন শ্রমিকের ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার বেশি খরচ হবে না বলে গত ২৫ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

তিনি জানান, ‘সৌদি আরবে যেতে শ্রমিকদের প্র্যাকটিকালি তেমন কোনো খরচ নেই। চাকরিদাতাই লেভি, ভিসা, যাতায়াত এবং মেডিকেলসহ অন্যান্য খরচ বহন করবে।’

এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি নিষেধাজ্ঞা ওঠার সম্ভাবনার কথা জানিয়ে সৌদি শ্রমমন্ত্রী আবদেল ফকিহ রিয়াদে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, সৌদি আরবের কোন কোন খাতে কীভাবে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ শ্রমিক নিলে দুই দেশই লাভবান হবে—সে বিষয়ে একটি কর্মকৌশল ঠিক করতে হবে।

দেশটিতে যেতে আগ্রহীরা শ্রমিকদের দেশে প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং ‘অনলাইন ভেরিফিকেশনের’ মাধ্যমে স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ব্যবস্থার কথাও জানিয়েছিলেন কর্মসংস্থান মন্ত্রী।

 
 
 

নিউজ ডেস্ক: আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।

তিনি রবিবার দুপুরে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনের সামনে হরতালের সমর্থনে মিছিল শেষে সমাবেশে এ মন্তব্য করেন।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সুপ্রিমকোর্ট শাখা এ সমাবেশের আয়োজন করে।
জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘দেশের মানুষকে রক্ষার স্বার্থে যে আন্দোলন চলছে, সেই আন্দোলনেই জনগণের দাবির মুখে ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই অবৈধ সরকারের পতন হবে।’
তিনি জাতীয়তাবাদী শক্তিকেই স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি বলে দাবি করেন।
সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, ‘এই সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত খালেদা জিয়া যে আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন, তা চলছে এবং চলবে।’

তিনি হাইকোর্টের বিচারপতিদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘এক মন্ত্রীর হুমকিতে খালেদা জিয়াকে এই সরকার গ্যাস বিদ্যুৎ, পানি বিছিন্ন করে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছে কিন্তু আমরা হাইকোর্টের পক্ষ থেকে একজন বিচারপতিরও সুয়োমোটো রুল দেখতে পেলাম না।’

রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘যে মন্ত্রী খালেদা জিয়াকে খাবার বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন, সেই মন্ত্রীই আমাকে টকশোতে চোখ উপড়ে ফেলানোর হুমকি দিয়েছিলেন।’

প্রধান বিচারপতিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘কোনো মহলের প্রভাবে দেশের এই পরিস্থিতিতে জোর করে কোনো কোর্ট বসাবেন না। যদি জোর করে কোর্ট বসান তাহলে আপনার বিবেকের কাছে দায়ী থাকবেন।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার, আবেদ রাজা, রেজাউল করিম প্রমুখ।               

 
 
 

হবিগঞ্জ ,০১ ফেব্রুয়ারি: হবিগঞ্জ শহরতলীর পোদ্দারবাড়ি এলাকায় একটি ট্রাকে আগুন দিয়েছে হরতালকারীরা। এছাড়া তারা এসময় আরেকটি ট্রাক ও একটি প্রাইভেট কার ভাঙচুর করে।

রোববার দুপুর ১২টায় হবিগঞ্জের কামড়াপুর-নসরতপুর বাইপাস সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে হরতালকারীরা পোদ্দারবাড়ি এলাকায় মিছিল বের করে। এসময় মিছিল থেকে একটি খালি ট্রাকে আগুন দেওয়া হয়। খবর পেয়ে হবিগঞ্জ দমকল বাহিনীর কর্মীরা এসে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নেভায়।

একই সময় প্রাইভেট কার ও ইট বোঝাই একটি ট্রাক ভাঙচুর করে তারা।

হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজিম উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে।        

 
 
 
 
 
কবিতা
শিল্প-সাহিত্
মিডিয়া
ইসলাম
Image Missing
 
 
বিনোদন
বিনোদন
বিচিত্রা
বিচিত্রা
মুক্তমঞ্চ
Image Missing
 
 
খেলাধুলা
খেলাধুলা
স্বাস্থ্য
স্বাস্থ্য
তথ্য-প্রযুক্তি
তথ্য-প্রযুক্তি
 
 
সংবাদদাতা
জীবন সদস্য
সম্পাদক
 
দেশ বিদেশ
 
 
 

