সরকারদলীয় সংসদ সদস্য (এমপি) শামসুল হক চৌধুরীর এপিএস নূরুর রশীদ চৌধুরী এজাজের মালিকানাধীন গোডাউন থেকে প্রায় ১০ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। শুক্রবার ভোরে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের আসাদগঞ্জ থেকে এযাবতকালের সবচেয়ে বড় ইয়াবার চালানটি আটক করা হয়। এ সময় আবদুর রশিদ নামের এক মাদক চোরাচালানকারীসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাবের মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক এম সোহায়েল জানান, র্যাব-১ এবং র্যাব-৭ যৌথ অভিযান চালিয়ে বরইয়ের বস্তার ভেতর থেকে প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। ইয়াবার এই চালানটি এখন পর্যন্ত আটক করা সবচেয়ে বড় চালান বলে তিনি জানিয়েছেন। র্যাব-৭ এর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর জিয়াউল আহসান সারওয়ার জানান, আসাদগঞ্জ মসজিদের সামনে এশটি ট্রাক থেকে ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো উদ্ধার করা হয়। এ সময় বরইয়ের বস্তার মধ্যে রাখা ইয়াবার প্যাকেটগুলো নামানো হচ্ছিলো। র্যাব-৭, র্যাব-১ ও র্যাবের গোয়েন্দা সংস্থা রাত থেকে এ অভিযান চালায়। এ সময় গ্রেপ্তার করা হয়, আবদুর রশীদ, সাব্বির, আতাউর ও ইসমাইলকে। এম সোহায়েল জানান, ইয়াবার এই চালান মিয়ানমার থেকে গতকাল রাতে চট্টগ্রাম পৌঁছে। গ্রেপ্তারকৃত আব্দুর রশিদ বাংলাদেশের বড় মাদক চোরাচালানকারী বলে তিনি দাবি করেন। আটককৃত ইয়াবার মূল্য আনুমানিক ১০ কোটি টাকা বলে জানান তিনি। তবে শামসুল হক চৌধুরীর এপিএস নূরুর রশীদ চৌধুরী বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, এটা আমার বাবা আব্দুল মালেক চৌধুরীর মালিকানাধীন। তিনি নিজে ব্যবহার না করে গোডাউনটি ভাড়া দিয়ে থাকেন। ওই গোডাউন থেকে ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে কি-না সে বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।
র্যাবের মিডিয়া উইংয়ের ডেপুটি পরিচালক মেজর ওয়ালিদ জানান, আজ ভোররাতে চট্টগ্রামের আসাদগঞ্জ থেকে অভিযান চালিয়ে একটি গোডাউন থেকে প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
মাধবপুর প্রতিনিধি
সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী এনামূল হক মোস্তফা শহীদ বলেছেন জাতির উন্নয়নে বিএনপির কোন রাজনীতি নেই। তারা প্রতি হিংসামূলক কর্মসূচি দিয়ে দেশে অশান্তি সৃষ্টি করতে চায়। বিএনপি দেশে হরতাল দিয়ে বাস পুড়াচ্ছে ,মানুষ মেরে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করে যুদ্ধাপরাধী ও দূর্নীতিবাজদের রক্ষা করতে চায়। বিএনপি সরকারের আমলে সারের জন্য কৃষকদের প্রাণ দিতে হয়েছিল। আওয়ামীলীগ সরকার কৃষকদের ডেকে এনে সার , বীজ সহ কৃষি যন্ত্রপাতি বিনামূল্যে বিতরন করছেন। সমাজ কল্যান মন্ত্রী এনামুল হক মোস্তফা শহীদ (এমপি) শুক্রবার সকালে মাধবপুর উপজেলা হলরুমে জেলা প্রশাসক মাহমুদ হাসানের সভাপতিত্বে আউশ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রনোদনা প্যাকেজ ২০১২ এর আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের মধ্যে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যানর জাকির হোসেন চৌধুরী অসীম, উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা শারমীন জাহান, হবিগঞ্জ জেলা কৃষি সমম্প্রসারন উপ পরিচালক মোঃ আব্দুল বাতেন, পিপি আকবর হোসেন জিতু, জেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা পিযুষ কান্তি ধর।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র হিরেন্দ্র লাল সাহা, ভাইস চেয়ারম্যান শ্রীধাম দাশ গুপ্ত, ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নায়েব আলী। পরে মন্ত্রী প্রেমদাময়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের ভিত্তি প্রস্তর ও গুচ্ছগ্রামের বিদ্যূৎ সংযোগের উদ্বোধন করেন।
এম.এ.আহমদ আজাদ,নবীগঞ্জ প্রতিনিধি:
লন্ডনে সদ্য প্রয়াত তিনবারের নির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম ছরওয়ার হাদী গাজীর লাশ বৃহস্পতিবার দুপুর ২ টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইনস এর একটি ফ্লাইটে ঢাকা হয়রত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে মরদেহবাহী কফিন এসে পৌছলে সাবেক এমপি ফরিদ গাজীর তনয় দেওয়ান মিলাদ গাজী মরদেহ গ্রহন করেন। ঢাকা হযরত শাহজালাল(র)বিমান বন্দর থেকে সড়ক পথে তার মরদেহ গ্রামের বাড়ী উপজেলার দেবপাড়ায় পৌছুলে রাতে শোকার্ত মানুষের ঢল নামে। সেখানে হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। এলাকার আবাল বৃদ্ধ জনতা শোকার্ত মানুষ তাদের প্রিয় এ নেতাকে দেখে অশ্র সজল চোখে নিবাক চেয়ে থাকতে দেখা যায়। শুক্রবার সকাল ৯টায় মরহুমের প্রথম যানাজা দেবপাড়া ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত হয় । পরে সকাল ১০টায় অনেক জল্পনা কল্পনার পর সমাজ কল্যান মন্ত্রী এনামুল হক মোস্তফা শহীদের উপস্থিতিতে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান নেতৃত্বে একদল পুলিশ রাষ্ট্রিয় মর্যাদায় সালাম জানানোর পর নবীগঞ্জ শহরের ওসমানী রোডের টেকাদঘীর মার্কেটের পেছনের মাঠে দ্বিতীয় যানাজা অনুষ্ঠিত হয় । বাদ জুম্মা দুপুর ২টায় সিলেট শাহজালাল(র)এর মাজারের সামনে তৃতীয় জানাজা শেষে মাজার প্রঙ্গনে তার চাচা সাবেক মন্ত্রী দেওয়ান ফরিদ গাজীর কবরের পার্শ্বে তাকে দাফন করা হয়। পর পর তিনবার নির্বাচিত জনপ্রিয় উপজেলা চেয়ারম্যান দেওয়ান গোলাম ছরওয়ার হাদী গাজী ৬৫ বছর বয়সে গত রবিবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে লন্ডনের স্পোর্সমাউথ কুইন এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। উল্লেখ্য যে দেওয়ান হাদী গাজী গত ০৬ মে চিকিৎসা ও স্বজনদের দেখার উদ্দেশ্যে লন্ডন পৌছে ছিলেন। তিনি গত ১৩ মে লন্ডনে ফোর্থ এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। লন্ডন থেকে লাশের সাথে এসেছেন মরহুমের চাচাতো ভাই দেওয়ান মিসবাহ গাজী,ভাতিজা শাহেল গাজী।