নিউজডেস্ক:
খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা হলেও এখনো ইন্টারনেট, টেলিফোন ও কেবল লাইন বিচ্ছিন্ন রয়েছে। অবিলম্বে এসব সংযোগ পুনঃস্থাপন না করা হলে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে অবিরাম হরতাল ও অবরোধ অব্যাহত রাখার হুমকি দিয়েছে বিএনপি।
রোববার সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন হুমকি দিয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমেদ।
তিনি বলেছেন, ‘ দেশ এখন গণতন্ত্রের পরিবর্তে শেখ হাসিনার মনোতন্ত্র এবং ইচ্ছাতন্ত্রে প্রবেশ করেছে। ইচ্ছামত গুলি করে আন্দোলনকারীদের হত্যার লাইসেন্স দেয়া হয়েছে। দলীয়করণকৃত আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এবং দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নিজে। জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইইউসহ পৃথিবীর তাবৎ উন্নত রাষ্ট্র সমূহ, মানবাধিকার সংস্থা ও সংগঠনসমূহের উদ্বিগ্নতা সত্ত্বেও অবৈধ সরকার প্রতিনিয়ত ক্রসফায়ারের মাধ্যমে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের পাইকারী হারে হত্যা করছে।’

সরকার আন্দোলনকে কলুষিত করার কুমানসে সরকারি এজেন্টরা পেট্রোলবোমা হামলার মাধ্যমে মানুষ হত্যা করে দায়-দায়িত্ব বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোটের ওপর চাপানোর পুরনো কৌশল অবলম্বন করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামী করে মামলা করার জন্য সংসদে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে এক মাঘে শীত যায় না, এই দিন দিন না, আরো দিন আছে।’

সালাহ উদ্দিন বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আবাসস্থল গুলশানস্থ কার্যালয়ে ইন্টারনেট, টেলিফোন, ক্যাবল নেটওয়ার্কসহ সকল বৈদ্যুতিক যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃস্থাপন করা হয়নি। অবিলম্বে এসমস্ত সংযোগ পুনঃস্থাপন না করা হলে দেশবাসীকে সাথে নিয়ে অবিরাম হরতাল ও অবরোধ অব্যাহত রাখা হবে।’
           

 
 
 
 
 
 

ঢাকা: বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও এনটিভির চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক আলী ফালুকে খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ের সামনে থেকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ।

রোববার ৭টা ৫৫ মিনিটে গুলশানের বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে বের হয়ে তার গাড়িতে ওঠেন। এই সময় পুলিশের একজন কর্মকর্তা এসে বলেন, আপনাকে আমাদের সঙ্গে যেতে হবে। এই কথা বলে পুলিশের দু’জন কর্মকর্তা তার গাড়িতে ওঠে পড়েন। তার গাড়ির পেছনে ডিবি পুলিশের একটি গাড়ি রওনা হয়। তাকে কোথাও নেয়া হচ্ছে তা জানা যায়নি।

গ্রেফতার হওয়ার ঘণ্টা দেড়েকে আগে মিনিট আগে তিনি গুলশান কার্যালয়ে ঢুকেছিলেন।

মোসাদ্দেক আলী ফালু গুলশান অফিসে প্রবেশের আগে সেখানে গিয়েছেন বিচারপতি আব্দুর রউফ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রো-ভিসি আফম ইউসুফ হায়দারসহ বেশ কয়েকজন।

 
 
 
 
 
 

ঢাকা: দেশে এখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইচ্ছাতন্ত্রে প্রবেশ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, ইচ্ছামতো গুলি করে আন্দোলনকারীদের হত্যার লাইসেন্স দিয়ে এর দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নিজে। সরকারের পদত্যাগ এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত অবিরাম সংগ্রাম চলবে।
রোববার এক বিবৃতিতে এই কথা বলেন সালাহউদ্দিন।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বলেন, “আওয়ামী লীগ বারবার গণতন্ত্র গিলে খেয়েছে। ১৯৭৫-এ বাকশাল কায়েমের মধ্য দিয়ে। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। পঞ্চদশ সংশোধনীর দংশনে সংবিধান ও গণতন্ত্র মৃতপ্রায়। আওয়ামী লীগের ইতিহাস বারে বারে গণতন্ত্র হত্যার ইতিহাস।”