দেওয়ান হাদী গাজী হযরত শাহজালাল(রাঃ) এর সফর সঙ্গী শাহ তাজ উদ্দিন কুরেশি(রাঃ) সতেরতম বংশধর ছিলেন। গতকাল রাত ৮.৩০ টায় হাদী গাজীর লাশবাহী কফিন তাঁর জন্ম ভিটা সদরঘাটে পৌছলে লাশের গায়ে জাতীয় পতাকা দিয়ে আবৃত্ব করেন মরহুমের সহযোদ্ধা দেওয়ান আব্দুল ওযাহাব চৌধুরী,মুক্তিযোদ্ধা সন্তান উপজেলা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম ও কাজী ওবায়দুল কাদের হেলাল । সকালে জানাজার পূর্বে দেবপাড়া ফুটবল মাঠে গোলাম সরওয়ার হাদী গাজীর কর্মময় জীবন নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয় দেবপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডঃ জাবেদ আলীর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন মরহুমের শ্যালক এ্যাডঃ দেওয়ান মিনহাজ গাজী, বাহুবল উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কাদির চৌধুরী,চুনারুঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কাদির লস্কর, মৌলভী বাজার পৌর মেয়র ফয়জুল করিম ময়ূন,এডভোকেট আবুল ফজল, সাংবাদিক সাইফুল জাহান চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়াহাব চৌধুরী, ইমদাদুর রহমান মুকুল, মুজিবুর রহমান শেফু ও তার চাচাতো ভাই দেওয়ান মিলাদ গাজী এবং নবীগঞ্জে জানাজার পুর্বে বক্তব্য রাখেন সমাজ কল্যান মন্ত্রী এনামুল হক মোস্তফা শহীদ, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান উপজেলা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী, মরহুমের শ্যালক এ্যাডঃ দেওয়ান মিনহাজ গাজী, দৈনিক সমকাল প্রতিনিধি এম,এ,আহমদ আজাদ, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক এম,এ,বাছিত এছাড়া জানাজায় অংশ নেন নবীগঞ্জ-বাহুবল আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শেখ সুজাত মিয়া, বানিয়াচঙ্গ-আজমিরী আসনের সাংসদ এড.আব্দুল মজিদ খান, হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক মাহমুদ হাসান, হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ডাঃ মুশফিক হোসেন চৌধুরী, পুলিশ সুপার কামরুল আমিন, লাখাই উপজেলা চেয়ারম্যান রফিক আহমদ , বাহুবল উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কাদির চৌধুরী,চুনারুঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কাদির লস্কর, মৌলভী বাজার পৌর মেয়র ফয়জুল করিম ময়ূন, নবীগঞ্জ পৌর মেয়র অধ্যাপক তোফাজ্জুল ইসলাম চৌধুরী, মাধবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান জাকির হোসেন চৌধুরী অসিম, বানিয়াচঙ্গ উপজেলা চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন খান, নবীগঞ্জ ও বাহুবল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গন ,নবীগঞ্জ উপজেলার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ও শোকাহত সহস্রাধিক মানুষ জানাজায় অংশ নেয়।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরীর আমীর এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন-জাতির সঠিক নেতৃত্বের অভাবে বাংলাদেশ তার কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছতে বার বার ব্যর্থ হচ্ছে। সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শিবির কর্মীদের আগামী দিনে শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিতে হবে। মেধা যোগ্যতা ও নৈতিকতার সমন্বয়ে আগামী দিনের সকল নেতৃত্ব শূণ্যতা পূরণ করে জাতির আশা-আকাক্সক্ষার বাস্তব প্রতিফলন ঘটাতে হবে।
শুক্রবার বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সিলেট মহানগর কর্তৃক আয়োজিত দিনব্যাপী আঞ্চলিক কর্মী শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
মহানগর অফিস সম্পাদক-জাকির হোসেন সিদ্দিকী জামাল এর সভাপতিত্বে এবং মহানগর এইচ.আর.ডি সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এর পরিচালনায় শিক্ষা শিবিরে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ শাহজাহানা আলী, মহানগর সভাপতি মাহমুদুর রহমান দিলওয়ার।
প্রধান অতিথি আরো বলেন-বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে এ দেশের মানুষকে স্বাধীনতার পক্ষ-বিপক্ষ বলে দু’ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। যা আমাদের জন্য বড়ই দুর্ভাগ্যজনক। তিনি বলেন, দেশের অন্যায়, অত্যাচার, গুম, খুন আর মিথ্যাচার সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। অসৎ নেতৃত্বই এগুলোর মূল কারণ। তিনি শিবির কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন-এ জাতির মুক্তির লক্ষ্যে তোমাদের কোরআন এবং হাদিসের জ্ঞান অর্জন করতে হবে। রাসুল (সাঃ) ও সাহাবীদের জীবন চরিত অনুসরণ করে এর বাস্তব প্রয়োগ সমাজে ঘটাতে হবে। সৎ নেতৃত্ব তৈরির জন্য তোমাদের এখনই প্রস্তুতি নিতে হবে। তিনি বলেন-যারা কোরআন ও হাদিসের প্রকৃত অনুসরণকারী তাদের বিরুদ্ধে যতই ষড়যন্ত্র হোক না কেন বিরোধীরা পরাজিত হবেই হবে ইনশাআল্লাহ। ইসলামী আন্দোলনের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্র করে অতীতে যেমন কেউ ঠিকে থাকতে পারেনি, এখনও ঠিকতে পারবে না।
শিক্ষা শিবিরে আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর ছাত্র কল্যাণ সম্পাদক ফখরুল আলম সেলিম, বিমান বন্দর থানা সভাপতি জুবায়ের আহমদ, মদন মোহন কলেজ সভাপতি তানভীর আহমদ রনি, রিপন আহমদ লিটন, জয়জুল ইসলাম জায়গীরদার, আজগর খান রাহাত, মাজহারুল ইসলাম প্রমুখ।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ পিপি বলেছেন, বর্তমান সরকার সন্ত্রাসীদের কোন প্রশ্রয় দেয় না। ছালিয়ার সন্ত্রাসী হামলায় নেতৃত্ব দানকারী গডফাদার সহ ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য সকল সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের ব্যবস্থা করা হবে। আপনাদের এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য যা কিছু করার আমি আপনাদের পাশে থেকে তার কারতে পিছুপা হবো না। আমি এই সন্ত্রাসী হামালা বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বিস্তারিত অবহিত করবো। সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রবীণ রাজনীতিবিদ মফিজুর রহমান বাদশাহ’র ছেলে সহ অন্যান্য যারা আহত হয়েছেন আমি পবিত্র ওমরা পালন শেষে সিলেট পৌছেই হাসপাতালে গিয়ে তাদের চিকিৎসার খোঁজ-খবর নিয়েছি। তাদের উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হলে আমি তার ব্যবস্থা করবো। আপনারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অশস্ত্রসহ সন্ত্রাসীদের আটক করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছেন তা সত্যি প্রশংসার দাবীদার। প্রতিটি এলাকার মানুষ সচেতন হলে এবং সাহস নিয়ে এগিয়ে গেলে সন্ত্রাসীরা আর সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালাতে পারবে না। ছালিয়া ঘটনার ব্যাপারে যে মামলা দায়ের করা হয়েছে তা সঠিক পথেই চলবে। এ মামলা নিয়ে তালবাহানা সহ্য করা হবে না। আমি আইনী ব্যাপারে সর্বরকম সাহায্য-সহযোগিতা করবো। আমাদের জননেতা সিলেট-১ আসনে এমপি মাননীয় অর্থমন্ত্রী এ ঘটনাটি তিনি নজরধারী করছেন। যে কোন ধরনের সাহায্য-সহযোগিতার আশ্বাস তিনি প্রদান করেছেন।
১৮ মে, শুক্রবার রাতে এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বী মুক্তিযোদ্ধা হুছন আহমদের সভাপতিত্বে ও সিলেট সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এইচ.এম.এ মালিক ইমন এর পরিচালনায় ছালিয়া ঘটনার অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মফিজুর রহমান বাদশাহ, ইসমাঈল হোসেন, সাবেক ছাত্রনেতা সেলিম আহমদ সেলিম, গোলাম কিবিয়ার মাসুক, দিলোয়ার হোসেন দিলো মেম্বার, মুজিবুর রহমান, জালাল উদ্দিন, আব্দুস সালাম, জুনেদ আহমদ, ফেরদৌস মিয়া, আব্দুল খালিক, কয়েছুর রহমান কয়েছ, সাবাজ মিয়া, ইদ্রিছ আলী, রমিজ উদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ, ইকলাল আহমদ, জালাল আহমদ, লাল মিয়া, সাহেদ আহমদ, মোস্তাক আহমদ পাপ্পু প্রমুখ।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান বলেছেন, সরকার শিক্ষার মানোন্নয়ননের জন্য যুগান্তকারী সকল প্রদক্ষেপ গ্রহণ করছে। শতভাগ মানুষকে শিক্ষিত করে তুলে কৃতি শিক্ষার্থী তৈরির মধ্য দিয়ে দেশকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া সম্ভব। পিছিয়ে পড়া সিলেটের শিক্ষার উন্নয়নে বর্তমান সরকার ব্যাপক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ঐতিহ্যবাহী আব্দুল গফুর ইসলামী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ২০১২ শিক্ষাবর্ষে এ গ্রেড প্রতিষ্ঠানে স্থান লাভ করার কথা উল্লেখ করে মেয়র কামরান আরো বলেন, আব্দুল গফুর স্কুল সিলেটের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। জ্ঞান-বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তির এ যুগে ছাত্রছাত্রীদেরকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারলে সিলেট তথা বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে উঁচু করে তুলে ধরতে পারবে। এ বছর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির মাধ্যমে কলেজে উন্নীত হচ্ছে জেনে সন্তোষ প্রকাশ করেন। বুধবার ১৬মে সিলেট নগরীর আব্দুল গফুর ইসলামী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনে ১ম সাময়িক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ, এসএসসি কৃতি শিক্ষার্থীর সংবর্ধনা, শ্রেণি ভিত্তিক মেধাবীদের ও শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ এবং স্মরণীকা প্রকাশ উপলক্ষ্যে ২য় ছাত্রশিক্ষক অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মাহবুব চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক, শিক্ষানুরাগী মাহী উদ্দিন আহমদ সেলিম, সিলেট সদর উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার পুলিন চন্দ্র রায়, উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম আজম, কিন্ডারগার্টেনের সহ-সভাপতি জহির খান লায়েক, শিক্ষানুরাগী সদস্য মোঃ আজাদ মিয়া, বাচ্ছু মিয়া, জালাল আহমদ চৌধুরী, কিন্ডারগার্টেন শাখার প্রধান শিক্ষক নাজমা আক্তার, আব্দুশ শহীদ তুমেল ডা. তৈয়ব আলী জায়গীরদার, মনোয়ারা বেগম, সহকারী প্রধান শিক্ষক জিয়াউর রহমান ও শিক্ষক প্রতিনিধি আতিকুর রহমানের যৌথ পরিচালনায় শিক্ষক প্রতিনিধি হেলাল উদ্দিন, আতিকুর রহমান, পারভীন বেগম, মোঃ ছদরুল হাসান, আশফাক আহমদ চৌধুরী, আব্দুর রকিব মানিক, মমতাজ বেগম, মোঃ রুহুল আমীন, মোঃ খলিলুর রহমান, শ্রীমতি স্মৃতি রাণী চন্দ, আশরাফুল হক আনওয়ারী, ইসরাত জাহান, লাকী বেগম, শাহানারা বেগম, তামান্না সিদ্দিক মুন্নি। “শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আব্দুল গফুর ইসলামী আদর্শ কিন্ডারগার্টেন” এর মোড়ক উন্মোচন করেন মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান। এসএসসিতে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত মারজিয়া বেগম চৌধুরী ও মোঃ শাফিউল আলমকে ৬০০০ টাকার প্রাইজবন্ড প্রদান করা হয়। কেজি থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত ১ম,২য়,৩য় স্থান অধিকারীকে ও প্রাইজবন্ড প্রদান করা হয়। এবং বার্ষিক শিক্ষা সাংস্কৃকিতি প্রতিযোগিতার ৪০জন বিজয়ীকে পুরস্কৃত করা হয়।-- বিজ্ঞপ্তি
শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদরাসা পাঠানটুলা সিলেট-এর গভর্ণিং বডির চেয়ারম্যান বিশিস্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবী জনাব অধ্যাপক মোঃ ফজলুর রহমান বলেছেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভার বিকাশ মাধ্যমে শিক্ষক-অভিভাবকদের সমন্বিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই।
শুক্রবার জামেয়ার নিয়মিত শিক্ষক-অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথাগুলো বলেন। অধ্যাপক ফজলুর রহমান আরো বলেন, বর্তমান সমাজে বিরাজমান অপসংস্কৃতির ছড়াছড়ি এবং নৈতিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয়ের এ যুগে শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে শিক্ষকরা যেমনি বহুমুখী প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন তেমনি অভিভাবকবৃন্দ তাদের পারিবারিক তত্ত্বাবধানকে আরো শক্তিশালী করবেন। সকলের সহযোগিতায় শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদরাসা সুযোগ্য আলেমে দ্বীন এবং দেশ পরিচালনায় আগামী দিনের কণধার সুনাগরিক তৈরীতে যুগান্তকারী ভূমিকা পালনে এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
জামেয়ার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ লুৎফুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং উপাধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ ফয়জুল্লাহ বাহার এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে কালামে হাকীম থেকে তেলাওয়াত করেন জামেয়ার শিক্ষক মাওলানা মোঃ ফয়জুর রহমান।
স্বাগত বক্তব্যে জামেয়ার অধ্যক্ষ মাওলানা লুৎফুর রহমান বলেন, ২৮০০ ছাত্র-ছাত্রীদের কলকাকলীতে মুখরিত এ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করে আমরা নিজেদেরকে গৌরবান্বিত মনে করি। প্রতি বৎসর দাখিল ও আলিম পর্যায়ে ৬ থেকে ৭ শত ছাত্র-ছাত্রী নতুন ভর্তি হয় এবং প্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়নের স্রোতধারায় মিলিত হয়। এ ক্ষেত্রে মূল অবদান হচ্ছে অভিভাবক মন্ডলীর অভিভাবকবৃন্দ যেভাবে তাদের শিক্ষার্থীদের এখানে ভর্তি করে আমাদের সহযোগিতা করেন তেমনি তারা যেন শিক্ষকদের সাথে সম্পর্কের সেতু বন্ধন তৈরী করে এবং অব্যাহত পরামর্শ প্রদান করে প্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়নে এগিয়ে আসেন।
বিগত বছরের অীভভাবক সমাবেশের কার্যবিবরণীর সার সংক্ষেপ এবং এর আলোকে প্রতিষ্ঠান কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপের সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন জামেয়ার উপাধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ ফয়জুল্লাহ বাজার। সমাবেশে বিশেস অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামেয়ার গভর্ণিং বডির অভিভাবক প্রতিনিধি অধ্যাপক আকবর হোসেন চৌধুরী এবং মোঃ গৌছুর রহমান। অভিভাবকদের পক্ষ থেকে পরামর্শমূলক বক্তব্য প্রদান করেন মোঃ আব্দুল গফুর, ইকবাল আহমদ, মোঃ কবীর হুসাইন, মোঃ নূরুজ্জামান, মোঃ জাকারিয়া, ইসলামী ব্যাংক জিন্দাবাজার শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ নুরুজ্জামান, মাওলানা খলীলুর রহমান, মাওলানা ফিরোজ উদ্দিন, মাওলানা আব্দুশ শহীদ, মাওলানা আব্দুল মুকীত প্রমুখ।
শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন- মাওলানা শাব্বির আহমদ, মাওলানা শফিকুল ইসলাম এবং মাওলানা আলী হায়দার। মহিলা অভিভাবকদের পক্ষ থেকে লিখিত পরামর্শ প্রদান করেন রৌশন আরা বেগম, খাদিজা বেগম, জলী বেগম প্রমুখ।
সিলেট ক্রীড়াঙ্গনের নীতি নির্ধারক, সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ পরিষদের সদস্য, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক পরিচালক, সংস্থার নিবন্ধনকৃত আবাহনী ক্রীড়া চক্রের সভাপতি ও বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব ইফতেখার হোসেন শামীম-এর মৃত্যুতে সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে গতকাল ১৮ মে ২০১২ ইং শুক্রবার বাদ মাগরিব জেলা ক্রীড়া ভবনে কোরআনে খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কোরআনে খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যনির্বাহী ও সাধারণ পরিষদের সদস্যবৃন্দ, ক্লাব-কর্মকর্তাবৃন্দ, সংস্থার প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষবৃন্দ, সংস্থার সাবেক কর্মকর্তাবৃন্দ, সংস্থার বিভিন্ন উপ-কমিটির সদস্যবৃন্দ, সিলেট জেলা ফুটবল এসোসিয়েশন (ডি.এফ.এ.) এর কার্যনির্বাহী ও সাধারণ পরিষদের সদস্যবৃন্দ, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও অনুরাগীবৃন্দ, সাবেক ও বর্তমান খেলোয়াড়বৃন্দ, ফুটবল-ক্রিকেট-হকি-ভলিবল প্রশিক্ষকবৃন্দ, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, বিভিন্ন পেশাজীবি , সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ ক্রীড়া সংশ্লি¬ষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সাবেক সংসদ সদস্য দিলদার হোসেন সেলিম, সংসদ সদস্য সৈয়দা জেবুন্নেছা হক, সিলেটের জেলা প্রশাসক ও সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি খান মোহাম্মদ বিলাল, সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি আ.ন.ম.