সালাহউদ্দিন বলেন, “দেশে এখন গণতন্ত্রের পরিবর্তে শেখ হাসিনার মনোতন্ত্র এবং ইচ্ছাতন্ত্রে প্রবেশ করেছে। ইচ্ছামতো গুলি করে আন্দোলনকারীদের হত্যার লাইসেন্স দেয়া হয়েছে দলীয়করণকৃত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এবং দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নিজে।”

জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইইউসহ পৃথিবীর তাবৎ উন্নত রাষ্ট্র, মানবাধিকার সংস্থা ও সংগঠনগুলোর উদ্বেগ সত্ত্বেও অবৈধ সরকার প্রতিনিয়ত ক্রসফায়ারের মাধ্যমে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের পাইকারি হারে হত্যা করছে বলে অভিযোগ করেন বিএনপির এই যুগ্ম মহাসচিব।

বর্তমান সরকারকে ‘ভোটারবিহীন অবৈধ সরকার’ অভিহিত করে সালাহউদ্দিন বলেন, “ততোধিক অবৈধ এতিম মন্ত্রীরা দিনমান কোরাস গেয়ে বেড়াচ্ছেন অবৈধ প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠে কণ্ঠে মিলিয়ে। তারা জনসভা করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ‘ভাতে মারার’ ‘পানিতে মারার’ ঘোষণা দিয়েছেন। এ যেন গণতন্ত্রকামী সংগ্রামী জনগণের বিরুদ্ধে বিজাতীয় শত্রুদের আস্ফালন। কিন্তু খালেদা জিয়া জনগণের ন্যায়সঙ্গত দাবি আদায়ের সংগ্রামে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত।

বিবৃতিতে বলা হয়, “এ দেশের জনগণ দুঃশাসনের কবলে পড়েছে এবং গণতন্ত্র বিপন্ন হয়েছে শেখ হাসিনার প্রহসনের একতরফা নির্বাচনের কারণে। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল করায় এই রাজনৈতিক সমস্যার সূত্রপাত, যে সিদ্ধান্ত শেখ হাসিনা এককভাবেই নিয়েছেন। গণতন্ত্র গিলে খেয়েছে আওয়ামী লীগ বারে বারেই। ১৯৭৫-এ বাকশাল কায়েমের মধ্য দিয়ে। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। পঞ্চদশ সংশোধনীর দংশনে সংবিধান ও গণতন্ত্র মৃতপ্রায়। আওয়ামী লীগের ইতিহাস বারেবারে গণতন্ত্র হত্যার ইতিহাস।”

বিবৃতিতে দেশবাসীর উদ্দেশে সালাউদ্দিন বলেন, “গণতন্ত্র হত্যাকারী সর্ববিনাশী আওয়ামী শক্তিকে বিতাড়নের এই সংগ্রামে দেশবাসীকে সাময়িক ত্যাগ স্বীকারের জন্য আমরা বিনীত আহ্বান জানাই। জনদাবি আদায়ের এই কষ্টসাধ্য ও শোকবেদনা গণতন্ত্রের বিজয় অর্জনের মাধ্যমে জনগণের ক্ষমতায়নকে সাফল্যমণ্ডিত করবে। সরকারের পদত্যাগ এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত দেশবাসীকে অবিরাম সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।”

 
 
 
 
 
 

ঢাকা: আন্দোলনের নামে পেট্রোল বোমা হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে আর দগ্ধদের আর্তনাদ শুনতে চাই না।

রবিবার বাংলা একাডেমী চত্বরে অমর একুশে গ্রন্থমেলা-২০১৫ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের দুর্ভাগ্য যে যখনই তারা শান্তিতে থাকতে শুরু করে, তখনই কোথা থেকে একটা কালো মেঘ এসে ঠেকে যায় আমাদের আকাশে।’

তিনি বলেন, ‘আজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে দগ্ধ মানুষের আর্তনাদ। কী কারণে তাদের পুড়িয়ে মারা হচ্ছে। কেন তাদের এ অবস্থা হলো তারা তা-ও জানলো না।’

বিএনপি চেয়ারপারসনকে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কেউ নির্বাচন অংশ না নিয়ে রাজনৈতিক ভুল করলে তার মাশুল তাকেই দিতে হবে। কিন্তু কী অপরাধ করেছে সাধারণ মানুষ যে, তাদের পুড়িয়ে মারতে হবে?’