শফিকুল হক, সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আসাদ, সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি আহমেদ নুর, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র শাহানারা বেগম শাহানা, সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক, মুজিবুর রহমান শওকত, আজাদুর রহমান আজাদ, রেজওয়ান আহমদ ও এডভোকেট সালমা সুলতানা, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সিলেট ইউনিটের সেক্রেটারী আব্দুর রহমান জামিল, সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক লুৎফুর রহমান লালু, এডভোকেট আজিজুল মালিক চৌধুরী ও খন্দকার ফজলুর রহমান বাবুল, জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব রঞ্জিত দাস, মরহুম ইফতেখার হোসেন শামীম এর পুত্র ইন্তেখাব হোসেন ও ইশরাক হোসেন, সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি বিমলেন্দু দে নান্টু, সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) ফেরদৌস চৌধুরী রুহেল, যুগ্ম সম্পাদক সাহিদ আহমদ চৌধুরী জুয়েল ও মুফতি আব্দুল খাবির, কোষাধ্যক্ষ এ.এ.এম.মিরাজ জাকির, সংস্থার কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য এডভোকেট নাসির উদ্দিন খান, হানিফ আলম চৌধুরী, মহসিন আহমদ চৌধুরী, মঞ্জুর আহমদ চৌধুরী, ইশতিয়াক আহমদ চৌধুরী, সংস্থার সাধারণ পরিষদের সদস্য হাজী হেলাল উদ্দিন আহমদ, জাকির উদ্দিন আহমদ কোরেশী, নুরে আলম খোকন, আব্দুর রকিব, মাসুক আহমদ, শমশের জামাল, সমর চৌধুরী, মনোজ রায়, আক্কাছ ;উদ্দিন আক্কাই, সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ জাহেদ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমরান চৌধুরী, দৈনিক উত্তরপূর্ব এর সম্পাদক শফিউল আলম নাদেল, সিলেট মহানগর যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুদীপ দে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মুশফিক জায়গীরদার, সিলেট জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি মাহিউদ্দিন আহমদ সেলিম, জেলা ক্রিকেট কমিটির সভাপতি সুপ্রিয় চক্রবর্ত্তী , সহ-সভাপতি আহমদ জুলকারনাইন , সম্পাদক মোঃ আক্তারুজ্জামান মান্না ও সহকারী সম্পাদক রেজাউল করিম নাচন, জেলা হকি কমিটির সহ-সভাপতি হুরায়রা ইফতার হোসেন ও সম্পাদক সুনু মিয়া,আবাহনী ক্রীড়া চক্রের সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দিন আহমদ, ১ম বিভাগ ভলিবল লীগ কমিটির সভাপতি জামাল উদ্দিন আহমদ ও সম্পাদক ফাহমিন মুর্শেদ চৌধুরী ও সহকারী সম্পাদক জামাল চৌধুরী জয়, অভ্যন্তরীণ ক্রীড়া উপ-কমিটির সভাপতি গোলাম আম্বিয়া মাজকুর পাবেল ও সহকারী সম্পাদক জাবেদ সিরাজ,,জেলা ব্যাডমিন্টন কমিটির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম শামীম ও সম্পাদক অচ্যুত ভট্টাচার্য্য অজিত, দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেট লীগ কমিটির সহ-সভাপতি এ.কে.এম.মাহমুদ ইমন-সহকারী সম্পাদক ফখরুল ইসলাম, দ্বিতীয় বিভাগ ভলিবল লীগ কমিটির সভাপতি মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান ভুট্টো ও সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, জেলা এ্যাথলেটিকস কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সুজাত আলী রফিক ও সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ারুছ সাদাত, জেলা সাঁতার কমিটির সভাপতি হাজী এম.এ.সাত্তারসহ জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তাবৃন্দ ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাধবপুর উপজেলার বেজুড়া এলাকা থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে এক ছাত্রদল কর্মীর ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করেছে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ। নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মাধবপুর পৌর এলাকার পশ্চিম বাজারের সৌদি প্রবাসী ফারুক রানার ছেলে ছাত্রদল কর্মী তোফায়েল আহম্মদ ইমন (১৭) বুধবার সন্ধ্যায় নামাজে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে রাতে আর বাসায় ফিরেনি। রাত প্রায় সাড়ে ৩টার দিকে শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানা থেকে তার মৃত্যুর কথা বাসায় জানানো হয়। হাইওয়ে থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে বেজুড়ার কাছে রাস্তায় ক্ষতবিক্ষত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করা হয়। কর্তব্যরত ডাঃ দেলোয়ার চৌধুরী বিব্রতবোধ করায় ময়না তদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। নিহতের পরিবারের দাবি দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে ইমনকে হত্যা করে ওইখানে লাশ ফেলে রেখেছে।
ইমনের ফুফাতো বোন কলেজ ছাত্রী মারজানা আফরোজ রিপা সাংবাদিকদের জানান, রাত প্রায় সাড়ে ১০টায় ইমনের মোবাইলে ফোন দিয়ে তার অবস্থান জানতে চাইলে সে জানিয়েছিল বি-বাড়িয়া জেলার বিশ্বরোড মোড়ে আছে। কিছুক্ষণের মধ্যে বাসায় ফিরবে। এরপর থেকে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। হাইওয়ে থানার এসআই ফরিদ উদ্দিন জানান, লাশটি ক্ষতবিক্ষত হওয়ায় এই মুহূর্তে মন্তব্য করা ঠিক হবে না। তবে ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হয়তো সম্ভব হবে। এদিকে ইমনের মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে। তার সহপাঠি ও পরিবারের সদস্যদের কান্নায় পরিবেশ ভারি হয়ে উঠে।