পেট্রোল বোমা হামলা ও সন্ত্রাস বন্ধের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা কোনো আন্দোলন হতে হতে পারে না। এটা জঙ্গিবাদ, এটা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। এ সব বন্ধে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের কাছে পরাজিত হতে পারে না।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগেও এমন অবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছিল। পরে আমরা সে অবস্থা কাটিয়ে উঠেছিলাম। দেশের মানুষ এক বছর শান্তিতে ছিল। কিন্তু যখনই শান্তি ও সমৃদ্ধির একটু সম্ভাবনা দেখা দেয়, তখনই চরম আঘাত আসে।’

তিনি বলেন, ‘বার্ন ইউনিটে পুড়ে যাওয়া মানুষের আর্ত চিৎকার আর শুনতে চাই না। বিএনপির প্রতি আহ্বান জানাবো এ সব বন্ধ করুন। অন্যথায় একদিন তাদেরকে মানুষের রুদ্ররোষে পড়তে হবে।’

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা পিছিয়ে দেয়া প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সোমবার এসএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, হরতাল দেয়ায় আমরা তা পিছিয়ে দিয়েছি। কারণ, আমরা শিশুদের জীবন ছিনিমিনি খেলতে চাই না। তাদের হামলা থেকে তো শিশুরাও রেহাই পাচ্ছে না।’

এ সময় অমর একুশে গ্রন্থমেলা-২০১৫ এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে গ্রন্থমেলার সময় অবরোধ কর্মসূচি দেয়া বিএনপি জোটের সমালোচনা করেন তিনি।

 
 
 
 
 
 

ঢাকা: সারাদেশে উপজেলা পর্যায়ের হালনাগাদকৃত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।দেশে এখন মোট ভোটারের সংখ্যা ৯ কোটি ৬১ লাখ ৯৮ হাজার ৬৫২।
রবিবার সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ভোটার সংখ্যা জানানো হয়।

গত বছরের ১৫ মে থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ সম্পন্ন করে ইসি। এরপর গত ২ জানুয়ারি খসড়া তালিকা প্রকাশ করে দাবি আপত্তি আমলে নেয়। প্রায় ১৫ হাজার দাবি আপত্তির শুনানির পর শনিবার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করলো ইসি।
হালনাগাদের আগে দেশে মোট ভোটার ছিলেন প্রায় ৯ কোটি ২০ লাখ।

 
 
 
 
 
 

ঢাকা, ১ ফেব্রুয়ারি : গাড়ী ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় বিএনপির যুগ্মমহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদের ৩ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। রবিবার বিকালে ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্যমহানগর হাকিম আলমগীর কবির রাজ এ আদেশ দেন।

এর আগে রাজধানীর বাড্ডা থানায় দায়ের করা গাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। শুনানী শেষে আদালত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রবিবার বেলা পৌনে তিনটার দিকে রিজভী আহমেদকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয় থেকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে হাজির করে তার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে মামলর তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই মোশাররফ হোসেন।

এসআই মোশাররফ জানান, এ মামলায় রিজভীকে হুকুমের আসামি করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার দিবাগত রাতে বারিধারার একটি বাসা থেকে রিজভী আহমেদকে গ্রেফতার করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১ (র‌্যাব)। পরে শনিবার বিকাল ৪টার দিকে তাকে বাড্ডা থানায় হস্তান্তর করা হয়। সেখান থেকে বিকালেই তাকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। শনিবার ডিবি কার্যালয়ে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় রুহুল কবির রিজভী আহমেদকে।

 
 
 
 
 
 

নিউজ ডেস্ক: প্রায় ১৯ ঘণ্টা পর বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হলেও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে অন্যান্য জরুরি সংযোগগুলো বন্ধ রয়েছে।