ইমনের ভাল কলেজে ভর্তি হওয়া আর হল না ঃ প্রবাসী পিতা ও পরিবারের স্বপ্ন ছিল ইমন একটি ভাল কলেজে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করে মানুষের মতো মানুষ হয়ে মা-বাবার মুখ উজ্জল করবে। সে মাধবপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে কৃতকার্য হয়েছিল।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহা সচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমান উল্লাহ আমান, ফজলুল হক মিলন, খায়রুল কবীর খোকন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, আমিরুল ইসলাম আলীম, আনিসুল ইসলাম খোকন, নাসিরসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবীতে সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদল আজ হরতাল চলাকালীন সময়ে এক বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি সিলেট শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়। এ সময় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সদস্য মাহবুবুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতির বক্তৃতায় মাহবুবুল হক চৌধুরী বলেন, মিথ্যা মামলা আর হামলা করে বিরোধী দলের আন্দোলন স্তব্ধ করা যাবে না। তিনি অবিলম্বে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের উপর থেকে হয়রানীমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং নেতৃবৃন্দের মুক্তি দাবী করেন। সমাবেশে অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সদস্য শফিকুর রহমান টুটুল, জেলা ছাত্রদলের সাবেক অর্থ সম্পাদক আব্দুস সামাদ তোহেল, মহানগর ছাত্রদলের সিনিয়র সদস্য কামরুজ্জামান দিপু, মহানগর ছাত্রদল নেতা লোকমান আহমদ চৌধুরী, মহানগর ছাত্রদল নেতা মানিকুর রহমান মানিক, আব্দুল মুকিত রাজন, ১২নং ওয়ার্ড সভাপতি মির্জা রামিম, ৯নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক আবু আহমদ আনসারী, মদন মোহন কলেজ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাসিম জাকারিয়া, সহ-সভাপতি শিহাব খান, মহানগর ছাত্রদল নেতা ওসমান গণি, মদন মোহন কলেজ যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সালাম টিপু, সুহেল রানা, মাজেদ আহমদ, মামুন খান, আবুল হাসনাত, মাহবুবুর রহমান রুমেল, কৃষ্ণ গুষ, কবির আহমদ, রুবেল আহমদ, মুক্তার আহমদ মুক্তা, জৈন উদ্দিন, সাগর তালুকদার, আফজাল হোসেন, তারেক আহমদ, শাকিল আহমদ এবং জামাল আহমদ প্রমুখ।
সিলেট-৩ আসনের এমপি আলহাজ্ব মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী বলেছেন, বীরমুক্তিযোদ্ধা ইফতেখার হোসেন শামীম বহুগুণে গুনান্বিত আওয়ামীলীগের নিঃস্বার্থ নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। তিনি রাজনীতির পাশাপাশি আর্ত মানবতার সেবা করে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন। সিলেটের বিভিন্ন দাবী-দাওয়া আদায়ে তিনি ছিলেন অগ্রসৈনিক। তার এই মৃত্যুতে সিলেটবাসীর যে ক্ষতি হয়েছে তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। তিনি আরো বলেন, ইফতেখার হোসেন শামীমের সাথে দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে আমার যে সুদৃঢ় সম্পর্ক ছিল এর মধ্যে কোন দিন তার কাছ থেকে খারাপ আচরণ পাইনি। তার মৃত্যুর খবর শুনে আমার গর্ভধারিণী মার মৃত্যুতে যে কষ্টটুকু পেয়েছিলাম অনুরূপ ইফতেখার হোসেন শামীমের মৃত্যুতেও সে কষ্টটুকু অনুভব করেছি। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সাথে ইফতেখার হোসেন শামীমের ছিল সুসম্পর্ক। মানুষের যে কোন সমস্যা সমাধানে তিনি এগিয়ে আসতেন সর্বাগ্রে। এতে সমাজের মানুষ উপকৃত হতো। তিনি শুধু রাজনীতি করতেন না, রাজনীতির পাশাপাশি একজন দক্ষ সাহসী সংগঠক হিসেবে মানুষের কাছে পরিচিতি লাভ করেন। তার এই অকাল মৃত্যুতে আমরা সকলেই গভীর ভাবে শোকাহত। আজকের এই শোক সভায় তার রূহের মাগফেরাত এবং চিকিৎসাধীন তার স্ত্রী ও কন্যার সুস্থতা কামনা করছি।
এমপি মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী বৃহস্পতিবার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগি সংগঠন আয়োজিত স্থানীয় বনছায়া কমিউনিটি সেন্টারে বীর মুক্তিযোদ্ধা সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ইফতেখার হোসেন শামীম এর শোক সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শওকত আলীর সভাপতিত্বে, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আউয়াল কয়েস ও ছাত্রলীগ নেতা শাহ মাশার আহমদের যৌথ পরিচালনায় শোক সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক সাইফুল ইসলাম রুহেল, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছিত টুটুল, সহ-সভাপতি এ আর সেলিম, যুগ্ম আহ্বায়ক মুহিব উদ্দিন বাদল, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন আহমদ নেওয়াজ, আব্দুল হাই খসরু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল ইসলাম মানিক, মনোয়ার হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা নুরুল ইসলাম খোকন, কমর উদ্দিন চৌধুরী, সমাজসেবী জুবেদ আহমদ চৌধুরী শিপু, মুজিবুর রহমান, আব্দুল কাইয়ুম, উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী আবু মিয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আতিকুর রহমান সুজন, সাধারণ সম্পাদক বিজন দেব নাথ, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ইসতিয়াক আহমদ জর্দান, সাধারণ সম্পাদক তৈয়বুর রহমান শাহীন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জয়নাল আবেদীন খান, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আশফাকুল ইসলাম সাব্বির, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহফুজুর রহমান জাহাঙ্গীর, ছাত্রলীগ নেতা মিশলু আহমদ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি খলিলুর রহমান কলা, হাজী আব্দুল্লাহ ভাগন মিয়া, আওয়ামীলীগ নেতা মিসবাহ হোসেন চৌধুরী, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, প্রবাসী দুলু মিয়া ও রাহেলা বেগম প্রমুখ। মিলাদ মাহফিলে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ক্বারী নূরউদ্দিন। পরে ইফতেখার হোসেন শামীমের রূহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করেন প্রধান অতিথি এমপি মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী।