গতকাল শনিবার থেকে কার্যালয়ের ইন্টারনেট, ক্যাবল টেলিভিশন, মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দেওয়া হয়। রবিবার বিকেল পৌনে চারটা পর্যন্ত তা বন্ধই রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান।

এতে করে গুলশান-২ এর ৮৬ নম্বর রোডের কার্যালয় ছাড়াও এর আশাপাশে প্রায় ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ফোন ও ইন্টারনেট সংযোগ পাওয়া যাচ্ছে না। কর্তব্যরত গণমাধ্যমকর্মীরাও বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন।

৫ জানুয়ারি বিতর্কিত নির্বাচনের বর্ষপূতির সমাবেশ ঘিরে ৩ জানুয়ারি থেকে খালেদা জিয়া নিজের কার্যালয়ে প্রথমে অবরুদ্ধ, পরে স্বেচ্ছায় অবস্থান করছেন।

গতকাল ১৯ ঘণ্টা পর ওই বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরায় চালু করা হয়। শায়রুল কবির জানান, ১৯ ঘণ্টা পর বিদ্যুৎ এলেও এখন পর্যন্ত অন্যান্য সংযোগগুলো আগের মতোই বন্ধ রয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে কার্যালয়ের বাইরে এসে ফোনে যোগাযোগ করতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা ধারণা করছিলাম, ইন্টারনেট, ল্যান্ড ও মোবাইল ফোন, স্যাটেলাইট টেলিভিশনসহ সকল ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরায় চালু করা হবে। কিন্তু এখনো এসব বন্ধ রয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়কে বস্তুত সকল ধরনের যোগাযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়েছে।’

বিজিবি সদস্যরা অফিসের আশেপাশে টহল দিচ্ছে বলেও জানান শায়রুল কবির।

এদিকে, বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরাও বিড়ম্বনায় পড়ছেন ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে।

ওই কার্যালয়ের আশপাশের এলাকায় কোনো মোবাইল অপারেটরের ইন্টারনেট সংযোগ পাওয়া যাচ্ছে না।

কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা জানিয়েছেন, শনিবার সকাল থেকে তারা অফিসে সংবাদ পাঠাতে পারছেন না। মোবাইল কিংবা মডেম কোনো কিছুই কাজ করছে না। প্রায় এক কিলোমিটার দূরে গিয়ে তাদের সংবাদ পাঠাতে হচ্ছে।

গণমাধ্যমকর্মী রফিক মৃধা জানান, তার টেলিটক মডেম এবং মোবাইল ফোনে শনিবার সকাল থেকে নেটওয়ার্ক পাওয়া যাচ্ছে না। অফিসে নিউজ পাঠাতে চরম বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। প্রায় এক কিলোমিটার দূরে গুলশান গোলচত্বরে এসে সংবাদ পাঠাতে হচ্ছে।

আরেক গণমাধ্যমকর্মী মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘গুলশান কার্যালয়ের সামনে হঠাৎ করেই গ্রামীণফোনের নেটওয়ার্ক পাচ্ছি না। এ অবস্থায় অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।’

গত শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটা ৪২ মিনিটে কার্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় ঢাকা বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রতিষ্ঠান ডেসকো। শনিবার সকালে টেলিভেশনের ক্যাবল সংযোগ ও ইন্টারনেটের ব্রডব্যান্ড সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় হতাশা প্রকাশ করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, সরকারের এই আচরণে তিনি স্তম্ভিত।

তবে শনিবার রাত ১০টা ১২ মিনিটে কার্যালয়ে বিদ্যুৎ পুনঃসংযোগ দেওয়া হয়। তবে যথারীতি টেলিভেশনের ক্যাবল সংযোগ ও ইন্টারনেটের ব্রডব্যান্ড সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

গুলশান কার্যালয়ে খালেদা জিয়ার সঙ্গে আছেন- দলের ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুল কাইয়ুম, প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান, বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, মাহবুব আলম ডিউ, নিরাপত্তা সমন্বয়কারী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আবদুল মজিদ, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা প্রমুখ।

 
 
 
 
 
 