হরতালে পুলিশী বাধা উপেক্ষা করে সিলেটে হরতালের সমর্থনে মিছিল ও সমাবেশ করেছে সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের নেতাকর্মীরা। সকাল ১০টার দিকে সিলেট জেলা যুবদল সভাপতি আব্দুল মান্নান, সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুন ও সাংগঠনিক সম্পাদক ছাদিকুর রহমান ছাদিকের নেতৃত্বে হরতালে নগরীতে একটি মিছিল বের করে যুবদল যুবদলের মিছিলটি আম্বরখানা ভিআইপি রোড দরগাহ গেইট অতিক্রম করে চৌহাট্টায় এসে পৌছলে পুলিশী বাধার মুখে পড়ে। পরে পুলিশী বাধায় শহীদ মিনার সম্মুখ থেকে ফিরে এসে আম্বরখানা দলীয় কার্যালয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি সিলেট জেলা যুবদলের সভাপতি জনাব আব্দুল মান্নান বলেন দেশকে ভালভাবে চলাতে হলে অবিলম্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি পুনর্বহাল করতে হবে। সরকার একের পর এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার সৃষ্টি করে মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে নিতে চায়। এভাবেই তারা ক্ষমতা ছাড়তে চায়। নেতাকর্মীদের জেলে ভরে সরকার নিজেদের পতনই ত্বরান্নিত করছে। তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহ আটক নেতৃবৃন্দের নি:শর্ত মুক্তির দাবী জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক সিলেট জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুনের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সিলেট জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছাদিকুর রহমান ছাদিক, যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য সৈয়দ মঈন উদ্দিন সোহেল, সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদল নেতা নিজাম উদ্দিন জায়গীরদার, আব্দুল আজিজ, আব্দুল মালেক, শামীম মজুমদার, আব্দুস সামাদ তুহেল, এড. মুজিবুর রহমান মুজিব, মনির হোসেন, প্রফেসর মঈন উদ্দিন, সিরাজুল ইসলাম, মন্তাজ হোসেন মুন্না, শাহাব উদ্দিন আহমদ, আলতাফ হোসেন, আমির উদ্দিন আহমদ, রহমত আলী তারেক, শরিফ উদ্দিন মেহেদী, গোলাম কিবরিয়া, মুহিত হাসান, আব্দুস সোবহান, ফারুক আহমদ, শিপন চন্দ্র, কালা মিয়া প্রমুখ।
বর্তমান সরকার সাধারণ মানুষের সরকার। সরকার দেশের উন্নয়নের লক্ষে সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে। তাছাড়া সরকার সততা ও নিষ্টার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। দেশকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিতে সরকার যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে প্রস্তুুত। বিশেষ করে সিলেটের উন্নয়নে সরকার বদ্ধ পরিকর।
বুধবার দক্ষিণ সুরমার শ্রী শ্রী সর্ব্বানন্দ ভৈরব গ্রীবা মহাপিঠ শিববাড়ী মন্দির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রণালয়ের সফল অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
মন্দির কমিটির সভাপতি হীর বৈদ্যের সভাপতিত্বে ও এডভোকেট বিপ্লব কান্তি দে মাদব ও কিশোর কুমার কর পুরস্কায়স্থ এর যৌথ পরিচালানায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু সুফিয়ান চৌধুরী, সিলেট সদর উপজেলার চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ চৌধুরী, সিলেট জেলা প্রশাসক খান মোঃ বিল্লাল, এলজিআরডি পরিচালক পি.কে চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সুজাত আলী রফিক, ২৫, ২৬ ও ২৭নং ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলর আছমা বেগম, সিটি কাউন্সিলর জগদিশ দাস। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি সুব্রত পুরকায়স্ত, ডাঃ সিরাজুল ইসলাম, সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র আজম খান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি অসিত ভট্টাচার্য্য, ইসকন মন্দিরের অধ্যক্ষ নবদ্বীপ গৌরাঙ্গ দাস, প্রদিপ দে মনা, শৈলেশ কর, বিজেন দেব, মুন কান্দি দেব, সুকুমার চন্দ, বাচ্চু ঘোষ, পিযুষ কর, রূপক চৌধুরী, যিশু দেব, সুধীর দেব নাথ, জয় ভট্টাচার্য, মৃদুল বড়–য়া প্রমুখ।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহ ১৮ দলের শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে ডাকা দেশব্যাপী সকাল সন্ধ্যা হরতালের সমর্থনে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ। মিছিলটি নগরীর সিটি সেন্টার থেকে শুরু হয়ে চৌহাট্টা পয়েন্টে যাওয়ার সময় পুলিশ মিছিলটি আটকে দেয়। মিছিলটি ঘুরে জিন্দাবাজারের দিকে অগ্রসর হলে সেখানেও পুলিশ তাদের বাঁধা প্রদান করে। এসময় নেতৃবৃন্দের সাথে পুলিশকে বাক বিতন্ডা করতে দেখা যায়। বিক্ষোভ মিছিলে সাবেক সংসদ সদস্য দিলদার হোসেন সেলিম, মহানগর বিএনপির সহসভাপতি নাসিম হোসাইন, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আহমদ, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল হাসান কয়েস লোদী প্রমুখ। অপরদিকে সকাল সাড়ে ১০ টায় নগরীর আম্বরখানা পয়েন্টে বিক্ষোভ মিছিল করে বিএনপির শাহরিয়ার গ্র“পের নেতা কর্মীরা। মিছিলে নেতারা কেন্দ্রীয় সকল নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবীতে শ্লোগান দেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরীর আমীর এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, আওয়ামীলীগ সরকার গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করে জাতির ঘাড়ে তথাকথিত ও জননিন্দিত বাকশালী শাসন ব্যবস্থা চাপিয়ে দিতে চায়। জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর মকবুল আহমদ এর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহ ১৮ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে কারাগারে প্রেরণের মাধ্যমে ফ্যাসীবাদী ও স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তনের চূড়ান্ত রূপে ফিরে সরকার নিজেদের পতনকে অবশ্যম্ভাবী করে তুলেছে। জনগণের মৌলিক অধিকার হরণকারী আওয়ামী জালিম সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করতে কঠোর কর্মসূচী ঘোষণা এখন সময়ের অপরিহার্য দাবী। অবিলম্বে জাতীয় নেতৃবৃন্দকে নিঃশর্ত মুক্তি দিন। অন্যথায় যে কোন পরিস্থিতির জন্য সরকারকেই দায়ী থাকতে হবে।