নিউজ ডেস্ক: কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের চেয়ারম্যান কাদের সিদ্দিকী প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাকে নাকে খত দিতে বলিনি, সঙ্কট সমাধানে আলোচনায় বসুন। দেশের প্রয়োজনে আপনাকে চাড়ালের সঙ্গেও বসতে হবে।’
রাজধানীর মতিঝিলে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে রবিবার দুপুরে অবস্থান কর্মসূচির পঞ্চম দিনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আপনি সব রাস্তা বন্ধ করবেন না, কেয়ামত পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকবেন না। দেশের মালিক জনগণ। তাই তাদের ইচ্ছা-অনিচ্ছার প্রতি সম্মান দেখান।’
 
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, কোনো বিশৃঙ্খল অবস্থা অস্ত্র দিয়ে ঠিক করা যায় না। জনগণ আপনার পাশে না থাকলে পুলিশ দিয়ে ক্ষমতায় থাকতে পারবেন না।

এসএসসি পরীক্ষার সময়ে হরতাল-অবরোধের সমালোচনা করে বিএনপির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এখন যারা এসএসসি পরীক্ষা দেবে তারা দেশের ভবিষ্যৎ। দয়া করে দেশের ভবিষ্যৎ নষ্ট করবেন না।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখানে বসতে  বাধা দিচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, আমাকে বসার জন্য যে জায়গা দিবে সেখানেই বসবো। দেশের শান্তি ফিরিয়ে আনার দাবিতে প্রয়োজনে মেথরপট্টিতে গিয়েও বসতে রাজি আছি। এ সময় তিনি তার অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ারও ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরো আরো উপস্থিত ছিলেন হাবিবুর রহমান তালুকদার বীরপ্রতিক, ইকবাল সিদ্দিকী, শফিকুল ইসলাম দেলওয়ার, ফরিদ আহমেদ, অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম, হাবিব-উন-নবী-সোহেল, ফারুক আহমেদ, রিফাতুল ইসলাম দীপ প্রমুখ।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে একসঙ্গে আলোচনায় বসার দাবিতে ২৮ জানুয়ারি থেকে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন কাদের সিদ্দিকী।

কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, খালেদা জিয়াকে অবরোধ প্রত্যাহার এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আলোচনায় বসতে হবে। এ দাবি বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত দিন-রাত তিনি এ অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।


               

 
 
 
 
 
 

নিউজডেস্ক: সচিবালয়ের ভেতরে গণপূর্ত বিভাগের ইএম ভবন ও ডে কেয়ার সেন্টারের মাঝামাঝি স্থানে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার সকাল পৌনে ১১টার দিকে ককটেল বিস্ফোরণের  এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় সচিবালয়সহ আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জয়েন্ট কমিশনার মারুফ হাসানসহ ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
-শীর্ষ নিউজ

 
 
 
 
 
 

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা:
গতকাল শনিবার রাত ৯-১৮ মিনিটে চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের প্রেসক্লাবের সামনে আকস্মিক ২ টি বোমা বিস্ফোরিত হয়। বোমা বিস্ফোরনের বিকট শব্দে প্রেসক্লাবে অবস্থানরত সাংবাদিক ও এলাকাবাসীর মধ্যে আতংক র্সষ্টি হয়।
চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবে অবস্থানরত সাংবাদিকরা জানান, ঘটনার সময় বিকট শব্দে বোমা বিস্ফোরন হলে প্রেসক্লাবে অবস্থানরত সাংবাদিকরাসহ শহরের কোর্টপাড়ার বাসিন্দারা আতংকে দৌড়া দৌড়ি শুরু করে। এ সময় সাংবাদিকরা দ্রুত প্রেসক্লাব ত্যাগ করে চলে যায়। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার-ইন-চার্জ আসাদুজ্জামান মুন্সী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, সন্ত্রাসীদের ওই বোমা বিস্ফোরনে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক সরদার আল আমিন বলেন, তিনি ঘটনার খবর পেয়েছেন,তবে বোমা বিস্ফোরনের শব্দে ভয়ে আতংকে সাংবাদিকরা প্রেসক্লাব ত্যাগ করে চলে গেছে। রাতে প্রেসক্লাবের সামনে টায়ারে আগুন দিয়ে আতংক সৃষ্টি করা হয়েছে।
                                   

               

 
 
 
 
যোগাযোগ করুন..
01712 247 900

dainiksylhet@gmail.com