তিনি বৃহস্পতিবার ১৮ দলীয় জোটের ডাকা সারাদেশের ন্যায় সিলেটেও হরতাল চলাকালে নগরীতে নগর জামায়াত আয়োজিত মিছিল পরবর্তী সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। এছাড়াও জামায়াতের বিভিন্ন থানার উদ্যোগে নগরীর পাঠানটুলা, দক্ষিণ সুরমা সহ বিভিন্ন স্থানে খন্ড খন্ড মিছিল বের করা হয়।
মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারী মোঃ ফখরুল ইসলামের পরিচালনায় মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মহানগর নায়েবে আমীর হাফিজ আব্দুল হারুন, সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা সোহেল আহমদ, জামায়াত নেতা আব্দুল্লাহ আল মুনিম, এডভোকেট আব্দুর রব, আনোয়ার আলী, হাফিজ মুশাহিদ আহমদ প্রমুখ।
হরতাল সফল করায় সিলেটবাসীকে অভিনন্দন জানিয়ে বক্তারা বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার জনগণ কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয়ে গুম, হত্যা, হামলা ও মিথ্যা মামলার যে অপরাজনীতি শুরু করেছে এ জন্য আওয়ামীলীগকে লজ্জাজনক পতনের মুখোমুখি হতে হবে। দেশপ্রেমিক জনতাকে সাথে নিয়ে জাতীয় নেতৃবৃন্দকে মুক্ত করতে সিলেটবাসীর প্রতি আহবান জানিয়ে বক্তারা বলেন, দেশ-জাতি ও গণতন্ত্র রক্ষার বৃহত্তর স্বার্থে সরকার পতনের একদফা আন্দোলনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
মাধবপুর প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে পিকআপ চালকসহ ৪জন ঘটনাস্থলে নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার হরিতলা নামক স্থানে এ সড়ক দূর্ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় ২জনকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তাদের অবস্থা আশংকা জনক। দূর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে মাধবপুর থানা পুলিশ শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ও মাধবপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া পিকআপ ভ্যানের ভেতর থেকে প্রায় দু ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে একে একে পিকআপ ভ্যানের ভিতরে আটকে পড়া নিহতদের লাশ উদ্ধার করে। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানান, বৃহস্পতিবার সকালে সিলেট ভোলাগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা ট্রাক্টর ভর্তি পিকআপ ভ্যান( সিলেট ন ১১-০৪৩২) ঢাকা অভিমুখে যাওয়ার পথে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ট্রাক (ঢাকা মেট্রো ট ১১-২১৩১) ভোর ৫টার দিকে উল্লেখিত স্থানে পৌঁছলে মুখোমুখির সংঘর্ষ হয়। এ সময় পিকআপ ভ্যানের উপর ট্রাকটি উঠে গেলে পিকআপ ভ্যানটি ধুমড়ে মুছড়ে যায়। এতে ভ্যানের ভিতরে থাকা চালক সহ ৪ জন ঘটনাস্থলেই মারা যায়। নিহতদের মধ্যে ৩ জনের পরিচয় পুলিশ নিশ্চিত করেছে। তারা হলেন কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ থানার বারঘরিয়া গ্রামের আব্দুল খালেকের পুত্র আব্দুল কাদের (২৫) , শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী থানার সাধন (২৪), ভ্যান চালক কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুনদিয়া থানার হাপাসিয়া গ্রামের আশোক মিয়ার পুত্র আনোয়ার মিয়া। এবং মাধবপুর ফায়ার সার্ভিসের এসও কাজল মিয়া জানান খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে গিয়ে প্রায় দু ঘন্টা চেষ্টা করে পিকআপের ভিতর থেকে নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়। সার্জেন্ট নূর জানান ময়না তদন্তের লাশ উদ্ধার করে জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও সিলেট নগর সভাপতি মাহমুদুর রহমান দিলওয়ার বলেছেন- বর্তমান সরকারের প্রত্যেকটি কার্মকান্ড অতীত ইতিহাসকে ভঙ্গ করেছে। সরকার যে ভাবে একের পর এক আইন ও গণতন্ত্রের টুটি চেপে ধরেছে তাতে গোটা দেশবাসী ক্ষুব্ধ। সর্বশেষে সরকার বিরোধী দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দকে আটক করে রাজনীতির ইতিহাসে এক কলংক অধ্যায়ের সুচনা করেছে।
তিনি বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির এর সিলেট মহানগরীর উদ্যোগে আয়োজিত হরতাল চলাকলে মিছিল পরবর্তী সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। নগর সেক্রেটারী আনোয়ারূল ওয়াদুদ টিপুর পরিচালনায় মিছিল পরবর্তী সমাবেশে তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকারের অপশাসন, জুলুম, নির্যাতন, গুম ও হত্যার কারণে আজ তারা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সরকার তা বুঝতে পেরে তাদের দুর্বলতাকে ঢাকতে গিয়ে একের পর এক আইন ও সংবিধান বহির্ভূত কাজ করে যাচ্ছে। সর্বেেশষ ১৮ দলের নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতারই তার প্রমাণ। সুতরাং জনবিচ্ছিন্ন এই ব্যর্থ সরকারের পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর দপ্তর সম্পাদক জাকির হোসেন সিদ্দিকী জামাল, এইচআরডি সম্পাদক অব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক ফখরুল আলম সেলিম, এমসি কলেজ সভাপতি এস এম মনোয়ার হেসেন, সোহাইল আহমদ, ইউসুফ বিন নূরী চৌধুরী সানি, তানভীর আহমদ রনি প্রমুখ।


















